content stringlengths 0 129k |
|---|
আলিম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পাঠদানে নিয়োজিত চারজন শিক্ষকের মাসিক সম্মানি ভাতা ওই হাট কমিটির মাধ্যমে মাদ্রাসার ফান্ডে জমা হয় |
এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলা চেয়ারম্যান এড. মিনহাদুজ্জামান লীটনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হাটটি ইজারা ভুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে |
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শফিকুর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হাটটি ইজারাভুক্ত করতে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে |
খুব অচিরেই হাটটি সরকারের আওতাভুক্ত হবে |
যোগাযোগের তথ্য: সেণ্ট যোসেফস্ স্কুল, গণেশতলা, দিনাজপুর |
, ই-মেইল: 1951@., মোবাইল: 010000000000 |
© ২০২১, সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত |
সাইট ডিজাইন: • সাইটটি সর্বশেষ আপডেট করার সময়: : 30 , 2021 2:42 |
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন |
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন |
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
ক) নির্বাচিত ইউনিয়ন সমূহের স্থানীয় মৎস্য চাষিদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করে উন্নত মৎস্যচাষ প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করা |
খ) মৎস্যচাষ ও বিভিন্ন মৎস্য সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা |
গ) মৎস্যচাষ সংক্রান্ত পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ |
ঘ) স্থানীয় জলজ সম্পদের সুষম ব্যবহারের জন্য ইউনিয়ন পরিষদকে কাযকর প্রতিষ্ঠান হিসাবে মৎস্য বিষয়ক সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণ |
ঙ) মৎস্য অধিদপ্তর, ইউনিয়ন পরিষদ, লিফ এবং স্থানীয় মৎস্যচাষিদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে স্থায়িত্বশীল সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন ভিত্তিক মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করা |
প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম |
প্রকল্প সময়সীমার মধ্যে 1,05,550 জন সুফলভোগীর মাছচাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান |
3000 টি কার্প নার্সারি ফলাফল প্রদর্শনী, 3000টি কার্প মিশ্রচাষ ফলাফল প্রদর্শনী, 3000টি মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষ ফলাফল প্রদর্শনী, 1500টি পাঙ্গাস চাষ ফলাফল প্রদর্শনী, 1000টি গলদা/বাগদা-কার্প মিশ্রচাষ ফলাফল প্রদর্শনী, 500টি কৈ/শিং/মাগুর চাষ ফলাফল প্রদর্শনী, 1000টি ধানক্ষেতে মাছচাষ ফলাফল প্রদর্শনী স্থাপন |
1000টি সিবিজি স্থাপন {(কার্পমিশ্রচাষ/পাংগাস/তেলাপিয়া চাষ (650টি সিবিজি), পেনে মাছ চাষ (50টি সিবিজি) এবং খাঁচায় মাছচাষ (300টি সিবিজ)} |
বৃহস্পতিবার সকালে 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০১৯' এবং 'জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৯' অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে সংশ্লিষ্টদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |
বিরল, বিপদাপন্ন, বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, শিক্ষা-গবেষণা, সচেতনতা সৃষ্টি ইত্যাদিতে অসামান্য অবদান রাখায় চলতি বছর তিনটি ক্যাটাগরিতে চার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে 'বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন-২০১৯' পদক দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় |
২০ জুন, বৃহস্পতিবার সকালে 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০১৯' এবং 'জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৯' অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে সংশ্লিষ্টদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |
এ বছর 'বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন-২০১৯'-এর 'বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, খ্যাতিমান গবেষক, বিজ্ঞানী, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবাদী ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মী বা ব্যক্তিত্ব' (ক) ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন বন্যপ্রাণীর মা-খ্যাত সদ্যপ্রয়াত তানিয়া খান (মরণোত্তর) |
'বন্যপ্রাণী বিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণা' বিষয়ে (খ) ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছ্নে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বেনজির আহমেদ |
এবং 'বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান' বিষয়ে (গ) ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন মৌলভীবাজারের বড়লেখার হাল্লা গ্রামের 'পাখিবাড়ি'র প্রতিষ্ঠাতা শাহরিয়ার আহমদ স্বপন এবং 'পাখিবাড়ি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিটি'র সভাপতি ও তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস |
পুরস্কারটির নীতিমালা অনুযায়ী পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দুই ভরি (২৩.৩২ গ্রাম) ওজনের স্বর্ণের বাজারমূল্যের সমপরিমাণ নগদ অর্থ, ৫০ হাজার টাকার চেক ও স্বীকৃতির সনদপত্র দেওয়া হয় |
বিরল, বিপদাপন্ন, বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণী প্রজাতি সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১০ সালে প্রথম এ জাতীয় পুরস্কার চালু করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় |
এ সময় প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, "উন্নয়ন দরকার, কিন্তু পরিবেশও রক্ষা করতে হবে |
বৃক্ষরোপণ করতে হবে, জলাধার রক্ষা করতে হবে |
ছোটবেলার স্মৃতিচারণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা ছোটবেলায় উখিয়ায় যাই, সেখানে কোনও রাস্তা ছিল না তখন |
গভীর জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যেতে হতো |
ফরেস্ট বাংলোতে আমরা উঠতাম, এর চারপাশে ঘন জঙ্গল ছিল |
মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের টেকনাফ-উখিয়ায় আশ্রয় দেওয়া হলো |
এখন বন শেষ |
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "জেলা-উপজেলায় বৃক্ষ মেলার আয়োজন করেছি |
মানুষ গাছের চারা কিনে লাগায় |
সবাইকে অনুরোধ করবো, যার যার কর্মস্থলে ও বাসস্থানে গাছ লাগাবেন |
সুন্দরবন ও উপকূলীয় বন রক্ষার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে, বাঘের সংখ্যা বাড়াতে হবে |
হোগলা বন বাঘের ব্রিডিং পয়েন্ট |
নদীর লবণাক্ততা কমলে হোগলা বন বাড়বে এবং বাঘের সংখ্যাও বাড়বে |
এর জন্য আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি |
উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষার কাজ জাতির জনকই শুরু করেছিলেন |
আমরা উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী রক্ষার কাজ করেছি |
পদক পেলেন যারা |
তানিয়া খান |
তানিয়া খানের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জে |
২০০৬ সাল থেকেই বন্যপ্রাণীর ছবি তুলতে শুরু করেন তিনি |
২০০৯ সালে বন বিভাগের শ্রীমঙ্গল অঞ্চলের রেঞ্জার মুনীর আহমেদ খানের সঙ্গে বিয়ে হয় তার |
ছোটবেলা থেকে তার মধ্যে যে প্রাণিপ্রেম ছিল, বন কর্মকর্তার সঙ্গে বিয়ে তা নতুন মাত্রা এনে দেয় |
বিয়ের পর কখনো মুনীর আহমেদ খানের সঙ্গে, কখনো একা, কখনো অন্যদের সঙ্গে দলবেঁধে বন থেকে বনে ছুটে বেড়িয়েছেন বন্য প্রাণিপ্রেমী তানিয়া খান |
বন্য প্রাণী রক্ষা ও তার সেবায় বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব, আইইউসিএন (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেশন ফর ন্যাচার), নিসর্গসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে করেছেন তানিয়া খান |
২০১৪ সালে হবিগঞ্জের সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে তানিয়া খান খুঁজে পান থ্রি স্টামস বাংকিং নামের একটি পাখি |
এই পাখি দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং দেশে প্রথম দেখার রেকর্ড হয় |
২০১৩ সালে সাতছড়িতে হিল ব্লু ফ্লাই ক্যাচার খুঁজে পান তিনি |
তানিয়া খান লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে 'পাইড ওয়ার্টি ফ্রগ' নামের একটি ক্ষুদ্র ব্যাঙ আবিষ্কার করেন ২০১২ সালে |
এ ছাড়া 'বুশ ফ্রগ' জাতের আরও একটি ব্যাঙের দেখাও পেয়েছেন, যার নাম এখনো নিশ্চিত করা হয়নি |
২০১২ সালে প্রথম এবং ২০১৬ সালে দ্বিতীয় বার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে মৃত 'চিকিলা ফুলেরি' নামের একটি প্রাণী আবিষ্কার করেন তানিয়া খান |
এটি একটি অতি বিরল প্রাণী |
মৌলভীবাজারের আদমপুরে 'ফলস কোবরা' নামের একটি সাপ এবং লাউয়াছড়ায় 'হিমালয়ান মোল' নামের এক প্রাণী আবিষ্কার করেন |
এ দুটি প্রাণীও দেশে প্রথম দেখার রেকর্ড তানিয়ারই |
২০১৬ সালে ব্যক্তি উদ্যোগে মৌলভীবাজারের নিজ বাসায় 'সোল (সেভ আওয়ার আনপ্রোটেক্টেড লাইফ) ' নামে একটি বন্যপ্রাণী সেবাকেন্দ্র গড়ে তুলেছিলেন, যার পরিচালক ছিলেন তিনি নিজেই |
এই সেবাকেন্দ্রের মাধ্যমে আহত ও অসুস্থ বন্যপ্রাণীদের পরিচর্যার মাধ্যমে সুস্থ করে তাদের নিজ আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হতো |
এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ প্রজাতির ৫ হাজারের অধিক পাখি এবং ৮-৯ প্রজাতির ৪ শতাধিক বন্যপ্রাণীকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন নিজের স্বেচ্ছাশ্রমে |
এভাবে আহত ও অসুস্থ বন্যপ্রাণী পরিচর্যা করে নিজ আবাসস্থলে অবমুক্ত করার মাধ্যমে তিনি জাতীয় পর্যায়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন |
তানিয়া খান সিলেট বিভাগে, বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলায় শকুন সংরক্ষণ ও শকুনের আবাসস্থল রক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন |
এ ছাড়া লাউয়াছড়া, খাদিমনগর, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর আবাস্থল সংরক্ষণে বনবিভাগের পাশাপাশি তিনিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন |
তানিয়া খানের লেখা ১৫টি গবেষণা নিবন্ধ দেশি-বিদেশি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে |
এ ছাড়া যৌথভাবে প্রজাপতি, বামন মাছরাঙা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার চারটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে |
তানিয়া খান তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ -2015, -2017, -2017 পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন |
চলতি বছর ১৩ মার্চ, বুধবার সকালে সিলেটের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়া বাড়িতে তানিয়া খানকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় |
ব্যক্তি জীবনে তানিয়া খান প্রয়াত ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার মুনির আহমেদের স্ত্রী |
মুনীর আহমেদ ২০১৫ সালে একটি দুর্ঘটনায় মারা যান |
তারপরও বন্য প্রাণী গবেষণার কাজে মৌলভীবাজারেই থেকে যান তানিয়া খান |
বিবাহিত জীবনে তিনি তিন কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জননী |
বেনজীর আহমেদ |
বেনজীর আহমদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক |
তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল থেকে সরীসৃপ, ডলফিনসহ নানা ধরণের সিটাশিয়ান প্রজাতি সংরক্ষণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন |
সুন্দরবনের ডলফিনের উপর তার ১২ বছরের গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে ২০১২ সালে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয় |
বিরল অলিভ রিডলে কচ্ছপের প্রজনন বিষয়ক গবেষণায় তার অবদান উল্লেখযোগ্য |
বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষেয়ে বেনজীর আহমদের ১৬টি গবেষণা নিবন্ধ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে |
ডলফিন সংরক্ষণ ও গবেষণা সংক্রান্ত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন তিনি |
এ ছাড়া দেশের অভ্যন্তরে ২টি ও ভারতে ১টি এম.ফিল এবং ২টি পিএইচডি থিসিস তত্ত্বাবধান করেছেন বেনজীর আহমেদ |
'পাখিবাড়ি', শাহরিয়ার আহমদ স্বপন ও বিদ্যুৎ কান্তি দাস |
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার হাকালুকি হাওরের পূর্ব পাশের হাল্লা গ্রামে 'পাখিবাড়ি' অবস্থিত |
৩০/৪০ বছর আগে হাল্লা গ্রামের প্রয়াত মনোহর আলী মাস্টারের বাড়িতে পাখিরা বসবাস শুরু করে |
শুধু পাখিদের সুবিধা করে দিতেই মনোহর মাস্টার ওই বাড়িটি ছেড়ে দেন এবং নতুন বাড়ি তৈরি করে সেখানে থাকতে শুরু করেন |
এরপর থেকে গত ২০ বছর ধরে মনোহর আলী মাস্টারের প্রায় এক একর আয়তনের বাড়ির গাছে গাছে পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল গড়ে উঠেছে |
পাখির প্রতি মনোহর মাস্টারের এই মমত্ববোধ এলাকার মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে, স্থানীয়রা এই বাড়িটিকে 'পাখিবাড়ি' ডাকতে শুরু করেন |
বাড়িতেটিতে নিশীবক, সাদাবক, পানকৌড়ি, জলকুড়া, সরালিসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় পাঁচ হাজার পাখি স্থায়ী আবাস গেড়েছে |
পাখিবাড়িতে বিভিন্ন দেশি পাখি ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকিতে প্রতিবছর যখন পরিযায়ী পাখি আসে, সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে অসংখ্য পাখি হাওরের বিভিন্ন বিল ও জলাশয় থেকে এসে আশ্রয় নেয় বাড়ির গাছগাছালিতে |
এদিকে মনোহর মাস্টারের পুরাতন বাড়ি ছাড়াও নতুন বাড়িতেও পাখির বিষ্ঠার কারণে ঘরের টিন নষ্ট ও দুর্গন্ধময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়, হচ্ছে প্রচুর আর্থিক |
তারপরও নিজেদের ক্ষতির কথা চিন্তা না করে পরম মমতায় পাখিদের সঙ্গে বসবাস করছেন প্রয়াত মনোহর আলী মাস্টারের ছেলে পাখি বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা শাহরিয়ার আহমদ ও তার পরিবার |
তবে নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও পাখিবাড়ির নিজস্ব জমিতে পাখির আবাসস্থল সংরক্ষণে নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করছেন 'পাখিবাড়ি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিটি'র সদস্যরা |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.