content stringlengths 0 129k |
|---|
মামুনুল হক : বলুম তো |
তুমি বিষয়টা মানে অন্যান্য কথা বলতে হইবো, পরিস্থিতিটা এমন হইয়া গেছে |
এখন এই জন্য তুমি আবার মাঝখান দিয়া অন্য কিছু মনে কইরো না |
তোমাকে কেউ জিজ্ঞেস করলে 'তুমি বইলো হ্যাঁ আমি সব জানি |
' এই রকম কিছু একটা বইলো |
মামুনুল হকের স্ত্রী : ঠিক আছে |
মামুনুল হক : আচ্ছা |
আসসালামু আলাইকুম |
পরে আরেকটি কথোপকথন ফাঁস হয়, যা মামুনুলের সঙ্গে তার রিসোর্টের সঙ্গীনির মধ্যকার বলে প্রতীয়মান হয় |
সেখানে সেই নারী জানান, তিনি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তার মায়ের একটি বন্ধ মোবাইল নম্বর দিয়েছেন |
আর অন্য একজন যখন তাকে কোথায় বিয়ে হয়েছে জিজ্ঞেস করেছে, তখন তিনি বলেছেন, এটা জানেন না |
মামুনুলের সঙ্গে কথা বলে নেবেন |
আরও একটি কথোপকথনে বোঝা যায় মামুনুলের বোন কথা বলেছেন হেফাজত নেতার চার সন্তানের জননী স্ত্রীর সঙ্গে |
তিনি তাকে বুঝিয়েছেন, কেউ যদি তাকে ফোন করে, তাহলে তিনি যেন বলেন, তিনি বিয়ের অনুমতি দিয়েছেন এবং তার শাশুড়ি এই বিয়ের আয়োজন করেছেন |
এরপর মামুনুল ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, তিনি বিয়ে করেছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর স্ত্রীকে |
পারিবারিকভাবেই এই বিয়ে হয়েছে |
পরদিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি একে একটি মানবিক বিয়ে উল্লেখ করে লেখেন, সেই নারীর সঙ্গে তার স্বামীর ছাড়াছাড়ির আগে তিনি সংসার ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন |
ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর মেয়েটি দুর্দশায় পড়ে যায় |
সে সময় তিনি বিয়ে করে নিয়েছেন তাকে |
সুশিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড |
ব্যক্তি, পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রের আলোর পথের দিশারী |
আদর্শ জাতি ও সভ্য-সমাজ বিনির্মাণে খোদাপ্রদত্ত জ্ঞান-বিজ্ঞান তথা মাদরাসা শিক্ষার বিকল্প নেই |
নশ্বর এ ধরায় যুগে যুগে যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে সেগুলোর মাঝে অন্যতম ও সর্বোত্তম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ... |
: |
/ |
জামেয়া সম্পর্কে |
হিফযুল কুরআন |
নূরানী বিভাগ |
মুতাওয়াসসিতাহ |
জামেয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গা সিলেট, বাংলাদেশের বৃহত্তম ও প্রাচীন দ্বীনি বিদ্যাপীঠ সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি মাদরাসা |
শতবর্ষী এ জামেয়া অত্যন্ত সুনাম ও সুখ্যাতির সাথে দ্বীনি খিদমাত আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে |
গত ২০-০৮-২০১৯ তারিখে মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর সাথে - এর প্রতিনিধিবৃন্দের সাক্ষাৎ এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে লভ্যাংশের চেক হস্তান্তর |
১৬ শতাংশ জমিসহ বাবার রেখে যাওয়া বাড়িতে বৃদ্ধা মা, স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন বিবি শাহিদা (২৮) |
গ্রামের আর ১০টি পরিবারের মতই কৃষি উৎপাদিত আয়ের অংশ দিয়ে চলতো তার সংসার |
সেই স্মৃতিময় দিনগুলো আজ শাহিদার চোখে যেন শুধুই স্বপ্ন! গত চার বছর পূর্বে মেঘনার করাল গ্রাসে নদীতে বিলিন হয়েছে তার শেষ আশ্রয়স্থল |
একই সময় ভেঙে যায় স্বামীর সাথে গড়া সংসারটুকুও |
সর্বস্ব হারিয়ে বৃদ্ধা মা ও সন্তানদের নিয়ে নদীর পাড়েই অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি |
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের চর ফলকন ইউনিয়নের পশ্চিম লুধুয়া গ্রামের বাসিন্দা স্বামী পরিত্যক্তা বিবি শাহিদা |
নদীর পাড়ে বসে ওমানী টুপি বুনতে বুনতে শাহিদা জানান, 'নদীর পাড়ে জন্ম নেওয়াটাই এখন অপরাধ! বশতভিটে ও স্বামী (মইজ উদ্দিন)'- দু'টো এক সাথে হারিয়ে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলাম |
এখন টুপি বুনে মাসে ৭০০ টাকা পাই তা দিয়ে বৃদ্ধা মায়ের ঔষুধ খরচই চলে না |
আশপাশের মানুষ সহযোগিতা করলে খেয়ে বাঁচি |
৮ বছর ধরে লুধুয়া মাছঘাটে চায়ের দোকান করছেন চার সন্তানের জনক আবদুল মালেক |
গত কয়েক বছরে মেঘনায় তার বাড়ি চার বার ভেঙেছে |
প্রথমবার কৃষ্ণপুর গ্রামে পৈত্রিক ভিটে, দ্বিতীয়বার পাতার চর গ্রামে ২০ শতাংশ জমি কিনে বাড়ি করেন |
সেটিও নদীতে বিলিনের পর কলোনী নামক এলাকায় ১২ শতাংশ জমিতে পুনরায় করা বাড়ি, এরপর চতুর্থবার লুধুয়া সরকারী দীঘির পাড়ে ২৪ শতাংশ জমিতে তৈরি করা বাড়িটিও তলিয়ে যায় |
বাধ্য হয়ে নদীর পাড়েই অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে ঘর তুলে পরিবারের মাথা গুজিয়েছেন তিনি |
মেঘনা নদীরপাড় ১২০টি দোকান নিয়ে গড়ে উঠা মোশারফ হোসেন 'বাঘার হাট' নামক বাজার |
দীর্ঘদিনের পুরনো বাজারটি এখন মাঝ নদীর তলদেশে |
ওই বাজারের খাবার হোটেল ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম জানান, শুধু বর্ষায় ভাঙন নয়, পাশাপাশি পাড়ে এক-একটি গোল চক্র সৃষ্টি হলে ২০/২৫শতাংশ জায়গা একত্রে তলিয়ে যায় |
গত ১২ বছরে ৩০ বার তার হোটেল স্থানান্তর করতে হয়েছে |
এর মধ্যে গত মাসেই চার বার সরিয়েছেন খাবারের হোটেলটি |
শুধু স্বামী পরিত্যক্তা বিবি শাহিদা, দোকানদার আবদুল মালেক ও হোটেল ব্যবসায়ী তাজুল ইসলামই নয়, মেঘনার ভয়াবহ ভাঙনের কবলে নিঃস্ব হয়েছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক বাসিন্দা |
তীব্র স্রোতে একের পর এক বিলিন হয়েছে শতাধিক বশতভিটা, বিস্তৃর্ণ ফসলী জমি, রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য ক্লিনিক ও আশ্রয়ণ কেন্দ্র |
ছোট ছোট প্রকল্পে বালুবর্তি জিও ব্যাগ পেলেও ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না |
দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তীব্র ভাঙনে বিলিন হবে দুই উপজেলার সরকারি-বেসরকারিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনা |
এদিকে গত পহেলা জুন'২১ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মেঘনার ভাঙন রোধে রামগতি-কমলনগর উপজেলার ৩১ কিলোমিটার তীর রক্ষাবাঁধ নির্মাণের জন্য ৩ হাজার ৮৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা |
প্রক্রিয়া অনুযায়ী বরাদ্ধ পেলে ১০ কিলোমিটার হারে তিন ধাপে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ প্রকল্পের কাজ শুরু করা যাবে বলে জানান লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী |
তবে তীর রক্ষবাঁধ বাস্তবায়নে অন্য কোন ঠিকাদার নয়, একক সেনা বাহিনীর মাধ্যমেই পুরো ৩১ কিলোমিটার টেকসই রক্ষাবাঁধ নির্মাণের দাবী উপকূলের বাস্ত্যুহারা বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের |
জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলার ৫ উপজেলার মধ্যে সদর আংশিক, রায়পুর, কমলনগর ও রামগতি উপজেলা মেঘনা উপকূলে |
এরমধ্যে কমলনগর ও রামগতি উপজেলার ৩৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মেঘনার ভাঙন |
এর মধ্যে কমলনগরে অংশে দৈর্ঘ্য ১৭ এবং রামগতি অংশে ২০ কিলোমিটার |
বিগত ২০১৪ সালে মেঘনার তীর রক্ষাবাঁধ নির্মাণের জন্য ১,৩৫০ কোটি টাকার প্রকল্প দেয় একনেক সভা |
প্রথম ধাপে ১৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে রামগতি সাড়ে ৪ কিলোমিটার ও কমলনগরে ১ কিলোমিটার তীর রক্ষাবাঁধ নির্মাণ করা হয় ২০১৭ সালে |
এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৫ কিলোমিটার ও তৃতীয় ধাপে ১৪ কিলোমিটার রক্ষা বাঁধের কাজ ২০১৯ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রথম ধাপের কাজ শেষ হতেই প্রকল্পটি বাতিল করা হয় |
কিন্তু মেঘনার অব্যহত ভাঙন থেকে রক্ষা মেলেনি উপকূলের বাসিন্দাদের |
তীব্র ভাঙণ ও জোয়ারে পানিতে বাস্তুহারা হয়েছে দুই উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ |
রাস্তা-ঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীতে তলীয় গেছে |
অধিকাংশ স্থানেই বন্ধ হয়েছে শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা |
স্থানীয়রা জানান, ১৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রক্ষাবাঁধ দু'টির মধ্যে রামগতি অংশে সাড়ে ৪ কিলোমিটার নির্মাণ কাজ করেন সেনা বাহিনী |
যা আজও অক্ষত |
অথচ অপর অংশে কমলনগরের মাতাব্বরহাট এলাকায় ঠিকাদার দিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে ১ কিলোমিটার তীর রক্ষাবাঁধ নির্মাণ করা হয় |
কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই ৮ বার ধসে যায় বাঁধটি |
এতে বার বারই ক্ষতির শিকার হচ্ছেন স্থানীয়রাই |
তাই টেকসই রক্ষাবাঁধ নির্মাণের জন্য নতুন প্রকল্পের ৩১ কিলোমিটার তীর রক্ষাবাঁধ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবী তাদের |
এতে তীব্র ভাঙণ থেকে রক্ষা পাবে দুই উপজেলার বাসিন্দারা |
অন্যথায় বেস্তে যেতে পারে সরকারের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের উন্নয়ন প্রকল্প |
গত বছর মেঘনার ভাঙন থেকে কমলনগরের নাছিরগঞ্জ বাজার এলাকায় স্থানীয়দের অর্থায়নে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এবং তরুনদের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা হয় তিন কিলোমিটার জংলাবাঁধ |
সরেজমিনে দেখ যায়, তীব্রস্রোতে নাছিরগঞ্জ এলাকার সেই জংলাবাঁধটি আজ নদীতে বিলিন |
অপরদিকে লুধুয়া বাজার এলাকায় ভাঙন তীব্র হয়ে উঠছে |
জোয়ারের স্রোতে ভাঙনের পাশাপাশি নদীর পাড়ে এক একটি গোল চক্র সৃষ্টি হয়ে ২০/২৫ শতাংশ পরিমাণ ভূমি তথা এক এক জনের ভিটেমাটি ও ফসলের জমি তলিয়ে যাচ্ছে |
কমলনগর উপজেলার ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রাকিব হোসেন আবীর আকাশ জার্নালকে বলেন বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে রক্ষাবাঁধ নির্মাণ করার দায়িত্ব দিলে এ অঞ্চলের মানুষের কথা চিন্তা করবে না |
নিজের লাভের কথা চিন্তা করেই অমিয়ম করবে, যার প্রমান পূর্বের মাতাব্বরহাট এলাকার এক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ |
প্রকল্পের টাকা জলে না ঢেলে সেনা বাহিনীর মাধ্যমে টেকসই তীর রক্ষাবাঁধ নির্মাণের দাবী তাদের |
রামগতি উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন হেলাল বলেন- তীব্র ভাঙনে মেঘনা ভিটেমাটি হারা করেছে এ অঞ্চলের নিম্নআয়ের অধিকাংশ মানুষ |
একনেকে তীর রক্ষাবাঁধ প্রকল্পের অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি রামগতিবাসীর পক্ষ থেকে চির কৃতজ্ঞতা |
তবে রামগতিবাসী চায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ |
তাই টেকসই বাঁধ নির্মাণ কল্পে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নদী তীর বাঁধ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবী জানান তিনি |
তথ্য অনুসন্ধানে ভাঙন কবলিত ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কমলনগর উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ১৬টি ওয়ার্ডে বর্তমানে প্রতিনিয়তই ভাঙছে |
ভাঙন কবলে চর ফলকন ইউনিয়নে ৫ হাজার বাসিন্দা, সাহেবেরহাট ইউনিয়নে ৩০ হাজার, চর কালকিনিতে ১৫ হাজার, পাটারিরহাট ইউনিয়নে ১৫ হাজার, চর মার্টিন ও চর লরেঞ্চ ইউনিয়নে ৫ হাজার বাসিন্দা বাস্তুহারা হয়ে হয়েছেন |
অপরদিকে রামগতি উপজেলার ৬ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৩৪টি ওয়ার্ড মেঘনার ভাঙন কবলে রয়েছে |
তবে বড়খেরী ইউনিয়নে ১০ হাজার, চর আলেকজান্ডার ইউনিয়নে ১০ হাজার ও চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নে ১০ হাজার বাসিন্দা মেঘনায় হারিয়েছেন তাদের সর্বস্ব |
কমলনগর উপজেলার চর ফলকন ইউনিয়ণ পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী হারুন অর রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, মেঘনার ভাঙনে তার ইউনিয়নের ৩,৭,৮ ও ৯নং সহ ৪টি ওয়ার্ড বিলিন হয়ে গেছে |
কৃষ্ণপুর থেকে ৭ কিলোমিটার এলাকা এখন নদীর তীরে |
ভাঙন কবলীত মানুষগুলো অন্যত্র চলে যাওয়ায় ওইসব ওয়ার্ডের কোন বাসিন্দার চাকুরী কিংবা অন্য কোন সরকারি ভেরিফিকেশনের তথ্য জানাতে গিয়ে চরম বেকায়দায় পড়তে হয় |
একই সমস্যার কথা জানালেন রামগতির চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন |
তার ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডই নদীতে বিলিন |
দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদী তীরে রক্ষাবাঁধ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন আন্দোলন করে আসছে কমলনগর-রামগতি বাঁচাও মঞ্চ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন |
সম্প্রতি ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে সংগঠনটির আহ্বায়ক ও সুপ্রীম কোর্টে আইনজীবী আবদুস সাত্তার পলোয়ান গণমাধ্যমকে জানান, গত ২০ বছরে মেঘনা কি পরিমাণ মানুষের সর্বনাশ করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.