content stringlengths 0 129k |
|---|
গল্পের এই অংশটিও বেশ চমৎকার |
এন্ড্রু কিছু বুঝে ওঠার পূর্বেই তার সামনে ঘটনাগুলো ঘটে যায় |
এন্ড্রু যেন একটি গোলকধাঁধাঁর মধ্যে পড়ে যায় |
তবুও সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আলোচনায় অংশ নেয় |
কারণ আলোচনায় বেরিয়ে আসছে এক একজন সিইও'র এক একটি দুর্বলতার কথা |
...তখনই লম্বুটা উত্তেজিত হয়ে বলে উঠল, "ঠিক এই কাজটি না করার কারণেই আমার অধপতন হয়েছে |
টিম মেম্বাররা একজন আরেক জনকে চ্যালেঞ্জ করবে, এটা আমি মোটেও মেনে নিতে পারতাম না |
আমি তাদের মাঝে তীব্র বা কড়া ভাষার যুক্তিতর্ক হতে দিতে ভয় পেতাম |
আমার ভয় করত তারা যদি একে অপরকে খুবই ঘোরতর আক্রমণ করে বসে তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে |
" (পৃ. ৮০) |
এই যে নিজে সমালোচিত হওয়ার ভয়ে টিম মেম্বারদের মধ্যে 'প্রোডাক্টিভ আইডিওলজিক্যাল কনফ্লিক্ট' হতে না-দেয়া, এটাই চতুর্থ টেম্পটেশন |
কোম্পানির উন্নয়নের জন্য এবং অপেক্ষাকৃত ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য মিটিংয়ে টিম মেম্বারদের মধ্যে গঠনমূলক তর্কবিতর্ক হওয়ার সুযোগ দেয়া উচিত |
তাহলে সকলের মতামত যেমন জানা যাবে, তেমনি কোম্পানির জন্য অপেক্ষাকৃত ভালো সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা যাবে |
সময় গড়িয়ে যায় |
ট্রেন চলতে থাকে তার আপন গতিতে |
চতুর্থ টেম্পটেশন সম্পর্কে কথোপকথন শেষ হতে-না-হতেই ট্রেন পৌঁছে যায় গন্তব্যে |
এন্ড্রুকে রেখে চার্লিসহ অন্যান্যরা ট্রেন থেকে নেমে পড়ে |
পঞ্চম টেম্পটেশন সম্পর্কে জানার জন্য এন্ড্রু অনেক চেষ্টা করেও চার্লিদের নেমে যাওয়া থেকে বিরত করতে পারে না |
এ-পর্যায়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো খুবই চমকপ্রদ ও রহস্যাবৃত |
চার্লিদের অনুরোধ করে ব্যর্থ হয়ে এন্ড্রু হন্তদন্তভাবে চার্লিদের পিছু পিছু ট্রেন থেকে নেমে যায় |
সে তখন পঞ্চম টেম্পটেশন সম্পর্কে জানার জন্য এতোটা উদগ্রীব হয়ে উঠেছিল যে ট্রেন থেকে নামার সময় নিজের মূল্যবান ব্রিফকেসটি নিতেও ভুলে যায়, যে ব্রিফকেসে ছিল তার পরবর্তীদিনের বোর্ড-মিটিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসমূহ |
যা-ই হোক, এভাবে ট্রেন থেকে নেমে অনেক অনুনয়-বিনয় করে চার্লির কাছ থেকে এন্ড্রু জেনে নেয় পঞ্চম টেম্পটেশন সম্পর্কে |
পঞ্চম টেম্পটেশনের মূলকথা হচ্ছে : সিইও'রাও যেহেতু মানুষ, তাই তাদেরও ভুল হতে পারে; সিইও'র কোনো কাজে যদি ভুল প্রমাণিত হয়, তাহলে সিইও'র উচিত বিন্দুমাত্র লজ্জা অনুভব না-করে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল করার প্রত্যাশায় নিজের ভুলগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরা এবং সবার কাছ থেকে গঠনমূলক পরামর্শ চাওয়া |
নিজের দুর্বলতাগুলোকে লুকিয়ে না-রেখে টিম মেম্বারদের ওপর বিশ্বাস রেখে তাদেরকে গঠনমূলক সমালোচনার সুযোগ করে দেয়া উচিত, যা অনেক সিইও'-ই নিজের মর্যাদার কথা ভেবে টিম মেম্বারদের সামনে পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করতে এবং গঠনমূলক তর্ক করা সুযোগ দিতে ভয় পায় |
এভাবেই উদ্ভ্রান্ত এন্ড্রু চরিত্রের ট্রেনযাত্রার মধ্য দিয়ে শত-সহস্র যুক্তি-তথ্য উপস্থাপন ও আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে লেখক পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন সিইও'দের পাঁচটি 'টেম্পটেশন' তথা 'প্রলোভন' সম্পর্কে, যে পাঁচ প্রলোভনের ফাঁদে নিজের অজান্তেই পা দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পড়েন একজন সিইও |
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে- এন্ড্রুর এ-ট্রেনভ্রমণ তথা মানসভ্রমণ এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া উপর্যুক্ত ঘটনাবৃত্ত ঘটে যায় মাত্র ২০ মিনিটে |
এমনকি চার্লিদের সাথে তাড়াহুড়ো করে ট্রেন থেকে নামার সময় এন্ড্রু তার যে ব্রিফকেস ফেলে এসেছিল, পরে দেখা গেল সেটাও আগের যায়গাতেই আছে |
তবে কী তার সাথে কিছুই ঘটেনি! সত্যি-ই লেখক এক অদ্ভুত চমৎকারিত্বপূর্ণ রহস্যজাল তৈরি করে সাজিয়েছে ঘটনাবৃত্ত, যে রহস্যজাল উন্মোচনের জন্য গ্রন্থপাঠের কোনো বিকল্প নেই |
গ্রন্থের প্রথম খণ্ডে শেষ হতে বইয়ের আরও দুটি অধ্যায় বাকি থেকে যায় |
দশম অধ্যায়ে লেখক পরবর্তী দিনের বোর্ড-মিটিংয়ের ঘটনাবৃত্ত উপস্থাপন করেছেন |
কীভাবে একটি মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানির বাৎসরিক বোর্ড-মিটিং অনুষ্ঠিত হয়, কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়গুলোকে বিবেচনায় রাখা হয়, কর্মী নিয়োগে সময় কী কী বিষয় বিবেচনা করা উচিত, কোনো কর্মীকে চাকরিচ্যুত করার সময় কী কী বিষয় বিবেচনা করা উচিত, অন্য কোম্পানির সাথে কোনো চুক্তি কীভাবে সম্পন্ন করা হয়, কীভাবে... |
এমনকি চরিত্রসমূহের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম মানসিক পরিস্থিতি এবং চিন্তাভাবনাগুলোও বাণীবদ্ধ করতে ভুল করেননি |
শুধু সিইও'দের জন্যেই নয়, যেকোনো পাঠকের জন্যেই এসব ঘটনাক্রম নিঃসন্দেহে অত্যন্ত শিক্ষণীয় একটি অনুষঙ্গ |
একাদশ অধ্যায়ে তিন বছর পরের আর একটি বোর্ড-মিটিংয়ের বর্ণনা উপস্থাপন করা হয়, যেখানে দেখানো হয় গত দুই বছরে প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে সাফল্যের যাত্রায় অনেকদূর অগ্রসর হয়েছে |
বইটির দ্বিতীয় খন্ডে লেখক এন্ড্রুর মতো বহু লিডার কীভাবে নিজেদের সামান্য ভুলের কারণে, কখনও বা নিজের অজান্তে এক বা একাধিক প্রলোভনে পা দিয়ে ব্যর্থতার আস্তাকুঁড়ে নিমজ্জিত হন, তার ইতিবৃত্ত তুলে ধরেন |
পাশাপাশি কীভাবে সে-সব কাটিয়ে ওঠা যায় সে-সম্পর্কে পরামর্শ দেন |
তৃতীয় খন্ডে উপস্থাপন করেন একটি রোল মডেল, যেখানে ব্যাখ্যা করে দেখান 'কেন এক্সিকিউটিভরা বিফল হয়'তার ইতিবৃত্ত |
এ-পর্যায়ে প্রতিটি টেম্পটেশনের মূল বক্তব্যগুলো পুনরায় তুলে ধরেন লেখক, এবং এক একটি টেম্পটেশন থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য একজন সিইও'র কী করা উচিত, সে-সম্পর্কে একটি একটি করে 'সিইও'দের জন্য সহজ-সরল দিকনির্দেশনা' উপস্থাপন করেন |
পাশাপাশি একটি চার্ট তৈরি করে 'পাঁচটি টেম্পটেশন দূরীকরণের উপায়'ও লিপিবদ্ধ করেছেন |
একজন সিইও কোনো টেম্পটেশনে আক্রান্ত হচ্ছেন কিনা, কীভাবে তা নিজে নিজে মূল্যায়ন করবেন, সিইও'দের আত্মমূল্যায়নের এমনি একটি মডেল উপস্থাপন করে লেখক সাজিয়েছেন বইয়ের চতুর্থ অধ্যায়টি |
নিজেকে প্রশ্নকরণের মাধ্যমে কীভাবে একজন সিইও তার মধ্যে কোনো টেম্পটেশন ভর করেছে কিনা তা মূল্যায়ন করতে পারবে, এমন উপযোগী কিছু কার্যকরী টুলসের উল্লেখ করা হয়েছে বইয়ের এই শেষ অংশে |
সর্বোপরি, প্যাট্রিক লিঞ্চিওনি যদিও দ্য ফাইভ টেম্পটেশন অব এ সিইও বইটি কেবল সিইও'দের কথা বিবেচনা করে লিখেছেন, তা-সত্ত্বেও বইয়ের বক্তব্যসমূহ যেকোনো মানুষের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য |
জীবনসাফল্যের পথযাত্রায় যেকোনো মানুষেরই জীবনপথে ওঁৎ পেতে থাকা নানা প্রলোভনের ফাঁদ, যে-সব থেকে বাঁচাতে এই বইয়ের বক্তব্যগুলো নিঃসন্দেহে সকলের উপকারে আসবে |
প্যাট্রিক লিঞ্চিওনি'র ইংরেজি ভাষায় রচিত এই মহামূল্যবান বইটি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য খুবই উপকার সাধন করেছেন জনাব মোঃ মারুফ হাসান মনবীর |
তাঁর অনুবাদের ভাষা অত্যন্ত প্রাঞ্জল, ঝরঝরে ও সহজবোধ্য |
ছোট ছোট বাক্যে বক্তব্যগুলোকে তিনি এতোটা সরলভাবে বাণীবদ্ধ করেছেন যে কোথাও গদ্যের স্বাভাবিক গতিময়তা বিঘ্নিত হয়নি |
যেহেতু তিনি নিজেও একজন টিম লিডার, একজন টিম লিডার হিসেবে তিনি যে মূল লেখকের বক্তব্যগুলো গভীরভাবে আত্মস্থ করেই অনুবাদকর্মটি সম্পন্ন করেছেন, তা গ্রন্থটি পাঠ করলে সহজেই অনুধাবন করা যায় |
এতো সুন্দর একটি অনুবাদকর্মের জন্য বাংলাভাষী পাঠকদের পক্ষ থেকে অনুবাদককে ধন্যবাদ |
ধন্যবাদ 'অন্যরকম প্রকাশনী' কর্তৃপক্ষকে, এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি বই প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য |
"দ্য ফাইভ টেম্পটেশনস অব এ সিইও : এ লিডারশিপ ফ্যাবল" বইটির রিভিউ লিখেছেন রায়হান আরিফুর রহমান |
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ১০ টি বই, আপনার পড়া আছে কয়টি??? |
বিশ্ববিখ্যাত কোটিপতিরা উদ্যোক্তা এবং দক্ষ কর্মীদের যে ১০ টি বই পড়তে বলেন |
ব্যবসা শুরুর আগে উদ্যোক্তাদের অবশ্যপাঠ্য যে ৭ টি বই |
- |
. |
বাংলাদেশের সবচে বড় অনলাইন বুক স্টোর রকমারি.কমের ব্লগ 'রকমারি ব্লগ' |
বই রিভিউ, বই সংক্রান্ত নানান আলোচনা, সাহিত্য সমালোচনা, সাহিত্যিক এবং বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনীসহ বিশ্বের আলোচিত-সমালোচিত নানান বিষয়ে রকমারি ব্লগে লেখা প্রকাশিত হয়ে থাকে |
রকমারি নিজেদের শুধু একটি বুক স্টোর হিশেবে প্রকাশ করে না |
পাঠকের জ্ঞানের জগৎ সমৃদ্ধ করাকে একটি সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করে |
'রকমারি ব্লগ' সেই দায়িত্ববোধ থেকেই নেয়া একটি প্রয়াস |
বইয়ে বইয়ে সয়লাব হোক ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল |
শোনো #করোনা মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল সঞ্চয় অফবিট ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি বাঁকা কথা |
সীতারামের লাইনেই সিলমোহর, বিজেপিকে রুখতে কংগ্রেসের পাশে থাকবে সিপিএম |
01:21 25, 2021 | |
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: প্রকাশ কারাত নিয়ন্ত্রিত কেরল লবির প্রবল চাপ সত্ত্বেও বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসের () পাশে থাকার সিদ্ধান্তে অনড় থাকলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি |
তবে যে রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের বনিবনা নেই সেখানে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের শেষদিনে সাফ জানিয়ে দিলেন ইয়েচুরি ( ) |
একইসঙ্গে প্রকাশ কারাতের মস্তিষ্কপ্রসূত তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনের প্রস্তাবও খারিজ করেন |
সর্বভারতীয়স্তরে বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসের পাশে নাকি সমদূরত্বের লাইনে হাঁটবে পার্টি |
এই প্রশ্নে বারেবরে উত্তপ্ত হয় সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক |
বৈঠকের প্রথম দিনেই কংগ্রেসের পাশে থাকার প্রশ্নে প্রবল আপত্তি তোলে দক্ষিণী রাজ্যগুলি |
মূলত কেরল (), তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের নেতৃত্ব চাপে ফেলে দেয় সীতারাম ইয়েচুরি ও বঙ্গ সিপিএমকে () |
বিজেপির মতো কংগ্রেসের সঙ্গেও সমান দূরত্ব রেখে চলার পক্ষে সওয়াল করেন তাঁরা |
পালটা এই মুহূর্তে বিজেপিকে ঠেকানো পার্টির প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে গলা ফাটান বাংলার নেতারা |
[আরও পড়ুন: 'গোয়ায় তৃণমূলের সংগঠন নেই', মমতার সফরের আগেই কটাক্ষ চিদম্বরমের] |
তাতে খানিকটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে সীতা শিবির |
পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে দেখে শনিবার রাতেই পলিটব্যুরোর বৈঠক ডাকেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক |
বৈঠকে প্রকাশ কারাত ও পিনারাই বিজয়নদের ( ) কংগ্রেসের পাশে থাকার বিষয়টি বোঝাতে সক্ষম হন ইয়েচুরি |
সূত্রের খবর, তিনি জানিয়ে দেন যে রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াইয়ের প্রয়োজন রয়েছে সেখানে পার্টি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে |
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে কোনও রাজ্যেই বিজেপির বিরুদ্ধে এক আসনের প্রার্থী তত্ত্বে যাওয়া হচ্ছে না |
ভোটের পরে প্রয়োজন হলে বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসকে সমর্থন করা যেতে পারে |
আর তৃতীয় ফ্রন্ট গঠন করে নির্বাচনী লড়াইয়ে গেলে আখেরে বিজেপিকে () সুবিধা করে দেওয়া হবে বলেই মনে করেন তিনি |
[আরও পড়ুন: ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে দিল্লিতে চিকিৎসাধীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়, এখন কেমন আছেন?] |
সীতার বক্তব্যে খানিকটা হলেও নমনীয় হয় কেরল লবি |
বিষয়টি নিয়ে আগামী এপ্রিল মাসে কান্নুরে আয়োজিত পার্টি কংগ্রেসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে |
সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের সঙ্গে এখন সহমত হলেও পার্টি কংগ্রেস কারাত শিবির যে ভিন্ন কোন চাল দেবে সে ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত সীতা শিবির |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.