content
stringlengths
0
129k
জুন ০৬, ২০১৮
আন্তর্জাতিক
ডেমো টাইটেল
এপ্রিল ২৭, ২০২১
বাংলাদেশ সীমান্ত পাহারায় মিজো রেজিমেন্ট গঠনের দাবি ভারতের
অক্টোবর ২০, ২০২০
চীনের জাতীয় দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে মির্জা ফখরুলের টুইট
অক্টোবর ০৩, ২০২০
ভারতের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আটক
অক্টোবর ০১, ২০২০
জাতিসংঘে কাশ্মির ইস্যু তুললেন এরদোয়ান, ক্ষুব্ধ দিল্লি
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
হোমপেজ | বাংলাদেশ | আন্তর্জাতিক | অর্থনীতি | মতামত | খেলা | বিনোদন | ফিচার | জীবনযাপন | ছবি | বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | ভিডিও
সিলেট বৃহস্পতিবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি
| লগ-ইন করুন
উল্লেখযোগ্য
| সিলেট এক্সপ্রেস " উল্লেখযোগ্য " শিক্ষা " শিরোনাম " সিলেট
আবারো বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি
,
প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২০ আপডেট : ১ বছর আগে
সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরেক দফা বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই ছুটি বাড়ানো হয়েছে
আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে
দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে
পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় সেই ছুটি দফায় দফায় বাড়াতে হয়েছে
আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা আছে
এ ছাড়া গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে তা স্থগিত রয়েছে
বছর প্রায় শেষ হয়ে আসায় এ পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের
স্থগিত থাকা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কবে থেকে নেওয়া হবে, সেই তারিখ আগামী 'সোম-মঙ্গলবারের' মধ্যে ঘোষণা করা হবে বলে গতকাল বুধবার জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী
মহামারির কারণে এবার পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা নেবে না সরকার
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে উপরের শ্রেণিতে তোলার কথা রয়েছে
তবে চারটি শর্ত দিয়ে আগামী অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালনায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের 'ও' এবং 'এ' লেভেলের পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে সরকার
এদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে একটি বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে এবং হয়তো বর্তমান সময়টা একটি বিপ্লবকালীন সময়
এই বিপ্লবকে বেগবান করে তুলতেই বাংলা মুভি ডেটাবেজ - বাংলাদেশী সিনেমার ডেটাবেজ
বাংলাদেশী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির এই পরিবর্তনকালীন সময়ে বাংলাদেশী চলচ্চিত্র বিপ্লবকে অনুভব করতে, বিপ্লবের সাক্ষী হতে বাংলা মুভি ডেটাবেজ এর সাথে থাকুন
'://..//.?=বিষয়শ্রেণী:হো_চি_মিন_সিটির_মন্দির&=3641426' থেকে আনীত
>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক : প্রতিনিয়ত বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে
ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা ও তীব্রতা বেড়েছে
আমেরিকা সম্প্রতি একাধিক ঘূর্ণিঝড়ের মুখোমুখি হয়েছে
সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থান এবং উচ্চ জোয়ার চাঁদের সাথে সম্পর্কিত
বিজ্ঞানীরা বলছেন, যদি চাঁদ কিছুটা অবস্থান পরিবর্তন করে তবে সারাবিশ্বে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেবে
উচ্চ জোয়ারের ফলে সৃষ্ট বন্যাকে নিউইসান্স বন্যা বলা হয়
এমন সময়ে, সমুদ্রের তরঙ্গগুলো তাদের গড় উচ্চতা থেকে ২ ফুট বেশি উত্থিত হয়
যার ফলে শহরগুলোতে জল ঢুকতে থাকে
ঠিক যেমন বর্ষার সময় মুম্বাইয়ের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়
এ কারণে পরিস্থিতি বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে
জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, আমেরিকাতে উচ্চ জোয়ারের কারণে ২০১৯ সালে ৬০০ বার বন্যা হয়েছিল
কিন্তু নাসার এক নতুন গবেষণা অনুসারে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমেরিকা-সহ বিশ্বে অনেক জায়গায় নিউইসান্স বন্যা দেখা দেবে
ফলে উচ্চ জোয়ারের সময় আসা তরঙ্গগুলোর উচ্চতা প্রায় ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি হবে
নাসার এই সমীক্ষাটি গত মাসে নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জে প্রকাশিত হয়েছিল
তবে নাসা এখন সতর্ক করেছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে নিউইসান্স বন্যা অনেক বেড়ে যাবে
এগুলো বছরে একবার বা দু'বার আসবে না, বরং প্রতি মাসে আসবে
কারণ যখনই চাঁদের কক্ষপথে সামান্য পরিবর্তন হবে তখনই এই বন্যা আরও ক্ষতিকারক হয়ে উঠবে
উপকূলীয় অঞ্চলে এই বন্যা প্রতি মাসে দু-তিনবার আসবে
চাঁদের অবস্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে উপকূলীয় অঞ্চলে নিউইসান্স বন্যা সেখানে বাসকারী মানুষের পক্ষে বিপদজনক হয়ে উঠবে
এটি এড়াতে বিশ্বজুড়ে সরকারগুলোকে পরিকল্পনা করতে হবে
হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ফিল থম্পসন এক বিবৃতিতে বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এটি ঘটবে
এর কারণে পৃথিবীতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হবে
ফিল থম্পসন বলেছেন, মাসে যদি এইরকম বন্যা ১০-১৫ বার ঘটে তবে মানুষের কাজ কারবার বন্ধ হয়ে যাবে
মানুষের আয় ব্যাহত হবে
চাকরি আর থাকবে না
অবিচ্ছিন্ন জলের কারণে মশা বাহিত রোগগুলোও বৃদ্ধি পাবে
চাঁদের কারণে পৃথিবীর উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যার পরিমাণ ও সময় বাড়বে
গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বিশ্বজুড়ে বরফ এবং হিমবাহ গলে যাচ্ছে
এর কারণে সমুদ্রের স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাবে
জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের দেওয়া তথ্যানুসারে, ১৮৮০ সাল থেকে সমুদ্রের জলস্তর ৮ থেকে ৯ ইঞ্চি বৃদ্ধি পেয়েছে
এই উচ্চতাগুলোর এক তৃতীয়াংশ গত ২৫ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে
২১০০ সাল নাগাদ, সমুদ্রের স্তর ১২ ইঞ্চি থেকে ৮.২ ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে
এটি রোধ করতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করতে হবে
তবে কয়েক দশক লাগবে এই কাজ শেষ করতে, যা সহজ নয়
জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের এক নতুন সমীক্ষা অনুসারে, চাঁদ সর্বদা সমুদ্রের তরঙ্গকে প্রভাবিত করে আসছে
চাঁদের টান এবং চাপ উভয়ই বছরের পর বছর ভারসাম্যপূর্ণ রয়েছে
চাঁদ যদি তার কক্ষপথের অবস্থান কিছুটা পরিবর্তন করে, তবে এটি পৃথিবীর উপকূলীয় অনেক অঞ্চলকে প্লাবিত করবে
কারণ চাঁদ ১৮.৬ বছরে তার জায়গায় সামান্য পরিবর্তন করে
এই সময়ের মধ্যে অর্ধেক সময়, চাঁদ পৃথিবীর ঢেউকে দমন করে
তবে অর্ধেক চক্রের পর চাঁদ তরঙ্গকে তীব্র করে তোলে
তাদের উচ্চতা বৃদ্ধি করে, যা বিপজ্জনক
নাসা জানিয়েছে যে এখন চাঁদের ১৮.৬ বছরের পূর্ণচক্রের অর্ধেকটি শুরু হতে চলেছে, যা পৃথিবীর তরঙ্গকে ত্বরান্বিত করবে
২০৩০ সালে এটি ঘটবে
ততক্ষণে বৈশ্বিক সমুদ্রের স্তরটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে
এই কারণে বিশ্বের অনেক দেশে নিউইসান্স বন্যার সমস্যা দেখা দেবে
আমেরিকাতে এর চেয়ে আরও বেশি সমস্যা থাকবে
কারণ সে দেশে উপকূলীয় এলাকায় অনেক পর্যটনস্থল রয়েছে
নাসা বলেছে, জলবায়ু চক্রের এল নিনোর মতো ঘটনাও বন্যার দিকে পরিচালিত করবে
নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী বেন হ্যামলিংটন বলেছেন- এই সমস্ত ঘটনা প্রতি মাসে ঘটবে
এটিও হতে পারে যে বছরের এক অংশে এত বন্যা হবে যে সারা বছর আপনার সমস্যা থাকবে
সূত্র: লাইভ সায়েন্স
বৈজ্ঞানিকের দপ্তর-নিলামের গল্প(পর্ব৪)-স্রবন্তী চট্টোপাধ্যায়-শীত২০২১ | বাংলাভাষায় প্রথম ছোটোদের পূর্ণাঙ্গ ওয়েবজিন
২০০৭ থেকে ছোটোদের সঙ্গে
অনেকে মনে করেন যে সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, কারুকার্য, স্থাপত্য, ভাস্কর্য প্রভৃতি শিল্পকলাই সংস্কৃতি
ইহা সত্য নহে
অর্থাৎ শিল্পকলাই সংস্কৃতি নহে- উহারা সংস্কৃতির বাহন
একই শিল্পের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন সংস্কৃতির অভিব্যক্তি হইতে পারে
সাহিত্যে একই রীতির অনুসরণে শব্দ-ব্যঞ্জনা, উপমা-অলংকার, অনুপ্রাসের প্রয়োগ করিয়া একই রূপ রচনা-শৈলীর মাধ্যমে ভিন্নতর জীবনবোধ ও জীবন ধারার অভিব্যক্তি ও প্রতিফলন হইতে পারে
সংগীতে এরই সূর-তাল-লয়ের ব্যবহারে এবং নৃত্যে একই মুদ্রা ও তালের প্রয়োগে বিভিন্ন জীবনবোধ ও জীবন-ধারা হইতে উৎসারিত ও নিঃসৃত রস পরিবেশিত হইতে পারে
এইভাবে কারুকার্য, স্থাপত্য, ভাস্কর্য প্রভৃতি যাবতীয় শিল্পের ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য
সংস্কৃতির সংজ্ঞাঃ
এখন প্রশ্ন হইতেছে, শিল্প যদি সংস্কৃতির বাহন হয়, তবে সংস্কৃতি কাহাকে বলে? মানুষের দৈহিক ও মানসিক বৃত্তিসমূহের উৎকর্ষ সাধন এবং তাহার ব্যবহারিক জীবন ও প্রত্যক্ষ জড়-পরিবেশে সেগুলির ফলিত রূপই হইতেছে সংস্কৃতি
জীবন ও জগতের প্রতি মানুষের বিশেষ বিশেষ দৃষ্টিভংগি এই বৃত্তিসমূহের পরিচর্যার ধারা ও পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাহার ফলে মানুষের ব্যক্তি ও সমষ্টি-জীবনের সংস্কৃতিতেও বিশেষ বিশেষ রূপ পরিদৃষ্ট হয়
তাই সংস্কৃতির উপর জীবনাদর্শের প্রভাব অত্যন্ত গভীর, ব্যাপক ও মৌল; আর এ কারণেই জীবনাদর্শ ভিন্ন হইলে সংস্কৃতিও ভিন্ন হইতে বাধ্য