content stringlengths 0 129k |
|---|
নিউজপয়েন্ট সিলেট অনলাইন ডেস্কঃ সংযুক্ত আরব আমিরাতে লটারিতে ২৩ কোটি টাকা জিতেছেন এক প্রবাসী বাংলাদেশি |
আবুধাবির 'বিগ টিকেট' রাফেল ড্রয়ে দশ মিলিয়ন যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৩ কোটি টাকা জিতেছেন শাহেদ আহমেদ মৌলভী |
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, ৫৫ বছর বয়স্ক শাহেদ শনিবার (৩ এপ্রিল) 'বিগ টিকেট' এর রাফেল ড্রয়ে প্রথম পুরষ্কার জিতেছেন |
চট্টগ্রামের বাসিন্দা শাহেদ গত ৪০ বছর ধরে তিনি আমিরাতের আল আইন শহরে বাস করছেন |
তিনি একটি কার ওয়ার্কশপের মালিক |
শাহেদ জানান, গত ২৬ মার্চ 'বিগ টিকেট'র ২২৬ নম্বর র্যা ফেল ড্রয়ের জন্য তিনি ৫০০ দিরহাম দিয়ে ০০৮৩৩৫ নম্বরের টিকিটটি কিনেছিলেন |
বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (বাল্ক সেলস) উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে |
গতকাল ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় |
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান |
অনুষ্ঠানে ঢাকা ডিভিশনের ভোগ্যপণের স্বনামধন্য ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন |
বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন |
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজের বাল্ক সেলস'র প্রধান রেদোয়ানুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা |
অনুষ্ঠানের শুরুতে রেদোয়ানুর রহমান আগত অতিথিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন |
পাশাপাশি কিভাবে আগামী দিনে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবাদানের মাধ্যমে বসুন্ধরার পণ্য আরো জনপ্রিয় করা যায়, তা নিয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন |
ডিজিটাল পশ্চিমবঙ্গ তথা ডিজিটাল ভারতবর্ষের পথে অগ্রনি ভূমিকায় উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া ব্লক প্রশাসন |
সাহিত্য / কবিতা |
কবিতা : ধানে ধন্য নবান্ন |
কবিতা- সংকল্প |
সাহিত্য ও কবিতার কথা : এ কে সরকার শাওন |
সম্পাদকীয় |
দীর্ঘ জীবনে বহু কাছের মানুষের মৃত্যু দেখেও কর্মে অবিচল থাকা কবিগুরু বলেছিলেন "মরণ রে তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান" |
যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শনিবার হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে |
দিবসটি পালনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ হতে ব্যাপক কর্মসূচি নেয়া হয় |
সকাল ৯ টায় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম -এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মচারী ও হাবিপ্রবি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা এক বিশাল বিজয় র্যালিতে অংশ নেয় |
র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে |
সকাল সাড়ে ৯:৩০ টায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম-এর নেতৃত্বে শহীদ মিনার বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন |
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ, কর্মচারি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান |
পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন খান এর সভাপতিত্বে বিজয় দিবস উপলক্ষে অডিটোরিয়াম-১ এ এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় |
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম |
মুখ্য আলোচক হিসেবে "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং বর্তমান বাংলাশে" শিরোনামে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শহিদুল ইসলাম |
আলোচনা সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ডিভিএম অনুষদের ডীন প্রফেসর ডা. মো. ফজলুর হক, হাবিপ্রবি'র ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ আহমেদ নয়ন, মোস্তফা তারেক চৌধুরী |
আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড. মো. রাশেদুল ইসলাম |
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন |
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, মুক্তিযুুদ্ধ শুধু আমাদের বিজয়ের ইতিহাস নয়, আমাদের দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা যোগায় এবং আমাদেরকে উজ্জীবিত করে |
বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশ বিনির্মাণের জন্য দরকার আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়ে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করা |
তিনি আরও বলেন বর্তমান জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার কৃষি বান্ধব ও উন্নয়নের সরকার |
এ সরকার আবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত দেশে পরিনত হবে |
মুখ্য আলোচক হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শহিদুল ইসলাম বলেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস আমাদের জানতে হবে |
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে কাজ করতে হবে |
আমরা এখন আর তলাবিহিন ঝুঁড়ি নই |
উন্নয়নে আমরা এখন এশিয়ার রোল মডেল |
আমাদের গার্মেন্টস শিল্প এখন পৃথিবীর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে |
বিজয় দিবস উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় |
উক্ত প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম |
বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীদের জন্য প্রীতি ভলিবল ম্যাচ, শিক্ষিকা এবং ছাত্রীদের জন্য মিউজিক্যাল চেয়ার অনুষ্ঠিত হয় |
বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয় |
হাবিপ্রবিতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা-২০২১ অনুষ্ঠিত |
: ১৭ অক্টোবর ২০২১ |
হাবিপ্রবিতে প্রজেক্ট কমপ্লিশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত |
: ১০ অক্টোবর ২০২১ |
হাবিপ্রবি-এ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উদযাপন |
: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ |
হাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে "প্রতিষ্ঠা-প্রাপ্তি-প্রত্যাশা" শীর্ষক আলোচনা সভা অন... |
: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ |
বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে হাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত |
: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ |
এম. আব্দুর রহিমের মৃত্যুবার্ষিকীতে হাবিপ্রবি ভাইস-চ্যান্সেলরের শ্রদ্ধাঞ্জলি |
: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ |
কেজিএফ এর জেনারেল বডির সম্মানিত সদস্যবৃন্দের - প্রজেক্ট পরিদর্শণ এবং চলমান গবেষণার ব�... |
ভূমিকা: ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস যাঁর নামটি এক বিশাল জ্যোতিষ্কের মতাে চিরদিন ভাস্বর হয়ে থাকবে তিনি হলেন সুভাষচন্দ্র বসু |
দুঃসাধ্যের সাধক, দুর্গম পথের নির্ভীক এই যাত্রীকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ আশীর্বাদ করে বলেছিলেন - "সুভাষচন্দ্র, বাঙালি কবি আমি, বাংলা দেশের হয়ে তােমাকে দেশনায়কের পদে বরণ করি |
স্বাধীনতা সংগ্রামে সুভাষচন্দ্রের ভুমিকা |
[1] রাজনীতিতে অংশগ্রহণ: ছাত্রজীবন থেকেই সুভাষচন্দ্র ইংরেজ শাসনবিরােধী এক তীব্র মনােভাব পােষণ করতেন |
তাই তিনি ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের লােভনীয় চাকরিকে প্রত্যাখ্যান করেন |
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের অনুপ্রেরণায় তিনি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন |
কংগ্রেসের মধ্যে যে বামপন্থী চিন্তাধারার অনুপ্রবেশ ঘটে তাতে জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে তিনিও নেতৃত্ব দেন |
[2] গান্ধিজির সঙ্গে মতবিরােধ: ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে হরিপুরা কংগ্রেসে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন |
সুভাষচন্দ্রের সংগ্রামী দৃষ্টিভঙ্গি গান্ধিজি ও তাঁর অনুগামীদের ক্ষুদ্ধ করে |
গান্ধিজি ত্রিপুরি কংগ্রেসে (১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ) সভাপতি হিসেবে পট্টভি সীতারামাইয়ার নাম প্রস্তাব করেন |
কিন্তু সুভাষচন্দ্র পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হন |
এতে গান্ধিজি ও তার সমর্থকরা সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে কোনােরকম সহযােগিতা না করার সিদ্ধান্ত নেন |
ফলে বাধ্য হয়ে সুভাষচন্দ্র সভাপতির পদ ত্যাগ করেন |
জাতীয় আন্দোলনকে গতিশীল ও সংগ্রামমুখী করে তুলতে তিনি ফরওয়ার্ড ব্লক নামে একটি নতুন দল গঠন করেন (২২ জুন, ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ) |
পরিণতি হিসেবে সুভাষচন্দ্র কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হন |
[3] ভারত ত্যাগ: ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে সুভাষের যুদ্ধবিরােধী মনােভাবে উদবিগ্ন হয়ে ব্রিটিশ তাকে ভারত রক্ষা আইন-এ গ্রেফতার করে (২ জুলাই, ১৯৪০ খ্রি.) |
মুক্তির দাবিতে সুভাষ কারাগারের মধ্যেই আমৃত্যু অনশন করেন |
স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে পুলিশ তাকে স্বগৃহে অন্তরিন করে রাখে (৫ ডিসেম্বর, ১৯৪০ খ্রি.) |
কিন্তু ব্রিটিশের কড়া প্রহরা এড়িয়ে, জিয়াউদ্দিনের ছদ্মবেশে সুভাষ দেশত্যাগ করেন (১৭ জানুয়ারি, ১৯৪১ খ্রি.) |
[4] জার্মানিতে কার্যকলাপ: দিল্লি থেকে সুভাষ পৌঁছলেন আফগানিস্তানের কাবুলে |
কাবুল থেকে তিনি রাশিয়ায় যান ভারতবাসীর স্বাধীনতালাভে রুশ সাহায্যের লক্ষ্যে |
কিন্তু রুশ রাষ্ট্রপ্রধান স্টালিন এসময় রাশিয়ার ওপর জার্মানির সম্ভাব্য আক্রমণের পরিস্থিতিতে ইংরেজদের সঙ্গে মিত্রতা আশা করেছিলেন |
তাই সাহায্যের কোনাে আশ্বাস না পেয়ে তিনি বিমানযােগে জার্মানির বার্লিনে চলে আসেন (২৮ মার্চ, ১৯৪১ খ্রি.) |
বার্লিনে সুভাষ জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিবেনট্রপের সঙ্গে দেখা করেন এবং জার্মানির সহযােগিতায় ব্রিটিশবিরােধী প্রচার ও বন্দি ৪০০ ভারতীয় সেনাদের নিয়ে একটি মুক্তি সেনা গঠনের প্রয়াস চালাতে থাকেন |
জার্মানির বিদেশ দপ্তরের তথ্যকেন্দ্রের সহায়তায় সুভাষচন্দ্র গঠন করেন ওয়ার্কিং গ্রুপ ইন্ডিয়া, যা পরে 'স্পেশাল ইন্ডিয়া ডিপার্টমেন্ট'-এ রূপান্তরিত হয় |
১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের শেষার্ধে সুভাষচন্দ্র বার্লিনে গিরিজা মুখার্জি, এম. আর. ব্যাস, এ. সি. এন. নাম্বিয়ার-সহ ২০ জন ভারতীয়কে নিয়ে গঠন করেন 'ফ্রি ইন্ডিয়া সেন্টার' |
এর মুখপত্র হয় ইংরেজি ও হিন্দি দ্বিভাষিক পত্রিকা 'আজাদ হিন্দ' |
জার্মানির হাতে বন্দি ভারতীয় সৈন্যদের নিয়ে সুভাষ 'ইন্ডিয়ান লিজিয়ন' বা 'ফ্রি ইন্ডিয়া আর্মি' নামে এক সেনাদল গঠন করেন (ডিসেম্বর, ১৯৪২ খ্রি.) |
এটাই ছিল আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠনের প্রথম পরিকল্পনা |
'উল্লম্ফনকারী ব্যাঘ্র' ছিল সেনাবাহিনীর প্রতীক |
এই সেনাদল, সুভাষচন্দ্রের দেশপ্রেম ও বিপ্লবী আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সর্বপ্রথম তাঁকে নেতাজি অভিধায় ভূষিত করে এবং 'জয়হিন্দ' ধ্বনি দিয়ে অভিবাদন জানায় |
ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামকে গতিশীল করে তােলার উদ্দেশ্যে তিনি 'আজাদ হিন্দ রেডিয়াে', 'ন্যাশনাল কংগ্রেস রেডিয়াে' ও 'আজাদ মুসলিম রেডিয়াে' নামে তিনটি গােপন প্রচার কেন্দ্র থেকে ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি, গুজরাতি, বাংলা ভাষাতে নিয়মিত প্রচারের ব্যবস্থা করেছিলেন |
[5] জাপানি সরকারের প্রতিশ্রুতি আদায়: এদিকে ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে জার্মানির হঠাৎ রাশিয়া আক্রমণ এবং ওই বছর ৭ ডিসেম্বর ব্রিটেন ও আমেরিকার বিরুদ্ধে জাপানের যুদ্ধ ঘােষণায় বিশ্বযুদ্ধের পট পরিবর্তন ঘটে |
সুভাষচন্দ্র উপলদ্ধি করেন যে ভারতের মুক্তি প্রচেষ্টায় জাপানি সহযােগিতাই অধিকতর কার্যকারী হবে |
ঠিক এই সময় জাপান-প্রবাসী বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সুভাষচন্দ্র ৩ মাসের অধিক সময় ধরে এক দুঃসাহসিক সাবমেরিন অভিযান শেষে টোকিও উপস্থিত হন (১৩ জুন, ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ) |
ভারতের স্বাধীনতার প্রশ্নে সুভাষচন্দ্র পরপর দুবার জাপানি প্রধানমন্ত্রী হিদেকি তােজো ( )-র সঙ্গে দেখা করেন |
জাপানের আইনসভা ডায়েট ()-এ সুভাষচন্দ্রের উপস্থিতিতে তােজো ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য জাপানের তরফে সুভাষকে নিঃশর্ত সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন |
স্বাধীনতা সংগ্রামে জাপানি সরকারের সর্বতােভাবে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সুভাষচন্দ্র সিঙ্গাপুরে যান |
[6] আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠা: সিঙ্গাপুরে ৪ জুলাই রাসবিহারী সুভাষচন্দ্রের হাতে তার প্রতিষ্ঠিত ইন্ডিয়ান ইনডিপেন্ডেন্স লিগ বা ভারতীয় স্বাধীনতা সংঘের দায়িত্বভার অর্পণ করেন |
পরে ২৫ আগস্ট নেতাজি আনুষ্ঠানিকভাবে আজাদ হিন্দ ফৌজ-এর সর্বাধিনায়কত্ব গ্রহণ করেন এবং ২১ অক্টোবর আজাদ হিন্দ সরকার নামে অস্থায়ী ভারত সরকার প্রতিষ্ঠা করেন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.