content
stringlengths
0
129k
আব্দুর রাকিব
মাওলানা আব্দুস শহীদ নাসিম
ডক্টর হাফেজ মাওলানা হাসান মুহাম্মদ মঈনউদ্দীন
ডক্টর এ. এস. এম. তরিকুল ইসলাম
ডক্টর মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ
ডক্টর মঞ্জুর-ই-ইলাহী
মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী
প্রধান অংশীদারগণ
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি)
জেপি মরগ্যান চেজ & কো.
দুবাই ইসলামী ব্যাংক,
কুয়েত ফিন্যান্স হাউস
লুক্সেমবার্গ ইসলামী ব্যাংক
কুয়েতের তিনটি মন্ত্রণালয়
ব্যাংকটির ৬৩% শেয়ার উপরিউক্ত অংশীদারগণের আর বাকি ৩৭% এর মালিকানা বাংলাদেশের ৬০,০০০ শেয়ার হোল্ডারগণ
ইসলামী ব্যাংক কোনাবাড়ি শাখা, গাজীপুর
ইসলামী ব্যাংক টঙ্গী শাখা, গাজীপুর
ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক নজিপুর শাখা, নওগাঁ
ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক সাপাহার শাখা, নওগাঁ
ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক নওগাঁ শাখা, নওগাঁ
ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক মহাদেবপুর শাখা, নওগাঁ
ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক মান্দা শাখা, নওগাঁ
ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক সেতাবগঞ্জ শাখা, দিনাজপুর
!
!
, , .
ত্রিশালে ১২ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত যারা
ইসলামী ব্যাংক সিংগাইর শাখা, মানিকগঞ্জ
বঙ্গবন্ধুর নাম আর কেউ মুছে ফেলতে পারবে না
মানুষের গান- জি সি দেবনাথ
ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক ধানমন্ডি শাখা, ঢাকা
১৬ বছর বয়সেই ডিসির চেয়ারে স্কুলছাত্রী রিমি!
কক্সবাজারে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক শাখার ঠিকানা, নাম্বার ও তথ্য
শিল্পা শেঠি ও রাজের কাছে শার্লিনের দাবি ৭৫ কোটি টাকা
আমাদের ইনফো বিডি সাইটে আপনাকে স্বাগতম
আমাদের এই সাইটি উইকিপিডিয়ার মত সকল প্রকার তথ্য পেতে আপনাকে সাহায্য করবে
তাছাড়া শিক্ষা, বিনোদন, জীবন বৃত্তান্ত, চাকুরীর খবর, স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ, ধর্মীয় লিখা ও বিভিন্ন ব্যাংক সহ সকল প্রকার ইনফরমেশন পাবেন
এছাড়াও আপনার কোম্পানির প্রচার করতে আপনার কোম্পানির সকল ইনফরমেশন এখানে রাখতে পারেন
কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি
কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি
মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই
জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না
জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই
যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা
তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই
খায়রুল আহসান " বিস্তারিত পোস্টঃ
মেলবোর্নের দিনলিপি - ৬ঃ মাউন্ট ড্যান্ডিনং রেঞ্জে এক পড়ন্ত বিকেলে (রিপোস্ট)
২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:২০
এর আগের পর্বটি দেখতে পাবেন এখানেঃ মেলবোর্নের দিনলিপি - ৫ঃ নতুন বছরের (২০২০) প্রথম কয়েকটা দিন
প্রতি বছরের জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসের প্রথম শুক্রবারে ব্রাইটন বীচের বেলাভূমি সংলগ্ন ভূমিতে খোলা আকাশের নীচে " " এর আয়োজন করা হয়
বা "নৈশ বাজার" কেবল নামেই, আসলে এটা শুরু হয় মধ্যাহ্নের পর পরই, শেষ হয় সূর্যাস্তের ঘন্টাখানেকের মধ্যেই
অনেকটা আমাদের গ্রামীন সাপ্তাহিক হাটের মত, একথা উল্লেখ করে এ বীচ ও বাজার সম্পর্কে এর আগের পর্বে কিছুটা উল্লেখ করেছিলাম
এ বছরের প্রথম শুক্রবারটিতে (০৩ জানুয়ারী ২০২০) আমরা সেখানে গিয়েছিলাম, মূলতঃ সাগর সৈকতে কিছুক্ষণ হেঁটে বেড়াবার জন্য, "নৈশ বাজার" সম্পর্কে কোন কিছু না জেনেই
এ বীচ এবং বাজার, উভয়টিই সারমেয় বান্ধব
মেলবোর্নের সব বীচে, লেইকে কিংবা সংরক্ষিত প্রাকৃতিক অরণ্যে কুকুর নিয়ে যাওয়া যায় না
কিন্তু এ বীচে সারমেয়কূলকে সগর্বে স্বাগত জানানো হয়েছে, যা বিজ্ঞপ্তির দ্বারা প্রবেশ পথের নোটিশ বোর্ডে এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে ঘোষিত হয়েছে
১৮৫৩ সালের ৩০শে জানুয়ারী নামের ৪৩ বছর বয়সী একজন ব্রিটিশ লিথোগ্রাফার লিভারপুল থেকে সাগর পথ পাড়ি দিয়ে মেলবোর্নে এসে পৌঁছেন
তিনি এর আগে ইংল্যান্ডে বা স্থাপত্য নক্সাবিদ হিসেবে জীবিকা অর্জন করতেন
মেলবোর্নে পৌঁছার পর এই ব্রাইটনেই তিনি বসতি গড়েন এবং এখানে বসে বসে তিনি মেলবোর্নের সমুদ্রতীর ও তটরেখার ছবি আঁকতেন
বীচের যে অংশে বসে তিনি ছবি আঁকতেন, ১৮৬২ সালে তাঁর সম্মানে সে অংশটির নাম রাখা হয়
তার আঁকা একটি ছবি আজও সেখানে শোভা পাচ্ছে
০৬ জানুয়ারী ২০২০, আজ সকাল থেকেই আকাশটা মেঘলা
ফযরের নামায পড়ে ব্যালকনিতে বের হয়ে বুঝলাম, আকাশ এত মেঘাচ্ছন্ন যতটা না জলীয় বাষ্পভরা মেঘের কারণে, তার চেয়ে বেশী অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় সঞ্চারমান দাবানলের কারণে
বাতাসে বাতাসে ধোঁয়াগুলো ভেসে ভেসে অনেক দূর পর্যন্ত এসেছে
বাতাসে পোড়া পোড়া গন্ধও পাওয়া যাচ্ছে
অবশ্য রাস্তার দিকে তাকিয়ে এটাও মনে হলো যে শেষ রাতের দিকে কিছুটা হাল্কা বৃষ্টিপাত হয়েছে
আজ আরমানের (ছেলে) ডিউটি ভোর ছয়টা থেকে শুরু হবে, তাই সে খুব ভোরে উঠে এই শীতের মধ্যেই চলে গেল
০৭ তারিখ বিকেলে হাঁটাহাঁটির সময় পথের আশে পাশে ফুটে থাকা বিভিন্ন কিছু ফুলের ছবি তুললাম
০৮ তারিখ রাতে "বাওয়ার্চি" রেস্টুরেন্টে সবাই মিলে একসাথে ডিনার করলাম
০৯ তারিখে বিকেল তিনটায় রওনা হলাম "ড্যান্ডিনং রেঞ্জ" এর উদ্দেশ্যে
রেঞ্জটি মেলবোর্ন থেকে ৩৫ কিমি পূর্বে অবস্থিত, যেটি স্বল্প উচ্চতাসম্পন্ন কিছু পাহাড়ের সমন্বয়ে গঠিত
সর্বোচ্চ পাহাড়টির উচ্চতা ৬৩৩ ফুট, গাড়ী নিয়ে অনায়াসে যাওয়া যায়
সেখানে আগ্নেয়, পাললিক ও রূপান্তরিত-সব ধরনের শিলার সাক্ষাৎ পাওয়া যায়
১৯৭০-৮০ এর দশকে এটি মেলবোর্নের একটি অন্যতম পর্যটক আকর্ষক কেন্দ্র ছিল
১৯৯০ সালে এলাকাটির সংস্কার সাধন করা হয়, কিন্তু সংস্কারের পর রেঞ্জে নির্মিত স্থাপনা এবং ল্যান্ডস্কেপ পর্যটকদের কাছে মোটেই দৃষ্টিনন্দন মনে না হওয়াতে সেখান থেকে তারা মুখ ফিরিয়ে নেন
ধীরে ধীরে রেঞ্জটি পরিত্যাক্ত হতে থাকে, এবং ১৯৯৭ সালে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়
এরপর, ২০০৪ সালে "পার্কস ভিক্টোরিয়া" এর সাথে এক চুক্তিবলে ৩৫ লক্ষ অস্ট্রেলিয়ান ডলার খরচ করে পুনঃসংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়, যা ঐ বছরেরই ডিসেম্বর মাসে উদ্বোধন করা হয়
মাউন্ট ড্যান্ডিনং এর চূড়ায় "স্কাই হাই" নামে একটি আধুনিক রেস্টুরেন্ট স্থাপন করা হয়, যার ব্যালকনি থেকে মেলবোর্নের চারিদিকের খুব সুন্দর ভূ-প্রাকৃতিক দৃশ্য পর্যবেক্ষণ করা যায়
পর্যটক এবং প্রকৃতি প্রেমিকদের স্বল্পকালীন অবস্থানের জন্য সেখানে কিছু "স্কাই হাই এপার্টমেন্ট" এর ব্যবস্থাও রয়েছে
এখন যেখানে স্কাই হাই রেস্টুরেন্টটি অবস্থিত, সে স্থানটিই ১৮৬১ সাল থেকে (সর্বোচ্চ হবার কারণে) মেলবোর্নের ভূ-জরিপ কেন্দ্র ( ) হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল
সংস্কারের পর ২০০৪ সাল থেকে এর নাম " " পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে " " রাখা হয়
সংস্কারের অংশ হিসেবে নতুনভাবে ল্যান্ডস্কেপ করা এলাকাটির আশেপাশে প্রচুর গাছপালা রোপন করা হয়
ছোট ছোট কিছু কৃত্রিম ঝর্না সৃষ্টি করা হয়, পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার জন্য কিছু পাথর বিছানো, আঁকাবাঁকা পথ তৈরী করা হয়
নতুন এ উদ্যানটির নাম রাখা হয় "ইংলিশ গার্ডেন"
সেখানকার টেরাসে কিছু বাইনোকুলার রাখা আছে, যার ভেতর দিয়ে পর্যটকগণ দূর দূরান্তে দৃষ্টি মেলাতে পারেন
আকাশ পরিষ্কার থাকলে সেটা দিয়ে সুদূর পোর্ট ফিলিপ এর সৈকত ও তটরেখা দেখা যায়
'স্কাই হাই' এর প্রবেশ পথে কাঠের একটি "জায়ান্ট'স চেয়ার" রাখা আছে
কথিত আছে, বহু শতক ধরে নামের এক 'জায়ান্ট' (সে মানুষ না পক্ষী সে সম্বন্ধে আমি নিশ্চিত নই) এর প্রিয় জায়গা ছিল এটি