content
stringlengths
0
129k
#
আপনার জেলা চয়ন করুন
মুর্শিদাবাদ
উত্তর ২৪ পরগণা
জলপাইগুড়ি
পশ্চিম বর্ধমান
পশ্চিম মেদিনীপুর
পূর্ব বর্ধমান
পূর্ব মেদিনীপুর
-
: দু' মাসেই ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, বিধানসভায় বড় দাবি শিক্ষামন্ত্রীর
: দু' মাসেই ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, বিধানসভায় বড় দাবি শিক্ষামন্ত্রীর
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুত অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে শিক্ষা দফতরের তরফে বিশেষ দলও গঠন করা হয়েছে ()।
18
: 16, 2021, 18:21
:
#কলকাতা: আদালতের জট কাটিয়ে দু' মাসের মধ্যেই ১৫ হাজার স্কুল শিক্ষককে নিয়োগ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ( )। এ দিন বিধানসভাতেই এই মন্তব্য করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ মেনেই চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগের নিষ্পত্তি করার চেষ্টা চলছে।
আদালতে মামলা চলার জেরে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এই মুহূর্তে থমকে রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগের শুনানি চালাচ্ছে কমিশন ()। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুত অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে শিক্ষা দফতরের তরফে বিশেষ দলও গঠন করা হয়েছে। কমিশনের তরফে চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ শোনার পাশাপাশি...
আরও পড়ুন: করোনা কালেও ভাল কাজের স্বীকৃতি! স্কচ পুরস্কার পেল রাজ্যের শিক্ষা, পর্যটন দফতর
বিধানসভায় ব্রাত্য বসু বলেন, 'আমরা মহামান্য আদালতের নির্দেশ মেনেই কাজ করছি। আদালতের তরফে আমাদের তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। সরকারি ছ' জন অফিসার রোজ বসে অভিযোগ শুনছেন, নিষ্পত্তি করছেন। সেই তালিকা আমরা আদালতে জমা দেব। কর্মসংস্থানের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর যে সদিচ্ছা, তার বাস্তবায়নের জন্য যা কিছু করা সম্ভব, আমরা তা দ্রুততার স...
শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, আদালতের নির্দেশ মেনেই সব প্রক্রিয়া শেষ করে দু' মাসের মধ্যেই ১৫ হাজার শিক্ষককে নিয়োগ করা সম্ভব হবে।
স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্রে খবর, এখনও প্রায় পাঁচ হাজার চাকরিপ্রার্থীক অভিযোগের নিষ্পত্তি করার প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। এই মুহূর্তে যেভাবে অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে শুনানি চলছে, তাতে ডিসেম্বরের মধ্যেই সব অভিযোগের নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে বলেই আশাবাদী কমিশন। সবমিলিয়ে কমিশনে প্রায় ১৮ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে খবর।
ডেস্ক রির্পোট:- সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন
আজ প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল
কিন্তু তদন্ত সংস্থা র‍্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত আবার নতুন তারিখ ধার্য করেন
এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ এ নিয়ে ৮১ বার পেছাল
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি নৃশংসভাবে খুন হন
ফ্ল্যাটে তাঁদের ক্ষতবিক্ষত লাশ পাওয়া যায়
সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ছিলেন
রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন
হত্যাকাণ্ডের সময় বাসায় ছিল তাঁদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে এসে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হবে
সেই ৪৮ ঘণ্টা এখন সাড়ে নয় বছর পেরিয়ে গেছে
সাগর-রুনি হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন
প্রথমে এই মামলা তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ
চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়
তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি
এরপর আদালত র‍্যাবকে মামলা তদন্তের নির্দেশ দেন
সেই থেকে র‍্যাব মামলাটি তদন্ত করছে
দীর্ঘ সাড়ে ৯ বছরেও সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ না হওয়ায় পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও সাংবাদিক নেতারা হতাশ-ক্ষুব্ধ-ব্যথিত
নীচু এলাকার ফসল প্লাবিত দৌলতপুরে পদ্মায় বন্যার পানি বৃদ্ধি নীচু এলাকার ফসল প্লাবিত দৌলতপুরে পদ্মায় বন্যার পানি বৃদ্ধি -
দৈনিক হাওয়া
আন্তর্জাতিক
কুষ্টিয়ার সংবাদ
করোনা ভাইরাস
এক্সক্লসিভ
আইন ও আদালত
ইতিহাস ঐতিহ্য
শিক্ষাঙ্গন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
লাইফ স্টাইল
সাহিত্য আসর
ফটো গ্যালারি
ভিডিও গ্যালারি
নীচু এলাকার ফসল প্লাবিত দৌলতপুরে পদ্মায় বন্যার পানি বৃদ্ধি
নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০, ৯:৩৬ অপরাহ্ন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীতে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে
পানি বৃদ্ধর ফলে চরাঞ্চলের নীচু এলাকার ফসল প্লাবিত হয়েছে
দৌলতপুরে আগাম বন্যার কারনে কৃষকরা তাদের চাষকরা অপরিপক্ক ফসল কেটে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে
বিশেষ করে পাটক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আগেই তা কেটে নিচ্ছেন কৃষকরা
অসময়ে অপরিপক্ক পাট কেটে নেওয়াতে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলে তারা জানিয়েছে
তবে আউশ ধান কাটার যোগ্য না হওয়ায় ধানচাষীরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে
দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী, রামকৃষ্ণপুর. ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়ন পদ্মা নদী তীরবর্তী ইউনিয়ন
এসব ইউনিয়নের চাষীরা কৃষি নির্ভর
তারা চরাঞ্চলে ফসল ফলিয়ে নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশের চাহিদাও পুরন করে থাকে
বন্যা এদের জন্য প্রতিবছর আর্শিবাদ হয়ে দেখা দিলেও এবছর আগাম বন্যা হওয়ায় তা অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে
অন্যান্য বছর পাট ও আউশ ধানসহ বিভিন্ন ফসল কৃষকরা ঘরে তুলার পরপরই বন্যা দেখা দেয়
সেক্ষেত্রে তারা তেমন ক্ষতির সন্মুখীন হোন না
কিন্তু এবছর ধান ও পাটসহ অন্যান্য ফসল ঘরে তোলার আগেই বন্যার হানা
তাই দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে ওই সকল ইউনিয়নের চরাঞ্চলের চাষীরা
চিলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ জানান, পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে
পানি বৃদ্ধির ফলে তার ইউনিয়নের নীচু এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে
যার কারনে কৃষকরা অপরিপক্ক পাট কেটে নিয়ে তা পচন করছে
তবে পানিতে তলিয়ে যাওয়া আউশ ধানটা এবছর কৃষকরা ঘরে তুলতে পারবেনা
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল জানান, বন্যার পানি প্রতিদিনই বাড়ছে
পদ্মায় পানি বৃদ্ধির ফলে তার ইউনিয়নের চরাঞ্চলের নীচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে
ফলে নীচু এলাকায় চাষকরা ফসল কৃষকরা কেটে নিচ্ছে
এভাবে পানি বাড়তে থাকলে প্রতিদিনই চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
তিনি জানান, গতকাল শনিবার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মাষ্টারকে সাথে নিয়ে চরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি
তবে এখনও তেমন ক্ষতি লক্ষ্য করা যায়নি
মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীর এলাকার সাইদুর রহমান নামে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী জানান, পদ্মা নদীতে পানি বাড়ছে
পানি বাড়ার ফলে চরের নীচু এলাকার ফসল ডুবে গেছে
তবে কৃষকরা সেসব ফসল কেটে ঘরে তুলছে
এভাবে বন্যার পানি বৃদ্ধ অব্যাহত থাকলে বন্যা কবলিত ৪টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের ফসলের ক্ষতির পাশাপাশি জীবন যাত্রা দূর্বিসহ হয়ে পড়বে
এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা
আপনার মতামত লিখুন :
. *
, , .
এ জাতীয় আরো খবর ....
কুষ্টিয়া সদর ও কুমারখালী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি অনুমোদন
দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলনে নামতে হবে : খুলনায় গয়েশ্বর
অসুস্থ্য জালাল উদ্দিন ছরোয়ারকে দেখতে গেলেন মেহেদী রুমী