content
stringlengths
0
129k
( মহাদেবের ছদ্মবেশ পরিত্যাগ করিয়
গৌরীর হস্ত ধারণ
) ঝিঝিটা_ঠুৎবি তুয়
| মহ জিতেক্দ্িয় স্মরহর, ভোলা আশুতোষ মহত্বর |
প্রলয় কারণ প্রলয় বারণ, শস্তু বিভু মূড় ভয়হর |
শিব জ্ঞানময়
নিলয়, দেহি পদাশ্রয় শুভঙ্বর |
ছে বিধুবদনে ! বিবম দহুনে তৰ অদশনে দগ্ধ মন সাপি অবিরল, এমুখ কমল, সুনীলোৎ্পল ভ্রিনয়ন
রূপস্ুধারাশি হাসি জুধা হ'সি নাশ ছঃখরাশি বরাননে ! মানস বিচল, কর হে শীতল, বচন অমিয় বরিবণে
তবসুখ সহবাসে কত যে সুখিনী, কেমনে কছিব নাথ, আমি অভাশিনী জ্ৰালাইল ক্রোধানলে যবে পঞ্চশরে সে অবধি ভাসে দাঁপী নয়ন-নিঝ'রে ও চিত্তে চিত্রিও বাঞ্টিত জ্রীপদ যুগলে, অবিরাম পুজিতাম মনাম্বুজ দলে
এত দিনে তমঃনিশা হইল বিগত, সুখাংশু সুধাৎশ হৃদি-অন্বরে উদিত
সাহানা-_কাওয়লি জয়
বিজয়ী | সফল আয়ন আজি বাসন পুরিল; শঙ্করী শঙ্করে পুন আনন্দে মিলিল
কাঞ্চন প্রবাহ মরি, রজত অচলোপরিঃ . বিমল প্রণয় বেশে আবার বহিল |
কমক-কমল | ট
কৈলাশপুরী
হৈমাসনে হরাঙ্ষে পাঞ্ধতী আসীন] | উন্য় পার্থ ইন্দ্র, চন্দ্র, অরুণ, বরুণ, নারদ প্রভৃতি দেবগণ, মধ্য স্থলে কিন্নরীগণ নৃত্য করিতে করিতে
-খেম্টা দেব-দম্পতী মিলনে মন মোহিল, পুলকে গোলক বিশ্ব পূরিল
মোঁহন শোভীয়, বিমল বিভাঁয়ঃ কনক-_ কৈলাশ পুন হাসিল
জয় জয় জয় উমা" উমাপতি, অনাদি অনন্ত. মহিমা অপার ॥ জয় হর--গৌরী গতিহীন-গতি, সতী সতীপতি মিলিল অবাঁর
কিন্নরীগণ
পীর্ধতী মিলন, মানস রগ্ীন অমর নর মুখে ভাসিল
জর জয় 'দয়ামরী দয়াময় | তারিণী ভারণ ত্রাস হর ॥ জয় শিব জায়! শিব শিবময়
জরন্তী জয়ন্ত কপাকর
১৬ কনক-কমল
কিন্নরীগীণ| উশানী ঈশান ককণা নিধান ) অনঙ্গ পুন অঙ্গ পাইল ॥
করযোড়ে মদন ও রতির প্রবেশ
উভয়ে! জয় হে শিবেশ মঙ্গলময়, জয় হর-সোহাখিনী নারায়ণী | জয়ছে সতীশ ককণা ময়, জয় জগগীত-জননী কাঁত্যায়নী |
ভৈরলী-খেম্ট
কিন্নরীগণ| রজত-মলিলে, মরি কুতুছলে, কনক-কমল পুন ফুটিল
তপনে মিলিয়ে, পলকে পুরিয়ে, মধুর অধরে মধু হাঁসিল
মিত জলধরে, ' গ্রেম-প্রীভীভরে,
গায়ের রং উজ্জ্বল হোক, এই প্রত্যাশা প্রায় সবারই
অনেকে তো একধাপ এগিয়ে
অর্থাৎ বাজার থেকে বিভিন্ন ‌'রং ফর্সাকারী' ক্রিম কিনে এনে ব্যবহার করেন
তাতে সাময়িকভাবে ফর্সা হলেও ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হয়ে যায়
তাই এক্ষেত্রে ঘরোয়া উপায় বেছে নেওয়াই শ্রেয়
কারণ ত্বকের ধরন বুঝে ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার ভয় থাকে না
নানা কারণে আমাদের ত্বক কালচে হতে থাকে
তাই ত্বককে দূষণ ও সূর্যের রশ্মি থেকে রক্ষা করা উচিত
ঘরে থাকা বিভিন্ন পরিচিত ও উপকারী উপাদানের মাধ্যমে নিয়মিত যত্ন নিলে খুব সহজেই ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে
প্রতিদিনের ব্যস্ততার ফাঁকে একটুখানি সময় বের করে নিজের যত্ন নিন
এতে ত্বক সুন্দর হবে, ভালো থাকবে মনও
চলুন জেনে নেওয়া যাক গায়ের রং উজ্জ্বল করার ঘরোয়া ৫ উপায়-
লেবুর ব্যবহার
একটি লেবু নিন
এরপর লেবুটি কেটে রসটুকু বের করে নিন
সেখান থেকে দুই চা চামচ লেবুর রস নিয়ে এক চা চামচ পানিতে মেশান
এবার মিশ্রণটি ত্বকের যেখানে দাগ আছে সেখানে ব্যবহার করুন
লেবুর রসের সঙ্গে সম পরিমাণ মধু মিশিয়েও ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন
মিশ্রণটি ব্যবহারের পর মিনিট দশেক অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে
মিশ্রণটি ত্বকের উপযোগী কি না তা বোঝার জন্য ব্যবহারের আগে গলায় বা কানের পেছনে লাগিয়ে দেখবেন
যদি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা না যায় তাহলে ব্যবহার করবেন
লেবুতে আছে ভিটামিন সি যা ত্বকের সব ধরনের দাগ-ছোপ পরিষ্কার করতে পারে
ফলে ত্বক স্বচ্ছ হয় এবং ত্বকের শুষ্কতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে
যে কারণে ত্বক হয়ে ওঠে আরও উজ্জ্বল
লেবুর ব্লিচিং উপাদান ত্বককে ভেতর থেকে দাগমুক্ত করে
সেইসঙ্গে রোদে পোড়া দাগ সহজেই দূর হয়
হলুদের ব্যবহার
এক চা চামচ কাঁচা হলুদ বেটে বা হলুদ গুঁড়া নিন
তার সঙ্গে নিন দুই চা চামচ লেবুর রস
উপাদান দুটি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন
মিশ্রণটি মুখে ভালোভাবে মেখে নিন
সূর্যের তাপের কারণে ত্বকের যে স্থান কালচে হয়ে গেছে সেখানে ব্যবহার করুন
এভাবে পনেরো মিনিট রাখার পর হালকা গরম পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নিন
সপ্তাহে দুইবার এভাবে ব্যবহার করুন
এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে এক মাসের মধ্যেই সুফল পেতে শুরু করবেন
হলুদের অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং আন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান ত্বককে সব ধরনের জীবাণু থেকে দূরে রাখে
সেইসঙ্গে ত্বককে দ্রুত ফর্সা করতে কাজ করে হলুদ
ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এই ভেষজ উপাদান
হলুদ আমাদের ত্বকে বয়সের ছাড় পড়তে বাধা দেয়
ফলে ত্বক টানটান থাকে অনেকটাই
ত্বকে ব্যবহারের পাশাপাশি খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদ খেতে পারলে সেটিও আপনার শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করবে
দুধের ব্যবহার
এক টেবিল চামচ দুধ ও এক চা চামচ মধু নিন
এরপর দুধ ও মধু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন
মেশানো হয়ে গেলে মিশ্রণটি মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন
এরপর পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন
শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন
এটি প্রতিদিন ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন
তাতে ত্বক দ্রুত উজ্জ্বল হয়ে উঠবে
দুধে থাকা প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ত্বকের রংকে ভেতর থেকে হালকা করে
সেইসঙ্গে এটি ত্বককে বাইরে থেকে আর্দ্র এবং মসৃণ করে তোলে
প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে
টমেটোর ব্যবহার
দুটি টমেটো ও দুই চা চামচ লেবুর রস নিন
টমেটো ব্লেন্ড করে রসটুকু বের করে নিন
এরপর পরিমাণ মতো টমেটোর রস নিয়ে লেবুর রস মিশিয়ে নিন
এবার মিশ্রণটি পুরো মুখে লাগিয়ে মিনিট বিশেক অপেক্ষা করুন
শুকিয়ে এলে পরিষ্কার পানিতে মুখ ধুয়ে নিন
প্রতিদিন গোসলের আগে এটি ব্যবহার করতে পারেন
এতে রোদে পোড়া দাগ কমে যাবে
টমেটো ত্বকের দাগ কমিয়ে ত্বককে ফর্সা এবং উজ্জ্বল করে তুলতে পারে
লাইকোপিন নামক উপাদান ত্বকে আর্দ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে
ত্বকের উপরে জমে থাকা মৃত কোষ দূর করে ত্বককে দ্রুত উজ্জ্বল করে তোলে
দইয়ের ব্যবহার
দুই টেবিল চামচ টক দই ও এক চা চামচ মধু নিন
এই দুই উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে নিন
এরপর পরিষ্কার ত্বকে মিশ্রণটি ব্যবহার করুন
পনেরো মিনিট অপেক্ষা করে পরিষ্কার পানিতে মুখ ধুয়ে নিন