content stringlengths 0 129k |
|---|
১৮৩৩ সালে কিতো মুক্ত অধিবাসী সমাজের সদস্যরা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার পরে তাদের হত্যা করা হয়েছিল |
১৮৪৫ সালের মার্চ মাসের ৬ তারিখ মার্সিস্ট বিপ্লব শুরু হয় |
১৮৭৫ সালে দেশটির রাষ্ট্রপতি গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মোরেনোকে কিতোতে হত্যা করা হয়েছিল |
এর দু'বছর পরে, ১৮৭৭ সালে আর্চবিশপ হোসে ইগানাসিও চেকা ওয়াই বার্বাকে কুইটোতে গণ উদযাপনের সময় বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয় |
১৮৮২ সালে বিদ্রোহীরা স্বৈরশাসক ইগনাসিও দে ভেনটিমিল্লার শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে |
যাহোক, এতে সারা দেশে যে সহিংসতা শুরু হয়েছিল তা শেষ করেনি |
১৮৮৩ সালের ৯ই জুলাই উদারপন্থী কমান্ডার এলয় আলফারো গায়াকিলের যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং বিরোধিতার পরেও তিনি ৪ঠা সেপ্টেম্বর ১৮৯৫ ইকুয়েডরের রাষ্ট্রপতি হন |
১৯১১ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব শেষ করে তিনি ইউরোপে চলে যান |
১৯১২ সালে তিনি ইকুয়েডরে ফিরে এসে ক্ষমতায় ফিরে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলেন |
১৯১২ সালের ২৮ জানুয়ারী তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ও কারাগারে বন্দী করা হয় এবং হত্যা করা হয় |
তাঁর মৃতদেহ রাস্তা দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় কিতো শহরের একটি পার্কে, যেখানে তার দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয় |
১৮৮২ সালে বিদ্রোহীরা স্বৈরশাসক ইগনাসিও দে ভেনটিমিল্লার শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে |
যাহোক, এতে সারা দেশে যে সহিংসতা শুরু হয়েছিল তা শেষ করেনি |
১৮৮৩ সালের ৯ই জুলাই উদারপন্থী কমান্ডার এলয় আলফারো গায়াকিলের যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং ৪ঠা সেপ্টেম্বর ১৮৯৫ ইকুয়েডরের রাষ্ট্রপতি হন |
১৯১১ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব শেষ করে তিনি ইউরোপে চলে যান |
১৯১২ সালে তিনি ইকুয়েডরে ফিরে এসে ক্ষমতায় ফিরে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলেন |
১৯১২ সালের ২৮ জানুয়ারী তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ও কারাগারে বন্দী করা হয় এবং হত্যা করা হয় |
তাঁর মৃতদেহ রাস্তা দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় কিতো শহরের একটি পার্কে, যেখানে তার দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয় |
১৯৩২ সালে ' (চার দিনের যুদ্ধ) শুরু হয় |
এটি ছিল একটি গৃহযুদ্ধ যা নেপতালি বোনিফাজ এর পেরুভিয়ান পাসপোর্ট বহনের উপলব্ধি ও তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শুরু হয় |
১৯৪৯ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি এইচ জি ওয়েলসের উপন্যাস দ্য ওয়ার অফ দ্য ওয়ার্ল্ডসের উপন্যাসের বাস্তবধর্মী প্রচারের ফলে শহরব্যাপী আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দাঙ্গাবাজদের দেওয়া আগুনে পুড়ে বিশের বেশি লোকের মৃত্যু হয় |
একুশ শতক[সম্পাদনা] |
২০১১ সালে শহরটির জনসংখ্যা ছিল ২,২৩৯,১৯১ |
২০০২ সাল থেকে শহরটি ঐতিহাসিক কেন্দ্রগুলো নবায়নের কাজ চলছে |
একটি জলাশয় ভরাট করে নির্মিত পুরনো বিমানবন্দরটি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ এ বন্ধ করা হয় |
এই অঞ্চলটি "পার্কে বাইসেনটারিও" (দ্বিখণ্ডক পার্ক) হিসেবে পুনর্নবীকরণ করা হয় |
কেন্দ্রীয় কুইটো থেকে ৪৫ মিনিট দূরত্বের নতুন মার্সিকাল সুক্রে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ এ বিমান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয় |
২০০৩ এবং ২০০৪ এর মধ্যে শহরটি উত্তর থেকে দক্ষিণে অতিক্রমকারী করে মেট্রোবাস () এর বাস লাইনগুলি নির্মিত হয়েছিল |
ট্র্যাফিক প্রবাহ বৃদ্ধি করতে অনেক রাস্তা বর্ধিত ও প্রসারিত করা হয় এবং রাস্তাগুলো জ্যামিতিকভাবে পুনর্গঠন করা হয় |
একটি নতুন পাতাল রেল তৈরির কাজ এখনো চলছে |
ভূগোল[সম্পাদনা] |
কিতো ইকুয়েডরের উত্তর উচ্চভূমি অঞ্চলে গুয়ায়ল্লাম্বা নদী অববাহিকায় অবস্থিত |
শহরটি পিচিঞ্চা আগ্নেয়গিরির পূর্ব অংশে একটি দীর্ঘ মালভূমিতে অবস্থিত |
গুয়ায়ল্লাম্বা নদীর উপত্যকায় যেখানে কিতো রয়েছে আগ্নেয়গিরিতে পূর্ণ যাদের মধ্যে কয়েকটি বরফ দ্বারা আবৃত এবং একটি পরিষ্কার দিনে শহর থেকে দৃশ্যমান |
নিরক্ষীয় অঞ্চলের নিকটতম রাজধানী শহর কিতো |
কিতোর উচ্চতা ২,৮২০ মিটার (৯,২৫০ ফুট) |
নিকটবর্তী আগ্নেয়গিরি[সম্পাদনা] |
কিতোর নিকটতম আগ্নেয়গিরিটি হলো পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত পিচিঞ্চা |
কিতো হলো একমাত্র রাজধানী শহর যা একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির এত কাছাকাছি গড়ে উঠেছে |
পিচিঞ্চা আগ্নেয়গিরির কয়েকটি চূড়া রয়েছে যার মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪,৭০০ মিটার (১৫,৪০০ ফুট) উপরে রুকু পিচিঞ্চা এবং ৪,৭৯৪ মিটার (১৫,৭২৮ ফুট) উপরে গুয়াগুয়া পিচিঞ্চা রয়েছে |
পিচিঞ্চা একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এবং জাতীয় পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউটের আগ্নেয়গিরিবিদেরা এর তদারকি করছেন |
সবচেয়ে বড় অগ্ন্যুৎপাতটি ঘটেছিল ১৬৬০ সালে যখন ২৫ সেন্টিমিটারের (৯.৮ ইঞ্চি) বেশি ছাই শহরটকে ঢেকে ফেলেছিল |
উনিশ শতকে তিনটি ছোটখাটো অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছিল |
সর্বশেষ অগ্ন্যুৎপাত এর ঘটনা ১৯৯৯ সালের ৫ ই অক্টোবর রেকর্ড করা হয়েছিল, যখন কয়েক কুণ্ডলী ধোঁয়া দেখা যায় এবং অনেক ছাই শহরে জমা হয় |
আশেপাশের অন্যান্য আগ্নেয়গিরির ক্রিয়াকলাপও শহরটিকে প্রভাবিত করতে পারে |
২০০২ সালের নভেম্বরে আগ্নেয়গিরি রেভেন্টেডর উদ্গীরিত হয়েছিল এবং শহরটিতে বেশ কয়েক সেন্টিমিটার গভীরতার সূক্ষ্ম ছাই কণা বর্ষিত হয়েছিল |
জলবায়ু[সম্পাদনা] |
কিতোর দক্ষিণাঞ্চলের জলবায়ু উপ-ক্রান্তীয় উচ্চভূমি জলবায়ু রয়েছে (কপেন জলবায়ু শ্রেণিবিভাগ সিএফবি), যেখানে উত্তরাঞ্চলে উষ্ণ-গ্রীষ্মীয় ভূমধ্য জলবায়ু রয়েছে (কপেন জলবায়ু শ্রেণিবিভাগ সিএসবি) |
নিরক্ষীয় অঞ্চলে অবস্থান ও এর উচ্চতার কারণে, কিতোতে মোটামুটি শীতল আবহাওয়া বিদ্যমান থাকে |
দুপুরের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১.৪° সেলসিয়াস (৭০.৫° ফারেনহাইট), এবং রাতের সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৮° সেলসিয়াস ৪৯.৬° ফারেনহাইট) হয় |
বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ১৫.৬° সেলসিয়াস (৬০.১° ফারেনহাইট) হয় |
শহরটিতে কেবল দুটি ঋতু রয়েছে: শুষ্ক এবং আর্দ্র |
শুকনো মৌসুম হচ্ছে জুন থেকে সেপ্টেম্বর (৪ মাস) যাকে গ্রীষ্ম হিসাবে উল্লেখ করা হয় |
আর্দ্র মৌসুম হচ্ছে অক্টোবর থেকে মে (৮ মাস) যাকে শীত হিসাবে অভিহিত করা হয় |
অবস্থানের উপর ভিত্তি করে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় ১০০০ মিমি (৩৯ ইঞ্চি) হতে পারে |
উচ্চতার জন্যে কিতো বিশ্বের সর্বাধিক সৌর বিকিরণ গ্রহণকারী শহরগুলোর মধ্যে একটি |
কখনও কখনও দুপুরবেলা ইউভি সূচক এর মাত্রা ২৪ এ পৌঁছে যায় |
কুইটো প্রায় নিরক্ষীয় অঞ্চলে অবস্থিত যার অর্থ হলো উচ্চ চাপ এখানে অত্যন্ত বিরল |
চাপ স্থিতিশীল থাকায় খুব নিম্নচাপও বিরল |
উচ্চ চাপের অভাব সত্ত্বেও কিতো নিষ্পত্তি আবহাওয়া অনুভব করতে পারে |
সাধারণত, উচ্চচাপ মধ্যরাতের কাছাকাছি এবং নিম্নচাপ মধ্য বিকেলের দিকে দেখা যায় |
স্থল অঞ্চল[সম্পাদনা] |
কিতো তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত যাদের প্রতিটি পাহাড় দ্বারা পৃথকীকৃত: |
কেন্দ্রীয়: ঔপনিবেশিক প্রাচীন শহরটি এখানে অবস্থিত |
দক্ষিণ: মূলত শিল্পাঞ্চল ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির আবাসিক অঞ্চল |
উত্তর: আধুনিক কিতো, সুউচ্চ ভবন, শপিং সেন্টার, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত মানুষদের আবাসিক অঞ্চলে পরিপূর্ণ |
অর্থনীতি[সম্পাদনা] |
জাতীয় জিডিপিতে ও মাথাপিছু আয়ে সর্বোচ্চ অবদানকারী শহর হলো কিতো |
ইকুয়েডরের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালিত সর্বশেষ সমীক্ষা অনুসারে কিতো ইকুয়েডরে সর্বোচ্চ পরিমাণ কর আদায় করেছে, যা ২০০৯ সালে ৫৭% ছাড়িয়েছে |
বর্তমানে এটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল |
কিতোতে শীর্ষস্থানীয় শিল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে টেক্সটাইল শিল্প, ধাতু শিল্প |
কৃষিক্ষেত্রে প্রধান রপ্তানি দ্রব্য কফি, চিনি, কাকাও, চাল, কলা এবং পাম তেল |
দেশটির বৃহত্তম এবং লাতিন আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান পেট্রোইকুয়েডরের সদর দপ্তর কিতোতে অবস্থিত |
অনেক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, তেল কর্পোরেশন এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ের সদর দপ্তর এবং আঞ্চলিক দপ্তরগুলোও কিতোতে অবস্থিত যা একে একটি বিশ্বমানের ব্যবসায়িক নগরী হিসাবে গড়ে তুলেছে |
" " এর বৈশ্বিক শহর প্রতিবেদন, যা বৈশ্বিক শহরের নেটওয়ার্কের সাথে একটি শহরের সংহতকরণের পরিমাপ করে সেই প্রতিবেদনে কুইটোকে বিটা শহর হিসাবে স্থান দেওয়া হয়েছে যা অঞ্চলটিকে বা রাষ্ট্রটিকে বিশ্ব অর্থনীতির সাথে যুক্ত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মহানগরী হিসেবে ভূমিকা রাখছে |
রাজনীতি[সম্পাদনা] |
সরকার[সম্পাদনা] |
কিতো একজন মেয়র এবং ১৫ সদস্যের একটি পরিষদ দ্বারা পরিচালিত |
মেয়র পাঁচ বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন এবং মেয়াদ শেষে পুনরায় নির্বাচিত হতে পারবেন |
কিতো (ক্যান্টন) মেট্রোপলিটন জেলায় এই পরিষদের সদস্য সংখ্যা দ্বিগুণ হয় |
বর্তমান মেয়র হলেন জর্জে ইউন্ডা মাচাদো |
শহুরে যাজকপল্লী[সম্পাদনা] |
ইকুয়েডরে ক্যান্টনগুলো যাজকপল্লীতে বিভক্ত হয় কারণ এগুলো মূলত ক্যাথলিক চার্চের দ্বারা পরিচালিত হতো |
যাজকপল্লীগুলোকে শহুরে বলা হয় যদি তারা তাদের সংশ্লিষ্ট ক্যান্টনের মূল সীমানার মধ্যে থাকে এবং সেই সীমানার বাইরে থাকলে তাকে গ্রাম্য যাজকপল্লী বলা হয় |
কিতো শহরের ভিতরে, যাজকপল্লীগুলো যেসব সংস্থার অধীনে (যেমন, পৌরসভা, ডাক পরিষেবা, ইকুয়েডর পরিসংখ্যান সংস্থা) সেসব সংস্থার উপর ভিত্তি করে ভাগ করা হয় |
২০০৮ সালের হিসাব অনুসারে কিতো পৌরসভা শহরটিকে ৩২ টি শহুরে যাজকপল্লীতে বিভক্ত করা হয়েছে |
প্রশাসনিক কাজের উদ্দেশ্যে কিতোর পৌরসভাগুলো এই যাজকপল্লীগুলো ব্যবহার করে যা ২০০১ সাল থেকে এটি ক্যাবিলডোস নামেও পরিচিত |
এই যাজকপল্লীগুলো হলো: |
বেলিসারিও কুয়েভেদো |
সেন্ট্রো হিস্তোরিকো |
চিম্বাকাল্লে |
কমিতে দেল পুয়েবলো |
কতোকোল্লাও |
লা আর্গেলিয়া |
লা ইকুয়েটোরিয়ানা |
লা ফেরোভিয়ারিয়া |
লা লিবার্তাদ |
ম্যারিস্কাল সুক্রে |
পুয়েনগাসি |
রুমিপাম্বা |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.