content
stringlengths
0
129k
সর্বোচ্চ এ স্থানটিতে এসে বসে থাকা এবং চারিদিকের দৃশ্য দেখা সেই এর অন্যতম পছন্দের কাজ ছিল
তাই কর্তৃপক্ষ তার জন্য এই বিরাট চেয়ারটি তৈরী করে রেখেছেন
কিছুটা কৌতুকের সাথে তারা একটি সাইনপোস্টে লিখেছেন, পর্যটকরা সেখানে ইচ্ছেমত বসতে পারেন, ছবি তুলতে পারেন, তবে যদি কখনো সেখানে ফিরে আসে, তখন অবশ্যই তার সম্মানে তাদেরকে সে চেয়ারটি ছেড়ে দিতে হবে!
নামে এলাকাটিতে একসময় প্রচুর ইউক্যালিপ্টাস প্রজাতির গাম জাতীয় সুউচ্চ বৃক্ষরাজি ছিল
২০০৬ সালে বজ্রাহত হয়ে বেশীরভাগ গাছ মরে যায়
লী রয় কঙ্কী নামের এক অস্ট্রেলীয় কাঠ শিল্পী ৮ মিটার উচ্চ গাছের ওপর থেকে ৩ মিটার কেটে ফেলে কর্তিত অংশটুকু দিয়ে পর্যটকদের জন্য আসনের ব্যবস্থা করেন এবং বাকী অংশে "টোটেম পোল স্টাইল" এ খোদাই করে একটি কাঠ-ভাস্কর্য তৈরী করেন
২০০৬ সালের মে মাসে তিনি এ কাজটি সম্পন্ন করেন
এ ছাড়া প্রাচীন বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে উদ্যানটিতে কিছু সাইনপোস্ট দেখা যায়, যেমন দ্য উইশিং ট্রী, দ্য উইশিং ওয়েল ইত্যাদি
কথিত আছে যে ঘন বৃক্ষে আচ্ছাদিত এ অঞ্চলটিতে একদিন বিলি লংটন নামে এক চার বছরের বালক খেলতে খেলতে নিখোঁজ হয়ে যায়
তার শোকাহত পিতা তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে এ গাছটির গোড়ায় এসে 'উইশ' করে, সে যেন তার ছেলেকে খুঁজে পায়
কিছুক্ষণ পর গাছটির এক বৃত্তাকার ফাঁক দিয়ে সে দেখতে পায়, তার ছেলে বিলি অদূরের সংলগ্ন মাটিতে বসে আছে
সেই থেকে স্থানীয় অধিবাসীদের মনে বিশ্বাস জন্মে যে এ গাছের গোড়ায় দাঁড়িয়ে কোন কিছু 'উইশ' করলে তা পাওয়া যায়
এটা অবশ্য খুব বেশীদিন আগের কথা নয়, ১৯০০ সালের কথা
একইভাবে সেখানে রয়েছে একটি 'উইশিং ওয়েল', যার পানি মানুষ একই বিশ্বাসে পান করতো বলে জানা যায়
আমরা সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে ফিরে আসি
(এই পোস্টটি ব্লগে গত ২২ মার্চ ২০২০ তারিখে পোস্ট করেছিলাম
পোস্টের পর লক্ষ্য করেছিলাম যে এই পোস্টের উপর কোন "সাম্প্রতিক মন্তব্য" ব্লগের সম্মুখ পাতায় দেখা যাচ্ছে না
বিষয়টি একটি ব্যক্তিগত মেইলে মডারেটরকে জানিয়েছিলামও, কিন্তু তাতে কাজ হয়নি
আগের পোস্টে নজসু, সোহানী এবং মোঃ মোজাম হক - এই তিনজন ব্লগার মন্তব্য রেখেছিলেন এবং নজসু, সোহানী, মনিরা সুলতানা এবং কাল্পনিক_ভালবাসা- এই চারজন পোস্টটি 'লাইক' করেছিলেন
তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্টটি এখানে রিপোস্ট করলাম, কারণ আমার ধারণা যে পোস্টটি হয়তো কোন কারিগরি ত্রুটির কারণে অনেক পাঠকের গোচরে আসেনি
মন্তব্যকারী এবং 'লাইক' প্রদানকারী ব্লগারদের নিকট দুঃখ প্রকাশ করে আগের পোস্টটি মুছে দিলাম
মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া
১৭ মার্চ, ২০২০
শব্দসংখ্যাঃ ১০০১
হাঁটার পথে দেখা ফুল
হাঁটার পথে দেখা ফুল
হাঁটার পথে দেখা ফুল
হাঁটার পথে দেখা অস্ট্রেলীয় ম্যাগপাই
অস্ট্রেলীয় কাঠ শিল্পী লী রয় কঙ্কী এর কাঠ-ভাস্কর্য, বিবরণ পোস্টে
ভাবুকদের জন্য এক আদর্শ জায়গা
নিরিবিলি সাঁকো ...
উইশিং ট্রী
টেরাসে রাখা এসব বাইনোকুলার দিয়ে পর্যটকগণ দূর দূরান্তে দৃষ্টি মেলাতে পারেন
"উইশিং ওয়েল"
"জায়ান্ট'স চেয়ার"
মেলবোর্নের ড্যান্ডিনং রেন্জের "স্কাই হাই ইংলিশ গার্ডেন" এ ঘুরে বেড়ানোর সময় কঠিন বাস্তবতার মাঝে মুখে হাসি ধরে থাকা এই নিঃসঙ্গ ফুলটি আমার চোখে পড়ে
,
,
.
,
, .
' '.
' '
.
,
, .
,
,
, ,
, .
,
, .
,
,
!
,
' '
.
' ' ' ',
!
' : ' ' , , 09 2020. . .
27 2020
১৩ টি +৮/-০
মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন
১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:৩৮
রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলো ঝকমক করছে না
তারপরও ভালো লাগলো
২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০১
খায়রুল আহসান বলেছেন: ছবি গুলো ঝকমক না করার পরেও সেগুলো আপনার ভাল লাগলো? অনেক ধন্যবাদ এ উদারতার জন্য
ভাল থাকুন, শুভকামনা---
২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৩২
নেওয়াজ আলি বলেছেন: গোলাপগুলি জীবন্ত
লেখাও পড়লাম
২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫১
খায়রুল আহসান বলেছেন: গোলাপগুলি জীবন্ত - গোলাপের প্রশংসায় প্রীত হ'লাম
লেখাটি পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ
৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:০৫
সোহানী বলেছেন: আগের লিখাটি পড়লেও আবার নতুন করে পড়তে ভালোলাগছে
তবে নতুন কিছু ছবিও মনে হয় এড হয়েছে
ছবিগুলো সুপারলাইক
ছবিগুলো দেখে বাইরে যাবার জন্য মনটা ছুটে যাচ্ছে
আর পুরো ইতিহাস জেনে আরো আগ্রহ হচ্ছে সেখানে যাবার
যাবো কোন একদিন ঠিকই
তবে একটা জিনিস, আপনি যেভাবে কোথাও গেলে তার ইতিহাস খুজেঁ বের করেন আমি তা কখনো করি না
যাবো দেখবো এনজয় করবো তারপর চলে আসবো....
২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫৯
খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি ঠিকই খেয়াল করেছেন, রিপোস্টে নতুন দুটো ছবি যোগ হয়েছে, সাথে একটি কবিতাও
যাবো কোন একদিন ঠিকই - ইন শা আল্লাহ!
যাবো দেখবো এনজয় করবো তারপর চলে আসবো.... - আমিও তাই করেছি, শুধু মাঝে মাঝে কিছু নোটস টুকে রেখেছি- প্রায়ই গাড়ীতে বসে কিংবা কোন রেস্টুরেন্টে বসে অর্ডারের জন্য অপেক্ষা করার সময়
ইতিহাস ঘাঁটাঘাটি যা কিছু, তা পরে বাসায় ফিরে ধীরে সুস্থে করেছি
৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৩৮
ভ্রমরের ডানা বলেছেন: স্বাভাবিকভাবেই বর্ননাশীল বাচনভঙ্গি আপনার ট্রেডমার্ক! অথ্যের খুটিনাটি, বিভিন্ন জিনিসপত্র যা সাধারণত চোখের বাইরে থেকে যায় সেগুলো আপনার লেখায় আসে
এধরনের লেখা পড়তে খুবই ভাল লাগে
সাথে যদি কবিতা আর ফুল থাকে তবে তার আকর্ষণ আরও চিত্তাকর্ষক হয়ে ওঠে! বর্ননাব্যঞ্জক কবিতাটি চমৎকার লাগল! শুভেচ্ছা রইল সুপ্রিয় কবি!
২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৭