content
stringlengths
0
129k
স্বাধীনতা সংগ্রামের অফুরান প্রেরণার উৎস মহীয়সী নারী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব
২১ বছরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
মার্কেটিং মাইওপিয়া
মানসিক সুস্থতা কতটা জরুরি?
সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিকিম
মায়ের বুকের দুধ পানে অগ্রগতি
গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে নারীর ক্ষমতায়ন
মাটি দূষণ ও প্রতিকার ভাবনা
আলাউদ্দিন আল আজাদ
অনিরাপদ খাদ্য সুস্থ জীবনের অন্তরায়
সাঁওতাল বিদ্রোহ
হিন্দু সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা
করোনাকালে নিরাপদ মাতৃত্ব
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধ করতে চাই সচেতনতা
স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সম্পাদকআলতামাশ কবির
নির্বাহী সম্পাদক: শাহরিয়ার করিম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: কাশেম হুমায়ুন
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
সংবাদ ডেস্ক: @.
সম্পাদকীয়: .@.
সংবাদ সাময়িকী: @.
অর্থনীতি: @.
খেলা: @.
বিনোদন: .@.
বিজ্ঞাপন: 123@.
36@.
কমার্শিয়াল ম্যানেজার: ০২-২২৩৩৫৪৭২২
ফোন: ০২-২২৩৩৮৭৩৯১
ফ্যাক্স: ৯৫৫৮৯০০
ইপেপার আজকের পত্রিকা জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক নগর-মহানগর খেলা বিনোদন প্রযুক্তি শিক্ষা অর্থ-বাণিজ্য সংস্কৃতি ক্যাম্পাস মিডিয়া অপরাধ ও দুর্নীতি রাজনীতি সম্পাদকীয় উপ-সম্পাদকীয় মুক্ত আলোচনা চিঠিপত্র পাঠকের চিঠি
তিন জেলার টেলিফোন নম্বর পরিবর্তন হচ্ছে
শাহ আমানতে পিসিআর ল্যাব বসাতে ৪ প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি
শ্রীলঙ্কানকে বাঁচানোর চেষ্টাকারীকে পদক দেওয়ার ঘোষণা ইমরানের
গণতন্ত্র মুক্তি দিবস আজ
জেলেদের কাছে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি
মান্দায় থামছে না নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ঃ বিজয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ
বিয়ানীবাজারে নারী শিক্ষায় নীরব বিপ্লব, কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে
সু চিকে ৪ বছরের কারাদণ্ড
ঝালকাঠিতে গত তিনদিন ধরে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে
অস্ট্রেলিয়ায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস ২ বাংলাদেশির
মুক্ত আলোচনা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দিবস
শারফুদ্দিন আহমেদ
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১
'বিজ্ঞান হচ্ছে মনের পরিশ্রমের কারুকাজ'- ফ্রান্সিস বেকনের এই উক্তির সঙ্গে আপনার দ্বিমত থাকতেই পারে, কিন্তু এটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে, বর্তমানের আধুনিক মানব সভ্যতা বিজ্ঞানের আশির্বাদস্বরূপ
বিজ্ঞান আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে
আর বিজ্ঞানের যে শাখাটি ছাড়া মানুষ বর্তমানে তার অস্তিত্ব কল্পনা করতে পারে না সেটি হচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান
প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ভীষণ নিবিড়
আর প্রাচীনকালে মানুষ চিকিৎসার জন্য সম্পৃর্ণভাবে প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল ছিল
প্রকৃতিতে অফুরান্ত উপকারী ভেষজ উপাদান রয়েছে
কিন্তু এসব উপাদানকে সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ তখনকার দিনে অসম্ভব ছিল
কারণ তখন বিজ্ঞান ছিল না
ফলে দেখা যেতো ডায়েরিয়া, কলেরার মতো যেসব রোগ নিয়ে বর্তমানে কারও কিছুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই, তখনকার দিনে এসব রোগে গ্রামের পর গ্রামের মানুষ প্রাণ হারাতো
কারো এসব রোগ দেখা দিলে তাকে একঘরে রাখা হতো
যদি লতাপাতায় কাজ না হতো তবে তাদের শেষ ভরসা ছিল পানি পড়া, তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পীর, ফকির, ওঝা
এডাম স্মিথ বলেছিলেন, 'উদ্দীপনা এবং কুসংস্কারের বিষের দুর্দান্ত প্রতিষেধক হলো বিজ্ঞান'
বর্তমানে দৈনদিন জীবন হোক বা চিকিৎসা, সব ক্ষেত্রেই আমরা পুরোপুরি বিজ্ঞানের উপর নির্ভরশীল
তবে, আজকের এই আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা বিজ্ঞানের বহু দিনের গবেষণার ফলাফল
চিকিৎসা বিজ্ঞান ও চিকিৎসা গবেষণার ইতিহাস অতি সুপ্রাচীন
খ্রিস্ট জন্মের শত শত বছর আগেই দর্শন, বিজ্ঞান ও চিকিৎসা মাত্র একই সঙ্গে প্রতিভাত হয়
বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার মতো এখানে গ্রিক সভ্যতা এগিয়ে ছিল
পরবর্তীকালে মিসরীয় চৈনিক মুসলিম ও ভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের হাত ধরে চিকিৎসা শাস্ত্র এগুতে থাকে
অষ্টাদশ শতকে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চিকিৎসা গবেষণাকে আরও বিজ্ঞানভিত্তিক কাঠামো প্রদান করে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ব্যাপক প্রসার ঘটে
এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে
তবে বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের মানুষের চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি গবেষণায় অনেক উন্নতি সাধন করেছে
যার ফলশ্রুতিতে এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ স্থান করে নিয়েছে
উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশ্বমানের সঙ্গে সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা গবেষণাও চলছে
উন্নতমানের চিকিৎসা প্রদান করার জন্য গবেষণার কোন বিকল্প নেই
বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবণের দিকে এগিয়ে যেতে হবে
একমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমেই এ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পূর্বে তৎকালীন সময়ে দেশের ১৩টি সরকারি ও ০৫টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং নিপসমসহ ০৫টি পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশের চিকিৎসক শিক্ষা, গবেষণা ও সেবার মান উন্নয়নের যথেষ্ট ভূমিকা পালনে সক্ষম হচ্ছিল না
বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষা বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষা উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকেই বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন দেশে একটি স্বতন্ত্র ও গবেষণা সমৃদ্ধ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও সব মেডিকেল কলেজের স্বায়ত্তশাসন দাবি করে আসছিল
বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের দীর্ঘ ২১ বছর পর বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পান
এদেশের চিকিৎসক সমাজ এদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নয়নে তাদের সব প্রত্যাশা পূরণের ভরসাস্থলের সন্ধান পান
সংবিধান স্বীকৃত জনগণের মৌলিক অধিকার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা এবং দেশের চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালের ৩ এপ্রিল তৎকালীন আইপিজিএমআর কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে উন্নীত করার মধ্যে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্র...
জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম পাবলিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিকিৎসক সমাজ আন্তর্জাতিক মান অর্জন করে দেশের আপামর জনসাধারণের সুচিকিৎসায় নিয়োজিত হবেন এ আকাক্সক্ষা নিয়ে যে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করেছিল প্রতিষ্ঠার মাত্র তিন বছরের মাথায় ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর কেবলমাত্র হীন...
আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলন করেছিলাম তাদের বিরুদ্ধে নানাবিধ মামলা হামলা করেছিল তৎকালীন সরকারের লেজুড়ভিত্তিক চিকিৎসক সংগঠন ড্যাব ও কর্মচারী গোষ্ঠী
এহেন ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা কর্মচারীসহ দেশের সব পেশাজীবী ও আপামর জনসাধারণ তীব্র ক্ষোভ ও আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে
তীব্র আন্দোলনের ফলে বিএনপি-জামায়াত সরকার তাদের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়
তবুও ক্ষোভের বশে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ফলক থেকে জাতির পিতার নাম মুছে ফেলে সংক্ষেপে বিএসএমএমইউ লিখে পরিচিতি দেয়
এমনকি তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ঢাকা থেকে গাজীপুর, টুঙ্গিপাড়া বা অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার হীন উদ্যোগ গ্রহণ করে
এদেশের জনসাধারণের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আবারও ২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সেলেন্সে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বারডেম সংলগ্ন বেতার ভবনের জমি ও হাসপাতালের উত্তর পার্শ্বের ১২ বিঘা জমির স্থায়ী বন্দোবস্ত করে দেন
বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে ৫২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ সহায়তা ও দিকনির্দেশনায় খুব দ্রুত নতুন কেবিন ব্লক সম্প্রসারণ অনকোলজি ভবন নতুন বহির্বিভাগ, আধুনিক আইসিইউ, ওটি কমপ্লেক্স, মেডিকেল কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ সম্ভব হয়েছে
মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্যা কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা প্রদান, চাকরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোটা প্রবর্তনসহ নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন
এরই অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা সেল গঠন করা হয়েছে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ আলাদা কেবিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নিরলস পরিশ্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে আধুনিক ও উন্নতমানের করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন
ভাইস চ্যান্সেলর এম এ কাদেরীর আমলে রেসিডেন্সি কোর্স চালু করে
দেশের সব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম চালু হওয়ায় এখানে উচ্চতর সব ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে
ভবিষ্যতে কোন বিষয়ে কতজন বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন সে অনুসারে উচ্চশিক্ষার প্রসার দরকার
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়ে অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে, বর্তমানে দেশের সব মেডিকেল কলেজসহ সব পোস্ট-গ্রাজুয়েট চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করে দেশের সব উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা ডিগ্রি ও কোর্সসমূহকে একই মানে উন্নীত করা হয়েছে
ফলে দেশের উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষার ব্যাপক উন্নয়ন ও প্রসার ঘটেছে
একই সঙ্গে সেবার মান বেড়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অধ্যাপকদের প্রাতিষ্ঠানিক বৈকালিক প্র্যাকটিস, ২৪ ঘণ্টা ল্যাবরেটরি সুবিধা চালুর মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ স্বল্প অর্থ ব্যয় করে উন্নত বিশ্বের ন্যায় আধুনিক ও মানসম্পন্ন সেবা পাচ্ছে
জরুরি বিভাগ চালুকরা, শিক্ষক-চিকিৎসকদের ইনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিসের ব্যবস্থা করা, শুধুমাত্র অপশন প্রদানকারী সব চিকিৎসকদের প্রাণোদনা ভাতা প্রদান, শিক্ষকদের যানবাহন প্রদান করা, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি
সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কোরিয়া সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার ১০০০ শয্যাবিশিষ্ট কোরিয়া মৈত্রী বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে
যা এ সরকারের আরও একটি সাফল্য