content stringlengths 0 129k |
|---|
মঙ্গলবার রাজধানীর মালিবাগে নতুন দপ্তরে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় |
মাহবুবুর রহমান র্যাবের ডিজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের স্থলাভিষিক্ত হলেন |
রবিবার রাষ্ট্রপতির আদেশে মাহমুদুর রহমানকে সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব দেয় সরকার |
এর আগে তিনি হাইওয়ে পুলিশের প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন |
গতবছরের ১৬ মে হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল |
কর্মজীবনে মেধাবী, কর্মঠ ও সৎ অফিসার হিসেবে পরিচিত মাহমুদুর রহমান রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার ছিলেন |
এছাড়া পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজি (অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন |
এরপর তিনি নৌ পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন |
এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)'র যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন |
ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম এবং পিপিএম পেয়েছেন তিনি |
দায়িত্ব পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ঢাকাটাইমসকে বলেন, সরকার তাকে যে নতুন দায়িত্ব দিয়েছে তা তিনি আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন |
যেকোন ঘটনার মূল কাজ 'অনুসন্ধান' |
সিআইডিতে সেটার মান আরো উন্নত করতে তিনি কাজ করবেন |
গণমাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবেন জানিয়ে সিআইডি প্রধান বলেন, 'আমার সব কাজে গণমাধ্যমকে কাছে পেয়েছি |
সেই ধারা অব্যাহৃত থাকবে |
নাটোরের ১৫টি ইউনিয়নে উৎসব মুখর ও শন্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু নাটোরের চলছে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী প্রেরণের কাজ শর্ত পূরণ হলেও নলডাঙ্গায় বাফার গুদাম নির্মাণে অগ্রগতি নেই দিরাবাদ সেনানিবাসে কমান্ড্যান্ট অভিষেক ও বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন বউ-শাশুড়ি ননদ-ভাবির লড়াই, ছাড় দিতে রাজি না কেউ এইচএসসি পরীক্ষার... |
মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ || |
অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৮ |
|| ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩ |
বড়াইগ্রাম |
বাগাতিপাড়া |
গুরুদাসপুর |
বিবিধ সংবাদ |
লাইফস্টাইল |
আন্তর্জাতিক |
সংগঠন সংবাদ |
স্বাক্ষাৎকার |
পাঠকের চিন্তা |
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি |
নাটোরের ১৫টি ইউনিয়নে উৎসব মুখর ও শন্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু নাটোরের চলছে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী প্রেরণের কাজ শর্ত পূরণ হলেও নলডাঙ্গায় বাফার গুদাম নির্মাণে অগ্রগতি নেই দিরাবাদ সেনানিবাসে কমান্ড্যান্ট অভিষেক ও বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন বউ-শাশুড়ি ননদ-ভাবির লড়াই, ছাড় দিতে রাজি না কেউ এইচএসসি পরীক্ষার... |
নাটোরে রোগীর চাপাতির কোপে নিরাপত্তাকর্মী জখম |
আজকের নাটোর |
প্রকাশিত: ১০ নভেম্বর ২০২১ |
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে এক রোগীর চাপাতির কোপে জখম হয়েছেন হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী সুজন চন্দ্র দাস |
গতকাল মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে |
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রবিউল আওয়ালের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন সদরের গুচ্ছগ্রামের মো. বাবলু মিয়ার ছেলে আল আমিন |
এ সময় সিরিয়াল নিয়ে নিরাপত্তা কর্মী সুজন চন্দ্র দাসের সাথে প্রথমে বিতর্ক ও পরে চিকিৎসকের সামনেই হাতাহাতি শুরু হয় |
চিকিৎসক বাহিরে বের করে দিলে আল আমিন হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মী ও ওই চিকিৎসকের সিরিয়ালের দায়িত্বে থাকা সুজন চন্দ্র দাসের ডান পায়ের উরুতে নিজের কাছে থাকা চাপাতি দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায় |
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রবিউল আওয়াল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আহত নিরাপত্তা কর্মী সুজনের উরুতে চারটি সেলাই দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে |
নাটোর থানার ওসি মোঃ মনসুর রহমান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক পুলিশ পাঠানো হলেও অভিযুক্ত আল আমিনকে পাওয়া যায়নি |
তাকে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে |
এ বিষয়ে মামলা দায়েরেরও প্রস্তুতি চলছে |
বঙ্গদেশে ইসলামী শিক্ষা সম্প্রসারণে যারা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন, তাদের মধ্যে সৈয়দ নিসার আলী তিতুমীর অন্যতম |
তিনি ছিলেন উপমহাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ের একজন অগ্রণী সৈনিক |
এদেশে ইসলামের পতাকাবাহী আর এক মর্দে মুমিন হাজি শরীয়তুল্লাহর সমসাময়িক ছিলেন তিতুমীর |
পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন তিনি |
সৈয়দ মীর নিসার আলী তিতুমীরের পিতা সৈয়দ হাসান আলী ও মাতা রোকেয়া আবেদা খাতুন |
তাদের পূর্ব পুরুষরা ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা হজরত আলী (রা.)-এর বংশধর |
ইসলাম প্রচারের উদ্দেশে তারা ভারত উপমহাদেশে আগমন করেন এবং ভারতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করেন |
তিতুমীর তার শিক্ষক হাজি নিয়ামত উল্লাহর কাছে কোরআন-হাদিস, আরবি, ফার্সি ভাষা সাহিত্য বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন |
তিনি হলেন কোরআনের হাফেজ |
বিদ্যা অর্জনের পাশাপাশি তার উস্তাদের কাছ থেকে কুস্তি লড়াই, লাঠিখেলা, তলোয়ার ও ঢাল-সড়কি চালাবার কায়দা শিখে নেন |
তিনি অসাধারণ দৈহিক শক্তির অধিকারী ছিলেন |
এ সময়েই তিনি কলকাতার প্রখ্যাত পাহলোয়ান আবিদ আলীকে পরাজিত করে সুখ্যাতি অর্জন করেন |
অতঃপর তিতুমীর হজব্রত পালনের ইচ্ছায় স্বদেশ ত্যাগ করে মক্কায় গমন করেন এবং মক্কায় অবস্থানকালে মুক্তি সংগ্রামের পথ প্রদর্শক ও উপমহাদেশের মহান সাধক সংস্কারক সৈয়দ আহমদ শহীদ বেরলভীর সঙ্গে তার সাক্ষাত ঘটে |
তার শিষ্যত্ব গ্রহণ করে তার থেকে দীক্ষা নেন মীর নিসার আলী তিতুমীর |
১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে তিতুমীর নাড়িকেলবাড়িয়ার সন্নিকটে হয়দপুরে আস্তানা স্থাপন করে সমাজসংস্কারের কাজে আত্মনিয়োগ করেন |
দিনে দিনে তার শাগরেদ বাড়তে থাকে |
সৈয়দ মীর নিসার আলীর আহ্বানে চব্বিশ পরগণা ও নদীয়া জেলাসহ আশপাশের এলাকার নতুন করে জাগরণ সৃষ্টি হয় |
তার ডাকে বিভিন্ন জায়গায় অবহেলা ও অনাদরে পড়ে থাকা মসজিদগুলো সংস্কার করা হয় |
আবার মসজিদে যথারীতি নামাজের ব্যবস্থা করা হয় |
নামাজিতে মসজিদ ভরে যায় |
ইসলামী আলোচনা, ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় |
তিতুমীর তার অনুসারীদের ইসলামের বিধান মতো দাড়ি রাখতে আদেশ করেন |
তার অনুসারীরা হিন্দুদের অনুকরণে ধুতি পরিধান করতেন না |
পোশাকের বিশেষত্ব ও দাড়ির মাধ্যমে সহজেই তার অনুসারীদের চিহ্নিত করা যেত |
হিন্দুদের দেখাদেখি অজ্ঞাতপ্রসূত যে সমস্ত আচরণ মুসলমানদের মাঝে অনুপ্রবেশ করেছিল, তা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য তিনি অনুসারীদের আহ্বান জানান |
তিতুমীরের এসব কল্যাণময় কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ালো তার সমকালীন জমিদার কৃষ্ণদেব রায় |
কৃষ্ণদেবের অত্যাচারে পরিস্থিতি ভয়াবহ অবনতি ঘটে |
জমিদার ঘোষণা দেয়, 'যারা তিতুমীরের অনুসারী এবং দাড়ি রেখেছে, তাদেরকে আড়াই টাকা হারে বাৎসরিক দাড়ি কর দিতে হবে |
কাচা মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচশ টাকা এবং পাকা মসজিদের জন্য একহাজার টাকা দিতে হবে |
প্যাঁচা, পাচু, হরি, কড়ি ইত্যাদি নাম বদলে মুসলমান নাম রখলে পঞ্চাশ টাকা কর দিতে হবে |
জমিদার কৃষ্ণদেব ঘোষণা দিয়ে দমে থাকেনি |
জোর-জবরদস্তি করে এসব কর আদায় করতে থাকে |
তিতুমীরের ভক্ত ও অনুসারী আমিনুক হক দাড়ি কর দিতে অস্বীকার করায় তাকে অমানুষিক নির্যাতন করে শহীদ করা হয় |
তিতুমীরের এ আন্দোলন ছিল মূলত প্রথম দিকে ধর্মীয় ও সামাজিক বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ |
এ আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল না |
নদীয়া ও চব্বিশ পরগণার কৃষক দলে দলে তিতুমীরের সংস্কার কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়ে যোগ দেয় |
তার নেতৃত্বে এক বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে ওঠে |
মুসলমান প্রজাদের একতাবদ্ধ এবং তিতুমীরের জনপ্রিয়তায় হিন্দু জমিদাররা আতঙ্কিত হয়ে ওঠে |
জমিদাররা তার শক্তি বৃদ্ধির পথ রুদ্ধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে |
বাংলাদেশ জমিদার মহাজনের অধিকাংশই ছিল হিন্দু এবং কৃষক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ ছিল মুসলমান |
কাজেই কৃষক জনসাধারণের মুক্তি কামনায় এ সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত কৃষকদের অর্থনৈতিক সংগ্রামে পরিণত হয় |
একদিকে স্বৈরচারী ইংরেজ শাসকদের শোষণপীড়ন, অপরদিকে জমিদার-মহাজন ও নীলকরদের অকথ্য অত্যাচার |
কাজেই তিতুমীরের এ মুক্তি সংগ্রাম একই সঙ্গে ইংরেজ শাসক জমিদার মহাজন ও নীলকরদের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রামে পরিণত হয়েছিল |
মুসলমানদের সঙ্গে জমিদার মহাজন কর্তৃক অত্যাচারিত নিম্নশ্রেণি হিন্দুরাও যোগ দিয়েছিল |
প্রথম থেকে জমিদাররা তাদের দুষ্টুবুদ্ধি প্রয়োগে এ মহান আন্দোলনকে সাম্প্রদায়িক আখ্যা দিয়ে দুর্বল করার চেষ্টা করেছিল |
প্রকৃতপক্ষে এ আন্দোলনের প্রারম্ভে ধর্মীয় সংস্কারমূলক প্রশ্ন জড়িত থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা গণবিদ্রোহে পরিণত হয়েছিল |
জমিদার কৃষ্ণদেব খাজনা দেবার জন্য প্রজাদেরকে দশদিন সময় দিয়েছিল |
কিন্তু দশদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও খাজনা না দেওয়ায় জমিদার চারজন বরকন্দাজ পাঠালে তিতুমীরের লোকদের তাড়া খেয়ে তিনজন পালিয়ে যায় এবং একজন ধরা পড়ে |
এ অবস্থায় জমিদার ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন নিয়ে প্রজাদের বাড়ি লুট করে |
একটি মসজিদে আগুন লাগিয়ে দেয় |
এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ হয়ে তিতুমীর ও প্রজারা থানায় অভিযোগ করলে এর কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি; বরং মুসলমান প্রজাদের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করা হয় |
এই পক্ষপাতিত্ব ঘটনায় তিতুমীর ও প্রজারা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে |
এদিকে জমিদাররা তিতুমীর ও তার অনুচরদের দমন করার জন্য একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করতে লাগল |
তিতুমীর ভাবলেন শান্তিপূর্ণভাবে যেহেতু প্রজাদের স্বার্থ সংরক্ষণ হচ্ছে না, তখন অস্ত্রের সাহায্য নেওয়া ছাড়া উপায় নেই |
এ প্রেক্ষিতে তিনি ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর মাসে তার শিস্য মুঈজ উদ্দিনের নারকেলবাড়িয়ার গ্রামের বাড়িতে কর্মক্ষেত্র স্থাপন করেন |
তিতুমীর ও তার সহযোগিরা নারকেলবাড়িয়ায় আত্মরক্ষার জন্য বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন এবং অস্ত্র-শস্ত্র জমা করেন |
আন্দোলন চলাকালে বিশিষ্ট দরবেশ-ফকির মিসকিনসহ তিতুমীরের সঙ্গে একাত্ম হয়ে তার নির্ভরযোগ্য সঙ্গীতে পরিণত হন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.