content
stringlengths
0
129k
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বর্তমানেদেশে গবেষণা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন
তবে বর্তমানে আমরা গবেষণায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি, যেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় বিশে^র বুকে রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়
ইতোমধ্যে কোভিড-১৯-এর জেনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছি
গবেষণায় দেখা গেছে মোট সংক্রমণের প্রায় ৯৮ শতাংশ হচ্ছে ইন্ডিয়ান বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট
কোভিড-১৯-এর টিকা গ্রহীতাদের উপর গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছি
সেখানে দেখা গেছে টিকা গ্রহীতাদের ৯৮ শতাংশের শরীরে এন্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে
এছাড়া ক্যাডাভারিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের উপর গবেষণা চলমান রয়েছে
উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান উন্নত চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সংযুক্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবে এই প্রত্যাশা সবার
সবাই মিলে যার যে দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সফল হবেই
[লেখক : উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়]
ত্রৈমাসিক 'অঙ্ক ভাবনা'
'ই-এডুকেশন এন্ড লার্নিং' এ বাংলাদেশের "গ্লোবাল আইসিটি এক্সসেলেন্স এওয়ার্ড" অর্জন ও করণীয়
শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজের ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: গৌরবের ৫৫ বছর
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দিবস
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে গ্লোকোমিটারের সঠিক ব্যবহার জরুরি
ডায়াবেটিস অতিমারিতে বিশ্ব: রুখতে প্রয়োজন সচেতনতা
বাংলায় প্রথম বিজ্ঞান বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক প্রণেতা অক্ষয়কুমার দত্ত
ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন: বস্তুনিষ্ঠ নয়, ব্যক্তিনিষ্ঠ
গবেষণাতেই মিলবে জটিল রোগের সঠিক সমাধান
হুদুড় দুর্গা : হিন্দুত্ব ও ব্রাহ্মণ্য আধিপত্যের বিরুদ্ধে সুপ্ত প্রতিবাদ
এই দুঃখ কোথায় রাখি?
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
ব্যাংক ইন্টারেস্ট কি সুদ, আরবিতে যা রিবা?
বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও শিক্ষা পুনরুদ্ধারে শিক্ষকদের চ্যালেঞ্জ
তথ্য আমার অধিকার, জানা আছে কী সবার'- প্রেক্ষিত পর্যালোচনা
ডিজিটাল বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনার এক সফল উন্নয়ন দর্শন
ফুসফুসের সুরক্ষা এবং সুস্বাস্থ্যের উন্নয়ন
চার সন্তান হত্যার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত এক মা
নোভাভ্যাক্সের টিকাই এ মুহূর্তে সেরা
বাংলাদেশে ফল উৎপাদন ও সম্ভাবনাময় বিদেশি ফল
স্মরণ : তারেক মাসুদ, 'ছবির ফেরিওয়ালা'
স্বাধীনতা সংগ্রামের অফুরান প্রেরণার উৎস মহীয়সী নারী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব
২১ বছরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
মার্কেটিং মাইওপিয়া
মানসিক সুস্থতা কতটা জরুরি?
সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিকিম
মায়ের বুকের দুধ পানে অগ্রগতি
গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে নারীর ক্ষমতায়ন
মাটি দূষণ ও প্রতিকার ভাবনা
স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আলতামাশ কবির
নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
কাশেম হুমায়ুন
কমার্শিয়াল ম্যানেজার
০২-২২৩৩৫৪৭২২
০২-২২৩৩৮৭৩৯১
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
মানুষের যাপিত জীবনে চেতনার অবস্থান কোথায়? চেতনা মানে কোন একটা রাজনৈতিক-মতাদর্শিক বিশ্বাস এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কারোর আচরণ, বিচরণ, আহার, বিহার, আচার, বিচার ইত্যাদি
আমাদের অনেকের যাপিত জীবনে এই বিশ্বাসের ছাপ আছে, অনেকের নেই
যেমন ধরা যাক, অনেকে আছেন যে ইসলামী ব্যাংকে লেনদেন করতে চান না
কেন চান না? কারণ তা পাকীপন্থী জামাতে ইসলামীর মালিকানাধীন তাই
এমন ছোট খাটো অনেক ঘটনা দেখা যায় যাতে মানুষের বিশেষ কোন বিশ্বাস বা ধারণা বা ব্যক্তির রাজনৈতিক/ সামাজিক/ মতাদর্শিক/ ধর্মীয় চেতনার প্রতিফলন দেখা যায়
আমি একজনকে চিনি যিনি ঢাকায় থাকেন, বচ্ছরে এক আধবার খাগড়াছড়ি যান
বিষ্যুদবার-সোমবারে হাটের দিনে দূর দূরান্ত থেকে যারা বনের বা পাহাড়ের ফল-সবজি বেচতে আসে আর সপ্তাহের খোরাকি কিনে নিয়ে যায়, তাদের কাছ থেকে আলু-সবজি-বেগুন এসব কেনার সময় তিনি কক্ষনো দরদাম করেন না
তাঁর মতে, আরে ভাই, এরা বাঁচার জন্য এসব বেচতে আসে
দু চার টাকা লাভ হলে একবেলা মাছ বা মাংস খেতে পাবে
এরাই তো আমাদের শেকড়ের কাছের মানুষ
এদের কাছে দু তিন টাকা কম দিয়ে আমি জিতবো না
সেই যার কথা আমি বলছি, তিনি কানাডায় স্কলারশিপ নিয়ে পড়ে গেছেন
যদ্দূর শুনেছি তিনি যেখানেই গেছেন, পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় জাতিগত নিপীড়ন নিয়ে কথা বলেছেন
পাহাড়ে আর্মি-সেটলারের বিচারহীন ধর্ষণ, পাহাড়িদের মাটি থেকে উৎখাত করা, পাহাড়ে ঘটে যাওয়া গণহত্যা- কোন কিছুই তিনি মনে মনে পুষে রাখেননি
যেখানেই গেছেন সেখানেই তিনি আওয়াজ তুলেছেন
প্রতিবাদ জানিয়েছেন
প্রতিরোধের আহবান জানিয়েছেন
মানুষকে জানিয়েছেন- ক্লাসে, ডাইনিং টেবিলে, কনফারেন্সে, সমুদ্র সৈকতে, শপিং মলে...
কি ছিলো সেই দহন? কি ছিলো সেই বোধ যাতে তিনি আর সবার মতন বিদেশে আমোদ ফুর্তি করে বেড়াননি বরং একটা কনফারেন্স থেকে আরেকটা কনফারেন্সে "ইনসাফ চাই, ইনসাফ চাই বলে" চিৎকার করে বেড়িয়েছেন?
হয়তো এর নাম চেতনার দহন
এর জন্যই আমি আজও অব্দি ইন্টেরনেটে লিখি
এর জন্যই যখন পাহাড় পোড়ে তখন তার আঁচ এসে লাগে আমার সত্তায় আর তার দহন ছড়িয়ে যায় রক্ত শিরায় শিরায়
এর জন্যই আমি কোন আর্মি রিজোর্টে যাই না- তা হোক নীলিগিরি, সাজেক রিজোর্ট, তারেং বা অন্য কিছু
যে আর্মি পাহাড়ে এথনিক ক্লিনজিং পলিসির বাস্তবায়ন করে চলেছে, যে আর্মি গনহত্যা করে পাহাড়কে পাহাড়িশূন্য করতে চেয়েছে তাদের দোকানে গিয়ে আমার একটা লজেন্স পর্যন্ত কেনা উচিৎ নয়
একটা ফুটো কড়িও আমার সেখানে খরচ করা নৈতিক নয়
তাদের বানানো প্রমোদস্থলে গিয়ে আমোদ-ফুর্তি করা দূরে থাক, সেখানে কখনোই আমার পায়ের ছাপ পড়বে না
এটাই নৈতিক অবস্থান- এটাই আচার-বিচারে আর বিহারে চেতনার চর্চা
একজন আমার এমন আচার-বিচার-আচরণ-বিচরণের বর্ণনা শুনে বলেছিলো, আমার সবই নাকি লোক দেখানো
তাকে বলা হয়নি, " , ... , , , , , ..."
আমরা সবাই যার যার অভিজ্ঞতা থেকে মানুষকে বিচার করি
আবার আমরা যেভাবে বাঁচি সেভাবে আমাদের বিচারপদ্ধতি নির্ধারিত হয়
আমরা যেভাবে বাঁচি একে আমরা বলতে পারি
আগে একটা লেখায় বলেছিলাম যে আমাদের পাহাড়ি বাবুসমাজ আসলে কাউন্টার ইনসারজেন্সির ভ্যাক্সিন খাওয়া একটা দালাল সুবিধাবাদী মধ্যজীবি সমাজ যার কোন সুনির্দিষ্ট কোন আদর্শিক অবস্থান নেই
এই বাবুসমাজ যখন যেদিকে সুবিধা সেদিকে হেলে পড়ে
এই শ্রেণীটা অনেকটা তরল বস্তুর মতন, যখন যে পাত্রে রাখা হয় তখন সেই পাত্রের আকার ধারণ করে
ফলে দেখা যায়, এই বাবুসমাজের বাবুমশাই বিকেলের আড্ডায় ফাটিয়ে দেশপ্রেমের লেকচার দেন আর সকালে হাত কচলে জ্বি হুজুর জ্বি হুজুর করেন সামান্য কোন আর্মি ক্যাপ্টেনের সামনে
এই বাবুসমাজের সবটাইতেই মেকি বিনয় আর সস্তা ইগোপ্রবনতা দেখা যায়, এমনকি ধর্ম চর্চাতেও
তারা মন্দিরে বেশি দান দিয়ে বাহবা পেতে চায়, ঘুষের টাকা বা চুরির টাকায় বৌদ্ধ গয়া ঘুরে এসে সামাজিক কদর পেতে চায়
ফলে এমন সমাজে যাদের বেড়ে উঠা, তারা সবটাতেই মেকিত্ব খুঁজে বেড়াবে আর মেকিত্বের চর্চা করবে সেটাই স্বাভাবিক
এই বাবুসমাজের কোন নৈতিক-আদর্শিক অবস্থান না থাকায় তারা সকালে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে গরম বক্তৃতা দেয় আর বিকেলে আর্মিদের রেস্তঁরায় গিয়ে চা খায়
এই শ্রেণির আদুরে দুলাল আর দুলালীরা শহরে বেড়ে উঠে আর শহুরে মধ্যবিত্তের প্রবৃত্তি-প্রবনতা-মুদ্রা সবকিছুকে রপ্ত করে
সত্তুরের দশক, আশির দশকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ভিকটিম হয়েছে দূর্গম বনপাহাড়ের প্রান্তিক মানুষেরা, শহরের বাবুসমাজ নয়
অদূর ভবিষ্যতেও যদি কোন দাঙ্গা-হাঙ্গামা হয় তো সবার আগে তার ভিক্টিম হবে সমাজের নীচুতলার মানুষেরা, শহরের উঁচুতলার বাবুরা নয়
সমাজের নীচুতলার উপমানুষেরা সীমানা পেরিয়ে ওপারে চলে যাবে বা তারা চিরকালই নিপীড়িত রয়ে যাবে এবং উঁচুতলার বাবুদের সেবা করবে
একটা শ্রেণি বিভক্ত সমাজের এমনটাই নিয়ম
যেমন ধরা যাক, সাজেকের বম, লুসাই আর ত্রিপুরারা- উন্নয়নের কষাঘাতে কিছু পরিবার, যাদের এক পা এই সিমান্তে আর আরেক পা আরেক সীমান্তে, তারা অচিরেই ইন্ডিয়ায় পাড়ি দেবে
আমি তাদের গত বছর দেখে এসেছি
তারা দেশান্তরী হলে দেশের জিডিপির কিচ্ছু যায় আসে না
করপোরেট আর্মির মুনাফাটাই আসল কথা