content
stringlengths 0
129k
|
|---|
করোনা বিধি মেনে ৬৫-র বেশি ১০ বছরের নীচে যাদের বয়স, তাদের কাউকে পুজো প্যান্ডেলে ঢুকতে দেওয়া হবে না
|
দিনে দু-বার করে মণ্ডপ এবং অডিটোরিয়াম স্যানিটাইজ করা হবে
|
মণ্ডপের ভেতরেই থাকবেই ৬টি স্যানিটাইজার স্ট্যান্ডি
|
যাতে মণ্ডপের ভেতরে যারা রয়েছেন, তাঁরা মাঝেমাঝেই হাত পরিষ্কার করে নিতে পারেন
|
মণ্ডপের ভেতরে থাকবে এগজস্ট ফ্যান এবং পুজোর দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের ফেসমাস্ক এবং ফেসশিল্ড দেওয়া হবে
|
মাস্ক ছাড়া কাউকে প্যান্ডেলের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না
|
দুর্গাপুজো ২০২০: কোন রাশির কেমন কাটবে পুজোর দিন? জেনে নিন...
|
এই বছর মাত্র চার ফুটের প্রতিমা করা হয়েছে
|
হবে না সন্ধিপুজো
|
তবে সবাই এক এক জন করে এসে একটি করে প্রদীপ জ্বালিয়ে যেতে পারবেন
|
২০ জনের ব্যাচ করে অঞ্জলি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে
|
তবে অঞ্জলিতে ফুল এবং বেলপাতা ব্যবহার করা হবে না
|
করোনা বিধি মেনে এই বছর হবে না ভোগ বিতরণ এবং দশমীর সিঁদুর খেলা
|
প্রতি বছর পুজোর দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নানারকম প্রতিযোগিতার আয়োজন করে হায়দরাবাদের বাঙালি সমিতি
|
এই বছর পুরোটাই অনলাইনে
|
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই সঙ্গীত পরিবেশন করবেন কলকাতা এবং মুম্বইয়ের শিল্পীরা
|
পঞ্চমীতে থাকবে বাংলা ব্যান্ড ক্যাকটাস
|
সপ্তমীর সন্ধে অনলাইনে মাতাবেন অনিন্দ্য, রূপংকর, জোজোর মতো কলকাতার নামী শিল্পীরা
|
অষ্টমীর রাতে থাকবেন দুর্নিবার, রূপংকর এবং উজ্জ্বয়িনী
|
নবমীর সন্ধেয় অনলাইনে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন নচিকেতা
|
এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে
|
সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে
|
: আশপাশের তাজা ও গুরুত্বপূর্ণ খবর বাংলায় পড়তে ডাউনলোড করুন এই সময় অ্যাপ
|
টাটকা খবরের আপডেট পেতে ফেসবুকপেজ লাইক করুন
|
মন্তব্য করুন
|
পরের খবরপুজোয় বান্দ্রায় 'ব্যোমকেশ থালি', শিবাজি পার্কে বহাল ঢাকের বাদ্যি
|
এই বিষয়ে আরও পড়ুন
|
হায়দরাবাদে দুর্গা পুজো দুর্গা পুজো ২০২০ 2020
|
: '
|
আমাদের এ লেখা প্রকাশের জন্য মেল করুন @. (প্রথমবার ছবি সহ) পড়তে থাকুন || লিখতে থাকুন || সঙ্গে থাকুন
|
-কেউ দিচ্চি না গো
|
তুমি এট্টু দাও না
|
বেশি কিচ্চু না
|
শুধু এই বইটা দেইকি দশ হাজার টাকা তুইলবু এইটুকুন লিখি দাও
|
-বললাম তো পারবো না
|
হাসানের মা রহিমা বিবি এ নিয়ে ব্যাংকে বোধহয় গোটা সাতেক লোককে বলল এই টাকা তোলার চেকটা লিখে দিতে
|
কিন্তু কেউ রাজি নয়
|
যুগ বদলেছে, মানুষ বদলেছে
|
কেউ কাউকে সাহায্য করতে চায় না এটা যেমন সত্যি, তেমনি আরো একটা সত্যি যে কেউ কারো ঝামেলাতে যেতে চায়না
|
ব্যাংকের দেওয়ালে বড় বড় অক্ষরে লেখা "অকারণে কারো সাহায্য নেবেন না, বিপদে পড়তে পারেন"!
|
সাহায্য নিলে যদি বিপদে পড়তে হয় তো সাহায্য করলেও তো বিপদ হতে পারে? তাই আজকাল মানুষ বড় সতর্ক
|
মানবিকতা যে একেবারে মরে গেছে তা বলা যায় না, তবে তার পদক্ষেপ আজ অনেক বেশি সন্তর্পনে
|
সকাল সকাল বেরিয়ে আসতে পারেনি রহিমা বিবি
|
সংসারের ঊনকোটি চৌষট্টি সেরে আসতে আসতে বারোটা সাড়ে বারোটা
|
অন্যদিন ফকরুল লিখে দেয়
|
ওর এই কাজ
|
যারা পড়ালেখা জানে না, ওর মতো টিপছাপ, তাদের টাকা তোলা, জমা দেওয়ার স্লিপ,চেক লিখে দেয়
|
বদলে পাঁচটা টাকা
|
তা হোক, তবু কাজটা তো হয়ে যায়
|
কিন্তু আজ ওখানে বিশাল ভিড়
|
যেন আজই সব্বার টাকা লাগবে! মনে মনে বিরক্ত রহিমা বিবি
|
হাসানের বাবা দুবাই গেছে এই বছর দুয়েক হলো
|
না গিয়ে উপায় ছিলো না
|
জমিজমা বলতে সবই চলে গেছে বড় মেয়েটার বিয়ে দিতে
|
এখনো দু দুটো মেয়ে ,কুলসুম আর ফাতেমা
|
হাসান তো নেহাতই ছোট
|
সবে পাঁচ কেলাসে পড়ে গাঁয়ের মাদ্রাসায়
|
পড়ালেখা জানে তবে এসব চেকটেক ওকে দিয়ে লেখায় না
|
দশ হাজার টাকা! যদি না পারে, যদি ভুলটুল,কাটাকুটি হয়? তবে তো পুরোটাই নষ্ট
|
তাই প্রতিবারেই ফখরুলকে দিয়ে লিখিয়ে নেয়
|
কিন্তু আজ অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে
|
ফখরুলের হাত আর খালি হয় না
|
কতজনকে বলল কেউ একটু লিখে দিলো না
|
প্রায় দু-তিন ঘণ্টা দাঁড়ানোর পর ফখরুল হাতটা ফাঁকা পেয়ে লিখে দিলে, রহিমা বিবি আঁচলের খুঁটে বাধা পাঁচ টাকার কয়েনটা ঠক করে ওর সামনে নামিয়ে রেখেই দৌড়ালো কাউন্টারের দিকে
|
চারটে বেজে গেলে তো আর টাকা দেবে না
|
আজ ব্যাংকে খুব ভিড়! সোমবার বলেই বোধহয়
|
এত ভিড়! কিন্তু আজ টাকাটা না তুললেই নয়
|
বড় মেয়ে মদিনার শ্বশুর ঘর থেকে চেয়ে পাঠিয়েছে, জামাইয়ের লাগবে
|
কি যে করে রহিমা? তাই তো এতক্ষন দাঁড়িয়ে! না হলে অন্যদিন হলে ফখরুলকে বলে পরেরদিন আসতো
|
মদিনা একেবারে ঘাড়ের উপর দাঁড়িয়ে
|
টাকা নেবে তবে যাবে
|
রহিমা কত বলল
|
-আজ থেইকি যা না
|
তোমাদের জামাই পাইরবি না একা থাইকতি
|
আর বাচ্চাগুলান কেও তো আনিনি
|
রহিমা সব বোঝে
|
বাপ এই বুড়ো বয়সে ভিনদেশে গিয়ে রক্ত জল করে দু পয়সা কামাচ্ছে, তার ভাগ বিয়ে হয়ে গেছে বলে ওই বা ছাড়বে কেন? ওদের অভাবের সংসারে স্বাচ্ছল্য কি ওরা জানে না
|
কিন্তু এখন হাসানের বাপ দুবাই যাওয়ার পর থেকে পাঠানো টাকায় পেট ভরে দুটো মাছ ভাত খেতে পায়
|
ঘরে রঙিন টিভি নিয়েছে
|
তাতে পাড়া-প্রতিবেশী কোন ছাড় নিজের মেয়ে, জামাইয়েরই চোখ টাটায়
|
দীর্ঘশ্বাস ফেলে রহিমা বিবি
|
প্রতিমাসে ও দশ হাজার করে তোলে
|
ওর বাবা অবশ্য কুড়ি করে পাঠায়
|
কিন্তু বাকিটা রেখে দেয় সময় অসময়,বিপদ আপদ বলে
|
যেমন এভাবে রেখেছিল বলেইতো টিভিটা কেনা হলো
|
আর আজ এই মদিনার জন্য টাকা
|
তবে না রাখলেই বোধহয় ভাল হত! ভাবে রহিমা
|
টাকাটা না থাকলে তো আর দিতে হতো না
|
আজকের ঘটনায় ও মনে মনে ভীষণ বিরক্ত
|
কি হতো দশ হাজার টাকা আর ওর নামটা লিখে দিলে
|
তাহলে তো আর এতক্ষণ দাঁড়াতে হতো না
|
মানুষ বড় খারাপ হয়ে যাচ্ছে দিনদিন
|
বুকের ভেতর নোটগুলো পুঁটুলি করে রেখে নিজের মনে বকবক করতে করতে বাড়ি ফিরছে রহিমা
|
-কি চাচী, কাকে গাল পারছো?
|
হালেম মোল্লার ছেলে হারুণ গাছ তলায় দাঁড়িয়ে ওদের জমির মুনিসের তদারকি করছে
|
ওর কথা শুনে হাসি পেয়ে যায়
|
-কাকে আর গাল পাইরবু বাপ? পারছি আমার নসিব কে!
|
- কেন নসিব আবার কি কইরলু? চাচা বিদেশ গিয়ি এখন নসিব তো ভালোই হইয়চি
|
-আর বলিস না বাপ
|
সেই কাকুন ব্যাংকে গিইয়ি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এত খানিক পরে কাজ হইলু
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.