content stringlengths 0 129k |
|---|
রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ |
৫| ২৯ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০৩ |
চাঁদগাজী বলেছেন: |
আপনার ভাগনেয়ী ভালোভাবে কোর্সটা শেস করুক, এড় জন্য শুভকামনা রলো |
বিরানী, তেহারী ইত্যাদির পরিমাণ কমিয়ে দেন |
৩০ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৫৮ |
রাজীব নুর বলেছেন: বিরানী, তেহারী ইত্যাদি খাবার আমি খেতে চাই না |
কিন্তু তারপরও খেয়ে ফেলি |
একটু বেশিই খেয়ে ফেলি |
i i g u ig u C C |
/ টপ নিউজ / আ'লীগের সভাপতি-সম্পাদক ছিলেন যারা |
আ'লীগের সভাপতি-সম্পাদক ছিলেন যারা |
প্রকাশিতঃ ১০:১২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০১৬ |
টেকনাফ টুডে ডেস্ক | |
বাংলাদেশের প্রাচীন দল আওয়ামী লীগ |
অসাম্প্রদায়িক আর সাধারণ, খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যুগে যুগে বহু নেতা তৈরি হয়েছেন এই দলে |
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এসব নেতাকে দল পরিচালনায় অন্তর্ভুক্ত করে সফল হয়েছে আওয়ামী লীগও |
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৯টি জাতীয় সম্মেলন হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া এ দলটির |
জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যনির্বাহী কমিটি পর্যন্ত নির্বাচিত হয়েছেন শত শত নেতা |
সভাপতি ৭ জন: |
এ পর্যন্ত সভাপতি হয়েছেন ৭ জন |
এর মধ্যে বর্তমান সভাপতি শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ ৭ বার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ৩ বার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন |
এছাড়া মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ দুইবার এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও আবদুল মালেক উকিল ১বার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন |
আর সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন ১ বার দলের আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন |
সাধারণ সম্পাদক ৯ জন: |
এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ৯ জন |
সবচেয়ে বেশি ৪ বার করে হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিল্লুর রহমান |
এছাড়া তাজউদ্দিন আহমেদ ৩ বার, আবদুর রাজ্জাক ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ২ বার করে, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক এবং আবদুল জলিল একবার করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন |
১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে জন্ম নেয় পূর্ব পাকিন্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ |
পরে ১৯৫৫ সালের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয় আওয়ামী লীগ |
শুরু থেকেই মাঠ পর্যায় থেকে উঠে আসা নেতারা নেতৃত্ব দিয়েছেন দলটিকে |
প্রভাবশালী বা অভিজাত হিসেবে পরিচিতরা সেভাবে আসেনি এই দলে |
পাকিস্তান আমল : |
আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে প্রথম জাতীয় সম্মেলনে প্রতিনিধি ছিল প্রায় ৩শ' জন |
উদ্বোধনী ভাষণ দেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী |
পরে প্রতিনিধিদের সমর্থনে ৪০ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয় |
এই সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক হন শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান |
১৯৫৩ সালের ৩ থেকে ৫ জুলাই মুকুল সিনেমা হলে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় সম্মেলন |
এই সম্মেলনেও সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী |
আর দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদটি পান শেখ মুজিবুর রহমান |
১৯৫৫ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর রূপমহল সিনেমা হলে তৃতীয় সম্মেলনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয় দলের |
দলের নাম থেকে ইসলাম শব্দটি বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের |
এ সম্মেলনে প্রথমবারের মত ৫ জন নারীও অংশ নেন |
এ সম্মেলন পুনরায় নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান |
১৯৫৭ সালে চতুর্থ সম্মেলনের আগে দলের মধ্যে বিভক্তির পর আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন মাওলানা ভাসানী |
১৩ জুন আরমানিটোলার নিউ পিচকার হাউজে এবং পরদিন গুলিস্তান সিমেনা হলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রতিনিধি ছিল ৮শ' জন |
এ প্রতিনিধিদের ভোটে মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন |
দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে |
৬ মার্চ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল প্রায় ১ হাজার |
এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হন মাওলানা তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান |
১৯৬৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনটি ছিল আওয়ামী লীগের জন্য ঐতিহাসিক একটি সম্মেলন |
এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর ছয়দফা দলীয় ফোরামে পাস হয় |
১৮ থেকে ২০ মার্চ হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান |
আর প্রথমবারের মতো সাধারণ সম্পাদক হন তাজউদ্দীন আহমেদ |
এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৪৩ জন |
১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কারাগারে আটক তখন অনুষ্ঠিত হয় দলের সপ্তম জাতীয় সম্মেলন |
১৯ থেকে ২০ অক্টোবর হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম |
প্রায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কাউন্সিলর ও ডেলিগেট এতে অংশ নেন |
এতে আবার শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত হন |
১৯৭০ সালের উত্তাল সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের অষ্টম জাতীয় সম্মেলন |
এ সম্মেলনের মাধ্যমে ৬ দফা ও ১১ দফা গ্রহণ করে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নেয় |
৭০ সালের ৪ থেকে ৫ জুন হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ছিল ১ হাজার ১৩৮ জন |
কাউন্সিলরদের ভোটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন |
স্বাধীন বাংলাদেশে সম্মেলন: |
১৯৭২ সালের ৭ থেকে ৮ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের প্রথম এবং সব মিলিয়ে নবম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১১২, সার্কিট হাউজ রোডে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে |
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন এবং পুনর্বাসনসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য শপথ নিয়ে এ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় |
এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন |
আওয়ামী লীগের ১০ম জাতীয় সম্মেলন ১১২ সার্কিট হাউজ রোডে দলীয় কার্যালয়ে সামনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত |
সম্মেলনের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন |
এতে এ এইচ এম কামরুজ্জামান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন |
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারের নিহত হওয়ায় তৎকালীন সামরিক সরকারের ভয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা ঘরছাড়া হয় |
এতে নেতৃত্বশূন্য হয় দলটি |
এমন একটি পরিস্থিতিতে ১৯৭৭ সালের ৩ থেকে ৪ এপ্রিল হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে দলের ১১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় |
এতে কাউন্সিলর ছিলেন প্রায় ১ হাজার ৪শ' জন এবং ডেলিগেটও সমসংখ্যক ছিল |
এতে দলের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন |
এর পরের বছর ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১২তম জাতীয় সম্মেলন |
৩ থেকে ৫ মার্চ হোটেল ইডেন প্রাঙ্গনে প্রায় ১ হাজার ৫শ' কাউন্সিলর এবং সমসংখ্যক ডেলিগেট নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলনটি |
এতে সভাপতি নির্বাচিত হন আবদুল মালেক এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবদুর রাজ্জাক |
শেখ হাসিনা যুগ: |
১৯৮১ সালের ১৩ তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা |
দলীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য এ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্বে আনা হয় বঙ্গবন্ধু কন্যাকে |
৮১ সালের ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল ৩ হাজার ৮৮৪ জন |
সভায় শেখ হাসিনা সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন |
পরে ১৯৮২ সালে আব্দুর রাজ্জাক দলত্যাগ করলে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী |
দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা |
১৯৮৭ সালের ১ থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের ১৪ তম জাতীয় সম্মেলন |
এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল প্রায় ৪ হাজার |
সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন |
এরপর ১৯৯২ সালের ১৯ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে দলের ১৫তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় |
এ সম্মেলনে কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ ২ থেকে বাড়িয়ে ৩ বছর মেয়াদী করা হয় |
এতে কাউন্সিলর ছিল প্রায় ২ হাজার ৫শ' ও ডেলিগেটও ছিল সম সংখ্যক |
এতে শেখ হাসিনা সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন |
১৯৯৭ সালের অনুষ্ঠিত ১৬তম জাতীয় সম্মেলন আওয়ামী লীগের জন্য বিশেষ গুরুত্বের |
কারণ প্রায় ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসার পর অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সম্মেলন |
৬ থেকে ৭ মে আউটার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে কাউন্সিলর ছিল ২ হাজার ৫১৬ এবং ডেলিগেটও ছিল সমসংখ্যক |
এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত হন শেখ হাসিনা ও জিল্লুর রহমান |
২০০২ সালে আওয়ামী লীগ যখন বিরোধী দলে তখন পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় দলের ১৭ তম জাতীয় সম্মেলন |
এ সম্মেলনে সভাপতি শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবদুল জলিল |
২০০৭ সালের পটপরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে দলটি |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.