content
stringlengths
0
129k
তথ্যপ্রযুক্তি
লাইফ স্টাইল
সুসংবাদ প্রতিদিন
বাংলা কনভার্টার
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক
ডায়াবেটিস সেবা নিতে আর দেরি নয়, ইনসুলিনসহ যাবতীয় ডায়াবেটিস সেবার সুযোগ নিন এখনই" এই প্রতিপাদ্যের আলোকে জামালপুরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত হয়েছে
রবিবার সকালে জামালপুর ডায়াবেটিক সমিতি বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে রোড-শো ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন
সংবাদ সম্মেলনে জামালপুর ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ তরিকুল ইসলাম, সি.ই.ও ডাঃ মোশায়েরুল ইসলাম রতন বক্তব্য রাখেন
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সায্যাদ আনসারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর ডায়াবেটিক সমিতির সহ-সভাপতি ডাঃ জাহিদ হোসেন রবি, কোষাধ্যক্ষ দেবব্রত নাগ মধু, সদস্য ফরহাদ হোসেন মানু, নজরুল ইসলাম সরকার, আমিনুল ইসলাম, ময়না আনসারী, এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, পার্থ প্রতিম নন্দিসহ জামালপুরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ
পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবদেন ডায়াবেটিক সমিতির নেতৃবৃন্দ
বক্তারা বলেন, জামালপুর জেলায় রেজিস্ট্রেশনকৃত প্রায় ৭০ হাজার ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী রয়েছে
প্রতিমাসে প্রায় ১৫০ জন দরিদ্র রোগীকে জামালপুর ডায়াবেটিক সমিতি বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকেন
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখতে এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে হলে, অবশ্যই একজন রোগীকে নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ ও প্রয়োজনে ইনসুলিন ব্যবহার করতে হবে
বক্তারা আরোও বলেন, আমাদের দেশে ডায়াবেটিস আক্রান্ত প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ ডায়াবেটিস হওয়ার ৫ থেকে ৭ বছর পর চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হয়
অথচ তিনি যদি প্রথম থেকেই চিকিৎসা সেবাগ্রহণ করতেন তাহলে রোগীর শরীরের অন্যান্য রোগবাসা বাঁধতে পারতোনা
প্রতিটি রোগী ইনসুলিন ব্যবহারে ভয় ও অবহেলার কারণেই একজন রোগী ডায়াবেটিস আক্রান্ত হয়ে স্বল্পসময়ের ব্যবধানে মৃত্যুমুখে পতিত হন
৪০ বছরের প্রতিটি পুরুষ ও ৩৮ বছরের বেশী প্রতিটি নারীকে বছরে ১ বার ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো কথাও বলেন বক্তাগণ
এর আগে মোট ৯-বার টেলিভিশনের পর্দায় তিনিঁ কেঁদেছেন
এবার দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
১ বছর আগে সংসদে বিরোধীদের বুলডোজ করে পাশ করানো ৩টি কৃষি বিল প্রত্যাহার করা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী
যে কৃষি আইন বলবৎ করা নিয়ে অনড় ছিল বিজেপির সরকার, সেই অবস্থান থেকে সরে এল তারা
আন্দোলনের পথ ছেড়ে কৃষকদের আবার চাষের ক্ষেতে ফিরতেও আজ আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী
আজ তিনি বলেন, এই মাসে শুরু হতে চলা সংসদ অধিবেশনে এই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে
গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনটি কৃষি বিলে সংশোধন করে আইনে পরিণত হওয়ার পর থেকেই দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্তানে বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়
বিশেষত, পঞ্জাবে সেই বিক্ষোভের আগুন তীব্র হতে থাকে
রাস্তা অবরোধ, রেল রোকো-আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিবাদ জানায় কৃষক সংগঠনগুলি
তাদের অভিযোগ, নতুন আইনের ফলে লোকসানের মুখে পড়বেন কৃষকেরা
ফসল নিয়ে তাঁদের দরাদরির ক্ষমতা কমে যাবে, প্রচলিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হবেন তাঁরা
পাশাপাশি, বেসরকারি এবং বড় সংস্থাগুলির কাছে কৃষিপণ্য মজুত রাখার রাস্তাও খুলে যাবে
কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির উপকণ্ঠে অবস্থানকারী কৃষকদের বড় অংশই পঞ্জাব এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা
তাঁদের শিখ এবং জাঠ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অনেক
আগামী বছরের গোড়াতেই ওই পঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট
পঞ্জাব নির্বাচনের আগে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বড় হতে চলেছে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের
অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশেই ঘটেছে লখিমপুরের মতো ঘটনা
ভোটের আগে এই ক্ষত গুলোতে মলমের প্রলেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে এই তিন আইনের প্রত্যাহারের ঘোষণা
আর্সেনিক দূষণ () ধূসর আভাযুক্ত সাদা রং বিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু |
" " আর্সেনিক দূষণ () ধূসর আভাযুক্ত সাদা রং বিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু
আর্সেনিক দূষণ () ধূসর আভাযুক্ত সাদা রং বিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু
04, 2018
আর্সেনিক () ধূসর আভাযুক্ত সাদা রং বিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু
এটির রাসায়নিক সংকেত , আণবিক সংখ্যা ৩৩, আণবিক ভর ৭৪.৯২
প্রকৃতিতে আর্সেনিক বিভিন্ন যৌগ আকারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়
মানবদেহ, সমুদ্র এবং মৃত্তিকায় যৎসামান্য আর্সেনিক বিদ্যমান
অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর, শংকর ধাতু ও ঝালাইকারক তৈরিতে আর্সেনিক বহুল পরিমাণে ব্যবহূত হয়
প্রকৃতির আর্সেনিক অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়
তবে সাম্প্রতিক কালে মনুষ্যসৃষ্ট কার্যাবলি অধিকমাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় পরিবেশে আর্সেনিকের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের বাতাস, মাটি ও পানি আর্সেনিক দূষিত হয়ে বিবিধ প্রকার মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করছে
আর্সেনিক ও আর্সেনিক যৌগ মানব কল্যাণে বিভিন্নভাবে ব্যবহূত হচ্ছে, তবে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হলে এটি মারাত্মক ঘাতকে পরিণত হয়
স্বাভাবিকভাবে প্রকৃতিতে আর্সেনিক খুবই কম পরিমাণে থাকে
তবে কোনো কোনো কারণে আর্সেনিকের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে, যেমন ধাতু নিষ্কাশন চুল্লীর নিঃসরণ
নদীর পানিতে আর্সেনিক ঘনত্ব স্বাভাবিক অবস্থায় কম থাকে, তবে যেসব স্থানে ভূ-তাপীয় জল বা খনি আহরণ চলে সেখানে এর ব্যতিক্রম দেখা যায়
আগ্নেয়, রূপান্তরিত ও পাললিক শিলায় আর্সেনিকের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন
সাধারণত আগ্নেয় এবং রূপান্তরিত শিলার চেয়ে পাললিক শিলায় আর্সেনিক বেশি পরিমাণে উপস্থিত থাকে
পাললিক শিলায় আর্সেনিকের তীব্রতা ও সঞ্চিত হওয়ার ধরনের মধ্যে বেশ ভিন্নতা রয়েছে
অসামুদ্রিক কর্দমশিলায় আর্সেনিক সাধারণত কর্দম খনিজ দ্বারা বিশোষিত হয়
বেলেপাথর ও কার্বনেটে আর্সেনিকের পরিমাণ কম, গড়ে কিলোগ্রাম প্রতি ১ মিলিগ্রাম
অধিকাংশ জলব্যবস্থায় প্রলম্বিত ও নিম্নস্থ অবক্ষেপসমূহ বেশ উচ্চমাত্রার আর্সেনিক ধারণ করে
কয়লা ২,০০০ মিগ্রা/কিলোগ্রাম পর্যন্ত আর্সেনিক ধারণ করতে সক্ষম
আগাছা ও কীটনাশক হিসেবে আর্সেনিকের প্রয়োগ আর্সেনিক দূষণের একটি প্রধান উৎস
উচ্চ চাপযুক্ত স্প্রের ব্যাপক ব্যবহার শুধু মাটি ও গাছপালার দূষণই ঘটায় না, পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বাতাস ও ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানিকেও দূষিত করে তোলে
অনেক ক্ষেত্রে আর্সেনিক ছিটানো পরিত্যক্ত তুলা ক্ষেত পোড়ালে বায়ু দূষণ ঘটে
বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঞ্চলে এরকম ঘটতে দেখা গেছে
ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানিতে আর্সেনিক দূষণের প্রধান প্রধান উৎস হচ্ছে গার্হস্থ্য ও কলকারখানার বর্জ্য পানি, কাঠের বৈদ্যুতিক খুঁটি, খনি থেকে অবর ধাতু ( ) উত্তোলন ও নিষ্কাশন এবং দূষিত অ্যারোসলের প্রতিক্রিয়া
আর্সেনিক দূষণ একটি . পৃথিবীর সকল মহাদেশের ৫০টির মতো দেশে ভূগর্ভস্থ বা ভূপরিস্থ পানিতে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক শনাক্ত করা হয়েছে
তাইওয়ানে প্রথম শনাক্তকরণের পর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ক্রমান্বয়ে আর্সেনিক দূষণ শনাক্ত করা হয়েছে
সর্বাধিক দূষণ আক্রান্ত এলাকা হচ্ছে- ল্যাটিন আমেরিকা (আর্জেন্টিনা, চিলি, মেক্সিকো, নিকাবগুয়া ও অন্যান্য দেশ); দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস, মিয়ানমার) ও দক্ষিণ এশিয়া (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান)
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, স্পেন, ইটালী, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, চীন, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইত্যাদি দেশে বিভিন্ন মাত্রার আর্সেনিক দূষণ রয়েছে
আক্রান্ত বা ঝুঁকিগ্রস্থ জনসংখ্যার হিসেবে বাংলাদেশ সর্বাধিক দূষণগ্রস্থ দেশ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে
খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে কাঁসার শঙ্কর তৈরিতে আর্সেনিক যৌগ ব্যবহূত হতো
খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দের আগে থেকে ওষুধ হিসেবে এর প্রচলন ছিল
কীটনাশকের যৌগ হিসেবে আর্সেনিকের ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই লক্ষ্য করা যায়
আঙ্গুর ক্ষেতকে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য সান্দারাচ (রিয়ালগার বা লোহিত আর্সেনিক সালফাইড) ব্যবহার করা হতো
চীনারা সম্ভবত দশ শতক থেকে আর্সেনিক যৌগকে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে
মধ্যযুগেও এটি কৃষিতে ব্যাপক হারে প্রয়োগ করা হতো
১৮৬৮ সালে একজন মার্কিন কৃষক কর্তৃক আলুর পোকা নিয়ন্ত্রণে প্যারিস গ্রিন (কপার অ্যাসিটো-আর্সেনাইট) আবিষ্কারের পর থেকে কৃষিতে কীটনাশক হিসেবে আর্সেনিকের প্রয়োগ ব্যাপক হয়ে ওঠে
প্যারিস গ্রিনের সাফল্য কীটনাশক হিসেবে লন্ডন পার্পলের (কিছু জৈব পদার্থের সঙ্গে ক্যালশিয়াম আর্সিনেট ও আর্সেনাইটের মিশ্রণ) পরীক্ষাকে উৎসাহিত করে এবং দ্রুত কৃষিতে এর প্রয়োগ শুরু হয়
পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি আর্সেনিক যৌগ কীটনাশক হিসেবে প্রবর্তিত হয়
এর পর কিছু অজৈব আর্সেনিক যৌগের ছোটখাটো ব্যবহার শুরু হয় প্রধানত আগাছানাশক হিসেবে
কিন্তু বর্তমান কালে আগাছানাশক হিসেবে আর্সেনিক যৌগের ব্যবহার একেবারেই কমে এসেছে
সাম্প্রতিক অতীতে অবশ্য কাঠ সংরক্ষণে ক্রোমেটেড কপার আর্সিনেট ও অ্যামোনিয়াকল কপার আর্সিনেটের ব্যবহার খুবই চালু ছিল
অজৈব আর্সেনিক যৌগ ছাড়াও জৈব আর্সেনিক যৌগসমূহ যেমন: মনোসোডিয়াম মিথানো-আর্সোনেট (), ডাই-সোডিয়াম মিথানো-আর্সোনেট (), আর্সেনিক এসিড এবং ডাই-মিথিলারসনিক এসিডের ব্যবহার ১৯৭০ দশকের মাঝামাঝি থেকে বাড়তির দিকে এবং বর্তমানে পরিমাণের দিক থেকে এগুলি সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত হচ্ছে
আর্সেনিক দূষণ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আর্সেনিক দূষণ ধরা পড়ার পর থেকে বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ পানিতে বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত জেলাসমূহে আর্সেনিক দূষণের আশঙ্কা দেখা দেয়
বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর ১৯৯৩ সালে নবাবগঞ্জ সদর (চাঁপাই নবাবগঞ্জ) উপজেলার বড়ঘরিয়া মৌজায় কয়েকটি কূপে পরীক্ষা চালিয়ে সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করে
১৯৯৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে ( - / এস.ও.ই.এস) অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারের পর বিষয়টি জনসমক্ষে আসে
এর পর থেকেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর প্রিভেনটিভ এন্ড সোশাল মেডিসিন (নিপসম), বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বি.ডব্লিউ.ডি.বি)-এর গ্রাউন্ড ওয়াটার সার্কেল, বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ইত্যাদি সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের ভিতরে আর্সেনিক দূষণের প্রমাণ অনুসন্ধান করা শুরু করে
কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (এনজিও) এবং গবেষণা সংস্থাও আর্সেনিক সংক্রান্ত গবেষণায় সক্রিয় হয়ে ওঠে
সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে আর্সেনিক আক্রান্ত রোগী শনাক্তকরণ এবং ভূগর্ভস্থ পানি বিশ্লেষণে নিপসম উল্লেখ্য যোগ্য অবদান রেখেছে
এনজিও সমূহের মধ্যে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ভারতের এস.ও.ই.এস-এর সহযোগিতায় রোগী শনাক্তকরণ ও পানি পরীক্ষার উদ্দেশ্যে দেশের ৬১টি জেলায় জরিপ পরিচালনা করে
এ কাজে নিয়োজিত অন্যান্য এনজিওগুলি হচ্ছে ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক, এনজিও ফোরাম, বি.সি.এ.এস ইত্যাদি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ ও সুইডেনের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছে
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সহযোগিতায় একই লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর পক্ষ থেকেও আর্সেনিকের ওপর গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে
জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ইত্যাদির মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ শনাক্তকরণ ও প্রশমনের ক্ষেত্রে সরকার ও এনজিওগুলিকে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে
আর্সেনিকের ওপর কেন্দ্রীয়ভাবে উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, সংরক্ষণ ও দূষণ প্রশমনের কৌশল বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিয়ে 'বাংলাদেশ আর্সেনিক মিটিগেশন ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট' () চালু করা হয়েছিল
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ সংক্রান্ত এযাবত সবচেয়ে ব্যাপক ও রীতিবদ্ধ জরিপটি পরিচালিত হয়েছে ১৯৯৮-৯৯ সালে ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভে এবং মট ম্যাকডোনাল্ড লিমিটেড-এর যৌথ সহযোগিতায় সরকারের জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক
ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক মাত্রা পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশে সাধারণত দুটি পৃথক পদ্ধতি ব্যবহূত হচ্ছে
প্রথমটির নাম 'ফিল্ড কিট মেথড'