content
stringlengths
0
129k
কালজিরার অবাক করা কয়েকটি গুন যা জানলে অবাক হয়ে যাবেন আপনি
গাড়িতে বমির হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ...
পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত কয়েকজন দম্পতি জানলে অবাক হয়ে যাবেন...
প্রাকৃতিক ভাবে চোখের পাপড়ি ঘন ও লম্বা করা যাবে যেভাবে
1 47
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা30
অদ্ভুতুড়ে21
লাইফস্টাইল14
সতর্ক বার্তা14
গ্রহ উপগ্রহ12
প্রযুক্তি10
ইতিহাস ও ঐতিহ্য9
আন্তর্জাতিক7
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
কালজিরার অবাক করা কয়েকটি গুন যা জানলে অবাক হয়ে যাবেন...
গাড়িতে বমির হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কিছু...
9
পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত কয়েকজন দম্পতি...
9
প্রাকৃতিক ভাবে চোখের পাপড়ি ঘন ও লম্বা...
9
1 47
- -
সর্বশেষ আপডেট
কালজিরার অবাক করা কয়েকটি গুন যা জানলে অবাক হয়ে যাবেন আপনি
গাড়িতে বমির হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ...
পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত কয়েকজন দম্পতি জানলে অবাক হয়ে যাবেন...
প্রাকৃতিক ভাবে চোখের পাপড়ি ঘন ও লম্বা করা যাবে যেভাবে
সর্বাধিক প্রিয়
কয়েকজন ব্যক্তির অজানা কিছু সত্য ঘটনা
প্রাকৃতিক ভাবে চোখের পাপড়ি ঘন ও লম্বা করা যাবে যেভাবে
কখনো সূর্য ডোবে না এমন কয়েকটি দেশ যেখানে রাত নেই
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার অদ্ভুত কয়েকটি পদ্ধতি
সর্বাধিক আলোচিত
তেজপাতার কয়েকটি উপকারিতা সমূহ
দক্ষিন কোরিয়ার ইন্টারনেট পৃথিবীর সবথেকে দ্রুতগতি সম্পন্ন-
করোনা লকডাউন এ গরিবের ইফতার
ক্ষুধার সময় যেসব খাবার খাওয়া উচিত নয়
ভাইরাল টপিক
রহস্যময় দুইটি আকাশপথের দূর্ঘটনা!!
গুজব হিসেবে পরিচিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল তথ্য
যার সত্য...
কয়েকটি দেশ যাদের দখল করা একেবারেই অসম্ভব-
করোনাভাইরাসের অনুমোদনকৃত কয়েকটি টিকার নাম ও বিবরণ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার তদন্ত ওয়েবসাইট কর্তৃক সংরক্ষিত ২০১৯-২০২০. এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা বেআইনি
. ' ' , - .
কয়েকজন মানুষ
দুজন কি তিনজন হবে
এরকম মানুষজনকে আমরা রোজই দেখি রাস্তাঘাটে - বাজারে যাওয়া বা আসার পথে - হুস করে গাড়ি ছুটিয়ে চলে যাওয়ার মাঝে জানলার কাচ দিয়ে বাইরের দিকে তাকালে
এঁদের আমরা দেখতে পাই রোজ - কিন্তু, লক্ষ্য করি না সেভাবে - চিনি না তো একেবারেই
সকালে চায়ের দোকানে গিয়ে চায়ের আশায় ছিলেন তাঁরা - হ্যাঁ, এই লকডাউনের বাজারেও
স্বাস্থ্যবিধি না মেনে - এই দুঃসময়ে দেশের কথা না ভেবে - মাস্কহীন তাঁরা দোকানের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন
ক্রুদ্ধ ও বিরক্ত প্রশ্নের উত্তরে বিস্মিত বাধোবাধো গলায় বলছিলেন - আমরা চা খাব না? খাব না আমরা চা??
আপনিও দেখেছেন হয়ত সেই ছবি
রেগে গিয়েছেন এদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কথা ভেবে - খিল্লি করেছেন এঁদের নিয়ে - শালা, এই বাজারে চা খাবে!! শখ কতো!! সত্যিই তো!! দেশ যখন একজোট হয়ে লড়তে বসেছে, এই মালগুলো সেই লড়াইটা ভেস্তে দিতে চাইছে
এরা বুঝছেও না, ঝুঁকিটা এঁদের শুধু নয় - এদের হাত ধরে অসুখটা ছড়িয়ে পড়তে পারে দিকে দিকে - করোনা সত্যিকারের মহামারী হয়ে যেতে পারে এদের জন্যেই
হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলছেন - বেশ কিছু মানুষ যদি নিয়ম না মেনে রাস্তায় নেমে পড়েন, তাহলে করোনা মহামারির পর্যায়ে পৌঁছানোর সমূহ সম্ভাবনা
আর সত্যিসত্যিই সেটা হলে - অন্তত এদেশে - গরীব মরবে বড়লোকের চেয়ে বেশিই
অনেক বেশি
তাহলে, এরা বুঝতে চাইছে না কেন? নিজের ভালো নাকি পাগলেও বোঝে
এরা তাহলে ঠিক কী!!
ইদানীং আমাদের চিন্তাভাবনা বড্ডো শিক্ষিত উচ্চমধ্যবিত্ত বয়ানের অনুসারী - প্রচলিত শিক্ষাদীক্ষাও, সুকৌশলে, তেমন করেই ভাবতে শেখায়
দুর্ভাগ্যজনক, যে পেশাটির বিদ্যে বেশি করে জনমুখী হওয়া জরুরি, সেই ডাক্তারি শিক্ষাও এখন সেই পথেই ভাবতে শেখাচ্ছে - এই কারিকুলামে শিক্ষিত হয়ে দেশের সাধারণ মানুষের চাইতে আমরা উচ্চমধ্যবিত্তদের স্বাস্থ্যসমস্যার নিরসনে বেশি দক্ষ - দেশের চাইতে বিদেশের অসুখ বিষয়ে আমরা বেশি জানি, অন্তত এমডি পরীক্ষায় চান্স পেতে হলে সেরকম না জা...
আমার ডাক্তারি পড়ার শুরুর দিকে একটি পাঠ্যপুস্তকে পড়েছিলাম - যতদিন না পর্যন্ত গরিব মানুষের একটি বা দুটি বাচ্চা বেঁচেবর্তে থাকবে শেষমেশ, এই নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে - ততদিন এদেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সেভাবে সফল হবে না - অর্থাৎ জনস্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রসার ঘটলে পরিবার পরিকল্পনা কোনও প্রচারের ঢক্কানিনাদ ছাড়া আপনাআপনিই সম্ভবপ...
না, সেই বই, বা সে ধরণের বই, এখন আর তেমন জনপ্রিয় নয়
আউটডোরে দুটি বাচ্চাকে সাথে নিয়ে মা যখন তৃতীয় বা চতুর্থ শিশুটির চিকিৎসার প্রয়োজনে আসেন - ডাক্তারবাবু আর পাঁচটা শিক্ষিত-উচ্চমধ্যবিত্তের ছাঁচে-ঢালা মানুষের মতো করেই যারপরনাই বিরক্ত হন - বলেন, ঠিক করে খাওয়াতে পারো না, এদিকে বছর বছর বাচ্চা হয়ে যাচ্ছে ঠিকই!! খাওয়ানোর বন্দোবস্তের ভাবনা না ভেবেই এই যে নিরন্তর বাচ্চা পয়...
না, আমাদের স্বাস্থ্যভাবনা, বা জীবনযাপন ও তজ্জনিত স্বাস্থ্যচিন্তার সাথে যে আর্থসামাজিক অবস্থান বা শিক্ষার কিছু সংযোগ আছে - আর্থিক সিঁড়ির নিচের দিকে থাকা লোকজনের আচার-আচরণ বিষয়ে জাজমেন্টাল হওয়ার মুহূর্তে একথা আমাদের মাথায় থাকে না - অচিকিৎসক শিক্ষিত মানুষের তো থাকেই না, অধিকাংশ চিকিৎসকেরও থাকে না - অবশ্য, কোনও ভাবনাই ...
ক্যানসার নিয়ে লেখাপড়া করার শুরুর দিকে একখানা টেক্সটবই হাতে এসেছিল - সে বই তখনই বাতিলের দিকে - বিশেষ কেউ পড়তও না, বইয়ের সংস্করণও হত না তেমন নিয়মিতভাবে
সেই বইয়ে মুখের ক্যানসার চ্যাপ্টারে ধূমপান বা তামাকজাতীয় দ্রব্য মুখে রাখা থেকে ক্যানসারের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে বলা হয়েছিল - মুখের ক্যানসার সাধারণত আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের হয়
আর তামাকজনিত ঝুঁকির বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়াসের মুহূর্তে মাথায় রাখতেই হবে, যে, যতদিন না পর্যন্ত এই মানুষগুলোর সামনে একটা স্বচ্ছন্দ ভবিষ্যতের আভাস দৃশ্যমান হচ্ছে, ততোদিন পর্যন্ত সুদূর ভবিষ্যতে (যে ভবিষ্যতকে তিনি আদৌ চেনেন না) অনিশ্চিত কিছু সুবিধের আশায় মানুষ তাৎক্ষণিক আনন্দ বা আরামটুকু ছেড়ে দেবেন না - অর্থাৎ, ভ...
মাথায় রাখা যাক, আমাদের দেশে মুখের ক্যানসার খুব বড় সমস্যা - কিন্তু, তার রিস্ক ফ্যাক্টরগুলোর পেছনে আর্থসামাজিক যুক্তিগুলো নিয়ে আমরা আদৌ ভাবি না
আসলে, এমন করে ভাবা ইদানিং ব্যাকডেটেড
ডাক্তারি ছাত্র হোন, বা অন্যান্য শিক্ষিত মধ্যবিত্ত জনগণ - কেউই এইসব অপ্রাসঙ্গিক ভাবনাচিন্তাকে ভালো চোখে দেখেন না - চলতি বাংলায় এগুলোকে বাজে হ্যাজানো বলে বিবেচনা করাই দস্তুর
ক্যানসার আলোচনায় ঠিক কোন ক্যানসার কতো চমৎকার টেকনোলজি দিয়ে, বিজ্ঞানের কী চমকপ্রদ গবেষণালব্ধ ওষুধ দিয়ে সারিয়ে ফেলা যাবে, নিদেনপক্ষে নিয়ন্ত্রণে রেখে দেওয়া যাবে পাঁচ কি দশ বছর - না, খরচাপাতি নিয়ে না ভাবলেও চলবে - এমন আকর্ষণীয় অ্যাকাডেমিক আলোচনার মুহূর্তে ঠিক কেন কাদের ক্যানসার হচ্ছে এবং তাঁদের মধ্যে কেন বারবার বল...
অতএব, রিক্সাওয়ালা দিনের রোজগারের টাকাটুকু সন্ধের চোলাইয়ের ঠেকে কেন উড়িয়ে দেন, এই নিয়ে আমাদের মধ্যবিত্ত যাপন বিচলিত হয় - কিন্তু, সেই বিচলিত হওয়ার মধ্যে "ওরা-ওরকমই" বা "এইজন্যেই-ওদের-কিস্যু-হয়-না" গোছের শ্রেণিসন্তুষ্টির বেশি গভীর কোনও অন্বেষণ থাকা সম্ভবপর হয় না
মানছি, করোনা নিয়ে ঘনঘোর আশঙ্কার মুহূর্তে এসব কথাবার্তা কিঞ্চিৎ অপ্রাসঙ্গিক
কিন্তু, আপনার সহনাগরিক - হ্যাঁ, সেইসব সহনাগরিক, যাঁরা এতদিন ধরে বাজার অর্থনীতির জাদুবিদ্যায় স্রেফ ভ্যানিশ হয়ে থাকার শেষে করোনার সোনার কাঠির ছোঁয়ায় আচমকা দৃশ্যমান হয়ে উঠেছেন আপনার সামনে - তাঁদের আচার-আচরণ নিয়ে যারপরনাই বিড়ম্বনায় পড়েছেন আপনি - ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না, ঠিক কীভাবে রিয়্যাক্ট করলে আপনি যে দেশের এই ...
আবারও নিজের কথা বলি
ছাত্রজীবনে একখানা ছোট পাঠ্যবই পড়েছিলাম - ট্রপিকাল পেডিয়াট্রিক্স - শুরুর দিকে লেখক বলেছিলেন, ট্রপিকাল পেডিয়াট্রিক্সের অর্থ, ট্রপিকাল দেশের বাচ্চাদেরই বিশেষত যে অসুখগুলো হয়, সে নিয়েই আলোচনা - অর্থাৎ মূলত সংক্রামক অসুখবিসুখ - না, এসব দেশে এই অসুখগুলো হওয়ার পেছনে বিশেষ কোনও ভৌগোলিক কারণ থাকে না - থাকলেও, আরও গুরুত্ব...
হ্যাঁ, গরিবরাই সংক্রামক অসুখে বেশি আক্রান্ত হন
অতএব, সংক্রামক অসুখ নিয়ে আমরা এতদিন ভাবিনি
অতএব, সংক্রামক অসুখের চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা প্রায় বন্ধ অনেকবছর ধরেই - স্যুগার-প্রেসার-ক্যানসারের দাওয়াইয়ের খোঁজে যে অর্থকরী গবেষণা, তার শেষে টাকা পড়ে থাকলে সেটুকু উচ্ছিষ্ট জোটে এই খাতে
অতএব, এই শতকে নতুন কোনও ক্লাস-এর অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কৃত হয়নি, যে কিনা নতুন পদ্ধতিতে জীবাণুকে ঘায়েল করবে
(না, নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কৃত হলেও করোনা মোকাবিলায় কার্যকরী হত না - কেননা, করোনা ব্যাকটেরিয়া নয়, ভাইরাস
আজ হঠাৎ করে এক গণতান্ত্রিক শ্রেণি-অচেতন ভাইরাস এসে ধনীদরিদ্রের ব্যবধান ভেঙে দিচ্ছে - ভারত নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, করোনা-যুদ্ধে কে এগিয়ে এমন আশ্চর্য প্রতিযোগিতার জন্ম দিচ্ছে - আর টিভির পর্দায় পাঁচতারা কর্পোরেট হাসপাতালের ততোধিক হাইএন্ড ডাক্তারবাবু অভ্যস্ত চটকদারিত্বের সাথে জীবাণুঘটিত ছোঁয়াচে অসুখবিসুখে ঠিক কী পথে ...
একদিনের জনতা কার্ফ্যু
সেদিন সন্ধেবেলায় দেশের আশিটি জেলায় দশদিনের লকডাউনের ঘোষণা
দুদিনের মধ্যেই দেশজোড়া লকডাউন
একেবারে তিন সপ্তাহব্যাপী বনধ
আচমকা ঘোষণার ঠেলায় এক বড় অংশ দিশেহারা
আরেকটা অংশ মেনে নিচ্ছেন - অসুবিধে সত্ত্বেও মেনে নিচ্ছেন - কেননা, এই পরিস্থিতিতে এছাড়া উপায়ই বা ছিল কী!!
সমস্যা এই, এই দিশেহারা অংশটির অবস্থা অনেকেই বুঝতে পারছেন না, বা বুঝতে চাইছেন না - আরও দুর্ভাগ্যজনক, যাঁরা দিশেহারা, তাঁরাই এদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং যাঁরা বুঝতে চাইছেন না, তাঁদের কণ্ঠস্বরটিকেই সমগ্র জাতির কণ্ঠস্বর হিসেবে ধরে নেওয়ার প্রবণতা ইদানিং