content
stringlengths
0
129k
তারপরেও মেয়েকে স্কুলে আনা-নেয়া, রান্নার মেন্যু ঠিক করা, ঘরবাড়ি দেখাশোনা এবং সামাজিক সকল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে ছেদ পড়েনি
শুধু হাসপাতালে ভর্তি থাকার দিনগুলো আর কেমো নেয়ার পরের দু-একটি দিন, যখন বিছানা থেকে উঠার মতো অবস্থা থাকতো না শরীরের, সেই দিনগুলো ছাড়া
২০১০ সালের এপ্রিলে রোগ ধরা পড়ে, পহেলা বৈশাখের পরদিন, অর্থাৎ ১৫ এপ্রিল অপারেশন হয়
এর পর থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চলে প্রাণ রক্ষার সংগ্রাম, কেমোকেরাপি আর শরীর থেকে জীবনী শক্তি শুষে নেয়া ওষুধ সেবন
প্রথম কয়েক মাস চাকরি থেকে বিনা বেতনে ছুটি নিয়েই চলছিলো চিকিৎসা, পরে ডাক্তারদের পরামর্শে চাকরিটা ছাড়তেই হলো
তারপরও স্বপ্ন ছিলো, একদিন আবার ঠিক নতুন কোথাও চাকরি নেবে
তার অসুস্থতা এবং অপেক্ষাকৃত সুস্থ্ দিনগুলোতে আমি অবাক হয়ে ভাবতাম, একজন নারী বলেই হয়তো এতো প্রবল প্রাণশক্তি
এই পাঁচ বছরে আমরও যে ছোটখাট অসুস্থতা দেখা দেয়নি, তেমনটা নয়, কিন্তু সামান্য জ্বর বা মাথা ব্যথায় কাতর হয়ে বিছানা নিতে রীতিমতো লজ্জা পেতাম আমি
অবাক হয়ে ভাবতাম, এতো বড় যন্ত্রণা শরীরে পুষে কীভাবে দিন যাপন করছে সে?
হাসপাতালে তাকে ভর্তি করে দিয়ে এসেও দিব্যি অফিস করেছি আমি, সহকর্মীদের কেউ বুঝতেই পারেনি, মনে ভেতর কতোটা কী অধীর উৎকণ্ঠা আর উদ্বেগে দিন কাটছে! এটি সম্ভব হয়েছে শুধু তার কারণেই
তার অসম্ভব মনের জোর আমাকে অবাক করে দিতো
ডাক্তারদের কপালে চিন্তার রেখাগুলো আমার বুকে তীরের মতো বিঁধতো, দিশেহারা হয়ে পড়তাম আমি
অথচ, তার মনোবল ছিলো সাংঘাতিক
জোর গলায় বলতো, দেখো, সব ঠিক হয়ে যাবে
কেমোথেরাপির এই সাইকেলটা শেষ হলেই সুস্থ হয়ে উঠবো আমি
এখন বুঝতে পারি, নিজেকে নয়, আমাকে প্রবোধ দিতেই ছিলো তার অভিনয়
শরীরের ভেতর যে ভাঙ্গনের সুর, সেটা ভুক্তভোগীর চেয়ে বেশি কে জানে!
আমার মেয়েটাও হয়েছে মায়ের মতোই
গতবছর ঠিক এই মাসেই, ১৮ মার্চ তার মায়ের মৃত্যুর পর রাতারাতি আমার ৯ বছরের মেয়েটা যেন ১৯ বছরের তরুণী হয়ে উঠেছে
এক বছরে তার চিন্তা-চেতনার বয়স বেড়েছে ১০ বছর
স্কুল, পড়াশোনা সব সামলে আমার দেখাশোনা করাটাও এখন তার অন্যতম প্রধান একটি কাজ
অফিসে মাঝে-মধ্যেই তার ফোন পাই, নাস্তা করেছি কিনা, দুপুরের খাবার খাওয়া হয়েছে কিনা....যেমনটি করতো তার মা
চোখের দুকোণ ভিজে উঠে
প্রতিটি নারীর ভেতরই বাস করে একজন মমতাময়ী মা, বইয়ে পড়া এই বাক্যটির সত্যতা আমার মতো আর কেউ কী এভাবে প্রতিদিন অনুভব করেন?
শেয়ার করুন:
: অন্যান্য, আন্তর্জাতিক নারী দিবস, আমার ভালবাসা, উইমেন চ্যাপ্টার, একজন পুরুষের স্বীকারোক্তি, এটি একটি কষ্টের গল্প, গোলাম কিবরিয়া, নারী দিবসের ভাবনা, নারী যখন মা, পুরুষ হিসেবে আজ আমি নিজের কথাই বলবো, বন্ধু ও নারী, মাতৃত্ব, সর্বংসহা নারী, স্তন ক্যান্সার
হিংসা আর অসাম্যের বিরুদ্ধে নামুক পুরুষ
'স্টে উইথ ডিগনিটি'
:
মার্চ ৯, ২০১৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
কিছু কষ্ট শুধুই নিজের- অন্যকে বুঝানো যায় না. আল্লাহ আপনার স্ত্রী আর মমতাময়ী এই মাকে জান্নাত বাসী করুন -দোআ রইলো ভাই.
:
মার্চ ৮, ২০১৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ ৩:১২ অপরাহ্ণ
নারীরা নারীদের সম্মান করুন,প্রত্যেকে নিজ জায়গা থেকে নারীর ক্ষমতায়নে সহায়তা করুন,পুরুষ এবং রাষ্ট্র বাধ্য হবে আমাদের সম্মানে যোগ্য মর্যাদা দিতে
অধিকার কেড়ে নিতে হয় ,
অধিকার লড়ে নিতে হয়
সর্বশেষ প্রকাশিত
খবরাখবর ফিচারড নিউজ
বোরকা-হিজাব বনাম বিকিনি সংস্কৃতি: একটি পাঠ প্রতিক্রিয়া
নভেম্বর ২৪, ২০২১, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ
উইমেন চ্যাপ্টার
আন্দোলনে নারী ফিচারড নিউজ
বেদনার নীল চোখে দেখা রেহানা মরিয়ম নূর: আমার ভাবনা
নভেম্বর ২২, ২০২১, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
উইমেন চ্যাপ্টার
ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ফিচারড নিউজ
নারীর আইডেন্টিটি এবং আইডেন্টিটি ক্রাইসিস
নভেম্বর ২১, ২০২১, ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ
উইমেন চ্যাপ্টার
ইডিটর'স পিক
এক সুতোর ওপরে ঝুলে থাকে যে জীবন!
নভেম্বর ২০, ২০২১, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
উইমেন চ্যাপ্টার
সর্বাধিক পঠিত
অস্থির সময়ের অস্থির বাইপ্রোডাক্ট যখন 'সন্তান'
বেদনার নীল চোখে দেখা রেহানা মরিয়ম নূর: আমার ভাবনা
আমরা যারা একলা থাকি-৪২
বোরকা-হিজাব বনাম বিকিনি সংস্কৃতি: একটি পাঠ প্রতিক্রিয়া
প্রসঙ্গ সেক্স চ্যাট: মেয়েরা মুখ খুলুন প্লিজ
অন্যান্য গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন
আমাদের সম্পর্কে
বা পরিবর্তনে নারী
লেখালেখি হতে পারে আন্দোলনের অন্যতম হাতিয়ার - এই নীতিকে সামনে রেখেই বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নারী বিষয়ক প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
:
-:
লেখা পাঠানোর ঠিকানা:
আপনার লেখা পোর্টালেপ্রকাশ করতে চাইলে বিনা সংকোচে পাঠিয়ে দিন [ ] ইমেইলে| লেখার সাথে একটি প্রকাশযোগ্য ছবি থাকলে ভাল হয়| লেখা পাঠানোর পরে দয়া করে অপেক্ষা করবেন, প্রকাশযোগ্য সকল লেখা পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে| ধন্যবাদ|
উইমেন চ্যাপ্টার: ধর্ষণকে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)
কঙ্গোর মিলিশিয়া নেতা জিন পিয়েরে বেম্বার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিচারের রায় দিতে গিয়ে আইসিসির তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল গত সোমবার যুগান্তকারী এই রায় ঘোষণা করেন
কঙ্গোর মুভমেন্ট ফর দ্যা লিবারেশন অব কঙ্গোর প্রধান এবং দেশটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট বেম্বাকে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে দোষী হিসেবে সাব্যস্ত করেছে আন্তর্জাতিক এই আদালত
আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, কোনো সংঘবদ্ধ দলের নেতা নিজে ব্যক্তিগতভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও তার অধীনস্থদের অপরাধের দায়ভাগের জন্য নেতাকেও অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা যাবে
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ধর্ষণকে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে রায় দিয়েছে
তিন সদস্যের বিচারক প্যানেলের প্রধান সিলভিয়া স্টেইনার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে মধ্য আফ্রিকায় ২০০৩-২০০৪ সালে বেম্বার মিলিশিয়া বাহিনীর গণহত্যা এবং নারী ধর্ষণের বিবরণ তুলে ধরেন
শেয়ার করুন:
: আইনের চোখে নারী, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত, আন্দোলনে নারী, উইমেন চ্যাপ্টার, ধর্ষণ, ধর্ষণকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আইসিসির যুগান্তকারী ঘোষণা, নারী ও ধর্ষণ, পরিবর্তনে নারী, যুদ্ধ ও নারী
ভণ্ডামি ছাড়েন....... সুশীল ভাবটা ছাড়েন!
সেনা কর্মকর্তার মেয়ে বলছি
:
মার্চ ২৬, ২০১৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ধর্ষণ কের বিচার হয় না বলে আজ দেশে অবিরাম ধর্ষণের উৎসব চলছে
বিচারের দ্বায়িত কার? ধর্ষিতার কষ্ট শুধু , সে শুধু নিজে জানে, আর তাই জীবন দিয়ে হলেও সে বিচার চায়
তাই আমি সেই সব দ্বায়িত শীল ব্যক্তি দের ধর্ষণের ব্যপারে লিখেছিলা, তা হলেই বিচার সম্ভব
সর্বশেষ প্রকাশিত
খবরাখবর ফিচারড নিউজ
বোরকা-হিজাব বনাম বিকিনি সংস্কৃতি: একটি পাঠ প্রতিক্রিয়া
নভেম্বর ২৪, ২০২১, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ
উইমেন চ্যাপ্টার
আন্দোলনে নারী ফিচারড নিউজ
বেদনার নীল চোখে দেখা রেহানা মরিয়ম নূর: আমার ভাবনা
নভেম্বর ২২, ২০২১, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
উইমেন চ্যাপ্টার
ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ফিচারড নিউজ
নারীর আইডেন্টিটি এবং আইডেন্টিটি ক্রাইসিস
নভেম্বর ২১, ২০২১, ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ
উইমেন চ্যাপ্টার
ইডিটর'স পিক
এক সুতোর ওপরে ঝুলে থাকে যে জীবন!
নভেম্বর ২০, ২০২১, ৫:৫১ অপরাহ্ণ