content
stringlengths
0
129k
আমি বিশ্বাস করি আপনি স্বর্গ এবং পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা, এবং আমারও
আমি বিশ্বাস করি কেবল আপনিই আমার আত্মাকে বাঁচাতে পারেন, আমার একার পক্ষে এটি সম্ভব নয়
আমি বিশ্বাস করি যীশু খ্রীষ্ট আপনার পুত্র
প্রভু যীশু, আমি বিশ্বাস করি আপনি পৃথিবীতে এসেছেন, আমার পাপের জন্য ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন এবং মৃত্যু থেকে পুনরুজ্জীবিত হয়েছেন
আমার পাপ ক্ষমা করুন এবং আপনার রক্ত দিয়ে সেগুলো ধুয়ে দিন
ক্রসবিদ্ধ হয়ে আপনার আত্মাহুতির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
মৃত্যুর থেকে উত্থাপিত হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, জীবিত থাকার জন্য এবং আমার প্রার্থনা শুনার জন্য
প্রভু যীশু, আমি এখন আপনাকে আমার পরিত্রাতা হিসাবে এবং আমার জীবনের পালনকর্তা হিসাবে গ্রহণ করছি
আমি আপনার কাছে আমার হৃদয় এবং নিজেকে সমর্পণ করছি
আপনার পবিত্র আত্মা দিয়ে আমার হৃদয় পূরণ করুন এবং আমার জীবন আপনার প্রেম, যত্ন এবং নির্দেশিকায় পরিপূর্ণ করে দিন
আমাকে এমন বর দিন যাতে আমি একজন প্রকৃত খ্রিষ্টান হতে পারি, যাতে সবসময় একটি উষ্ণ প্রেমময় হৃদয় নিয়ে আপনাকে অনুসরণ করতে পারি
আমাকে সবসময় আপনার পাশে থাকতে সহায়তা করুন, এবং আমাকে আমার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত পথ নির্দেশ করুন
এই দিন থেকে আমার জীবনকে ভাল ও বিশুদ্ধ পথে চলতে সাহায্য করুন, যাতে ঈশ্বরকে খুশি করার জন্য ভাল কাজ করতে পারি
আমার জীবনে আপনার ইচ্ছার প্রতিফলন হোক, তাই আমি চাই আপনার ভালবাসা এবং শান্তি অন্যদের সাথে ভাগ করতে পারি
এখন থেকে আমার হৃদয় আপনার , আজ এবং চিরকালের জন্যে
ধন্যবাদ আমাকে নিশ্চয়তা দেবার জন্য- বাইবেলে আপনার শব্দের মাধ্যমে- আমি এখন অনন্ত জীবন লাভ করছি, আপনার সান্নিধ্যে বসবাস করতে পারছি: এখন পৃথিবীতে এবং স্বর্গে, আপনার ছায়ায়, এই জীবনের পরে
আমার জীবন চলবে আপনার ইচ্ছায়, যীশু এর নামে আমি প্রার্থনা করছি,
আপনি কি এই প্রার্থনা শেষ করেছেন?
হ্যাঁ, আমি শুধু এই প্রার্থনা প্রার্থনা!
না, আমি আরও তথ্য চাই
:
© 2021 |
አማርኛالعربيةՀայերենə Беларуская моваБългарскиa简体中文繁體中文Cs‎ქართულიΕλληνικάગુજરાતી O ʻעִבְרִיתI 日本語 ಕನ್ನಡҚазақ тіліភាសាខ្មែរ한국어كوردی‎Кыргызчаພາສາລາວs u eМакедонски јазик മലയാളം aमराठीМонголဗမာစာनेपाली aپښتوفارسیeaaaسنڌيසිංහලcsc Тоҷикӣதமிழ்తెలుగుไทยucУкраїнськаاردو'e eיידישua
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী একজন বিখ্যাত বাঙালি শিশুসাহিত্য লেখক বাংলা শিশুসাহিত্যের বিকাশে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ছিলেন বাংলা ছাপাখানার অগ্রপথিক ও প্রকাশক
শিশুসাহিত্য লেখক ছাড়াও তার আরো যেসব ভূমিকা ছিল তা হলো চিত্রকর, প্রকাশক, বেহালাবাদক, শখের জ্যোতিষবিদ্যা চর্চা, সুরকার, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী শিশুসাহিত্যের এমন কিছু সৃষ্টি রচনা করে গেছেন যা এক কথায় আমার সৃষ্টি
:
:
: ,
: 12 1863
: 20 1915
:
:
:
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্ম ১২৭০ বঙ্গাব্দের ২৭ বৈশাখ আর ইংরেজির ১২ মে ১৮৬৩ সালে
তার জন্মস্থান ময়মনসিংহ জেলায়
তার জন্মস্থান টি বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলার মসূয়া গ্রামে (বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থিতি)
তার পিতার নাম কালীনাথ রায় তিনি ছিলেন সুদর্শন ও সংস্কৃতে সুপন্ডিত তার গুণাবলী ছিল তিনি আরবি ও ফারসি ভাষায়ও সমান পারদর্শী ছিলেন
স্কুল জীবন ও উচ্চশিক্ষা
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী পড়াশোনায় ছিলেন প্রখর মেধাবী ছাত্র ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষায় উর্তীন্ন হন ও বৃত্তি পান
পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি চলে আসেন কলকাতা শহরে এবং কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে এডমিশন নেন
সংগীত চর্চা
উপেন্দ্রকিশোর ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার সাথে সাথে সংগীতের প্রতি তার ভালোবাসার অনুভূতি তৈরী হয়েছিল তাই তিনি বিভিন্ন সংগীতযন্ত্র যেমন বেহালা, বাঁশি ইত্যাদি বাজাতে শেখার প্রতি আকৃষ্ট হন ও শিখে নেন
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী অমর সৃষ্টি
বাংলা শিশুসাহিত্যের কালজয়ী এই লেখক তার প্রতিটা রচনার জন্যই বিখ্যাত হয়ে রয়েছেন কিন্তু তার আমার কীর্তির মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গুপী গাইন বাঘা বাইন, টুনটুনি বই, আর তার সম্পাদিন ও প্রকাশিত সন্দেশ পত্রিকা ছোটদের জনপ্রিয় এই পত্রিকাটি তিনিই প্রথম শুরু করেন যেখানে প্রথমে তার পরিবারের লোকেরা ও পরে বিভিন্ন নামকরা সাহিত্যিক লিখতেন
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী মৃত্যু
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী পরলোক গমন করেন ২০ ডিসেম্বর ১৯১৫ সালে মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৫২ বছর
তার মৃত্যুর পরে তার ছাপাখানার দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেন তার বড়ছেলে সাহিত্যিক সুকুমার রায়
অরুণিমা সিনহা জীবনী |
- 2, 2021
ভূপেন হাজারিকা জীবনী |
- 24, 2021
মুত্তিয়া মুরালিধরন জীবনী |
- 2, 2021
!
!
, , .
. , , , , , , , , .
দেশের কিংবদন্তি ফুটবলার, সংগঠক, জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত বাদল রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি
এক শোকবার্তায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক, জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত ফুটবলার ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বাদল রায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক কিংবদন্তিতুল্য ব্যক্তিত্ব ছিলেন
তার মৃত্যু দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি
তিনি তার মেধা, যোগ্যতা ও কর্মের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে করেছেন সমৃদ্ধ
দেশের ফুটবলের উন্নয়নে তার অপরিসীম অবদান জাতি যুগ যুগ স্মরণ করবে
উল্লেখ্য, লিভার ক্যান্সারে ভুগতে থাকা জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক এই তারকা আজ রোববার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর
আরআই/আইএইচএস/পিআর
বাংলাদেশ-ফুটবল
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন
আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়
আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে
আজই পাঠিয়ে দিন - [ ]
১৮৪৮ সালের ১২ জুন
ঢাকার আর্মেনীয় জমিদারের পুত্র নিকোলাস পিটার পোগোজের বয়স তখন ১৮
এই তরুণ আরমানিটোলায় নিজ বাড়ির নিচতলায় একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করলেন
নাম দিলেন পোগোজ অ্যাংলো ভার্নাকুলার স্কুল অ্যাট ঢাকা
ইতিহাসবিদ শরীফ উদ্দিন আহমেদ রচিত ঢাকা: ইতিহাস ও নগরজীবন (১৮৪০-১৯২১) গ্রন্থে ঢাকার পোগোজ স্কুলের এই বর্ণনা আর বিবর্ণ একটি পুরোনো ছবি পাওয়া গেল
বইটিতে স্কুল প্রতিষ্ঠার পটভূমি হিসেবে বলা হয়েছে, ফিসের টাকা দিতে না পারায় ১৮৪৬ সালে ৯৬ জন ছাত্রকে সে সময়ে ঢাকা কলেজ ছাড়তে হয়েছিল
তাদের প্রতি সমব্যথী হয়ে ঢাকার তৎকালীন সিভিল সার্জন টি এ ওয়াইজ ১৮৪৬ সালে খোলেন 'ইউনিয়ন স্কুল'
কিন্তু অর্থাভাবে সে স্কুল দুই বছরের বেশি চলেনি
ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্র পোগোজ তখন স্কুলটির ভার নিয়ে নিজের বাড়িতে নতুন নামে শুরু করেন
সেখান থেকে ১৮৫৫ সালে স্কুলটি নিকির গ্রিক জমিদার বন্ধু জে সি পানিয়াটির বাসগৃহে এবং ১৮৫৬ সালে পানিয়াটির বাড়ি থেকে আর্মেনি গির্জার পাশে সুধাময় হাউসে স্কুলটি স্থানান্তরিত হয়
১৮৭৬ সালে পোগোজ মারা গেলে ঢাকার জমিদার মোহিনীমোহন দাস পোগোজ স্কুলের দুই-তৃতীয়াংশ কিনে নেন
এন পি পোগেজা নিকি পোগোজ নামেও পরিচিত ছিলেন
তিনি শুধু স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না, স্কুলটির প্রধান শিক্ষকও ছিলেন
মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর সব সম্পদ ট্রাস্ট করে রেখেছিলেন
জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ায় স্কুলটি সম্পর্কে বলা হয়েছে, ১৮৫৫ সালে নিকি তাঁর বন্ধু পানিওতির মালিকানাধীন একটি ভাড়াবাড়িতে স্কুলটি সরিয়ে নেন
সেখান থেকে আরও পাঁচ বছর পর সদরঘাটে একটি দোতলা বাড়িতে স্কুলটি স্থানান্তরিত হয়
সদরঘাটের অবস্থান থেকে পরে স্কুলটি বর্তমান ঠিকানা চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউতে স্থানান্তরিত হয়