content stringlengths 0 129k |
|---|
ঘোর দুর্দিনেও শাসকের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে থাকে নাগরিক সমাজ, যখন অধিকারহীন জনসমাজ জেগে কাটায় দুঃস্বপ্নের রাত |
তাই ফ্যাসিবাদরূপী জরুরি অবস্থা হচ্ছে এমন একটি পরিস্থিতি যা স্বাস্থ্য, জীবন, সম্পত্তি বা পরিবেশের তাৎক্ষণিক ঝুঁকি সৃষ্টি করে |
আজ থেকে ছেচল্লিশ বছর আগে এমন ঘোষিত জরুরি অবস্থা "ইন্দিরার ইন্ডিয়া"কে ২১ মাস ধরে কায়েম রেখেছিল |
এই অবস্থা শুধু গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধই করেনি, মানুষের জৈব-জীবনের ওপরেও নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছিল |
আজকের ভারতও তেমন এক অঘোষিত জরুরী অবস্থা মধ্যে দিয়ে চলেছে |
অতিমারির সমাধানে প্রাসঙ্গিক পদক্ষেপ না গ্রহণ করে, এর মৃত্যুভয় এবং এর আইনকে সুযোগ করে নিয়ে চালানো হচ্ছে এক ভয়ঙ্কর জরুরি অবস্থার অঘোষিত শাসন |
আজকের ভারতও তেমন এক অঘোষিত জরুরী অবস্থা মধ্যে দিয়ে চলেছে |
অতিমারির সমাধানে প্রাসঙ্গিক পদক্ষেপ না গ্রহণ করে, এর মৃত্যুভয় এবং এর আইনকে সুযোগ করে নিয়ে চালানো হচ্ছে এক ভয়ঙ্কর জরুরি অবস্থার অঘোষিত শাসন |
কেন এমনটি বলা যাচ্ছে? বিশেষ করে আদালত যখন আন্দোলনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে রায় দিচ্ছে! দেশদ্রোহিতার নামান্তর হিসেবে আন্দোলনকে না দেখার পরামর্শে নির্বাচিত শাসককে দিয়ে বন্দি-মুক্তি ঘটাচ্ছে, তামাম সংবাদমাধ্যম মুখরোচক খবর পরিবেশনের সঙ্গে শাসকের স্তুতি গাইছে, তখন সমকালকে আমরা কীভাবে ভাববো যে এটাও স্বাস্থ্য, জীবন, সম্পত্তি ব... |
সেই ঘোষিত জরুরি অবস্থার সময়, রাজনৈতিক নেতা থেকে সাংবাদিক, লেখক, সাহিত্যিক থেকে পত্রিকা সম্পাদক - সকলেই কোন না কোন কারণে আত্মগোপন করেছেন |
পুলিশের তাড়া খেয়েছেন |
ধরা পড়েছেন |
কারাবাস সয়েছেন |
তবুও সোচ্চার থেকেছেন মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে |
শুধু তাই নয়, এসবের ব্যক্তিগত বিবরণও তাঁরা কখনও দিয়েছেন বলে জানা নেই |
সিদ্ধার্থশঙ্করের ব্যক্তিগত আক্রোশে কিছু ঘটনা এই বাংলায় ঘটলেও তাকে সমাজ-রাজনৈতিক দৃষ্টিতেই তাঁরা ব্যাখ্যা করেছেন |
"দোতলা থেকে লাফ দিয়ে পা-ভেঙে জ্যোতির্ময় দত্ত বালিগঞ্জ থেকে পালিয়ে বারাকপুরের সাহেবকুঠির আস্তাবলে লুকিয়েছিলেন"- তখন জানতে পেরেছেন কেউ? গৌরকিশোর ঘোষ, বরুণ সেনগুপ্ত, জ্যোতির্ময় দত্তরা তো ছিলেন খবরের রান্নাঘর |
তাঁরাও কি ব্যক্তি প্রচারে জাহির করে কিছু বলেছিলেন? তাঁদের সকলেরই একটা অবস্থান ছিল, যা সাংবাদিকতার নৈতিকতা নির্মাণে সহায়তা করে |
"দোতলা থেকে লাফ দিয়ে পা-ভেঙে জ্যোতির্ময় দত্ত বালিগঞ্জ থেকে পালিয়ে বারাকপুরের সাহেবকুঠির আস্তাবলে লুকিয়েছিলেন"- তখন জানতে পেরেছেন কেউ? গৌরকিশোর ঘোষ, বরুণ সেনগুপ্ত, জ্যোতির্ময় দত্তরা তো ছিলেন খবরের রান্নাঘর |
তাঁরাও কি ব্যক্তি প্রচারে জাহির করে কিছু বলেছিলেন? তাঁদের সকলেরই একটা অবস্থান ছিল, যা সাংবাদিকতার নৈতিকতা নির্মাণে সহায়তা করে |
আজ সেই নৈতিকতা মেনে চলা সাংবাদিক খুন হয়ে যান |
খবরের সেই রান্নাঘরটাও আজ এক্কেবারে উদোম অবস্থায় দাঁড়িয়ে গেছে |
রাজনৈতিক ক্ষেত্রটি তাই আরও ঢের ঢের বিপদসঙ্কুল, কতো চোরা ঢেউ আজ সেখানে |
তাই সাংবাদিক খুন হয়ে গেলেও গণতন্ত্রের এই স্তম্ভ আজ শাসকের বিজ্ঞাপন জালে আচ্ছন্ন থাকে |
বাণিজ্যিক স্বার্থে 'হাউস'তাই থাকতে চাইছে |
'ঘোষিত জরুরি অবস্থা'র 'মিসা' আইন, আজকের 'অঘোষিত জরুরী অবস্থা'য় তাই দেশদ্রোহিতার ইউএপিএ-র মত ভয়ঙ্কর আইনে কার্যকরী হচ্ছে |
হতে পারছে |
শাসক আজ বিরোধীদের কন্ঠরোধে শুধু গ্রেফতারী নয়, প্রতিবাদীকে আজ সহ্য করতে হচ্ছে অনেক নির্যাতন |
'অঘোষিত জরুরী অবস্থা'র আসল গল্প এখন মহামারী আক্রান্ত |
এই অতিমারী যে শাসকশ্রেণিরই সৃষ্টি, শাসক যে এটাকেই হাতিয়ার করে মানুষের ওপর তাদের শোষণ ও দমন-পীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে - সেই সচেতন ধ্বনি, গণমাধ্যমের প্রতিধ্বনিতে আজ অনুরণিত হচ্ছে না |
ভারভারা রাওয়েরা তাই এখন কারাগারের অন্ধকার সেলে শাসকের সর্বগ্রাসী আধিপত্যর কাব্যগ্রন্থ রচনা করছেন |
আর সেই কারাকক্ষের বাইরে আমরা অতিমারীর মৃত্যু-মতাদর্শে যাপন করছি এক জীবন্মৃত অবস্থা |
যদিও আমরা জানি ইন্দিরার জরুরি অবস্থার মিসা, আজকের দেশদ্রোহিতার অভিযোগ আনা ইউএপিএ-র তুলনায় কত নিরীহ |
'অঘোষিত জরুরী অবস্থা'র আসল গল্প এখন মহামারী আক্রান্ত |
এই অতিমারী যে শাসকশ্রেণিরই সৃষ্টি, শাসক যে এটাকেই হাতিয়ার করে মানুষের ওপর তাদের শোষণ ও দমন-পীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে - সেই সচেতন ধ্বনি, গণমাধ্যমের প্রতিধ্বনিতে আজ অনুরণিত হচ্ছে না |
"আজকের দিনেই গণতন্ত্রকে খুন করেছিল কংগ্রেস," জরুরি অবস্থার ৪৬ বছরে ট্যুইট করছেন অমিত শাহ |
কিন্তু তিনি নিজে দায়িত্ব নিয়ে দেশকে বর্তমানে যে এক অঘোষিত জরুরি অবস্থার পরিস্থিতিতে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সেই কথা কে বলবে? তাঁর ও মোদীজির নেতৃত্বে চলা কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যে সাংবিধানিক গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করছে, সেই অনুভূতির কথা কীভাবে জানানো যাবে? যে কোন প্রতিবাদ-আন্দোলনের উপর দমন-পীড়ন, কালাকানুন জারি... |
নিশ্চিতভাবে ভারতীয় রাজনীতি এবং গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায় সেদিনের সেই "ঘোষিত জরুরী অবস্থা |
" কিন্তু আজকের এই "অঘোষিত জরুরি অবস্থা!" - সে তো আরও দীর্ঘ |
কয়েকটা ২১ সপ্তাহ আমরা পার করে চলেছি |
আজও কৃষক কৃষি বাঁচাতে, গণতন্ত্র বাঁচাতে খোলা আকাশের নীচে, রাস্তায় অভুক্ত অবস্থায় বসে আছে |
পরিযায়ী শ্রমিক এখন কর্মস্থল থেকে হেঁটে কয়েক হাজার মাইল দূরের গ্রাম-ঘরে ফেরেন |
রাষ্ট্র অথবা সরকার নামের কেউ তার জীবনের কোন দায়িত্বই নেয় না, যখন সে রাস্তায় সন্তান প্রসব করে |
দেশবাসীকে কর্পোরেটদের গোলামে পরিণত করার চক্রান্ত বিরোধী কন্ঠ কারাগারে নিক্ষেপিত হয় |
নয়া-কোম্পানীরাজ কায়েম করে শিল্প-কৃষি-শিক্ষা ব্যবস্থাকে বেচে খাওয়ার উদ্যোগ মহামারী আইনে রক্ষিত হয় |
চুক্তি চাষের মধ্য দিয়ে দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে ধ্বংস করার পদক্ষেপ প্রশস্ত হয় |
নিশ্চিতভাবে ভারতীয় রাজনীতি এবং গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায় সেদিনের সেই "ঘোষিত জরুরী অবস্থা |
" কিন্তু আজকের এই "অঘোষিত জরুরি অবস্থা!" - সে তো আরও দীর্ঘ |
এই অঘোষিত জরুরী অবস্থায় প্রতিবাদহীনভাবে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন তুলে দিয়ে দেশে কালোবাজারী, মজুতদারীকে বৈধ করা হয় |
কৃষক-শ্রমিক-ছাত্র অভুক্ত থাকে, করোনার মৃত্যু-ভয় ও আইনি জুলুমে, সকল ন্যায্য দাবী'র সমর্থনে সমস্ত মানুষ এক হওয়ার সুযোগ অরক্ষিত থেকে যায়! ফসলের ন্যূনতম সংগ্রহমূল্য থাকার আইন চালু হয় না, কিন্তু এই অঘোষিত জরুরী অবস্থায় কর্পোরেটের বিরুদ্ধে কৃষক আইনি সহয়তা পাবে না তা আইনে বলে রাখতে শাসক ভোলে না |
তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য, সার-বীজ-বিদ্যুৎকর সহ সকল বেঁচে থাকার উপাদান এখানে ব্যয়বহুল হতে থাকলেও মৃত্যু পরোয়ানা খুব সস্তা হয়ে যায়! গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থা অদৃশ্য হতে সময় নেয় না |
এটাই আজকের অঘোষিত জরুরী অবস্থায় একটা অন্যোন্য বৈশিষ্ট্য |
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অথবা পরার্থবাদী কাজে তাই এখন দুর্নীতি বাসা বাঁধতে পারে |
শাসক সহজেই ভুয়ো রাজনীতিতে ভুয়ো আন্দোলন গড়তে তুলতে সফল হন |
আজকের অঘোষিত জরুরী অবস্থার সেই জৈব-রাজনীতির আস্ফালনে তাই সহজেই বিভ্রান্ত হন জনগণ |
আয়েন্দেরা জন্মদিনের অস্ফুট স্মরণ-উচ্চারণে মিলিয়ে যান |
অনুমতি সাপেক্ষের গণতান্ত্রিক পরিসরে জনসমাজ পরিমিততে অভ্যস্ত হতে থাকে |
গণতন্ত্রের সঙ্গে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কর্মসংস্থানের যোগসূত্র খুঁজে পেতে তাদের অসুবিধা হয় |
এও হল এক মোড়কের রাজনীতি, মড়ক যেখানে শাসকের প্রধান হাতিয়ার |
জনমানস এখানে দণ্ডিত হয়েই জীবনের নির্বাক শোভাযাত্রায় সামিল হয় |
মরণের প্রাতিষ্ঠানিক ক্রম এখানে হয়ে ওঠে ধর্মশালার বেসরকারী পরিসর |
দেশ রিপোর্ট : তৃতীয় ধাপে আগামী ২৮ নভেম্বর সারাদেশের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বড়লেখা উপজেলার ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন |
নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে ওঠে ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকা |
চায়ের দোকানে এখন নির্বাচনী উত্তাপ |
চলছে প্রার্থীদের নিয়ে চুলছেড়া বিশ্লেষণ |
ভোটাররা নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় ব্যস্ত |
পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে শাহবাজপুরের গোটা এলাকা |
সবমিলিয়ে নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে ইউনিয়নজুড়ে |
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রফিক উদ্দিন আহমদ |
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আতাউর রহমান সৈয়দ এবং ঘোড়া প্রতীকে মমিনুল হক টনি |
এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা মোঃ আব্দুল্লাহ খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন |
নির্বাচনে বিএনপি ও জামাতদলীয় কোনো প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগের লড়াইটা নিজেদের মধ্যে জমে ওঠেছে |
প্রার্থী পরিচিতি: |
রফিক উদ্দিন আহমদ : ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান লন্ডনপ্রবাসী আহমদ জুবায়ের লিটন নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় ভাগ্য খুলে যায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রফিক উদ্দিন আহমদের |
দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে সুপরিচিত রফিক উদ্দিন আহমদ এর আগে ২০১৬ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হতে তোড়জোড় শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়নই চাননি |
এমন কি আগামী ২৮ নভেম্বরের নির্বাচনে তিনি অংশ নেবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছিলেন |
কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন নির্বাচন না করায় তাঁর ভাগ্য খুলে যায় |
একজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে দল তাঁকে মনোনয়ন দিয়ে মূল্যায়ন করেছে |
মোঃ আতাউর রহমান সৈয়দ : আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মঈন উদ্দিন আহমদের ছোট ভাই মোঃ আতাউর রহমান সৈয়দ |
নির্বাচনকে সামনে রেখে গত কয়েক বছর ধরে তিনি ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন |
অন্যদিকে আতাউর রহমান সৈয়দ সাবেক তিনবারের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান আকবর আলীর মামা হওয়ায় ভোটারদের কাছে বাড়তি কদর পাচ্ছেন |
সবমিলিয়ে ভোটের মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন আতাউর রহমান সৈয়দ |
মমিনুল হক টনি : আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন মমিনুল হক টনি |
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি |
সর্বশেষ ২০১৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, কিন্তু সে সময় তাঁকে দলীয় মনোানয়নর দেওয়া হয়নি |
এবারও মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে রয়েছেন |
মাওলানা মোঃ আব্দুল্লাহ : স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা মোঃ আব্দুল্লাহ |
নির্বাচনকে সামনে রেখে গত কয়েক মাস থেকে তিনি প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন |
তবে নির্বাচনী মাঠে ৪ প্রার্থী থাকলেও নৌকার প্রার্থী রফিক উদ্দিন আহমদ ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আতাউর রহমান সৈয়দের মধ্যে মূল লড়াই হবে বলে মনে করছেন সচেতন ভোটাররা |
অনুগ্রহ করে নোট করুন যে নিম্নলিখিত পৃষ্ঠাগুলিতে 3 হোমপেজের অনুবাদ করা বিষয়বস্তুগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে |
এই মূল বিষয়বস্তুটি গ্রন্থস্বত্ব সংরক্ষিত, অনুগ্রহ করে প্রতিটি পৃষ্ঠার ওপরে দেওয়া নোটগুলি পড়ে নিন |
অনুবাদক নিজেই এখানে দেওয়া অনুবাদের গ্রন্থস্বত্বের অধিকারী |
অনুবাদক নিম্নলিখিত ব্যক্তিসমূহকে তাদের সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন: , অ্যাক্সেল ফ্রেড্রিক |
অনুবাদক ত্রুটিহীন অনুবাদের কোন ওয়্যারান্টি দিতে পারেন না, 3 থেকে নেওয়া মূল ইংরাজী দলিলটি হল নবীকরণ করা একমাত্র দলিল |
অনুবাদকের মতামতগুলি বিশেষভাবে চিহ্নিত করা আছে এবং সেগুলি মূল দলিলের কোন অংশ নয় |
সম্প্রতি এই ওয়েবসাইটে আপনি নীচের তথ্যগুলি পেতে পারেন: |
প্রত্নতাত্ত্বিকরা প্রায়শই তাদের গবেষণার জন্য বিভিন্ন জায়গায় খনন কাজ করে থাকেন |
এই সময় বিভিন্ন পুরার্কীতি, মানুষের হাড়, পশুর জীবাশ্ম পান |
যেগুলো কোনো না কোনো সভ্যতাকে নিদর্শন করে |
নতুন করে বিশ্ববাসীকে পরিচয় করিয়ে দেয় হারিয়ে যাওয়া এসব সভ্যতাকে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.