content
stringlengths 0
129k
|
|---|
কেননা শবে বরাতে যে সকল বিষয়ের ফায়সালা করা হয় তা 'সূরা দুখান-এর' উক্ত আয়াত শরীফেই উল্লেখ আছে
|
যেমন ইরশাদ হয়েছে-
|
فيها يفرق كل امر حكيم
|
অর্থাৎ- "উক্ত রজনীতে প্রজ্ঞাসম্পন্ন সকল বিষয়ের ফায়সালা করা হয়
|
" হাদীছ শরীফেও উক্ত আয়াতাংশের সমর্থন পাওয়া যায়
|
যেমন ইরশাদ হয়েছে-
|
فيها ان يكتب كل مولود من بنى ادم فى هذه السنة وفيها ان يكتب كل هالك من بنى ادم فى هذه السنة وفيها ترفع اعمالـهم وفيها تنزل ارزاقهم.
|
অর্থাৎ- "বরাতের রাত্রিতে ফায়সালা করা হয় কতজন সন্তান আগামী এক বৎসর জন্ম গ্রহণ করবে এবং কতজন সন্তান মৃত্যু বরণ করবে
|
এ রাত্রিতে বান্দাদের আমলগুলো উপরে উঠানো হয় অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার দরবারে পেশ করা হয় এবং এ রাত্রিতে বান্দাদের রিযিকের ফায়সালা করা হয়
|
" (বায়হাক্বী, মিশকাত)
|
★ প্রথম তাফসীরগ্রন্থ তাফসীরে কবীর
|
ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী (রহঃ) তার সুপ্রসিদ্ধ গ্রন্থ তাফসীরে কাবীরে সূরা দুখানের আয়াতে ( ليلة مباركة ) লাইলাতুম মুবারকাহ দ্বারা কোন রাত্র বুঝানো হল, এ ব্যাপারে উল্লেখ করেনঃ
|
" এ ব্যাপারে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে মতভেদ রয়েছে
|
অধিকাংশের মতে এটি হলো লাইলাতুল ক্বদর তথা শবে ক্বদর আর হযরত ইকরমা (রহঃ) সহ অপর একদল আলেমের মতে এ রাতটি হলো শবে বরাত আর তা হলো লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান
|
(মধ্য শাবানের রাত্রি) "
|
( তাফসীরে কবীরঃ খ - ১৪, পৃ - ৩৩৮ )
|
অতঃপর ইমাম রাযী (রহঃ) প্রথম মতের পক্ষে সবিস্তারে দলিল উল্লেখ করার পর বলেনঃ
|
" (অতঃপর) যারা এ আয়াতের ليلة مباركة লাইলাতুম মুবারাকাহ এর অর্থ শবে বরাত করেছেন তাদের দৃষ্টিতে শাবানের মধ্য রাত্রের চারটি নাম প্রসিদ্ধ রয়েছে যথাঃ লাইলাতুম মুবারাকাহ, লাইলাতুল বারাআত, লাইলাতুস্সক ও লাইলাতুর রহমাহ
|
বলা বাহুল্য যে, লাইলাতুল বারআত এই জন্যই নামকরণ করা হয়েছে যে, টেক্স আদায়কারী, জনগণ থেকে পূর্ণ কর আদায় করে নেয়ার পর তাদেরকে " বারাআত " (অর্থাৎ দায়মুক্ত) লিখে দিতেন
|
তদ্রূপ আল্লাহ তাআলাও মুমিন বান্দাদেরকে এ রাত্রিতে ক্ষমা মার্জনা করে জাহান্নামের আযাব থেকে মুক্ত বলে লিখে দেন তাই এ রাতকে শবেবরাত বলা হয়
|
( তাফসীরে কবীরঃ খ - ১৪, পৃ - ২৩৯ )
|
★ দ্বিতীয় তাফসীরগ্রন্থ তাফসীরে রূহুল মাআনী
|
আল্লামা আলূসী (রহঃ) তাঁর সুপ্রসিদ্ধ তাফসীরগ্রন্থ তাফসীরে রূহুল মাআনীতে উল্লেখ করেছেনঃ
|
" এবং হযরত ইকরামা ও আরো একদল মুফাসসিরীনেকেরাম বলেন যে, এ রাতটিই হলো শাবানের মধ্য রাত অর্থাৎ শবে বরাত
|
যার নাম রাখা হয়েছে, লাইলাতুররহমাহ, লাইলাতুমমুবারাকাহ, লাইলাতুস্সক (দায়মুক্তির রাত) এবং লাইলাতুল বারাআত (মুক্তি প্রাপ্তির রাত) দিয়ে যারা এ রাতকে লাইলাতুল বারাআত দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন, তারা এর মর্যাদা সম্পর্কে বহু হাদীছ বর্ণনা করেছেন
|
তার মধ্যে একটি হলো, যা ইমাম ইবনে মাজাহ ও ইমাম বায়হাকী (রহঃ) স্বীয় গ্রন্থ শুয়াবুল ঈমানে হযরত আলী (রঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সঃ) ইরশাদ করেনঃ যখন মধ্য-শাবানের মধ্যরাত হবে তোমরা রাতভর ইবাদতের জন্য দাঁড়িয়ে যাও এবং দিনে রোযা রাখ, কেননা আল্লাহ তাআলা এ রাত্রে সূর্যাস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন, আর আহবান করতে থাকেন, কে আছ ক্ষমা প্রার্থনাকারী? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব, কে আছ রিযিক প্রার্থী? আমি তাকে রিযিক দান করব, কে আছ যাচনাকারী? আমি তাকে দান করব
|
কেউ কি এরূপ আছ? কেউ কি এরূপ আছ? এভাবে ফজর পর্যন্ত আহবান করতে থাকেন
|
(তাফসীরে রূহুল মাআনীঃ খ - ৯, পৃ - ১১০ অংশ ১২ )
|
★ তৃতীয় তাফসীরগ্রন্থ তাফসীরে রুহুল বায়ান
|
আল্লামা ইসমাঈল হাক্কী (রহঃ) তাঁর তাফসীর গ্রন্থ রূহুল বয়ানে مباركة ليلة লাইলাতুমমুবারাকাহ শব্দ দ্বারা কোন রাতটিকে বুঝায়, এ নিয়ে বিশেষ আলোচনা করতঃ এক দল মুফাসসিরীনের দৃষ্টিতে এ রাত থেকে লাইলাতুল বারাআত বুঝানো হয়েছে মর্মে বর্ণনা করার পর লিখেনঃ
|
" কোন কোন তাফসীরকারক এখানে লাইলাতুমমুবারাকাহ থেকে মধ্য-শাবানের রাত বুঝিয়েছেন
|
এ রাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর মুমিন বান্দাদের জন্য " বারাআত " নির্ধারণ করেন
|
যথাঃ বর্ণিত আছে যে, হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আযীয (রহঃ) এ রাতে যখন নামায থেকে মাথা উঠিয়েছেন তখন একটি সবুজ রং এর কাগজ (হাতে) পেলেন যার নূরের রস্মি আসমান পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল
|
সেখানে লিখা ছিল " আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর বান্দা ওমর ইবনে আব্দুল আযীযের জন্য জাহান্নামের অগ্নি থেকে মুক্তির ঘোষণা দেয়া হলো
|
" এবং এ রজনীতে নেক বান্দাদেরকে আল্লাহর অসন্তুষ্টি থেকে মুক্তি দেয়া হয়, অনুরূপভাবে বদকার বান্দাদের আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত বলেও ঘোষণা দেয়া হয়
|
এ রজনীর আরো বহু বৈশিষ্ট্য রয়েছে
|
( রূহুল বয়ানঃ খ - ৮, পৃ - ৪০৪ )
|
অতঃপর আল্লামা ইসহাক হক্কানী (রহঃ) শবে বরাতের প্রায় ছয়টি বৈশিষ্ট্য সবিস্তারে বর্ণনা করেন তাঁর এ তাফসীরে
|
★ চতুর্থ তাফসীরগ্রন্থ তাফসীরে কুরতুবী
|
ইমাম কুরতুবী (রহঃ) তাঁর সুপ্রসিদ্ধ তাফসীরগ্রন্থ জামিউল আহকামিল বয়ান এ উল্লেখ করেনঃ
|
" বরকতময় রাত্রি বলতে ক্বদরের রাতকে বুঝানো হয়েছে
|
কেউ বলেছেন, সেটা মধ্য শা'বানের রাত
|
এবং এ রজনীর আরো চারটি নাম রয়েছে
|
যেমন লাইলাতুমমুবারাকাহ, লাইলাতুলবারাআত, লাইলাউস্সক, লাইলাতুররহমাহ
|
হযরত ইকরামা বলেছেন, এ আয়াতে লাইলাতুম মুবারাকাহ অর্থ মধ্য শাবানের রাত্রি
|
তবে প্রথম মতটি অধিক শুদ্ধ
|
فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ
|
অর্থাৎ আমারই নির্দেশক্রমে উক্ত রাতে প্রতিটি প্রজ্ঞাসম্পন্ন বিষয়ে ফয়সালা করা হয়
|
ইবনে আব্বাস (রঃ) বলেনঃ এর অর্থ দুনিয়াবী প্রজ্ঞাসম্পন্ন বস্তুর ফয়সালা আগামী ক্বদরের রাত পর্যন্ত গৃহীত হয়
|
হযরত ইকরামা বলেনঃ এ প্রজ্ঞাসম্পন্ন বিষয়ের ফয়সালা মধ্য শা'বানের রাতেই করা হয় এবং পূর্ণ বছরের যাবতীয় বিষয়ের ফায়সালা হয়
|
জীবিতদেরকে মৃত্যুবরণকারীদের থেকে পৃথক করা হয়
|
( তাফসীরে কুরতুবীঃ খ - ১৬, পৃ - ৮৫ )
|
★ পঞ্চম তাফসীর গ্রন্থ তাফসীরে তবরী
|
ইমাম আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জাবীর তাবারী (রহঃ) তার প্রসিদ্ধ তাফসীর গ্রন্থে লিখেছেনঃ
|
" লাইলাতুমমুবারাকাহ এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে তাফসীরকারকগণের মতভেদ রয়েছে যে, রাতটি বছরের কোন রাত? কোন কোন মুফাসসির বলেনঃ শবে ক্বদর (অতঃপর তাদের দলীল পেশ করেছেন) এবং অন্যান্য মুফাসসিরগণ বলেছেনঃ রাতটি মধ্য-শা'বানের রাত
|
فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ
|
" সে রাত্রে সকল প্রজ্ঞাসম্পন্ন বিষয়ের ফয়সালা করা হয়
|
এ আয়াতেও সে ' রাত ' বলতে কোন রাত বুঝানো হয়েছে, এ বিষয়েও মুফাসসিরগণের মতভেদ রয়েছে
|
(যেমন মতভেদ ছিল مباركة ليلة লাইলাতুমমুবারাকার মধ্যে)
|
কেউ কেউ বলেছেনঃ এ আয়াতেও রাত থেকে শবে কদরকে বুঝানো হয়েছে
|
আবার কারো কারো মতে এ আয়াতেও শবে বরাতকে বুঝানো হয়েছে
|
( তাফসীরে তবরীঃ খ - ১১, পৃ - ২২১-২২২ )
|
ইমাম ইবনে জারীর প্রত্যেক মতের স্বপক্ষে বহু হাদীস দ্বারা প্রমাণ পেশ করেছেন - যা এখানে উল্লেখ করার অবকাশ নেই
|
★ ষষ্ঠ তাফসীর গ্রন্থ তাফসীরে বগবী
|
ইমাম বাগাভী (রহঃ) তার স্বীয় তাফসীরে বাগাভীতে উল্লেখ করেনঃ
|
" লাইলাতুমমুবারাকাহ সম্পর্কে কাতাদাহ, ইবনে জায়েদ (রহঃ) বলেছেন যে, এটা কদরের রাত্র
|
তবে অন্যান্য মুফাসসির বলেছেন, লাইলাতুম মুবারাকাহ এর অর্থ মধ্য-শাবানের রাত
|
এবং হযরত ইকরামা (রহঃ) বলেছেনঃ মধ্য-শাবানের রাত্র, যাতে পূর্ণ বৎসরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করা হয়
|
( তাফসীরে বাগাভীঃ খ - ৪, পৃ - ১১১ )
|
★ সপ্তম তাফসীরগ্রন্থ তাফসীরে খাযেন
|
ইমাম খাযেন (রহঃ) তার তাফসীর গ্রন্থে লাইলাতুম মুবারাকাহ এর সম্পর্কে উল্লেখ করেনঃ
|
" হযরত ইবনে জায়েদ (রহঃ) বলেনঃ লাইলাতুমমুবারাকাহ তা হলো শবে ক্বদর
|
অন্যান্য তাফসীরকারক বলেছেনঃ রাতটি মধ্য শাবানের রাত
|
এবং হযরত ইকরামা (রঃ) বলেন রাতটি মধ্য-শাবানের রাত যেখানে পূর্ণ বৎসরের গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়ের ফয়সালা হয় এবং জীবিত ব্যক্তিদেরকে মৃত ব্যক্তিদের থেকে পৃথক করা হয়
|
( তাফসীরে খাযেনঃ খ - ৪, পৃ - ১৪৩ )
|
★ অষ্টম তাফসীরগ্রন্থ তাফসীরে ইবনে কাছীর
|
ইমাম ইবনে কাছীর (রহঃ) তার স্বীয় গ্রন্থ তাফসীরে কুরআনুল আযীমে উল্লেখ করেছেনঃ
|
" বরকতময় রাত বলতে শবে ক্বদরকে বুঝানো হয়েছে
|
যেমন আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, আমি কুরআনে করীম শবে ক্বদরে নাযিল করেছি এবং কুরআন রমজান মাসেই নাযিল করেছি
|
আর যারা বলেন, বরকতময় রাত বলতে মধ্য শা'বানের রাতকে বুঝানো হয়েছে - যেমনটি ইকরামাহ কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে - তাদের কথা সত্য থেকে বহু দূরে এবং যে হাদীছটি উছমান ইবনে আখনাস থেকে বর্ণিত অর্থাৎ " এক শাবান মাস হতে অন্য শাবান মাস পর্যন্ত মানুষের হায়াত মাউত ও রিযিকের বার্ষিক ফয়সালা হয়ে থাকে এমনকি কোন লোক বিবাহ করে এবং বাচ্চাও জন্ম গ্রহণ করে অথচ সে জানে না তার নাম মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে
|
" এ হাদীছটি মুরসাল (অর্থাৎ হাদীছটিতে রসূল (সঃ) থেকে বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ নেই
|
) এ ধরণের হাদীছ দ্বারা সহীহ হাদীছকে খন্ডন করা যায় না
|
মসজিদে নিজের জন্য সাহায্য চাওয়া নিষেধ এবং এরুপ ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেওয়াও জায়িজ নয়, যেমনটি সদরুশ শরীয়া, বদরুত তরীকা হযরত আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ আমজাদ আলী আজমী(রহঃ) বলেন, মসজিদে ভিক্ষা করা হারাম এবং এরুপ ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেওয়াও নিষেধ
|
(বাহারে শরীয়ত ১/৬৪৭, ৩য় অংশ
|
আলা হজরত (রহঃ) বলেন, আম্মিয়ায়ে দ্বীনরা বলেন, যে মসজিদের ভিক্ষুককে এক পয়সা দিবে, সে যেন সত্তর পয়সা আল্লাহ তা'আলার পথে আরো দেয়, যেনো সে পয়সার গুনাহের কাফফারা হয়
|
(আহকামে শরীয়ত, ৯৯ পৃঃ) এর সমাধান এরুপ যে, যদি আসলেই অভাবী হয় তবে স্বয়ং মসজিদে ভিক্ষা করার পরিবর্তে ইমাম সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে নিজের অভাবের কথা বলবে, ইমাম সাহেব তাকে সাহায্য করার জন্য নামাজীদের নিকট আবেদন করবে এতে কোন সমস্যা নাই(মসজিদের আদব)
|
খুলনা বিভাগ---সিলেট বিভাগঢাকা বিভাগচট্রগ্রাম বিভাগরাজশাহী বিভাগময়মনসিংহ বিভাগরংপুর বিভাগবরিশাল বিভাগখুলনা বিভাগ
|
বাগেরহাট ---যশোর সাতক্ষীরা মেহেরপুর নড়াইল চুয়াডাঙ্গা কুষ্টিয়া মাগুরা খুলনা বাগেরহাট ঝিনাইদহ
|
মোরেলগঞ্জ ---ফকিরহাট বাগেরহাট সদর মোল্লাহাট শরণখোলা রামপাল মোরেলগঞ্জ কচুয়া মোংলা চিতলমারী
|
বারইখালী ---তেলিগাতী পঞ্চকরণ পুটিখালী দৈবজ্ঞহাটি রামচন্দ্রপুর চিংড়াখালী জিউধরা হোগলাপাশা বনগ্রাম বলইবুনিয়া হোগলাবুনিয়া বহরবুনিয়া মোড়েলগঞ্জ খাউলিয়া নিশানবাড়িয়া বারইখালী
|
খুলনা বিভাগ---সিলেট বিভাগঢাকা বিভাগচট্রগ্রাম বিভাগরাজশাহী বিভাগময়মনসিংহ বিভাগরংপুর বিভাগবরিশাল বিভাগখুলনা বিভাগ
|
বাগেরহাট ---যশোর সাতক্ষীরা মেহেরপুর নড়াইল চুয়াডাঙ্গা কুষ্টিয়া মাগুরা খুলনা বাগেরহাট ঝিনাইদহ
|
মোরেলগঞ্জ ---ফকিরহাট বাগেরহাট সদর মোল্লাহাট শরণখোলা রামপাল মোরেলগঞ্জ কচুয়া মোংলা চিতলমারী
|
বারইখালী ---তেলিগাতী পঞ্চকরণ পুটিখালী দৈবজ্ঞহাটি রামচন্দ্রপুর চিংড়াখালী জিউধরা হোগলাপাশা বনগ্রাম বলইবুনিয়া হোগলাবুনিয়া বহরবুনিয়া মোড়েলগঞ্জ খাউলিয়া নিশানবাড়িয়া বারইখালী
|
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
|
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
21 শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি কোর্স 2022
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.