content
stringlengths 0
129k
|
|---|
সুশাসন, ন্যায়বিচার ও আইনি সহায়তা
|
আর্টিকেল ওপিনিয়ন
|
জবাবদিহিতা
|
সম্পদ বিবরণী
|
অভিযোগ ও মামলা
|
আএসপি সেটআপ ম্যানুয়াল
|
সংগ্রহশালা
|
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
|
প্রিয় গানের সংগ্রহ
|
কুমারখালী-খোকসা
|
কুমারখালী উপজেলা
|
১ নং কয়া ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ
|
খোকসা উপজেলা
|
টিমে যোগদান ফরম
|
অভিযোগ ফরম
|
প্রশিক্ষণ আবেদন ফরম
|
দক্ষ কর্মী তৈরিতে বিনিয়োগ, তাদের ধরে রাখা (পর্ব ১)
|
এত কষ্ট করে লোক তৈরি করি, লোক চলে যায় 🙁
|
কেন কর্মী প্রশিক্ষণে এত সময় দেব?
|
কি হবে নতুন লোককে কাজ শিখিয়ে?
|
এগুলো উদ্যোক্তার নিত্য দুঃখ
|
পুরানো প্রশ্ন
|
উত্তরও হয়ত জানা
|
তারপরে স্বগক্তির মত বলা; বারবার বলা
|
এটি এমন একটি সমস্যা - যার কোন সহজ বা আদর্শ সমাধান নেই
|
স্থান, কাল, পাত্র-ভেদে সমাধানও ভিন্ন হয়
|
প্রথমে বুঝতে হবে কর্মী তৈরির বিষয়টিকে আপনি কিভাবে নেন?
|
- জনসেবা : আপনি মহান
|
আপনাকে হাজার সালাম
|
আমি দোআ করি যেন আপনি দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত হন
|
সেই প্রাপ্তি যদি আপনার কাছে মূল্যবান হয় তবে চালিয়ে যান
|
তবে যাকে তৈরি করবেন, তার কাছে কোন প্রত্যাশা রাখবেন না
|
- খরচ : এই দৃষ্টিভঙ্গিটাই ভুল
|
বোকার মত আপনি কেন অকারণে খরচ করবেন
|
মানুষ খরচ করে ভোগে
|
কেউ খরচ করে জনসেবায় বা বিনিয়োগে
|
- বিনিয়োগ : লোক তৈরির খরচটা বিনিয়োগ - সেভাবে ভাবাই যুক্তিযুক্ত
|
আর যেকোনো বিনিয়োগের ঠিকমত হিসেব রাখা দরকার
|
তার রিটার্ন অব ইনভেস্টমেন্ট এবং মুনাফা মডেল ঠিক করে বিনিয়োগে যাওয়া দরকার
|
কিভাবে বিনিয়োগ, কিভাবে রিটার্ন:
|
কর্মী বিষয়ে বিনিয়োগের অসংখ্য নিয়ম আছে, মানদণ্ড আছে
|
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের জনসম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য তাদের সুবিধাজনক উপায়টি প্রয়োগ করে
|
আমার কাছে ফর্মুলাগুলো খুবই জটিল লাগতো
|
তাই নিজের মতো বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করেছিলাম
|
নতুনদের জন্য সেই সহজপাঠ শেয়ার করলাম
|
ধরুন একজন নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটে মাসিক বেতন চাইছে ১৮০০০ টাকা
|
আপনার এসেসমেন্ট অনুযায়ী তাকে দিয়ে মাসে ১২,০০০ টাকার বেশি কাজ করিয়ে নেয়া যাবে না
|
তবে কাজের পাশাপাশি তাকে ২ মাস (নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে) প্রশিক্ষণ দিতে পারলে - সে মাসে ১৮০০০ টাকার পরিমাণ কাজ করে দিতে পারবে
|
এবার ভাবুন আপনার প্রথম দুমাসে দেয়া প্রশিক্ষণের খরচ
|
ওই প্রশিক্ষণ মূল্য মাসিক ৬,০০০ টাকার সমপরিমাণ কি না
|
যদি সমপরিমাণ হয়, তবে তাকে আপনি অফার দেবার বিষয়টি ভাবতে পারেন
|
অফারটি হতে পারে প্রশিক্ষণের শর্ত সহ
|
চুক্তি হতে পারে ৫ মাসের
|
শুরুতে তার বেতন হবে ১২,০০০ টাকা
|
২ মাস কাজের পাশাপাশি সে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে
|
৫ মাস পরে তার থেকে তার বেতন হবে ১৮,০০০টাকা
|
তার মানে - আপনি ওই প্রার্থীর বেতন হিসেবে ১২,০০০ দিচ্ছেন (সেই টাকার টাকার সমান কাজ পাচ্ছেন)
|
এখানে আপনি ৬০০০ টাকা মাসে বাড়তি বিনিয়োগ করছেন
|
মানে পুরো বিনিয়োগ ১২,০০০ টাকা
|
সে আপনার সাথে পরবর্তী ২ মাস কাজ করলেই আপনার বিনিয়োগের টাকা উঠে যাচ্ছে
|
এরপর ১ মাস আপনার বিনিয়োগের লাভ
|
তার পরে তার সাথে আপনার লেনদেন চুকে যাচ্ছে
|
এরপর যদি আপনি মনে করেন সে ভাল কর্মী, আপনার প্রতিষ্ঠানকে সে আরও অনেক কিছু দেবার ক্ষমতা রাখে
|
তখন তাকে ধরে রাখার জন্য আলাদা করে ভাবতে হবে
|
সেক্ষেত্রে তাকে কর্মবাজার অনুযায়ী মূল্যায়ন করতে হবে
|
দুজনের ভালোর জন্য - প্রশিক্ষণের কথা মনে করিয়ে সুবিধা নেবার চেষ্টা করবেন না
|
তবে - প্রার্থীকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে এই দুই মাসে আপনি তাকে কি কি শেখাবেন
|
এই শিক্ষার মূল্য কেন ৬০০০ টাকা করে ধরা যৌক্তিক
|
এটা সে জানার পুরো অধিকার রাখে
|
কারণ ওই ৬ হাজার টাকা প্রার্থী মাসে সে বিনিয়োগ করছে
|
এগুলা প্রার্থীকে ভালভাবে জানতে হবে
|
প্রার্থীকেও মনেপ্রাণে মানতে হবে
|
এখন আপনি বলতে পারেন - এখন তো কন্ট্রাক্ট লেবারের যুগ না
|
কর্মীকে তো চুক্তি দিয়ে বাঁধা যায় না
|
তবে ট্রেনিং এর বিনিয়োগের নিরাপত্তা কিভাবে নিশ্চিত করবো?
|
এক্ষেত্রে একটু কৌশলগত পরিবর্তন আনতে হবে
|
প্রথমে প্রশিক্ষন বিষয়টিকে চাকরির অংশ হতে পৃথক করুন
|
প্রশিক্ষণটিকে রীতিমত প্রডাক্ট হিসেবে প্যাকেজিং করুন
|
এরপর কর্মীর কাছে বিল ভাউচার করে বাঁকিতে বিক্রি করুন
|
আর বাঁকির টাকা যে কেউ না দিলে তাকে তো ধরা যাবেই
|
তবে মনে রাখবেন প্রতিদিনের ট্রেনিং এর ঠিকমত ডকুমেন্টেশন করতে হবে
|
(২য় পর্বে আলাপ হবে ভাল কর্মী ধরে রাখার উপায় নিয়ে)
|
এডিট- এসএস
|
বিভাগ সমূহ আর্টিকেল ওপিনিয়ন,উদ্যোক্তা উন্নয়ন ট্যাগ সমূহ আওয়ামী লীগ,আধুনিক পেশাজীবী,উদ্যোক্তা,উদ্যোক্তা গাইড,উন্নয়ন ও বিকাশ,এমপি,এমপি পদপ্রার্থী,ঔষধ,কুমারখালী,কুষ্টিয়া,খোকসা,চাকুরীজীবী,ট্রেনিং,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,তথ্য প্রযুক্তি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা,তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা,দক্ষ কর্মী,পরামর্শ সভা,পেশা পরামর্শ সভা,প্যাকেজিং,প্রডাক্ট,প্রশিক্ষণ,প্রার্থী,বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান,বিনিয়োগ,মানব সম্পদ,শিক্ষা,সামাজিক আন্দোলন,সিটিও,সুফি ফারুক পোস্টের নেভিগেশন
|
সাইক্লিং করার সময় রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার চন্দ্রিমা উদ্যান সংলগ্ন লেক রোডে প্রাইভেটকার চাপায় নিহত হয়েছেন পর্বতারোহী রেশমা নাহার রত্না (৩৩)
|
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে লেকরোড দিয়ে সাইক্লিং করার সময় একটি প্রাইভেটকার চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়
|
শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইব্রাহিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন
|
এসআই ইব্রাহিম বলেন,আমরা খবর পেয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছি
|
তার পরিবারও এখানে এসেছে
|
শুনেছি একটি প্রাইভেটকার তাকে চাপা দিয়েছে
|
এরপর পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে এই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন
|
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন
|
'সাইক্লিস্ট সাবিনা ইয়াসমীন মাধবী জানান,রেশমা রত্না পর্বতারোহী,দৌড়বিদ এবং সাইক্লিস্ট ছিলেন
|
তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করতেন
|
রেশমার সাইকেলটি পেছন থেকে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে
|
সেটি ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ জব্দ করেছে
|
২০১৯ সালের ২৪ আগস্ট ভারতের লাদাখে অবস্থিত স্টক কাঙরি পর্বত এবং ৩০ আগস্ট কাং ইয়াতসে-২ পর্বতে সফলভাবে আরোহণ করেন রত্না
|
দুটি পর্বতই ছয় হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার
|
২০১৬ সালে বাংলাদেশের পাহাড় কেওক্রাডংয়ের চূড়া স্পর্শ করার মাধ্যমে শুরু হয় রেশমা রত্নার অভিযান
|
ওই বছরই মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য ভারতের উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশিতে অবস্থিত পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নেহেরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টিইনিয়ারিংয়ে যান তিনি
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.