content
stringlengths
0
129k
e
o,
,
,
,
,
•
আয়তন (.)
• রাজধানী শহর
৩৭২.৩৯ বর্গকিমি (১৪৩.৭৮ বর্গমাইল)
০ বর্গকিমি (০ বর্গমাইল)
৪,২১৭.৯৫ বর্গকিমি (১,৬২৮.৫৬ বর্গমাইল)
২,৮৫০ মিটার (৯,৩৫০ ফুট)
জনসংখ্যা (2020)
• রাজধানী শহর
৫,৪০০/বর্গকিমি (১৪,০০০/বর্গমাইল)
• মহানগর জনঘনত্ব
৮০০/বর্গকিমি (২,১০০/বর্গমাইল)
[১]
n/ ()
সময় অঞ্চল
(ইউটিসি−5)
...
কিতো (বিকল্প প্রতিবর্ণীকরণ কুইতো) দক্ষিণ আমেরিকার রাষ্ট্র ইকুয়েডরের রাজধানী ও দেশটির সবচেয়ে জনবহুল শহর
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৮৫০ মিটার (৯,৩৫০ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত কিতো লাপাজের পর বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলের সবচেয়ে নিকটতম রাজধানী শহর
শহরটি পিচিঞ্চার পূর্ব ঢালে গাইল্লাম্বা নদীর অববাহিকায় অ্যান্ডেস পর্বতমালার সক্রিয় স্ট্র্যাটোভলকানোতে অবস্থিত
২০০৮ সালে শহরটিকে দক্ষিণ আমেরিকান নেশনস ইউনিয়নের সদর দফতর হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল
কিতোর ঐতিহাসিক কেন্দ্রটি আমেরিকার বৃহত্তম, স্বল্প-পরিবর্তিত এবং সেরা সংরক্ষিত স্থানগুলোর মধ্যে একটি
পোল্যান্ডের ক্রাকো এবং কিতো ১৯৭৮ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক ঘোষিত প্রথম বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থান
কিতোর কেন্দ্রীয় স্থানটি নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার (১৬ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত এবং শূণ্য অক্ষাংশের প্রায় ১ কিলোমিটার (০.৬২ মাইল) এর মধ্যে বিস্তৃত
(নিরক্ষীয়) এর স্প্যানিশ ইকুয়েডর হওয়ায় বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য সাধারণ নিরক্ষীয় অঞ্চল চিহ্নিতকারী একটি স্তম্ভ ও জাদুঘর এখানে অবস্থিত যা স্থানীয়ভাবে লা মিতাদ দেল মুন্দো (পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান) নামে পরিচিত
পরিচ্ছেদসমূহ
১.১ প্রাক কলম্বিয়ান পর্যায়
১.২ ঔপনিবেশিক পর্যায়
১.৩ প্রজাতান্ত্রিক ইকুয়েডর
১.৪ একুশ শতক
২.১ নিকটবর্তী আগ্নেয়গিরি
২.২ জলবায়ু
৩ স্থল অঞ্চল
৪ অর্থনীতি
৫.২ শহুরে যাজকপল্লী
৫.৩ ধর্মচর্চা সংক্রান্ত যাজকপল্লী
৬.১ গণপরিবহন
৬.২ বিমান পথ
৭ খেলাধুলা
৮ তথ্যসূত্র
৯ বহিঃসংযোগ
ইতিহাস[সম্পাদনা]
প্রাক কলম্বিয়ান পর্যায়[সম্পাদনা]
কিতোতে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গিয়েছিল ১৯৬০ সালে লস চিলো ও টম্বাকোর পূর্ব উপত্যকার মধ্যবর্তী ইলাও আগ্নেয়গিরির ঢালে
প্রত্নতাত্ত্বিক রবার্ট ই বেল ১৯৬০ সালে এই নিদর্শন খনন করে আবিষ্কার করেন
শিকারিরা ৮০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে কাচসদৃশ আগ্নেয় শিলার তৈরি এক ধরণের অস্ত্রের নিদর্শন এখানে রেখে যায়
এল ইঙ্গা নামে পরিচিত এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের ব্যাপারে সর্বপ্রথম রবার্ট বেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অ্যালেন গ্রাফাম
ভূতাত্ত্বিক হিসেবে ইকুয়েডরে চাকরিরত অবস্থায় গ্রাফামের প্রত্নতত্ত্বে আকর্ষণ হয়
১৯৫৬ সালে এই স্থানটির ভূমি থেকে বিভিন্ন নিদর্শন সংগ্রহ করেন
পালেও-ইন্ডিয়ান পুরাণিদর্শনে পূর্ব আগ্রহ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস ও নেব্রাস্কায় মানব আদিম মানবদের নিদর্শনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি অনুমান করেন যে এই অঞ্চলটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ এক আবিষ্কার
কিতোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মানব বসতির দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন পাওয়া গিয়েছিল কতোকোল্লাও এর বর্তমান নিকটবর্তী এলাকায় (খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০)
বহু খাতে পরিপূর্ণ এই এলাকার ২৬ হেক্টরের বেশি অঞ্চল এই প্রাগৈতিহাসিক গ্রামটির অন্তর্ভুক্ত ছিল
আয়তাকার প্রাচীন বাড়িগুলোর নিকটে মৃৎশিল্প ও প্রস্তর শিল্পের নিদর্শন পাওয়া গেছে
কতোকোল্লাও এর আদিম মানবগণ এই স্থান থেকে স্থানান্তরিত হয়ে উপকূলবর্তী এলাকায় চলে গিয়েছিল
প্রাক ঔপনিবেশিক যাজক ও ঐতিহাসিকরা কিতো জনগণ ও কিতো সাম্রাজ্যের ব্যাপারে লিখেছিলেন
তাদের লেখা অনুসারে কারা নামে পরিচিত অন্য এক প্রজাতির লোকেরা ৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে উপকূল্বর্তী এলাকা থেকে এসে এই অঞ্চল দখল করে
১৫শ শতাব্দীতে ইনকারা এই অঞ্চল দখল করার আগ পর্যন্ত কারা-কিতো নামে পরিচিত এই অঞ্চল কারা জনগোষ্ঠীদের অধীনেই ছিল
স্প্যানিশরা দখল করার পরও কিছু কিতো বংশধরেরা এই শহরে বেঁচে ছিল
কিন্তু বিংশ শতাব্দীতে এসে, কিছু বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ অধিক গবেষণার পর কিতো-কারা সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেন
এর প্রধান কারণ হচ্ছে যে এই এলাকার খুব কম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনই পাওয়া গিয়েছিল
ইতিহাসবিদরা ভাবতে শুরু করেন যে এই রাজ্যের ধারণাটি ছিল উঁচুভূমির আদিম হিস্পানিক মানুষদের সৃষ্ট কিংবদন্তি
একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কিতোর নিকটবর্তী ফ্লোরিডায় ২০ মিটার গভীর একটি সমাধির সন্ধান পাওয়া যায় যা এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে
এই নিদর্শন ৮০০ খ্রিষ্টাব্দে কিতোদের উচ্চ গুণসম্পন্ন কারুশিল্প এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আচারের জটিলতার উপস্থিতির প্রমাণ প্রদান করে
এই সমাধির নিদর্শন সংরক্ষণ ও জটিল সংস্কৃতির ব্যাখ্যা প্রদানের উদ্দেশ্যে ২০১০ সালে ফ্লোরিডা জাদুঘর চালু হয়
ঔপনিবেশিক পর্যায়[সম্পাদনা]
১৫৩৪ সাল পর্যন্ত ইনকা উপজাতিদের স্প্যানিশ উপনিবেশ প্রতিরোধের প্রচেষ্টা পাওয়া যায়
দিয়েগো দি আলমাদ্রো ১৫ই আগস্ট, ১৫৩৪ সালে সান্তিয়াগো দি কিতো প্রতিষ্ঠা করেন যাকে পরবর্তীতে ২৮শে আগস্ট, ১৫৩৪ সালে স্যান ফ্রান্সিসকো দি কিতো নামে নামকরণ করা হয়
পরবর্তীতে ৬ই ডিসেম্বর, ১৫৩৪ এ সেবাস্তিয়ান দি বেনালকাজার এর নেতৃত্বে ২০৪ জন ব্যক্তি মিলে শহরটির বর্তমান স্থানেই পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে
তিনি এলাকার নেতা রুমিনাহুলকে আটক করেন যার মধ্য দিয়ে সকল প্রতিরোধের চেষ্টা ব্যর্থ হয়
১৫৩৫ সালের ১০ই জানুয়ারি রুমিনাহুলকে হত্যা করা হয়
১৮৪১ সালের ২৮শে মার্চ কিতো কে শহর হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৫৫৬ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি শহরটিকে (স্যান ফ্রান্সিসকো দি কিতো এর খুব মহৎ ও অনুগত শহর) উপাধি দেওয়া হয়
এই ঘোষণা শহরটির উন্নয়নের পরবর্তী ধাপের সূচনা করে
১৫৬৩ সালে শহরটির স্পেনের (প্রশাসনিক জেলা) এর একটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়
১৭১৭ সাল পর্যন্ত শহরটি পেরু (রাজপ্রতিনিধিত্ব) এর অন্তর্ভুক্ত ছিল
পরবর্তীতে তা নব্য গ্রানাদা রাজ প্রতিনিধিত্ব এর অংশ হয়
উভয় রাজপ্রতিনিধিত্ব এর অধীনেই জেলাটি কিতো থেকেই পরিচালিত হয়
স্প্যানিশরা কিতোতে রোমান ক্যাথলিক ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিল
শহরটি সরকারীভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগেই প্রথম গির্জা (এল বেলান) নির্মিত হয়েছিল
ঔপনিবেশিক সময়কালে নির্মিত প্রায় ২০টি গির্জা এবং কনভেন্টগুলির মধ্যে প্রথমটি স্যান ফ্রান্সিসকো কনভেন্ট যা ১৫৩৫ সালের জানুয়ারিতে নির্মিত হয়েছিল
স্প্যানিশরা আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে খ্রিস্টধর্মে রূপান্তরিত করে এবং তাদের নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করে
১৭৩৩ সালে, স্প্যানিশ উপনিবেশের প্রায় ২১০ বছর পরে কিতো প্রায় ১০,০০০ জনগণের একটি শহর ছিল
কিতো বিদ্রোহের সময় ১৭৬৫ এবং ১৭৬৬ এর মধ্যে স্প্যানিশদের কাছ থেকে স্বল্প সময়ের জন্য কিতো নিজের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করেছিল
১৮১০ সালের ২রা আগস্ট পেরু থেকে ঔপনিবেশিক সেনারা উপস্থিত হয়ে এই বিদ্রোহের নেতাদের এবং প্রায় ২০০ জন ব্যাক্তিকে হত্যা করে এই প্রাথমিক আন্দোলনটিকে ব্যর্থ করে
তবে ধারাবাহিক বিদ্রোহের শেষে সিমন বলিভারের নেতৃত্বে হোসে দি সুক্রে ১৮২২ সালের ২৪শে মে আগ্নেয়গিরির ঢালে পিচিঞ্চা যুদ্ধে সেনাদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন
তাদের বিজয় কিতো এবং আশেপাশের অঞ্চলগুলির স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিল
প্রজাতান্ত্রিক ইকুয়েডর[সম্পাদনা]