content stringlengths 0 129k |
|---|
থাইওয়েড গ্রন্থি বা থাইরয়েড হল দুইটি লোব দ্বারা গঠিত একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যার অবস্থান গ্রীবাতে |
পুরুষের এডাম'স এপলের ঠিক নিচে এর অবস্থান |
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসৃত হয় |
এই হরমোনগুলো মেটাবলিক রেট ও প্রোটিন সিন্থেসিসকে প্রভাবিত করে |
থাইরয়েড হরমোনের মধ্যে ট্রাইডোথাইরোনাইন (3) ও থাইরক্সিন (4) আয়োডিন ও টাইরোসিন দ্বারা গঠিত হয় |
থাইরয়েড ক্যালসিটোনিন নামক এক ধরনের হরমোন তৈরি করে যা ক্যালসিয়াম হোমিওস্ট্যাসিসে অবদান রাখে |
, . |
. |
পূর্বভ্রূণ |
( 2 ) |
, |
, , |
শনাক্তকারী |
11.3.00.001 |
শারীরস্থান পরিভাষা |
[উইকিউপাত্তে সম্পাদনাযোগ্য] |
পরিচ্ছেদসমূহ |
১.১ থাইরয়েড হরমোন |
২ জিন ও প্রোটিন প্রকাশ |
৪ অন্যান্য প্রাণীতে |
৫ বিশ্ব থাইরয়েড দিবস |
৬ আরো দেখুন |
৭ তথ্যসূত্র |
গঠনসম্পাদনা |
দুই লোব বিশিষ্ট থাইরয়েড গ্রন্থি ক্রিকয়েড ও শ্বাসনালী দ্বারা আবৃত থাকে |
চিত্রে পিরামিডাকৃতির থাইরয়েডের মধ্যে দেখানো হচ্ছে |
থাইরয়েড গ্রন্থি একটি প্রজাপতি আকৃতির অঙ্গ |
বাম ও ডানে দুই লোব ইস্থমুস দ্বারা সংযুক্ত থাকে |
[২] প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের থাইরয়েডের ওজন ২৫ গ্রাম,[২] প্রতিট লোব ৫ সেমি লম্বা , ৩ সেমি প্রশ্বস্ত এবং ২ সেমি পুরু |
ইস্থমুস উচ্চতায় ও প্রশ্বস্ততায় প্রায় ১.২৫ সেমি হয় |
[২] নারীদের পিটুইটারি গ্রন্থি সাধারণত পুরুষের থেকে বড় , গর্ভাবস্থায় এই আকার বেড়ে যায় |
ল্যারিংক্স ও শ্বাসনালী ঘেঁষে থাইরয়েড গ্রন্থি অবস্থিত |
[২] ইস্থমুসের গঠন শ্বাসনালীর দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় নালী পর্যন্ত বিস্তৃত হয় |
থাইরয়েড গ্রন্থির উপরের অংশ থাইরয়েড কার্টিলেজ এবং নিচের অংশ শ্বাসনালীর চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ রিং পর্যন্ত যায় |
[৩] থাইরয়েড গ্রন্থি একটি পাতলা আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে |
[২] এই আবরণের বহিঃ ও আভ্যন্তরীণ আবরণ থাকে |
বহিঃ আবরণ প্রিট্রাকিয়াল ফ্যাসিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে ক্রিকয়েড ও শ্বাসনালীর কার্টিলেজ পর্যন্ত যায় |
থাইরয়েড হরমোনসম্পাদনা |
থাইরয়েড গ্রন্থির প্রধান কাজ আয়োডিন সংবলিত হরমোন তৈরি |
ট্রিথাইরোনিন (3) ও থাইরক্সিন (4) হল আয়োডিন সমৃদ্ধ হরমোন |
[৪] আয়োডিনের তিনটি অণু থাকায় এর নামকরণ 3 করা হয়েছে |
অপরদিকে 4 চার আয়োডিন অণু থাকে |
[১] এছাড়া পেপ্টাইড হরমোন ক্যালসিটোনিনও থাইরয়েড গ্রন্থিতে তৈরি হয় |
জিন ও প্রোটিন প্রকাশসম্পাদনা |
মানব কোষের প্রায় ২০ হাজার প্রোটিন কোডিং জিন প্রকাশ প্রায় এবং এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই সাধারণ থাইরয়েডে প্রকাশিত |
[৫][৬] এসমস্ত জিনের প্রায় ২৫০ টির মতো জিন মূলতঃ থাইরয়েডে প্রকাশিত এব ২০টি জিন অত্যন্ত সুচারুভাবে থাইরয়েড সংক্রান্ত |
এই প্রোটিন সংলগ্ন জিনগুলো থাইরয়েড হরমোন সিন্থেসিসে জড়িত |
উদাহরণস্বরূপঃ থাইরোগ্লোবিউলিন, টিপিও এবং আইওয়াইডি ফলিকুলার কোষে প্রকাশিত হয় |
ইতিহাসসম্পাদনা |
থমাস হোয়ারটন থাইরয়েডের নামকরণ করেছেন প্রাচীন গ্রীকে ব্যবহৃত বর্ম শব্দ থেকে |
চিত্রে উদাহরণ হিসেবে ৪৩১-৪২৩ খ্রিস্টপূর্ব সময়ের মুদ্রায় খোদাই করা বর্ম দেখানো হচ্ছে |
থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ এবং এর চিকিৎসা নিয়ে হাজার বছর আগের দলিল বিদ্যমান |
অবশ্য এই গ্রন্থির বর্ণনা ও নামকরণ পাওয়া যায় রেনেসাঁ যুগের পরবর্তী সময় |
[৭] খ্রিস্টপূর্ব ২৭০০ তে চৈনিক ভাষায় গলগন্ড রোগ সংক্রান্ত লিপিতে থাইরয়েডের প্রথম বর্ণনা পাওয়া যায় |
১৬০০ খ্রিস্টপূর্ব সময়ে চীনে গলগন্ড রোগের চিকিৎসায় পোড়া স্পঞ্জ ও সামুদ্রিক শৈবাল ব্যবহার করা হত |
এই চিকিৎসাপদ্ধতি পরে বিশ্বের অন্যান্য জায়গায়ও ব্যবহার করা হয় |
আয়ুর্বেদের বই শুশ্রত সমহিতাতে ১৪০০ খ্রিস্টপূর্ব সময়ে হাইপারথাইরয়েডিজম, হাইপোথাইরয়েডিজম ও গলগন্ড রোগের ব্যাপারে বর্নিত আছে |
[৮] হিপোক্রেটস ও প্লেটো চার শতকের দিকে থাইরয়েড গ্রন্থিকে লালাগ্রন্থি হিসেবে বর্নিত করেন |
১৫০০ সালের দিকে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি প্রথম থাইরয়েডের চিত্র অঙ্কন করেন |
১৫৪৩ সালে আন্দ্রেয়া ভ্যাসিলাস প্রথম থাইরয়েড গ্রন্থির চিত্রসহ শারীরস্থানীয় বর্ণনা প্রদান করেন |
১৬৫৬ সালে থমাস হোয়ারটন থাইরয়েড গ্রন্থির নামকরণ প্রাচীন গ্রীক শব্দ (θυρεοειδής, অর্থ বর্মেরন্যায় / বর্মাকৃতি) অনুসারে করেন |
এর গঠন প্রাচীন গ্রীসে ব্যবহৃত বর্মের মতো বলে এরূপ নামকরণ করা হয় |
অন্যান্য প্রাণীতেসম্পাদনা |
গলগন্ড রোগে আক্রান্ত ছাগল |
সকল মেরুদন্ডী প্রাণীতে থাইরয়েড গ্রন্থি বিদ্যমান |
মাছের ক্ষেত্রে, সাধারণত এই গ্রন্থি ফুলকার নিচে থাকে এবং সবসময় দুইভাগে বিভক্ত হয় না |
অবশ্য, থাইরয়েড কোষকলা শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন বৃক্ক, প্লীহা, হৃৎপিণ্ড অথবা চোখে পাওয়া যায় |
অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণীতে শুধুমাত্র একটি থাইরয়েড গ্রন্থি পাওয়া যায় এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্ষেত্রেও এর আকৃতি মানুষের থাইরয়েড গ্রন্থির মতোই |
বিশ্ব থাইরয়েড দিবসসম্পাদনা |
মানুষের বৃদ্ধি, বিকাশ, শারীরবৃত্তিক আর বিপাকীয় নানা ক্রিয়া-প্রক্রিয়া সাধনে থাইরয়েড হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে |
বর্তমানে থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা বিশ্বে অন্যতম হরমোনজনিত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত |
হরমোনজনিত রোগের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের পরই এর অবস্থান |
নারীরাই এই সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন |
আগামী প্রজন্মের মেধা, প্রতিভার বিকাশে বর্তমানের মানুষদের, বিশেষ করে মেয়েদের থাইরয়েডের সুস্থতা দরকার |
তাই থাইরয়েড সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করার উদ্দেশ্যে ২৫ মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবস পালন করা হয় |
আরো দেখুনসম্পাদনা |
তথ্যসূত্রসম্পাদনা |
↑ ক খ & 2011 |
↑ ক খ গ ঘ ঙ চ ছ ' 2008 |
↑ ক খ গ ' 2007 |
↑ ' 2010 |
↑ " - " |
.. |
সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৯-২৫ |
উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () |
↑ e, ; , ; o, o .; , ; , ; , ; , A; , ; o, (২০১৫-০১-২৩) |
"- " |
(ইংরেজি ভাষায়) |
347 (6220): 1260419 |
আইএসএসএন 0036-8075 |
ডিওআই:10.1126/.1260419 |
পিএমআইডি 25613900 |
উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () |
↑ " - " |
.. |
সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৬ |
উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () |
↑ , ; , ; , ; , (২০১৬-১১-১৩) |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.