content stringlengths 0 129k |
|---|
বাংলা/ العربية |
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯. কাফফারাতে আযাদযোগ্য মুসলিম দাসী |
৩২৬০. মূসা ইবন ইসমা'ঈল (রহঃ) ..... শারীদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত |
তাঁর মাতা তাঁকে তাঁর (মায়ের) পক্ষ হতে একটি মু'মিন দাসী আযাদ করার জন্য ওসীয়ত করে যান |
তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হয়ে বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার মাতা (তাঁর মৃত্যুর সময়) তাঁর পক্ষে একটি মু'মিন দাসী আযাদ করার জন্য ওসীয়ত করে গেছেন |
এখন আমার কাছে হাবশের 'নূবিয়্যা' এলাকার একটি দাসী আছে |
এরপর পূর্বোক্ত হাদীছের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে |
আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেনঃ খালিদ ইবন আবদিল্লাহ রাবী শারীদকে বাদ দিয়ে মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন |
باب فِي الرَّقَبَةِ الْمُؤْمِنَةِ |
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنِ الشَّرِيدِ، : أَنَّ أُمَّهُ، أَوْصَتْهُ أَنْ يُعْتِقَ، عَنْهَا رَقَبَةً مُؤْمِنَةً فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أُمِّي أَوْصَتْ أَنْ أُعْتِقَ عَنْهَا رَقَبَةً... |
- -: ' . (صلى الله عليه وسلم) : , , -. . : . ' (صلى الله عليه وسلم). -. |
হাদিসের মানঃ হাসান () |
বর্ণনাকারীঃ শারীদ ইবন সুআয়দ (রাঃ) |
পুনঃনিরীক্ষণঃ |
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) |
১৬/ শপথ ও মানতের বিবরণ (كتاب الأيمان والنذور) |
2013-2021 , . |
: |
বাংলা হাদিসের প্রজেক্টসমূহকে সহযোগিতা করুন |
এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে পরিচালিত এবং কোন দল/সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত নয়, আপনাদের সহযোগিতা দ্বীনের এই কাজকে আরও ত্বরান্বিত করবে ইন-শা-আল্লাহ |
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন |
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
নির্বাচিত শিক্ষার্থীগণ ভর্তি হতে পারবেন ২রা ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এবং ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ও ৬ই ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ই ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত, কণ্ঠশীলন কার্যালয় - যশোর সমিতি ভবন (৫ম তলা), নীলক্ষেত, ঢাকায় |
এককালীন দেয় টাকা- |
ক. ভর্তি ফি: ৪০০.০০ টাকা |
খ. বেতন: ৪ মাস × ৪০০.০০ = ১,৬০০.০০ টাকা |
সর্বমোট = ২,০০০.০০ টাকা |
নবীন বরণ ও প্রথম ক্লাস ৮ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ৮টায় কণ্ঠশীলন কার্যালয় - যশোর সমিতি ভবন (৫ম তলা), নীলক্ষেত, ঢাকায় |
অধ্যক্ষ, কণ্ঠশীলন |
২২৫/১, (৪র্থ তলা) নিউ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন (কাঁটাবন থেকে বাটা সিগনাল যেতে পেট্রোল পাম্পের উল্টো দিকে), ঢাকা |
ইসি ২০০৬: বাঁ থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে- সিইসি এমএ আজিজ, ইসি উপ সচিব মিহির সারওয়ার মোর্শেদ (কালো স্যু ট), ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. জকরিয়া (গোলাপী টাই), তার পেছনে আইন শাখার উপ সচিব একেএম সলিমউল্লাহ, উপসচিব জেসমিন টুলী, নির্বাচন কমিশনার স ম জাকারিয়া, বিচারপতি মাহফুজুর রহমান, একে মোহাম্মদ আলী ও মুনসেফ আলী |
সাবেক সেনা কর্মকর্তা এম সাখাওয়াত হোসেন নির্বাচন কমিশনে ছিলেন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়কের সময়ে |
এম সাখাওয়াত হোসেনের বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালে |
সাড়ে তিন দশকের বেশি সময় ইসি সচিবালয়ে কাজ করা স ম জাকারিয়া নির্বাচন কমিশনারও হয়েছিলেন |
বিদায়ের আগে এক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী, মো. জকরিয়া (বাঁ থেকে দ্বিতীয়) ও মিহির সারওয়ার মোর্শেদ (সবার ডানে) |
দশ বছর ওএসডি থাকার পর ২০১৬ সালে ফুল হাতে বিদায় নেন যুগ্মসচিব মো. জকরিয়া |
বিদায়ের দিনে বর্তমান সিইসি কাজী রকিবের কাছ থেকে ফুল নিচ্ছেন উপ সচিব মিহির সারওয়ার মোর্শেদ, পেছনে অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী |
নতুন নির্বাচন কমিশনে কারা আসছেন তা জানতে সবার নজর যখন সার্চ কমিটির দিকে, সাংবিধানিক এই সংস্থার সাবেক সদস্যরা কী ভাবছেন তখন? |
ইসির পালাবদলের পথরেখা |
কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশনের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে |
এ কমিশনের আগে আরও দশজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব পালন করে গেছেন, যাদের নেতৃত্বে স্বাধীনতার পর চার দশকে নির্বাচনী গণতন্ত্রের পথে নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে এসেছে বাংলাদেশ |
নির্বাচন কমিশনের সেবা ও হিসাব শাখার তথ্য অনুযায়ী, বিগত নির্বাচন কমিশনগুলোর অন্তত ১২ জন সদস্য এখনও বেঁচে আছেন, যাদের মধ্যে চারজন ছিলেন সিইসি, বাকিরা কমিশনার ছিলেন |
ঢাকায় ইসি সচিবালয়ে এক নাগাড়ে ৩০ বছরের বেশি সময় কাজ করে অবসরে গেছেন- এমন অন্তত চারজন কর্মকর্তা এখনও জীবিত |
সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের চেষ্টায় বিগত দিনের অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতির সীমাবদ্ধতা এবং পরবর্তী কমিশন গঠন নিয়ে তিন সাবেক সিইসিহ কয়েকজন সাবেক কমিশনার ও ইসি কর্মকর্তার ভাবনা জানার চেষ্টা করেছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম |
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা বিচারপতি আব্দুর রউফ, সাবেক আমলা মোহাম্মদ আবু হেনা ও এটিএম শামসুল হুদা বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে দক্ষ নির্বাচন কমিশন যেমন দরকার, তেমনি রাজনৈতিক দল ও সরকারের সহযোগিতা এবং প্রার্থী ও ভোটারদের সহিষ্ণুতা জরুরি |
নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন করে প্রশংসিত হলেও দলীয় সরকারের সময়ে বিভিন্ন নির্বাচন করতে চাপে পড়তে হওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা |
সাবেক এই তিন সিইসির মধ্যে একজন বলেছেন, কারা ইসিতে নিয়োগ পেল, তার চেয়েও বড় বিষয় হল নির্বাচন প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ করা |
নিরপেক্ষতার তত্ত্ব তালাশ |
এইচ এম এরশাদের সামরিক শাসনের অবসানের পর বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে পঞ্চম সংসদ নির্বাচন হয়েছিল বিচারপতি আব্দুর রউফের কমিশনের আয়োজনে |
সংসদীয় গণতন্ত্রে ফেরার ওই নির্বাচন করে বিচারপতি রউফ প্রশংসা পেয়েছিলেন, কিন্তু বিএনপি সরকারের সময়ে ১৯৯৪ সালে মাগুরা-২ উপ নির্বাচনের কারণে তাকে হতে হয়েছিল সমালোচিত |
সাবেক এই সিইসি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "নির্বাচন কমিশনে কে এল তাতে কিছু আসবে যাবে না যদি ভোটাররা তার অধিকার প্রয়োগ করতে না পারে |
২০০৮ সালে সিইসি আব্দুর রউফ, পাশে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমান |
কেউ যদি ইসিকে হাতের মুঠোয় রাখতে চায় বা ভোটের মালিকানা ভোটারের হাতে রাখতে না চায়, তাহলে কমিশন দিয়ে কিছুই হবে না বলে তার বিশ্বাস |
বিচারপতি রউফ বলেন, সিইসি ও নির্বাচন কমিশনাররাও নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন; সে অধিকার তাদের আছে |
সুতরাং কেবল নিরপেক্ষ ইসি খোঁজার চেষ্টায় তেমন কোনো লাভ আসবে না |
"নির্বাচন কমিশনে এ বি সি ডি যেই থাকুক, ব্যক্তি হিসেবে তিনি কতটা নিরপেক্ষ তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নির্বাচনী প্রক্রিয়াটা কতটা নিরপেক্ষ করা গেছে |
ভোটের প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ হলে ভোটাররা সুফল পাবে |
বিচারপতি রউফের কমিশন নির্বাচনী বিধি-বিধানের সংস্কারের পাশাপাশি ভোটার হিসেবে প্রত্যেক ব্যক্তির নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরুর চেষ্টা করেছিলেন |
ভোট কক্ষ বাড়িয়ে সময় কমিয়ে আনার পরীক্ষামূলক কাজও সে সময় হয়েছিল |
নিজের সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সার্বিকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা কমিশনের দরকার |
সেই সঙ্গে সরকারের প্রশাসন যন্ত্রের সহায়তাও থাকতে হবে |
তা না হলে ভোট প্রক্রিয়া আরও খারাপ হবে |
মেয়াদ শেষ করার আগেই বিদায় নেওয়ার এই সিইসি বলেন, "আমি তো ইসি থেকে বেতন নিইনি |
আমার বিষয়টা অন্য রকম ছিল |
পরে আমি আবার আদালতে ফিরে যাই স্বেচ্ছায় |
বর্তমানে শারীরিকভাবে ভালো আছেন বলেন জানালেন বিচারপতি রউফ |
৮২ বছর বয়সেও নানা ধরনের সামাজিক সংগঠনের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন তিনি |
সপ্তম সিইসি মোহাম্মদ আবু হেনা দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০০০ সালের মে পর্যন্ত |
প্রথম আমলা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের প্রধান হওয়া মোহাম্মদ আবু হেনাও সুস্থ আছেন |
বর্তমানে তার বয়স ৮০ বছর |
তবে এখন আর নির্বাচন কমিশন নিয়ে খুব বেশি কথা বলার আগ্রহ হয় না বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানালেন |
১৯৯৬ সালে আবু হেনাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব দেন দেশের প্রথম সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি মো. হাবিবুর রহমান |
নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোট আয়োজনের তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতি সংবিধানে যুক্ত হওয়ার পর আবু হেনার কমিশন সপ্তম সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে |
সেই নির্বাচনের জন্য প্রশংসিত আবু হেনা সিইসির দায়িত্বে ছিলেন প্রায় চার বছর |
তাকেও দলীয় সরকারের সময়ে ১৯৯৯ সালের টাঙ্গাইল উপ নির্বাচন নিয়ে চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল |
সাবেক এই সিইসি সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ইসি গঠন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হতে হবে, যোগ্যদের নিয়ে কমিশন গঠন হলে তারা দায়িত্বটি সঠিকভাবে পালন করতে পারবেন |
যোগ্যদের খুঁজে বের করতে সার্চ কমিটির বিকল্প নেই |
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ইসির দক্ষতার পাশাপাশি প্রার্থী, ভোটার, সরকার ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি |
বিচারপতি রউফ ও আবু হেনা দুজনেই বলেছেন, ভালো নির্বাচন হলেও পরাজিত পক্ষ কারচুপিসহ নানা অভিযোগ করে- এটা রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই অংশ হয়ে উঠেছে |
তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হলে শেষ বিচারে তা আর বিতর্কিত করা যায় না |
এটিএম শামসুল হুদার কমিশনের সময় বহু প্রতীক্ষিত নবম সংসদ নির্বাচন হয় |
সর্বশেষ ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন মাসের জায়গায় দায়িত্বে ছিল দুই বছর |
সেনা শাসনে না হলেও দেশ তখন চলেছে কার্যত সেনা নিয়ন্ত্রণে |
ওই সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পান সাবেক আমলা এটিএম শামসুল হুদা |
তার কমিশনই নবম সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে |
সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে ইসি গঠনে আইন করার যে দাবি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে থেকে এসেছে, তাকে 'একধাপ অগ্রগতি' বলে মনে করেন সাবেক এ সিইসি |
তার সময়ে ওই আইনের একটি খসড়া সরকারের কাছে পাঠানো হলেও পরে আর তা সাড়া পায়নি |
শামসুল হুদা বলেন, "ইসি পুনর্গঠনে রাজনৈতিক মতৈক্য জরুরি |
নির্বাচন শুধু নির্বাচন কমিশনের একার বিষয় নয় |
যোগ্য ব্যক্তি নিয়োগের জন্য সবার মতামত নেওয়ার প্রক্রিয়া যত বেশি স্পষ্ট হবে ততই ভালো |
এখন অনেকে আইন প্রণয়নের কথা বলছে, এটা একধাপ অগ্রগতি |
তা হওয়ার পর এ নিয়ে কথা বলা যাবে |
সাবেক এ আমলার মতে, ইসির হাতে এখন যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে |
যোগ্য ও নিরপেক্ষ লোক নিয়োগ পেলে এই ক্ষমতা কাঠামোতেই নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব |
বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের কারণেই অকার্যকর হয়েছে মন্তব্য করে ৭৪ বছর বয়সী শামসুল হুদা সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, "যে পার্টি ক্ষমতায় এসেছে, সেটা সামরিক সরকারই হোক, আর গণতান্ত্রিক সরকার হোক, বিজয়ীরা সব নিয়ে যায় |
জীবিত সাবেক সিইসিদের মধ্যে বিচারপতি এম এ আজিজের বয়স এখন ৭৮ বছর |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.