content
stringlengths
0
129k
( ১০০০ A) (১০০)
অ্যাংস্ট্রম
অ্যাংস্ট্রম একক ব্যবহার করে অণু-পরমাণুর আকার, বন্ধন দৈর্ঘ্য ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়
এক অ্যাংস্ট্রম হলো, এক সেন্টিমিটারের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
যেমন, কার্বন-কার্বন( - ) একক বন্ধনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৫৩ অ্যাংস্ট্রম
লেখার জন্য A দিয়ে, এককটি প্রকাশ করা হয়
সুইডিশ পদার্থবিদ এন্ডার ইয়োনাস অ্যাংস্ট্রম ( Ao)এই এককটির উদ্ভাবক
সুইডিশদের বর্ণমালায় A হলো একটি বর্ণ, এর উচ্চারণ ইংরেজী -এর মতো
সুইডেনের উপসলা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিজ্ঞানীর নামে রয়েছে একটি সুবিশাল ল্যাবরেটরি যেটি Ao নামে পরিচিত
পারমাণবিক সংখ্যানুসারে পর্যায় সারণী
১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক সংখ্যার ক্রমানুসারে মৌলসমূহকে পর্যায় সারণীতে সজ্জিত করা হয়
এক বছরের মধ্যে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত বাহাত্তরটি মৌলের সন্ধান মেলে এবং কৃত্রিমভাবেও বেশ কিছু মৌল তৈরী করা হয়
১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ১০১তম মৌলটি আবিষ্কৃত হয় এবং পর্যায় সারণী তৈরীতে দিমিত্রি মেন্দেলিভের অবদানের জন্য তার নামানুসারে মৌলটির নাম রাখা হয় মেন্দেলিভিয়াম
প্রাচীন মৌল
কার্বন, তামা, সোনা, রূপা, লোহা, গন্ধক, সীসা, পারদ, টিন ও দস্তা এই দশটি মৌলের ব্যবহার চলে আসছে প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে
১৫০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে আরও তিনটি পদার্থ, আর্সেনিক, অ্যান্টিমনি ও বিসমাথ প্রভৃতিকে মৌল হিসাবে সনাক্ত করা হয়
১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে আবিষ্কৃত হয় ফসফরাস, কোবাল্ট ও প্লাটিনাম
১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে আবিষ্কৃত হয় মৌলিক গ্যাসসমূহ (হাইড্রোজেন, আক্সিজেন, হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন), হ্যালোজেনসমূহ (ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন), কিছু তেজষ্ক্রিয় মৌল (ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম ও রেডন), কিছু বিরল মৃত্তিকা মৌল (সেরিয়াম, নিওডাইমিয়াম, ল্যান্থানাম ইত্যাদি), লিথিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক...
আধুনিক ও সর্বশেষ মৌল
১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের পর আবিষ্কৃত হয় ফ্রান্সিয়াম, প্লুটোনিয়াম, নেপচুনিয়াম, হাফনিয়াম, অ্যাস্টেটিন ইত্যাদি
একবিংশ শতকে কৃত্রিমভাবে অনেকগুলো মৌল তৈরী হয়েছে
যেমন, ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দের অক্টোবরে রাশিয়ায় তৈরী হয়েছে ১১৮তম মৌল, ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে তৈরী হয়েছে ১১২তম মৌল যা ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে কোপারনিসিয়াম নামে স্বীকৃতি পায়, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে ১১৪ ও ১১৬তম মৌলদ্বয় আবিষ্কৃত হয় এবং ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে তাদের যথাক্রমে ফ্লেরোভিয়াম ও লিভারমোরিয়াম নামে স্বীকৃতি দেওয়া হয়
সর্বশেষ ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে ১১৩, ১১৫, ১১৭ ও ১১৮তম মৌলগুলোকে চিহ্নিত করা হয়, যদিও এগুলো এখনও অনুমোদিত নয়
রাসায়নিক মৌলের ক্ষুদ্রতম অংশ যার স্বাধীন অস্তিত্ব নেই (নিস্ক্রিয় গ্যাসের পরমাণু ব্যতীত), কিন্তু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরাসরি অংশ গ্রহণ করতে পারে সেসব আণুবীক্ষণিক কণিকাই পরমাণু
পরমাণুর আকার খুবই ক্ষুদ্র; সাধারণত এরা দৈর্ঘ্যে ১০০ পিকোমিটার (১ মিটারের ১০,০০০,০০০,০০০ ভাগ বা চুলের ১ লাখ ভাগের ১ ভাগ)
কোনো পদার্থের পারমানবিক সংখ্যা হলো পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা
কণাদ এবং অণু
ভারতীয় দার্শনিক কণাদ খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে পরমাণুর ধারণা দেন
তিনিই প্রথম বলেন, সকল পদার্থই ক্ষুদ্র এবং অবিভাজ্য কণিকা দিয়ে তৈরী
গ্রিক দার্শনিক মিলেতুসের লেউকিপ্পুস (খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতক)-এর বিখ্যাত শিষ্য আবদেরার ডেমোক্রিটাস খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দে পদার্থ যেসব অতিক্ষুদ্র অবিভাজ্য কণা দিয়ে গঠিত তার নাম দেন এটমস'() যার আভিধানিক অর্থ "অবিভাজ্য"()
পরমাণুর গঠন
পরমাণুর তিনটি উপাদান রয়েছে
যেসব কণিকা দিয়ে পরমাণু গঠিত, তাদের মৌলিক কণিকা বলে
এগুলো হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন
এ তিনটি কণিকা বিভিন্ন সংখ্যায় একত্রিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু গঠন করে
ধনাত্মক আধানযুক্ত প্রোটন এবং আধানহীন নিউট্রন একত্রিত হয়ে নিউক্লিয়াস গঠন করে; এদের ঘিরে ঋণাত্মক আধানের ইলেকট্রন আবর্তিত হয়
পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন
১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে স্যার জে জে থমসন সর্বপ্রথম ইলেকট্রনের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন
ইলেকট্রনকে সাধারণত ব প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়
একটি ইলেকট্রনের ভর ৯.১০৮৫×১০-২৮ এবং আধান -১.৬×১০-১৯ কুলম্ব
ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘুর্ণয়মান
প্রোটন হচ্ছে নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান ধণাত্মক আধান বিশিষ্ট কণিকা
১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন
একটি পরমাণুতে ইলেকট্রনের সমান সংখ্যক প্রোটন থাকে
প্রোটনের ভর ১.৬৭৩১০-২৮ যা পারমাণবিক ভর স্কেল অনুসারে ১.০০৭২৭৬
এখানে মানে
একটি হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন সরিয়ে নিলেই প্রোটন পাওয়া যায় তাই একে + বলা যেতে পারে
একে সাধারণত দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে
নিউট্রন / পারমাণবিক ভর
নিউট্রন হচ্ছে আধানবিহীন মৌলিক কণিকা
আধানবিহীন( ) হওয়ায় এর এই নাম দেওয়া হয়েছে
নিউট্রন, নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থান করে
১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে জেমস স্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন
এর আসল ভর ১.৬৭৫১০-২৪ যা পারমাণববিক ভর স্কেল অনুসারে ১.০০৮৬৬৫
এর ভর ইলেকট্রনের ভরের প্রায় ১৮৩৭ গুণের সমান
একে সাধারণত দ্বারা প্রকাশ করা হয়
নিউট্রন পরমাণুর কেন্দ্রে প্রোটনের সঙ্গে যুক্ত থাকে
এই দুই কণিকার সম্মিলিত ভরকে পারমাণবিক ভর বলা হয়ে থাকে
ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্যার জেমস চ্যাডউইক (২০ অক্টোবর ১৮৯১N২৪ জুলাই ১৯৭৪) ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে নিউট্রন আবিষ্কার করেন এবং এই অবদানের জন্য তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন
দৈনন্দিন বিজ্ঞান : অক্সিজেন আলো আলোর বেগ রঙ আলোর পথ ও আলোর নীতি
দৈনন্দিন বিজ্ঞান : বর্ণালী রং : জাতীয় রং: রঙধনু : শব্দ : শব্দের গতি : ইনফ্রা সাউন্ড, আল্ট্রা সাউন্ড ও সুপারসনিক
শহীদ বুদ্ধিজীবীর বোনের সাথে পপুলার ডায়াগনস্টিকে বর্বর আচরণ শহীদ বুদ্ধিজীবীর বোনের সাথে পপুলার ডায়াগনস্টিকে বর্বর আচরণ - 24.
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
আন্তর্জাতিক
তথ্যপ্রযুক্তি
লাইফস্টাইল
শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গণ
আমাদের পরিবার
বিজ্ঞাপন রেট চার্ট
কৃষিবার্তা
বিশেষ প্রতিবেদন
সাক্ষাতকার
মানুষ মানুষের জন্য
ফটো গ্যালারী
শিরোনাম :
১৮ মাস পর সশরীরে ক্লাসে ফিরে উচ্ছ্বসিত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) শিক্ষার্থীরা বান্দরবানে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহন, ১০কেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহার মৌসুমী হামিদকে সন্দেহ করার মাশুল দিলো নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন হচ্ছে : আইনমন্ত্রী বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপে কোনঠাসা নৌকা প্রার্থীরা ভারতে বেড়েছে করোনা, নতুন আতঙ্কের নাম ওমিক...
< ="://2..///.?=--3423136311593782′′
=""></>
শহীদ বুদ্ধিজীবীর বোনের সাথে পপুলার ডায়াগনস্টিকে বর্বর আচরণ
জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০
১২৯ বার পঠিত
পেশাগত নৈতিকতা ও বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে শ্রেফ ব্যবসায়িক মুনাফার লোভে রাজধানীর শীর্ষ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক কেন্দ্রগুলোতে এক শ্রেণীর বিবেকবর্জিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী অসহায় রোগীদের জিম্মি করে অর্থ উপার্জনের বেপরোয়া খেলায় মেতেছে
এর বিরুদ্ধে প্রতিকার চাইতে গেলে সুরাহার পরিবর্তে মিলছে দায়সারা ব্যাখ্যা ও পাল্টা হুমকি
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এন্ডোসকপির মতো সংবেদনশীল পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের কাছ থেকে লিখিত সম্মতিপত্র পাওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এক শ্রেণীর ক্লিনিকে এসবের তোয়াক্কা না করে 'ধর তক্তা মার পেরেক' পদ্ধতিতে রোগীদের জোর করে শুইয়ে দেয়া হয় পরীক্ষার টেবিলে এবং অযতœ আর তাড়াহুড়োর মধ্যে নাম-কা-ওয়াস্তে পরীক্ষা করিয়ে বের করে দেয...
সম্প্রতি গত ২১ অক্টোবর এ জাতীয় একটি ঘটনার অভিযোগ করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী জহির রায়হান ও শহীদুল্লাহ কায়সারের বোন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শিক্ষক ও সমাজকর্মী ৭৫ বছর বয়সী শাহেনশাহ বেগম
অশ্রুবিজড়িত কন্ঠে নিজের ভয়ানক অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়ে তিনি আক্ষেপ জানিয়ে বলেন, শিক্ষিত মানুষের সাথেই যখন নির্বিবাদে এ জাতীয় আচরণ করা হচ্ছে, তখন না জানি কি ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে প্রতিনিয়ত যেতে হচ্ছে এ দেশের শিক্ষাবঞ্চিত অসহায় মানুষগুলোকে
জানা গেছে, রাজধানীর শীর্ষ চিকিৎসা ব্যবসায়ী পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক ডা. আমিনুল হকের কাছে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ডাক্তার শাহেনশাহ বেগমকে এন্ডোস্কোপি করার নির্দেশ দেন
সে মতে ওইদিন বুধবার সকালে তিনি শান্তিনগরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গেলে সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার ও অ্যাটেন্ড্যান্টদের চরম দুর্ব্যবহারের মুখে পড়েন তিনি
নিয়শ অনুযায়ী বংষ্ক মানুষের ক্ষেত্রে যারা অতি সংবেদনশীল তাদেও হাল্কা তন্দ্রাচ্ছন্ন করে ও আলগা দাঁত খুলে এই পরীক্ষাটি করানোর কথা
পাশাপাশি, চিকিৎসকের দায়িত্ব পরীক্ষাটি করানোর আগে রোগীকে গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে অবহিত করা ও তার সম্মতি নেয়া
অথচ সেব বিধির তোয়াক্কা না কওে, রোগীর পূর্বাপর ইতিহাস না জেনে, তার অনুমতি না নিয়েই ক্লিনিকের কর্মীরা হৃদযন্ত্র ও চোয়ালের জটিলতায় ভুগতে থাকা বয়োবৃদ্ধ এই রোগীনিকে টানাহেঁচড়া করে এন্ডোস্কোপির টেবিলে শুইয়ে দেন
তারা রোগীনি অথবা তার স্বজনের কাছ থেকে কোনো লিখিত সম্মতিপত্র নেননি
এমনকি চিকিৎসা বিধিমালায় নারী রোগীদের ক্ষেত্রে একজন স্বজনের সেখানে উপস্থিত রাখার বিধান থাকলেও সেখানে দায়িত্বে থাকা ডা. ফয়েজ আহমেদ খন্দকার ও তার সহযোগী ওই কর্মীরা উল্টো রোগীর স্বজনকে ধমক দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন
এরপর কোনো ধরনের অ্যানেস্থেশিয়া ছাড়াই জোরপূর্বক তাকে দুই হাত ও দুই পা শক্তভাবে চেপে ধরে মুখের মধ্যে এন্ডোস্কোপির নল ঢুকিয়ে দেয়া হয় এবং একপ্রকার 'গুতিয়ে গুতিয়ে' খাদ্যনালীর মধ্যে প্রবেশ করানো হয়
এ সময় মুখগহ্বরে আলগা দাঁত ও দেহের অভ্যন্তরে নাজুক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্য দিয়ে বেপরোয়া নল চালনার কারণে তীব্র যন্ত্রণায় রোগিনী আর্তনাদ করতে থাকলেও বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা করেনি কিংবা তাকে ছাড় দেয়নি 'অর্থলিপ্সু' এসব 'নামধারী' স্বাস্থ্যকর্মী
এ বিষয়ে পরবর্তীতে শাহেনশাহ বেগম তার চিকিৎসক পপুলার সেন্টারে ডা. আমিনুল হকের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে তিনি প্রতিকারের বদলে উল্টো তাকে বলেন, এশিয়া সাবকন্টিনেন্টেই কোথাও জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে এন্ডাস্কোপি করা হয় না, এই ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেই এন্ডোস্কোপি করা হয়ে থাকে
এখানে এটাই নিয়ম
এন্ডোস্কোপি জাতীয় পরীক্ষা কারনোর ক্ষেত্রে রোগীর সম্মতি প্রদানের অধিকারের কথা জানতে চাইলে দীর্ঘদিনের পেশাগত চর্চায় অভিজ্ঞ এ চিকিৎসক বিস্ময়করভাবে জানান, এ ধরনের কোনো বিধির কথা জানা নেই তার