content stringlengths 0 129k |
|---|
এটি গুণগত থেকে আধা-পরিমাণগত ধরনের একটি পদ্ধতি |
এ পদ্ধতিতে পরীক্ষিত পানিকে নিরাপদ ও অনিরাপদ - এ দুটি প্রকরণে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় |
আর্সেনিক পরীক্ষার দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হলো গবেষণাগারের বিশ্লেষণ |
এটি সম্পূর্ণভাবেই পরিমাণগত এবং এতে ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের সঠিক পরিমাণ জানা যায় |
১৯৯৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত ফিল্ড কিট ও ল্যাবরেটরি উভয়বিধ পদ্ধতিতেই ভূগর্ভস্থ পানির ব্যাপক নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে |
প্রকল্পের আওতায় দেশের ২৭০টি উপজেলার প্রায় ৫০ লাখ নলকূপ পরীক্ষা করা হয়েছে যার মধ্যে ২৭% নলকূপে বাংলাদেশ মান মাত্রার উপরে আর্সেনিক শনাক্ত করা হয়েছে |
এ ছাড়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর দেশের অন্যান্য এলাকা প্রায় ১৯০টি উপজেলায় জরিপ করেছে |
বর্তমানে সারাদেশের আর্সেনিক দূষণ মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে যাতে দেখা যায় যে দেশের দক্ষিণভাগে আর্সেনিকের উপস্থিতি অনেক বেশি |
তবে গ্রাম, ইউনিয়ন ও উপজেলা ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় কোনো কোনো এলাকার শতভাগ নলকূপ আর্সেনিক দূষণ আক্রান্ত আবার কোনো কোনো এলাকায় শতভাগ দূষণমুক্ত |
বাংলাদেশের নলকূপগুলিতে আর্সেনিকের মাত্রা এবং সহনসীমা অতিক্রমকারী নলকূপের বণ্টন বিন্যাস বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন রকম |
কিছু অঞ্চলে শতভাগ নমুনাতেই এ সীমা অতিক্রম ধরা পড়েছে, আবার কোনো কোনো অঞ্চলে একেবারেই অতিক্রম করে নি |
সর্বোচ্চ দূষণযুক্ত জেলাগুলি হচ্ছে চাঁদপুর (৯০%), মুন্সিগঞ্জ (৮৩%), গোপালগঞ্জ (৭৯%), মাদারীপুর (৬৯%), নোয়াখালী (৬৯%), সাতক্ষীরা (৬৭%), কুমিল্লা (৬৫%), ফরিদপুর (৬৫%), শরিয়তপুর (৬৫%), মেহেরপুর (৬০%) ও বাগেরহাট (৬০%) |
সবচেয়ে কম দূষণযুক্ত জেলাগুলি হচ্ছে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, নাটোর, লালমনিরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুনা |
এসব জেলার কোথাও ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণ সহনসীমা অতিক্রম করে নি |
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্ধেক অংশই আর্সেনিক দূষণযুক্ত, কিন্তু উত্তর-পূর্বে সামান্য কয়েকটি দূষণের ঘটনা জানা গেছে |
উত্তরাংশ হয় দূষণমুক্ত অথবা কদাচিৎ দূষণ ঘটেছে |
বিভিন্ন সংগঠনের মাঠ পর্যায় ও গবেষণাগারে পরীক্ষার ফলাফল থেকে সারা দেশে আর্সেনিক দূষণের এ সাধারণ চিত্রটি অংকন করা হয়েছে |
তবে দূষণমুক্ত অঞ্চলেও দূষণযুক্ত কিছু কিছু স্থানীয় পকেটের অস্তিত্ব দেখা গেছে |
বিভিন্ন জরিপ থেকে অনুমান করা হয় যে, দেশের প্রায় ৩ কোটি মানুষের পানীয় জলে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকি রয়েছে |
বাংলাদেশে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল, প্রকল্প ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আর্সেনিক আক্রান্ত রোগী শনাক্তকরণ কাজ শুরু করে ১৯৯৫ সাল থেকে |
বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে সারাদেশে প্রায় ৪০ হাজার আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীর শনাক্ত করা হয়েছে |
বাংলাদেশের দূষণযুক্ত এলাকাগুলি মোটামুটিভাবে গাঙ্গেয় বদ্বীপ সমভূমি ও মেঘনার মোহনাজ সমভূমি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত |
পশ্চিমবঙ্গেও আর্সেনিক দূষণ ঊর্ধ-বদ্বীপীয় সমভূমিতেই সীমিত যা গাঙ্গেয় বদ্বীপ সমভূমির একটি অংশ |
এ অঞ্চলের অবক্ষেপের ইতিহাস প্লাইসটোসিন যুগে সমুদ্রপৃষ্ঠের পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ নেমে যাওয়ায় নদীর বাঁকে গড়ে ওঠা ঘন পলির স্তরক্রম দ্বারা প্রভাবিত |
বাংলাদেশে সমস্যাটি প্রথম যখন ধরা পড়ে, তখন আর্সেনিক দূষণের জন্য কয়েকটি মতবাদ প্রদান করা হয়েছিল |
এগুলির মধ্যে মনুষ্যসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক উভয় কারণই অন্তর্ভুক্ত ছিল |
মনুষ্যসৃষ্ট কারণগুলির মধ্যে রাসায়নিক সারের ব্যবহার, কীটনাশক, বর্জ্যপদার্থ অবক্ষেপণ, আর্সেনিক যৌগ দিয়ে প্রক্রিয়াজাতকৃত কাঠের বৈদ্যুতিক খুঁটি ইত্যাদিকে এ দূষণের জন্য দায়ী করা হয় |
অন্যদিকে, এস.ও.ই.এস পাইরাইট জারণ মতবাদকে বঙ্গীয় অববাহিকায় আর্সেনিক দূষণের প্রধান কার্যকারণ বলে চিহ্নিত করে এবং এ মতবাদ সাদরে গৃহীত হয় |
কিন্তু ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল এবং এস.ও.ই.এস কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঐকমত্য প্রকাশ করা হয় যে, দূষণের কারণ ভূতাত্ত্বিক, মনুষ্যসৃষ্ট নয় |
একই সম্মেলনে আয়রন অক্সিহাইড্রক্সাইড বিজারণ মতবাদ ( ) নামে একটি বিকল্প মতবাদ উপস্থাপন করা হলে তা সাদরে গৃহীত হয় |
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণের সঙ্গে কৃষি সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন বা ভূগর্ভস্থ জলস্তর নিচে নেমে যাওয়ার প্রত্যক্ষ কোনো সম্পর্ক এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায় নি |
প্রশমন সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ প্রশমনের জন্য কাজ করে চলেছে |
সরকার বিশ্বব্যাংক-এর আর্থিক সহায়তায় 'বাংলাদেশ আর্সেনিক শোধিত জল সরবরাহ প্রকল্প' ( ) শীর্ষক একটি কর্মসূচি গ্রহণ করে, যা ২০০৮ পর্যন্ত চালু ছিল |
পরবর্তী পর্যায়ে এ প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে = করা হয় |
প্রকল্প আর্সেনিক সমস্যা সমাধানে সফল না হলেও নলকূপ পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তকরণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে |
আর্সেনিক সমস্যা সমাধানে সরকার ২০০৪ সালে জাতীয় আর্সেনিক নীতি ও প্রশনের পরিকল্পনা প্রণয়ন করে |
উক্ত নীতি ও কর্মপরিকল্পনার আওতায় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্য খাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেয়া হয় |
বিকল্প পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন আর্সেনিক আক্রান্ত এলাকায় বিভিন্ন ভাবে নিরাপদে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করছে |
বর্তমানে প্রচলিত ব্যবস্থা সমূহ: |
গার্হস্থ্য পর্যায়ে আর্সেনিক প্রতিরোধ গার্হস্থ্য পর্যায়ে খাবার পানিকে আর্সেনিকমুক্ত করতে কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন কৌশল উদ্ভাবন করা হয়েছে |
যেমন ক্ষুদ্রাকার আর্সেনিক পরিস্রাবক যন্ত্র বা ফিল্টার |
অতি প্রচলিত উদ্ভাবনগুলি হচ্ছে: তিন কলস প্রক্রিয়া, সাফি ফিল্টার, এস.ও.ই.এস ফিল্টার, দু বালতি পদ্ধতি, নিষ্ক্রিয় অবক্ষেপ ( ) ইত্যাদি |
গার্হস্থ্য পর্যায়ে এ সব পদ্ধতির সাহায্যে খাবার পানি থেকে আর্সেনিক পরিশ্রুত করা হয় |
অতি অগভীর নলকূপ ও পাতকুয়া দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে খুব কম গভীরতা বিশিষ্ট নলকূপ ও পাতকুয়াগুলি (১০ মিটারের কম গভীর) আর্সেনিক দূষণমুক্ত থাকতে দেখা গেছে এবং সে জন্যই অগভীর নলকূপ ও পাতকুয়াকে আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জলের বিকল্প উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে |
অবশ্য এ অগভীর ভূগর্ভস্থ জলে সাধারণত জীবাণুঘটিত দূষণ ও নাইট্রেটের পরিমাণ বেশি থাকে |
পুকুর বালু ফিল্টার এ ধরনের ফিল্টারে পুকুরের পানি শোধন করা হয় |
সংরক্ষিত একটি পুকুরের কাছে বালু ফিল্টার তৈরি করা হয় এবং এটি আর্সেনিক এবং জীবাণু উভয় প্রকারের দূষণ থেকে মুক্ত পানীয় জল প্রদানে সক্ষম |
অবশ্য এটির রক্ষণাবেক্ষণ বেশ সমস্যাপূর্ণ |
বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ বৃষ্টির পানিকেও আর্সেনিকমুক্ত পানির একটি উৎস হিসেবে ভাবা হচ্ছে, অন্তত বর্ষা মৌসুমে |
বৃষ্টির পানি পানীয় জল হিসেবে বড় মাটির পাত্রে বা ফেরো-সিমেন্ট জালায় সংরক্ষণ করে রাখা যায় |
গভীর ভূগর্ভস্থ জল অতিগভীর (১৫০ মি বা অধিক) নলকূপগুলির পানি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আর্সেনিকমুক্ত হতে দেখা গেছে, বিশেষ করে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় |
তাই গভীরতর ভূগর্ভস্থ জল আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জলের একটি নির্ভরযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি উৎস হিসেবে চিহ্নিত |
বিশোধিত ভূ-পৃষ্ঠের জল ভূ-পৃষ্ঠের পানি স্বাভাবিক কারণেই প্রচুর পরিমাণে অণুজীবীয় দূষক সম্পৃক্ত থাকে |
সুযোগ থাকলে ভূ-পৃষ্ঠের পানিকে শোধন করে পানীয় জল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে |
আর্সেনিক বিশোধন কেন্দ্র পৌর এলাকায় যে সব স্থানে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে আর্সেনিক বিশোধন কেন্দ্র নির্মাণ করা যেতে পারে |
বাংলাদেশে মানিকগঞ্জ, মেহেরপুর ও সাতক্ষীরায় এধরনের কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছে |
পল্লী এলাকায় পাই লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ: বর্তমানে দেশের বিভিন্ন আর্সেনিক আক্রান্ত গ্রামীণ এলাকায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে |
সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মূলত ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করে এ সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে |
ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের দূষণ মানবজাতির জন্য কোনো নতুন স্বাস্থ্য সমস্যা নয় |
তবে বাংলাদেশে সমস্যাটি নতুন এবং দূষণের উচ্চমাত্রাও ব্যতিক্রম |
ঘনবসতির দেশ হওয়ায় সমস্যাটি আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে |
সবচেয়ে রক্ষণশীল হিসেবেও দেখা যায় যে, বাংলাদেশের প্রায় ৩ কোটি মানুষ আজ আর্সেনিক বিপর্যয়ের কবলে |
এ সমস্যার নিরসন এবং এ বিরাট জনগোষ্ঠীর জন্য বিকল্প নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা করা দুষ্কর |
কোনো অঞ্চলকে জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনায় নিতে হবে এবং কোনো অঞ্চলকে বাদ দেওয়া যাবে সেটা আর্সেনিক দূষণ অঞ্চলের মানচিত্র থেকেই পরিষ্কার বোঝা যায় |
আর্সেনিক নিরসনের বেশ কিছু বিকল্প পদ্ধতি উপরে বর্ণিত হয়েছে, যেমন - গার্হস্থ্য ফিল্টার, কমিউনিটি ভিত্তিক আর্সেনিক বিশোধন প্লান্ট, গভীরতর নলকূপ স্থাপন, ভূ-পৃষ্ঠের পানি ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ |
সমগ্র দেশের জন্য কোনো একটি বিশেষ পদ্ধতি প্রয়োগযোগ্য নয়, বরং নিরাপদ পানীয় জলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করা যেতে পারে |
বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ সত্ত্বেও বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান |
এখনও উল্লেখ্য সংখ্যক লোক আর্সেনিকের ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে |
! |
← → |
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় - & 1 ইউনিট বিস্তারিত :::: |
লালসালু উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু এইচএসসি পরীক্ষা |
2 / 2020 |
কুমিল্লা বোর্ড ভূগোল ও পরিবেশ এর সমাধান |
চট্টগ্রাম বোর্ড - ভূগোল এস এস সি পরীক্ষার উত্তরমালা |
পৌরনীতি ও নাগরিকতা উত্তরমালা ময়মনসিংহ বোর্ড এসএসসি পরীক্ষা ২০২০ | 2020 |
এইচএসসি: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র সাজেশন |
2020 (100% ) | কুমিল্লা বোর্ড এসএসসি গণিত উত্তরমালা |
& 2020 ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বহুনির্বাচনীর উত্তরসমূহ - এস এস সি ২০২০ পরীক্ষা |
১ মহান বিজয় দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৭ আগষ্ট ২০২১ তারিখে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন |
৫৯৮ ১১-১১-২০২১ |
২ বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফআইডিসি) আওতাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপাদিত আসবাবপত্র দরপত্র ব্যতিরেকে সরাসরি ক্রয় () |
২১০ ০৯-১১-২০২১ |
৩ ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের অর্থায়নে জীপগাড়ি মেরামতের প্রশাসনিক অনুমোদন |
২০৮ ০৯-১১-২০২১ |
৪ পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর'র বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার তথ্য অবহিতকরণ |
১৯৯ ০৮-১১-২০২১ |
৫ পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর'র বরখাস্তের আদেশটি বাতিল এবং তার অনুকূলে বেতন-ভাতাদি (বকেয়াসহ) প্রদান |
১৯৮ ০৮-১১-২০২১ |
৬ কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলা পরিষদের নিয়োগকৃত কর্মচারীদের অনুকূলে বেতন-ভাতাদি ছাড়করণ |
২০৪ ০৮-১১-২০২১ |
৭ প্রজ্ঞাপন (রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত আসনের ০১ ও ০২নং মহিলা সদস্য পদত্যাগ করায় উক্ত পদ শূন্য ঘোষণা করা হলো) |
৫৯৫ ০৮-১১-২০২১ |
৮ রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যদের পদ শূন্য হওয়ায় উপনির্বাচন অনুষ্ঠান |
৫৯৬ ০৮-১১-২০২১ |
৯ ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের জীপগাড়ির ০৪ (চার) টি টায়ার-টিউব ক্রয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন |
২০৭ ০৮-১১-২০২১ |
১০ গত ২১ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় কমিশনার সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে অবহিতকরণ |
২০৫ ০৮-১১-২০২১ |
১১ গত ২১ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় কমিশনার সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.