content
stringlengths 0
129k
|
|---|
এবার বেসরকারি প্রতিনিধিদল যুক্ত থাকায় কার্যকর সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে
|
মন্ত্রী আরও জানান, নেদারল্যান্ডসের ওয়াজেনিনজেন ইউনিভার্সিটি কৃষি খাতের সিলিকন ভ্যালি হিসেবে পরিচিত
|
এই প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে
|
তিনি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কিংবা আলাদাভাবে বাংলাদেশ সফরে যাবেন
|
মূলত বাংলাদেশে কৃষি খাতে গবেষণায় কীভাবে প্রতিষ্ঠানটি সহযোগিতা করবে, তা নিয়ে এ সময় বিস্তারিত আলোচনা হবে
|
বাংলাদেশে প্রায় প্রতিবছর পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়
|
এই প্রেক্ষাপটে নেদারল্যান্ডস সফরের সময় এ বিষয়টি নিয়ে কৃষিমন্ত্রী আলোচনা করেছেন
|
এ বিষয়ে নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তা নিয়ে একপর্যায়ে এসে পেঁয়াজের রপ্তানির সুযোগও রয়েছে বলে জানা গেছে
|
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বিশ্বনেতারা যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে বৈশ্বিক সভ্যতার দ্রুত পতন হবে
|
এ ক্ষেত্রে যথাযথ অগ্রগতি না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্ষুধা, সংঘাত এবং গণ-অভিবাসনের ঝুঁকি বেড়ে যাবে
|
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন গতকাল শনিবার রোমে শুরু জি-২০ সম্মেলনের প্রাক্কালে এ সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন
|
এদিকে যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে রোববার জাতিসংঘের কপ-২৬ জলবায়ু সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে
|
বিবিসির খবরে বলা হয়, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জোট জি-২০-এর নেতারা ইতালির রোমের সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন
|
তাঁদের এবারের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন এবং করোনাভাইরাস মোকাবিলার বিষয়টি
|
করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মতো জি-২০ নেতারা রোমে মুখোমুখি হলেন
|
তবে এবারের সম্মেলনে সরাসরি যোগ দেননি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
|
তাঁরা ভার্চ্যুয়ালি সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন
|
কার্বন নির্গমন কমাতে জরুরি পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি বিষয়ে সতর্কবার্তার মধ্যেই এবারের জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে
|
বিশ্বের ১৯টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিলে গড়া জি-২০ গ্রুপকে বিশ্বের ৮০ শতাংশ কার্বন নির্গমনের জন্য দায়ী করা হয়
|
দুই দিনের জি-২০ সম্মেলন শুরুর আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, 'প্রস্তাবিত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে আমাদের সভ্যতা পিছিয়ে যাবে
|
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এমন জীবনের দিকে ঠেলে দিচ্ছি, যার সঙ্গে আমরা কোনো দিন একমত হতে পারব না
|
তবে বরিস জনসন স্বীকার করেন, জি-২০ সম্মেলন বা রোববার শুরু হতে যাওয়া গ্লাসগোতে কপ-২৬ সম্মেলন কোনোটিই বৈশ্বিক উষ্ণতা ঠেকাতে পারবে না
|
জনসন বলেন, 'আমরা সর্বোচ্চ আশা করতে পারি বৈশ্বিক উষ্ণতার গতি কমিয়ে আনার বিষয়টিতে
|
শুক্রবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিশ্বনেতাদের অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে
|
তা না হলে প্রাচীন রোম সাম্রাজ্যের যেভাবে দ্রুত পতন হয়েছিল, বৈশ্বিক সভ্যতা সেভাবেই ভেঙে পড়বে
|
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যর প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, তাঁর ধারণা গ্লাসগোতে জাতিসংঘের কপ-২৬ জলবায়ু সম্মেলনের সফল হওয়ার সম্ভাবনা ১০-এর মধ্যে ৬ ভাগ
|
রোববার গ্লাসগোতে শুরু হতে যাওয়া ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার ও ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হবে
|
রোমে জি-২০ সম্মেলনে অংশ নিয়ে জনসন বলেছেন, 'কপ-২৬ সম্মেলনে আমাদের নেতাদের একসঙ্গে বসে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোতে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে
|
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জি-২০ নেতারা একটি খসড়া বিবৃতিতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখতে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন
|
তবে খসড়ায় থাকা শর্ত মানতে দেশগুলোর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা থাকবে না
|
ওই খসড়ায় অবৈধ বনাঞ্চল ধ্বংস, খনন এবং বন্য প্রাণী ব্যবসা বন্ধ করার জন্য বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে
|
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শুক্রবার বিশ্বনেতাদের সতর্ক করে বলেছেন, জি-২০ নেতাদের মধ্যে নতুন করে আস্থা সৃষ্টি না হলে গ্লাসগোতে আসন্ন জলবায়ু সম্মেলন ব্যর্থ হতে পারে
|
তিনি আরও বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও পদক্ষেপ নিতে দেশগুলোর নেতাদের কাছে আহ্বান জানান
|
আপনার ব্লাড প্রেসার মেশিন, গ্লুকোজ, ব্লাড সুগার মাপার মেশিন, আপনার গর্ভের শিশুর হার্টবিট শোনার পকেট ডপলার, ইনফ্রারেড থার্মোমিটার, পেনসিল থারমোমিটার, ওজন মাপার যন্ত্র কিনুন গ্যাড়ান্টি সহ
|
দ্রুত ডেলিভারি নিন সারা দেশে
|
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে "বীজ অনুমোদন সংস্থা" নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়
|
পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ "বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী" করা হয়
|
সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে
|
সরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত অনুমোদিত জাতের গুণগত মান যাঁচাই এবং বীজের মান উৎকর্ষতা নিরূপণ করতঃ বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ বা সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়
|
দেশে বীজ ফসলের জাত পরীক্ষাপূর্বক ছাড়করণ/নিবন্ধন থেকে শুরু করে মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন, পরীক্ষাগারে ও কন্ট্রোল ফার্মে বীজের মান পরীক্ষণ, প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যুকরণ, মার্কেট মনিটরিং এবংমোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বীজ আইন ও বিধিমালা লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে
|
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বীজ শিল্প উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় উন্নতমানের বীজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ
|
জাতীয় তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক (১৯৮৫-৯০) পরিকল্পনা মেয়াদকালীন সময় পর্যন্ত এ সংস্থার দায়দায়িত্ব ছিল কেবলমাত্র সরকারী পর্যায়ে বিএডিসি'র মাধ্যমে উৎপাদিত নোটিফাইড ফসলের বীজ প্রত্যয়ন করা
|
পরবর্তীতে চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী (১৯৯১-৯৬) পরিকল্পনায় বীজ শিল্পের সাথে জড়িত বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপাদিত নোটিফাইড ফসলের বীজও প্রত্যয়নের আওতাভূক্ত করা হয়
|
এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে
|
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে
|
তার সাথে সাথে বেসরকারী বীজ উৎপাদনকারী সংস্থা বা রেজিস্ট্রিকৃত প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রিত ফসলের বীজ মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন কর্মকান্ড বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়েছে
|
পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শস্যের উৎপাদিত বীজের প্রত্যয়ন করার প্রক্রিয়াও অন্তর্ভূক্ত হবে
|
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী প্রত্যয়নকৃত বীজের মানের নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে প্রত্যয়নকৃত বীজের প্যাকেট/বস্তায় প্রত্যয়ন ট্যাগ লাগানোর পূর্বেই মাঠ পরিদর্শন এবং পরীক্ষাগারে বীজের মান পরীক্ষা করে থাকে
|
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী এসব কর্মকান্ড অত্যন্ত সতর্কতা ও নিষ্ঠার সাথে করে আসছে
|
দেশে একটি শক্তিশালী বীজ শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩ এ বেসরকারী খাতকে বীজ উৎপাদনে উৎসাহিত করা হয়েছে এবং সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে উৎপাদিত বীজের প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণের বিধান রাখা হয়েছে
|
ইতোমধ্যে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে এগিয়ে এসেছে এবং বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী তাদেরকে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করে আসছে
|
এছাড়াও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী চাষী পর্যায়ে উৎপাদিত বীজ, আমদানীকৃত বীজ ও মার্কেট মনিটরিং-এর আওতাধীন বিভিন্ন বীজ পরীক্ষা করে ফলাফল সরবরাহ করছে
|
বীজের উচ্চমান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রথমে বীজ ফসলের মানসম্পন্ন মাঠের প্রত্যয়নপত্র প্রদান করে এবং প্রত্যয়ন প্রাপ্ত মাঠ হতে পরবর্তীতে সংগৃহীত বীজ নমুনার গুণাগুন সরকারি বীজ পরীক্ষাগারে অনুমোদিত মানের হলে ঐ বীজের জন্য প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যু করা হয়
|
এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে অচিরেই দেশে একটি শক্তিশালী বীজ শিল্প গড়ে উঠবে, বীজের মান উত্তোরত্তর বৃদ্ধি পাবে, ফলশ্রুতিতে দেশে টেকসই খাদ্য নিরপত্তা অর্জিত হবে এবং দেশ কাঙ্খিত সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে
|
এক নজরে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী
|
স্থাপিত : জানুয়ারী, ১৯৭৪
|
মোট জমির পরিমাণ : ১৭.৫৬ একর (সদর দপ্তর)
|
অফিস ক্যাম্পাস : ৫.৫৬ একর
|
কন্ট্রোল ফার্ম : ১২.০০ একর
|
ভবন (সদর দপ্তর) : ৪টি (প্রশাসনিক ভবন, কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার, জাত পরীক্ষাগার ও ডরমিটরী
|
আবাসিক কোয়ার্টার : ১১টি
|
কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার : ১ টি
|
জাত পরীক্ষাগার : ১ টি
|
আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার : ৭ টি (৭ টি- ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর
|
মিনি বীজ পরীক্ষাগার : ২৫ টি
|
কন্ট্রোল ফার্ম ( সদর দপ্তর) : ১ টি
|
আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিস : ৭ টি {ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী (ঈশ্বরদী, পাবনায় অবস্থিত), বরিশাল (পটুয়াখালীতে অবস্থিত), সিলেট, খুলনা (যশোরে অবস্থিত) ও রংপুর}
|
বুধবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে লামিয়া সুপার মশার কয়েল প্রতিষ্ঠানকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে বিএসটিআই এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা নাজ নীরা
|
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রসিকিউটর এ এন এম ফরহাদ হোসেন, অফিসার খালিদ হোসেন, ফিল্ড অফিসার সিকান্দার মাহমুদ
|
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল উৎপাদন করে বিভিন্ন নামে যেমন- তুলসী পাতা, নিমপাতা, সুপার কিং, এশিয়া কিং লামিয়া সুপার মশার কয়েল বাজারজাত করে আসছে
|
এসময় সকলের উপস্থিতিতে কারখানার এক ট্রাক মাল জব্দ করে বিএসটিআই অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়
|
এবং দুটি গোডাউন সিলগালা করে দেয়া হয়
|
বিএসটিআই এর ফিল্ড অফিসার সিকান্দার বলেন, মালামাল জব্দ করা হয়েছে, এরপরও যদি এই প্রতিষ্ঠানের মালিক শামসুদ্দিন লাইসেন্সবিহীন কোন পণ্য উৎপাদন বা বাজারজাত করে সে ক্ষেত্রে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে
|
অনুষ্ঠানের শুরুতেই রয়েছে আন্তর্জাতিক খবরসহ আমাদের ঢাকা এবং কলকাতা সংবাদদাতাদের রিপোর্ট সম্বলিত 'বিশ্ব সংবাদ', এর পর রয়েছে ওয়ার্ল্ড উইন্ডোতে আন্তর্জাতিক প্রসংগ, বিজ্ঞান জগত, যুব সংবাদ, শ্রোতাদের চিঠি পত্রের জবাবের অনুষ্ঠান 'মিতালী' এবং আমাদের অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে রয়েছে যথারীতি সংক্ষিপ্ত সংস্করণে বিশ্ব সংবাদ
|
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
|
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
খুলনা বিভাগ---সিলেট বিভাগঢাকা বিভাগচট্রগ্রাম বিভাগরাজশাহী বিভাগময়মনসিংহ বিভাগরংপুর বিভাগবরিশাল বিভাগখুলনা বিভাগ
|
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
|
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
দিশেহারা শুকুর আলী চোখের সামনে দেখেছেন, চাহিদা মতো জিনিস না পেয়ে ক্রেতারা পাশের দোকান থেকে জিনিস কিনছেন
|
তার চেনা-পরিচিত কাস্টমারও হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে
|
নাটোরের মুলাডুলি এলাকার বাসিন্দা তিনি
|
পেশায় একজন দক্ষ মুদি ব্যবসায়ী
|
কোভিড-১৯ এর কারণে গত মার্চ মাস থেকে তিনি সম্মুখীন হোন এক কঠিন পরীক্ষার
|
রোগের ভয় তো আছেই, সেইসঙ্গে দোকানের ক্রেতা ও মূলধন কমে যাওয়া যেন তাকে অথৈ সাগরে ফেলে দেয়
|
ব্যাবসা করতে গেলে টাকার লেনদেন থাকা চাই
|
হাতে টাকা না থাকলে দোকানে মালপত্র উঠানো যায় না, আবার দোকানে মালামাল না থাকলে ক্রেতা আসে না, বিক্রি কমে যায়
|
সারা দেশে তখন লকডাউন চলছিল
|
এর মধ্যে বিক্রির চাহিদা বেড়েছিল কিন্তু টাকার অভাবে তিনি দোকানে জিনিস তুলতে পারছিলেন না
|
সবাই বিপদে, কাজেই কার কখন টাকার দরকার হয় এই ভাবনা থেকে আত্মীয়স্বজনরাও ধার দিতে চাননি
|
এমনকি মহাজনেরাও এই মহামারির মধ্যে বাকি মালামাল দিতে নারাজ
|
একজন ব্যবসায়ীর জন্য এ ভীষণ বিপদ!
|
একবার ক্রেতারা ফিরে যেতে শুরু করলে সেই ব্যাবসা চালু হতে অনেক সময় লাগে
|
তাই শেষ চেষ্টা হিসেবে শুকুর আলী ব্র্যাকের কাছেই সাহায্য চাইলেন
|
তিনি আগে থেকেই ব্র্যাকের সদস্য
|
তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানকে সচল রাখতে ব্র্যাক আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়ায়
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.