content
stringlengths
0
129k
শুধু তাই নয়, স্টমাকে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদেরও ধ্বংস করে দেয় কপার, সেই সঙ্গে এই খনিজটির প্রভাবে কিডনি এবং লিভারের ক্ষমতাও বাড়ে
ব্যথা-বেদনা কমে
তামার পাত্র ব্যবহার করা শুরু করলে শরীরে তামার ঘাটতি কমতে থাকে
ফলে এই বিশেষ খনিজটির প্রভাবে দেহের ভিতরে প্রদাহের মাত্রা একেবারে কমে যায়
তাই তো যে কোনও ধরনের ব্যথা, তা সাধারণত ব্যাক পেইন হোক, কী বাতের যন্ত্রণা, কমতে সময় লাগে না
( )
অতিরিক্ত মেদ ঝরে
তামার গ্লাসে জল খাওয়া শুরু করলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
আর মেটাবোলিজম রেটের উন্নতি ঘটার কারণে শরীরের ইতি-উতি জমে থাকা মেদ ঝরে যেতে সময় লাগে না
তবে ওজন কমাতে এই খনিজটি আরেক ভাবেও সাহায্য করে থাকে
আসলে শরীরে কপারের মাত্রা বাড়তে শুরু করলে দ্রুত গতিতে ফ্যাট ভাঙতে শুরু করে
ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না
249
রক্তাল্পতা কমে
খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করা আয়রন যাতে শরীর দ্বারা ঠিক মতো শোষিত হতে পারে, সেদিকে নজর রাখে কপার
আর শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর হলে স্বাভাবিকভাবেই লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়তে শুরু করে, যে কারণে অ্যানিমিয়ার মতো রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগ পায় না
( )
এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!
বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন
শেখার জন্য জয়েন করুন #, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন
আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!
বাংলা গল্প বাংলা ভূতের গল্প ভূতের গল্প
অলৌকিক বটগাছ (ভূতের গল্প) | | 2021
6, 2020 3, 2021 0
অলৌকিক বটগাছ (ভূতের গল্প) | | 2021
নতুন বাংলা ভূতের গল্প
অলৌকিক বটগাছ (ভূতের গল্প) | | 2021
ঘটনাটা ঘটে আমার ভাইয়ের বন্ধুর সাথে ২০১৬ সালে
যার সাথে ঘটনা ঘটে তার নাম হল ভাস্কর ঘরামি
তিনি একটা বেসরকারি কম্পানিতে চাকরি করতেন
ব্যচেলার ট্যাগ কাটিয়ে বিয়ে করতে যাচ্ছিলেন
মেয়ে দেখা কমপ্লিট ভাস্কর ভাইয়ের বাড়ির সবার মেয়েকে খুব পছন্দ হয়েছিল
এমন কি ভাস্কর ভাই নিজেও খুব মেয়েটাকে পছন্দ করে ফেলে
কিন্তু এবিয়েতে মেয়ের বাবার মত ছিল না
আর না হলে মেয়ে পক্ষের সবার সহমত রয়েছে
হুট করে বিবাহ দিন ঠিক করা হয় তারপর বিবাহ কাজ সম্পন্ন করা হল
তাদের বিবাহ জীবন বেশ ভালোই যাচ্ছিল
বিয়ের ২ বছর পর তাদের সংসারে নেমে আসে অসান্তির আগুন
পায়েল বৌদির (ভাস্কর ভাইয়ের বউ এর নাম পায়েল) পায়েল বৌদি খুব রাগি এবং ওনার যা বায়না সেটায় যেন মানতে হবে
প্রায় সময় ভীষন করে বায়না করা শুরু করে যেমন বড় ফ্ল্যাট, সোনার গয়না, অলংকার, এসব নিয়ে প্রায়দিনই তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হত
আর ভাস্কর ভাই সব বায়না পুরন করতে পারছিলেন না
একদিন রাত ১০ টা দিকে ভাস্কর ভাই ও পায়েল বৌদির খুব বাজে ভাবে ঝগড়া শুরু হয়
এবং ঝগরা এমন পর্যায়ে চলে যায় বৌদি বাপের বাড়ি যেতে বাধ্য হয় ও ডিভোর্সের কথা বলে বসে
তাদের এক বছরের একটি মেয়ে রুপা কে নিয়ে চলে যায় বাপের বাড়ি
তখন রাত ১০:৩০ এর মত
ভাস্কর ভাইয়ের খুব কাছের বন্ধু ছিল আমার ভাই
তাই সাথে সাথে সব কথা আমার ভাইয়ের কাছে ফোন দিয়ে জানায়
কিন্তু তখন ভাই এলাকায় ছিলেন না তাই ভাস্কর ভাইকে বললেন যে কাল এসে দেখবো কি করা যায়
চিন্তা করিস না.. ভাস্কর
ভাস্কর ভাই পরিবারের সবার সাথে কথা বলে অনেক চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয় এখুনি পায়েল বৌদির বাড়ি যাবে
পায়েল বৌদির বাড়ি গিয়ে পৌঁছতে প্রায় একঘণ্টা লাগলো
রাত ১২ঃ৩০ টার দিকে ভাস্কর ভাই চলল পায়েল বৌদিকে নিয়ে আসতে
ভাস্কর ভাই বৌদিদের বাড়ি যেতেই সেখানে গিয়েই দেখে সবার মাঝে খুব রাগ বিড়াজ করেছে
ভাস্কর ভাই সবাইকে সব কথা খুলে বোঝাতে চাচ্ছিলেন কিন্তু কেউই ভাস্করের কথা শুনল না
অনেকক্ষণ ধরে কথা বলার পরও কিছু হল না
বরং ধমক দিয়ে ভাস্কর ভাইকে বাড়ি থেকে বেড় করে দিল
কিন্তু ভাস্কর ভাই বাড়িতে যাবেন না পায়েল বৌদিকে কে না নিয়ে
তারপর ভাস্কর ভাইকে তারা একটু মারধর করে
তারপর ভাস্কর ভাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেই
ভাস্কর ভাই ভীষন্ন মনে গভীর রাতে পায়েল বৌদিদের বাড়ি থেকে চলে আসতে লাগল
তখন রাত প্রায় ৩ টা
এত রাতে কোন গাড়ি ছিল না
তাছাড়া যে রাস্তা দিয়ে এসেছিলেন, সেই রাস্তা দিয়ে হেটে আসলে অনেক সময় লাগবে
তাই হ সর্টকার্ট রাস্তা ধরে হেটে হেটেই বাড়ির জন্য রহনা দিলেন
কিন্তু ভাস্কর ভাই যে রাস্তা দিয়ে চলছে
সে রাস্তায় যেতে যেতে বড় একটা বটগাছ পরে
আর সেই বটগাছ নিয়ে অনেক ভৌতিক কাহিনি আছে
এলাকার অনেক মানুষ নাকি ঐ বটগাছের নিচে অদ্ভুদ কিছু দেখেছে
এবং সেখানে নাকি বাজে ধরনের কিছু ঘটেছে
কিন্তু ভাস্কর ভাই তার শশুরবাড়ির এই বটগাছ কে নিয়ে আজব ঘটনা জানত না
তাছাড়া সেদিন রাতে ভাস্কর ভায়ের মন ভীষন খারাপ ছিল
আর এত রাতে সেই রাস্তায় মানুষ তো ছার কোন কুকুর ও ছিল না
ভাস্কর ভাই নিরব মনে হেটে হেটে অনেকটা দূর চলে আসলো
আসতে আসতে যখন সেই ভৌতিক বটগাছ এর কাছে আসে
তখন ভাস্কর ভাই অনুভব করলো তার পিছন পিছন হয়তো কেউ আসছে
তিনি সেই মানুষটাকে দেখার জন্য পিছনও ঘুরলো কিন্তু ঘুরতে কিছুই দেখতে পেলেন না
যেমন ফাঁকা রাস্তা ধরে তিনি এসেছেন রাস্তাটা তেমনি আছে
কিন্তু তিনি স্পষ্ট শুনতে পেল কারো হাঁটার আওয়াজ
ভাস্কর ভাই তখন খুব অসসস্তি বোধ করছিল
তার মনে হচ্ছে কেউ যেন তাকে ফলো করছে
ভাস্কর ভাই তখন একটু একটু ভয় ভয় পেতে লাগলো
তখন তার মাথায় অন্য চিন্তা ঘোর পাক খাচ্ছিল
তাই একটা সিগারেট ধরিয়ে আবার হাটাঁ শুরু করলেন
কিন্তু আজব-হঠাৎ করে ভাস্কর ভাই স্পষ্ট শুনতে পেলেন তাকে কেউ তার নাম ধরে ডাকলো
গলার কন্ঠ ধরতে পারলেন না
খুব বাজে ভয়ানক সুরে ডাকছিল
কন্ঠ শুনে ভাস্কর ভাই একটু ভয় পেয়ে গেলেন এবং পিছন ফিরলেন কিন্তু পিছনে কেউ নেই
ভাস্কর ভাই তখন আরো ভয় পেতে শুরু করে
কিচ্ছুক্ষণ হাঁটার পর এক দমকা হাওয়ায় ভাস্কর সেখনেই স্থির হয়ে দাড়িয়ে পড়ে
তার চেনা জানা সকল কাছের মানুষের গলার ডাক শুনতে পারছে
ভাস্কর ভয়ে তার হাঁটার গতি বারালো