content stringlengths 0 129k |
|---|
শেয়ার লিঙ্ক আলাদা পেজে খুলুনইমেইল করুন ভুল পেলে রিপোর্ট করুন |
হাদিসের শেয়ার লিঙ্ক |
বাংলা/ العربية |
পরিচ্ছেদঃ ৩০. মাকাতাব (নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করে মুক্তিলাভের চুক্তিকারী দাস) সম্পর্কে |
৩০৪৩. হাম্মাদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো লোক তার অসুস্থতার সময় তার একটি ছেলেকে ক্রয় করলো, এ লোক সম্পর্কে ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যদি (এ ক্রয় মুল্য) এক তৃতীয়াংশ থেকে অধিক হয়, তবে সে তার ওয়ারিস হবে, আর যদি তা তার উপর কষ্টকর হয়, তবে সে ওয়ারিস হবে না |
[1] তাহক্বীক্ব: সনদটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ |
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৭৭ নং ১১৮৭২; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬৪৮৫ |
باب الْمُكَاتَبِ |
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ وَسَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي رَجُلٍ اشْتَرَى ابْنَهُ فِي مَرَضِهِ قَالَ إِنْ خَرَجَ مِنْ الثُّلُثِ وَرِثَهُ وَإِنْ وَقَعَتْ عَلَيْهِ السِّعَايَةُ لَمْ يَرِثْ |
হাদিসের মানঃ সহিহ () |
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাদ ইবনু আবী সুলাইমান (রহঃ) |
পুনঃনিরীক্ষণঃ |
সুনান আদ-দারেমী |
২১. উত্তরাধিকার অধ্যায় (كتاب الفرائض) |
শেয়ার ও অন্যান্য |
শেয়ার লিঙ্ক আলাদা পেজে খুলুনইমেইল করুন ভুল পেলে রিপোর্ট করুন |
হাদিসের শেয়ার লিঙ্ক |
বাংলা/ العربية |
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা |
৩৩২৭. হাম্মাদ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, বালক তার নিজ মাল হতে এক তৃতীয়াংশ কিংবা তার চেয়ে কম পরিমাণে ওয়াসীয়াত করতে পারে, তবে তার ওয়ালী বা অভিভাবক তার সুস্থ অবস্থায় দারিদ্রের আশংকা করলে তাকে একাজ হতে বিরত রাখতে পারবে |
কিন্তু তার মৃত্যু কালে তাকে (ওয়াসীয়াত করা থেকে) বাধা দিতে পারবে না |
[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ |
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৪ নং ১০৯০১; সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৩৬ ; আব্দুর রাযযাক ১৬৪২৪ |
باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ |
حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتَوَائِيِّ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ يَجُوزُ وَصِيَّةُ الصَّبِيِّ فِي مَالِهِ فِي الثُّلُثِ فَمَا دُونَهُ وَإِنَّمَا يَمْنَعُهُ وَلِيُّهُ ذَلِكَ فِي الصِّحَّةِ رَهْبَةَ الْفَاقَةِ عَلَيْهِ فَأَمَّا عِنْدَ الْمَوْتِ فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَمْنَعَهُ |
হাদিসের মানঃ সহিহ () |
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাদ ইবনু আবী সুলাইমান (রহঃ) |
পুনঃনিরীক্ষণঃ |
সুনান আদ-দারেমী |
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا) |
দেখানো হচ্ছেঃ ১ থেকে ১২ পর্যন্ত, সর্বমোট ১২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে |
2013-2021 , . |
: |
বাংলা হাদিসের প্রজেক্টসমূহকে সহযোগিতা করুন |
এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে পরিচালিত এবং কোন দল/সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত নয়, আপনাদের সহযোগিতা দ্বীনের এই কাজকে আরও ত্বরান্বিত করবে ইন-শা-আল্লাহ |
চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত সেনাবাহিনীর অব. মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামিকে ফের আদালতে হাজির করা হয়েছে |
সোমবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তাদের হাজির করা হয় |
আজ সকাল থেকে শুরু হওয়া সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে |
গত ৮ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ দিনে ষষ্ঠ সাক্ষীর জেরা শেষে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল তৃতীয় দফার এ সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ দেন |
তৃতীয় দফার প্রথম দিনে তিন সাক্ষীর হাজিরা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম |
জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ফরিদ বলেন, মামলার তৃতীয় দফার সাক্ষ্য চলবে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর |
এ তিন দিনে একাধিক সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করার উদ্যোগ রয়েছে |
দ্বিতীয় দফার শেষ দিন ৮ সেপ্টেম্বর ১০টায় আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর ষষ্ঠ সাক্ষী শহিদুল ইসলামের জবানবন্দি শেষে জেরার মাধ্যমে দ্বিতীয় দফার টানা চার দিনের সাক্ষ্য সম্পন্ন হয় |
অন্য ছয় দিনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হতে সন্ধ্যা হলেও ষষ্ঠ সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা কার্যক্রম বেলা আড়াইটায় শেষ হলে এদিন আদালত মুলতবি ঘোষণা করে তৃতীয় দফার দিন ধার্য করেন বিচারক |
আদালত সূত্র জানায়, অন্যদিনের মতো বুধবারও সকাল পৌনে ১০টার দিকে মামলার আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকতসহ ১৫ আসামিকে কারাগার হতে আদালতে আনা হয় |
দ্বিতীয় দফার চতুর্থ দিনের জন্য হাফেজ মৌলানা শহিদুল ইসলামের সাক্ষ্যের হাজিরা দেওয়া হয় |
প্রথম দিন ছয়জনের এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে তিনজনের হাজিরা দেওয়া হলেও মাত্র একজন করেই সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন করা সম্ভব হয় |
শেষ দিন হিসেবে বুধবার একজনের হাজিরা দেওয়া হয় |
কিন্তু বেলা আড়াইটার দিকে ষষ্ঠ সাক্ষীর জেরা সম্পন্ন হওয়ায় বাকি দুই সাক্ষীকে আদালতে হাজির করেন সরকারি কৌঁসুলি |
কিন্তু বিচারক আদালত মুলতবি ঘোষণা করায় এ দিন আর সাক্ষ্য নেওয়া হয়নি |
পিপি অ্যাডভোকেট ফরিদ বলেন, আমাদের প্রচেষ্টা সব সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা দ্রুত সম্পন্ন করার |
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীগণের অসহযোগিতায় সেটি সম্ভব হয় না |
তারা সাক্ষীকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করে সময় নষ্ট করেন |
আর ১৫ আসামির ১৫ আইনজীবী আলাদাভাবে আধাঘণ্টা করে জেরার সময় নিয়ে সাড়ে সাত ঘণ্টা সময় লাগে |
জবানবন্দি নিতেও সময় লাগে ঘণ্টা দেড়েক |
এতে আদালতের কর্মঘণ্টা ৯ ঘণ্টা এবং মধ্যহ্ন বিরতিসহ দাঁড়ায় ১০ ঘণ্টা |
ফলে একজনের বেশি সাক্ষ্যে আগানো সম্ভব হয়ে ওঠেনি |
কিন্তু বিচারকার্যের সপ্তম দিনে স্বল্পসময়ে জবানবন্দি ও জেরা শেষ হওয়ায় তৃতীয় দফার ধার্য দিনেও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে এভাবে সহযোগিতা করবেন বলে আমার বিশ্বাস |
আদালতের সংশ্লিষ্ট আইনজীবী বাপ্পী শর্মা জানান, গত ২৩ আগস্ট শুরু হয় মেজর সিনহা হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম |
সাক্ষ্যগ্রহণে আদালতের নির্ধারণ করা প্রথম তিন দিনের প্রথম দিন পুরো ও দ্বিতীয় দিনের অর্ধেক সময় মামলার বাদী নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন ফেরদৌসের সাক্ষ্য ও জেরা হয় |
পরে শুরু হয় সিনহার সফরসঙ্গী ও হত্যার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী সিফাতের সাক্ষ্য |
এ দুজনের সাক্ষ্য ও জেরার মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিচারকার্যের প্রথম নির্ধারিত তিন দিন |
ফলে এ তিন দিনের জন্য নোটিশ পাওয়া ১৫ সাক্ষীর মাঝে বাকি ১৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া সম্ভব হয়নি |
গত ২৫ আগস্ট আদালত ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর টানা চার দিন পরবর্তী সাক্ষ্যের জন্য দিন ধার্য করেন |
সেই মতে, ৫ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ১০টার দিকে বাকি সাক্ষীদের একজনের সাক্ষ্য শুরু হয়ে সারাদিন তাকেই জেরায় দিন শেষ হয় |
দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনও একই ভাবে একজন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা হয়েছে |
শেষ দিনও একইভাবে একজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয় |
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান |
তার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে পুলিশ গ্রেফতার করে |
এর পর সিনহা যেখানে ছিলেন, সেই নীলিমা রিসোর্টে ঢুকে তার ভিডিও দলের দুই সদস্য শিপ্রা দেবনাথ ও তাহসিন রিফাত নুরকে আটক করে |
পরে তাহসিনকে ছেড়ে দিলেও শিপ্রা ও সিফাতকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ |
এই দুজন পরে জামিনে মুক্তি পান |
সিনহা হত্যার ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয় |
ঘটনার পর পরই পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করে |
এর মধ্যে দুটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়, একটি রামু থানায় |
ঘটনার পাঁচ দিন পর অর্থাৎ ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস |
চারটি মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় র্যাব |
২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও র্যাব-১৫ কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম |
অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে পুলিশের ৯ সদস্যরা হলেন - বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া ও কনস্টেবল সাগর দেব নাথ |
অপর আসামিরা হলেন- আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজিব ও মো. আব্দুল্লাহ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের করা মামলার সাক্ষী নুরুল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন |
আসামিদের ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন |
তবে ওসি প্রদীপ, কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেব আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি |
এর আগে আসামিদের তিন দফায় ১২ থেকে ১৫ দিন রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল |
সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম |
প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত |
পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৩০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২ |
ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ |
-: .@. |
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত |
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি |
© 2021 |
ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামি ফের আদালতে |
ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামি ফের আদালতে |
কক্সবাজার প্রতিনিধি |
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১০ এএম | অনলাইন সংস্করণ |
চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত সেনাবাহিনীর অব. মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামিকে ফের আদালতে হাজির করা হয়েছে |
সোমবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তাদের হাজির করা হয় |
আজ সকাল থেকে শুরু হওয়া সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে |
গত ৮ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ দিনে ষষ্ঠ সাক্ষীর জেরা শেষে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল তৃতীয় দফার এ সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ দেন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.