content stringlengths 0 129k |
|---|
১৮৬৭ সালে এই স্কুলে ৫০০ ছাত্র ছিল |
তখন এটি এই বাংলার সবচেয়ে বড় স্কুল ছিল |
পোগোজের মৃত্যুর এক বছর পর ১৮৭১ সালে মোহিনীমোহন দাস নামের একজন ব্যাংকার ও জমিদার স্কুলটির মালিকানা নেন |
তবে স্কুলের প্রথম প্রতিষ্ঠাতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে নিজের নাম আর তিনি সংযুক্ত করেননি |
১৮৮৬ সালে তাঁর মৃত্যুর পর স্কুলটির মালিক হয় তাঁর এস্টেট |
তবে ১৯০৭ সালে ভারতে স্কুলের স্বত্বাধিকার পদ্ধতি পরিবর্তিত হলে স্কুলটি পরিচালনার ব্যবস্থাপনা কমিটির ওপর দায়িত্ব অর্পিত হয় |
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় পোগোজ স্কুল নানা রকম সমস্যায় পড়ে এবং ১৯৫০ সাল নাগাদ প্রায় ভেঙে পড়ার অবস্থা সৃষ্টি হয় |
তবে সবার সহযোগিতায় স্কুলটি দ্রুত তার সংকট কাটিয়ে উঠতে সমর্থ হয় এবং সে সময়ের সেরা স্কুলগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সামনে এগোতে থাকে |
তবে ঢাকায় একের পর সরকারি-বেসরকারি স্কুল হওয়ায় আগের ঐতিহ্য হারাতে থাকে |
তবে পোগোজ স্কুলের বিখ্যাত ছাত্রের সংখ্যা হাতে গুনে শেষ করা যাবে না |
পূর্ব বাংলা তথা বর্তমান বাংলাদেশের প্রথম আইসিএস ও পরে মন্ত্রী কে জি গুপ্ত, ঢাকা কলেজ ও কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রথম ভারতীয় অধ্যক্ষ পি কে রায়, প্রথম ভারতীয় ডিএসসি ও সরোজিনী নাইডুর বাবা ড. অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়, ড. প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ, কৌতুকাভিনেতা ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি কায়কোবাদ, কবি শামসুর রাহমান, শিল্পী রফি... |
কেউ চাইলেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে দেখে আসতে পারেন স্কুলটি |
মূল ভবনের ওপরে এখনো শোভা পাচ্ছে ইংরেজিতে লেখা প্রতিষ্ঠার সাল ১৮৪৮, যা মনে করিয়ে দেয় ১৬৯ বছরের আলোকবর্তিকা ছড়ানোর কথা |
কুমার বিশ্বজিতের সেরা গানের তালিকা করলে 'যেখানে সীমান্ত তোমার' ওপর দিকে থাকবে |
এর বাইরে লাকী আখান্দে্র সুরে আরও তিনটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বিশ্বজিৎ |
ঢাকার সংগীতজীবনের শুরুতে কুমার বিশ্বজিতের প্রথম অ্যালবামের 'একদিন চলে গেলে তুমি যে দূরে'র সুরই তো তাঁর করা |
লাকী আখান্দে্র সুরে কুমার বিশ্বজিৎ সর্বশেষ গেয়েছেন 'বলো না তুমি ছাড়া কে আছে আমার' |
কান্ট্রি ওয়েস্টার্ন টাইপের এই গান তিনি করেছিলেন তা-ও ২০ বছর হবে, জানালেন কুমার বিশ্বজিৎ |
এরপর লাকীর সুরে আর গাওয়া হয়নি |
১০ নভেম্বর সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ জানালেন চমকে দেওয়া এক খবর |
বললেন, লাকী ভাইয়ের সুর করা তিনটি গান কিছুদিন আগে উদ্ধার করেছি, এগুলো তাঁর জীবিত অবস্থায়ই প্রকাশ করার কথা ছিল |
'গানগুলো নিয়ে লাকী আখান্দ্ ভাইয়ের অনেক স্বপ্ন ছিল |
খারাপ লাগছে, জীবিত থাকতে এসব গান প্রকাশ করতে পারিনি |
জানি না, তাঁর স্বপ্ন ছুঁতে পারব কি না, চেষ্টা করছি |
তবে আমার গায়কির প্রতি তাঁর অগাধ বিশ্বাস ছিল |
তিনি বিশ্বাস করতেন, আমি তাঁকে বুঝি |
সেই বিশ্বাস থেকে খুঁজে পাওয়া গানগুলো নিয়ে কাজ করছি,' বলছিলেন সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ |
অনেক দিন থেকেই নতুন গান তৈরির পরিকল্পনা করছিলেন লাকী আখান্দ্ ও কুমার বিশ্বজিৎ |
গীতিকার গোলাম মোর্শেদকে দিয়ে কয়েকটা গান লেখানোও হয়েছিল |
গানগুলোর সুরও করে ফেলে ছিলেন লাকী |
কিন্তু গানগুলোতে কণ্ঠ দেওয়ার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়েন দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই সুরকার |
একসঙ্গে বসে গানগুলো আর করা হয়ে ওঠেনি |
পাঁচ বছর আগে মারা যান লাকী আখান্দ্ |
কুমার বিশ্বজিৎ জানালেন, অনেক বড় আয়োজনে গানগুলোর রেকর্ডিং করতে চেয়েছিলেন লাকী আখান্দ্ |
মুম্বাইয়ে অর্কেস্টেশন করতেও চেয়েছিলেন, যেখানে ৪০ জন ভায়োলিন বাজাবেন |
লাকী আখান্দে্র সুর করা এই গানগুলোর অনেক দিন কোনো হদিস ছিল না |
গান তিনটি উদ্ধার করতে পেরে যারপরনাই খুশি কুমার বিশ্বজিৎ |
তিনি বললেন, 'ঘরে হারমোনিয়াম বাজিয়ে গানগুলো রেকর্ড করে রেখেছিলেন |
এত দিন পর শুনতে গিয়ে দেখি কখনো সুর বোঝা যায়, কখনো যায় না |
টেপ রেকর্ডারে শুনে অনেক কষ্টে বের করেছি |
আমি তো লাকী ভাইকে ভালো করে চিনি, তাই আমার পক্ষে বের করাটা সম্ভব হয়েছে |
আপাতত তিনটা গান তৈরি করেছি |
তিনটাতেই আমি কণ্ঠ দেব |
নতুন কিছু গানের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন কুমার বিশ্বজিৎ |
লাকী আখান্দে্র সুর করা গানগুলো পাওয়ার পর এখন সেগুলোতেই মশগুল হয়ে আছেন তিনি |
বললেন, 'তিন টাইপের তিনটা গান |
যখন গানগুলো শুনি না, বুকের ভেতরটা কামড়ে ধরে |
কি গায়কি, কি এক্সপ্রেশন আর কী অসাধারণ সুর! লাকী আখান্দে্র মতো সুরকার আর আমরা পাব না |
তাঁর সুর আমাদের চিন্তার অনেক বাইরে |
একদম অফট্র্যাকের |
ব্যতিক্রমী |
তাঁর সুরের বাঁধন, গঠন বা চলন - এগুলো ভীষণ রকম আলাদা |
আমরা কেউ এই স্টাইলে চিন্তাও করতে পারি না |
একটি গান তখনই সার্থক হয়, যখন মনের ভেতর লাগে |
লাকী ভাইয়ের সুর করা গানগুলো তেমনই |
অদৃশ্য একটা শক্তি আছে |
কুমার বিশ্বজিৎ বললেন, 'চিন্তা করছি, তিনটি গানের দুটির কাজ কলকাতা থেকেই করব |
সব কটির গাইড ভয়েজও দিয়ে রেখেছি |
আমি তো যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছি, মাসের শেষে ফিরে এসে কণ্ঠ দেব |
আমার ইউটিউব চ্যানেলে স্টুডিও ভার্সন আকারে ছাড়ব |
২ মাসের শিশুকে দেওয়া হবে ১৯ কোটি টাকার ইঞ্জেকশন! ২ মাসের শিশুকে দেওয়া হবে ১৯ কোটি টাকার ইঞ্জেকশন! - 24 |
1@. : : |
1@. : : |
5, 2021, 11:21 |
আন্তর্জাতিক |
সাতক্ষীরা প্রতিদিন |
সাতক্ষীরা জেলা |
কলারোয়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ কলারোয়ায় অভ্যন্তরীন আমন মৌসুমে খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি পড়াশোনা শেষ করে শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হতে হবে- প্রধানমন্ত্রী আলীপুর ইউনিয়ন আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম ও জেলা আ'লীগ সদস্য মন্টুর আ... |
আন্তর্জাতিক |
২ মাসের শিশুকে দেওয়া হবে ১৯ কোটি টাকার ইঞ্জেকশন! |
আপডেট সময় , 19, 2020 |
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শিশুটির বয়স মাত্র দুই মাস |
অথচ বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ইঞ্জেকশন দেয়া হবে তাকে |
ব্রিটেনে বিরল রোগে আক্রান্ত এই শিশুটিকে দেয়া হবে ১৯ কোটি টাকার ইঞ্জেকশন! |
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শিশুটি যে রোগে ভুগছে তার নাম জেনেটিক স্পাইনাল মাসক্যুলার অ্যাথ্রফি (এসএমএ) |
এই রোগ বিশ্বের যেকোনো রোগ এমনকি ক্যান্সারের চেয়েও মারাত্মক |
এজন্য চিকিৎসাও অত্যন্ত ব্যয়বহুল |
এসএমএ শরীরে এসএমএন-১ জিনের অভাবে ঘটে |
এর ফলে বুকের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শ্বাস নিতে অসুবিধা হয় |
এই রোগটি বেশিরভাগ শিশুদেরই হয় এবং পরে অসুবিধা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগী মারা যায় |
প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় ব্রিটেনে এই রোগের প্রকোপ বেশি |
প্রতি বছর সেখানে প্রায় ৬০ জন এমন শিশু জন্মগ্রহণ করে যাদের এই রোগ রয়েছে |
ব্রিটেনে আরও শিশু এই রোগে ভুগছে |
তবে এটির ওষুধ এখানে তৈরি হয় না |
এই রোগ হলে শিশুদের যে ইঞ্জেকশন দেয়া হয় তার নাম জোলগেনসমা |
ব্রিটেনে এই ইঞ্জেকশনটি যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি এবং জাপান থেকে আনানো হয় |
এই ইঞ্জেকশনটি আক্রান্ত রোগীকে মাত্র একবার দেয়া হয় |
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়েছে, জোলগেনসমা সবচেয়ে ব্যয়বহুল ইঞ্জেকশন |
এটির খরচ পড়বে ১.৭ মিলিয়ন পাউন্ড |
অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২০ কোটি টাকা (১৯ কোটি ৪৬ লাখ) |
এই রোগের চিকিৎসা তিন বছর আগে পর্যন্ত সম্ভব ছিল না |
তবে ২০১৭ সালে অনেক গবেষণা এবং পরীক্ষার পরে এই রোগের ক্ষেত্রে সফলতা আসে |
২০১৭ সালে ১৫ শিশুকে এই ওষুধ দেয়া হয়েছিল |
দেখা গিয়েছিল, এই শিশুরা ২০ সপ্তাহের বেশি বেঁচে ছিল |
এবার যে শিশুকে ১৬ কোটি টাকার ইনজেকশন দেয়া হবে তার নাম এডওয়ার্ড |
তার বাবা-মা ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার জন্য তহবিলের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা শুরু করেছেন |
এখন পর্যন্ত সহায়তা হিসেবে ১.১৭ কোটি টাকা পেয়েছেন |
তবে এডওয়ার্ডের বাবা-মা বলছেন, টাকার চেয়ে তাদের কাছে শিশুর জীবন অনেক দামি |
সংবাদটি শেয়ার করুন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.