content
stringlengths
0
129k
এই বিষয়ে আরও পড়ুন
19
, , , , .
"
"
"
প্রতিদিন একবার ভূমিকম্প!
" "
: [1]
: প্রতিদিন একবার ভূমিকম্প! ( 1398 )
.
: 337
প্রতিদিন একবার ভূমিকম্প!
" : 21, 2016, 02:55:26 "
গড়ে প্রতিদিন একবার করে ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয় এলাকাটিতে
কখনো কখনো ভূমিকম্পের সংখ্যা হয় অনেক বেশি
যেমন ২০১৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বরও ১৮ বার পায়ের তলার মাটি কেঁপে উঠেছে স্থানীয় মানুষের
না, জাপান বা আশপাশের প্রশান্ত মহাসাগরীয় কোনো অঞ্চল নয়, জায়গা উত্তর আমেরিকায়
পশ্চিম কানাডার অ্যালবার্টা প্রদেশের ফক্স ক্রিক শহরের বাসিন্দাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূমিকম্প
আর প্রকৃতি নয়, খুব সম্ভবত মানুষের কার্যকলাপের কারণেই ঘটছে এ ঘটনা
ভূমিকম্প উপদ্রুত অঞ্চলটিতে বিতর্কিত ফ্র্যাকিং পদ্ধতিতে তেল তোলা হচ্ছে
এ পদ্ধতিতে ভূগর্ভস্থ শিলাস্তরে অতি উচ্চ চাপে তরল পদার্থ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়
ওই চাপে শিলায় ফাটল সৃষ্টি হয়ে ভেতরে সঞ্চিত থাকা তেল ও গ্যাস বেরিয়ে আসে
দুই প্রতিবেশী কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে এ কৌশল ব্যবহৃত হয়
তবে ইউরোপের কিছুসংখ্যক দেশে এটি নিষিদ্ধ
গত মঙ্গলবার ফক্স ক্রিকের ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৮ মাত্রার এক ভূমিকম্প হয়
ওই এলাকায় স্পেনের জ্বালানি কোম্পানি রেপসল এসএ ফ্র্যাকিং পদ্ধতিতে তেল-গ্যাস তুলছে
ওই ভূমিকম্পের সময় তাদের খনির কাজ চলছিল
অ্যালবার্টা জ্বালানি নিয়ন্ত্রক (এইআর) জানিয়েছে, বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছে
মাত্র হাজার দুয়েক অধিবাসী ফক্স ক্রিকে
কিন্তু এই সামান্য জনসংখ্যার পানির চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন শহরের মেয়র জিম আন
কারণ আশপাশের নদী, ঝরনা আর হ্রদ থেকে বিপুল পরিমাণ পানি টেনে নেওয়া হচ্ছে খনির কাজের জন্য
পাশের প্রদেশ ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার কর্তৃপক্ষ গত বছরের আগস্টে বলেছে, মালয়েশিয়ার তেল-গ্যাস কোম্পানি পেট্রোনাসের একটি কানাডীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ফ্র্যাকিংয়ের কারণে ২০১৪ সালে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার এক ভূমিকম্প হয়েছিল
এটি ছিল ফ্র্যাকিংজনিত সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের একটি
সূত্র: এএফপি
স্বপ্ন দেখতে ভালো লাগে
ভালো লাগে জানতে
জানানোর মধ্যেও আনন্দ পাই
বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে
জানি তা অসম্ভব
খুব সল্প সময়ের জন্য এ পৃথিবীতে আসা
পৃথিবীতে একটু বেশি সময় থাকার জন্যই কিছু লেখার চেষ্টা
কিছু রেখে যাওয়ার চেষ্টা
সময় পেলেই বই পড়ি
প্রোগ্রামিং প্র্যাকটিস করলেও অলস
আর অলস বলেই হয়তো পড়তে ভালোবাসি
বিখ্যাত শিল্পীর আঁকা চিত্রকর্ম মিলিয়ন ডলারে বিক্রির ব্যাপারটা খুবই স্বাভাবিক
কোন কোন চিত্রকর্ম এতোই মূল্যবান যে সেগুলোর আসলে কোন মূল্য নির্ধারন করাও সম্ভব হয় না
সেগুলো অমূল্য
কেবল বিখ্যাত শিল্পীর আঁকা ছবিই নয়, মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হতে পারে ক্যামেরাতে তোলা ছবিও
কদিন আগে আমাদের ব্লগে ছবি প্রতিযোগিতা হয়ে গেল
ধরুন এই ছবির গুলোর কয়েকটা মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়ে গেল
ভাবতে পারেন? হয়তো কালের সাক্ষি হিসাবে এই ছবির গুলো কোন একটা ভবিষ্যতে এতো দামে বিক্রি হতে পারে
অসম্ভব কিছু না ! এই রকম অনেক ছবি বিক্রি হয়েছে মিলিয়ন ডলারে !
একবার ভাবুন তো একটা ছবি কেউ তুলল এবং সেই ছবিটা ৪.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হল ! ৪.৩ মিলিয়ন ডলার
টাকার হিসাবে সেটা কত আসে সেটা হিসাব করার দরকারও নেই
একটা সিঙ্গলে ফটোগ্রাফের দাম এতো ! নিচের এই ছবিটা ঠিক এতো দামেই বিক্রি হয়েছে
ছবিটা দেখে আপনাদের কী মনে হচ্ছে? সবুজ ঘাস
মাঝ দিয়ে পায়ে হাটা রাস্তা চলে গেছে
তার পরে নদী
নদীর ওপাশে আবার সবুজ ঘাস
এই ছবিটার দাম ৪.৩ মিলিয়ন ডলার
ছবিটার নাম ছবিটার ফটোগ্রাফার
ছবিটা ১৯৯৯ সালে তিনি তুলেছিলেন
তার আরও একটা ছবি ২০১৩ সালে লন্ডনে বিক্রি হয় ৩.২৯ মিলিয়ন ডলারে
ছবিটির নাম
ছবিটা তিনি তুলেছিলেন ২০০০ সালে
এরপরের ছবিটা নাম #96
ফটোগ্রাফার
আনটাইটেলড ৯৬ ছবিটা তিনি তুলেছিলেন ১৯৮১ সালে
এবং ছবিটা ২০১১ সালে নিউ ইয়র্কে বিক্রি হয় ৩.৮ মিলিয়ন ডলারে
একই ফটোগ্রাফারের আরেকটা ছবি #93 শিরনামে বিক্রি হয় ২০১৪ সালের মে মাসে নিউইয়র্কে
এটাও বিক্রি হয় ৩.৮ মিলিয়ন ডলারে
ছবিটি ১৯৮১ সালে তোলা
১৯৭৩ সালে তোলা গিলবার্ড এবং জর্জের ছবি সিরিজ লন্ডনে ২০০৮ সালে বিক্রি হয় ৩.৭ মিলিয়ন ডলারে
বর্তমান অর্থমূল্যে সেটার দাম যদিও প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলার
ছবির শিরোনাম ( , , , 1986) ছবির ফটোগ্রাফার জেল ওয়াল
ছবিটা ১৯৯২ সালে তোলা হয়
এটা একটা ফিকশনাল ছবি
ছবিটা ২০১২ সালে নিউ্ইয়র্কে বিক্রি হয় ৩.৬ মিলিয়ন ডলারে
রিচার্ড প্রিন্সের তোলার ছবি () ৩.৭৪ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয় ২০১৪ সালে নিউইয়র্কে
রিচার্ড প্রিন্সের আরও একটা ছবি বিক্রি হয়েছে ৩.৯৭ মিলিয়ন ডলারে
ছবিটির টাইটেল (1981)
ছবিটি বিক্রি হয় ২০১৪ সালে নিউইয়র্কে
ছবিটি এখানে পোস্ট করা সম্ভব হল না কারণ ছবিটি একটা কন্ট্রোভার্শিয়াল ছবি
মা্র্কিন অভিনেত্রী এবং মডেল ব্রুক শিল্ডস এর ১০ বছরে বয়সে তোলা একটা নগ্ন ছবি
লন্ডন পুলিশ ছবিটা জনসম্মুখে প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে
তবে সেটা এই ছবিটির মূল্যকে কমাতে পারে নি
ছবিটি এখানে যুক্ত করলাম না
সবার শেষের ছবিটার দাম সব থেকে বেশি
ছবির শিরোনাম
ছবিটি তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ান ফটোগ্রাফার পিটার লিক ( )
ছবিটি এখনও পর্যন্ত বিক্রিত মূল্যের দিক দিয়ে সর্বোচ্চ
২০১৪ সালে ছবিটি ৬.৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়ে
তবে অন্যান্য ছবির মত এটা কোন অকশনে বিক্রি হয় নি
একজন প্রাইভেট কালেকটর ছবিটি কিনে নেন
কে কিনেছেন সেটাও সামনে আসে নি
তাই কোন নির্ভরযোগ্য সোর্স নেই যে ছবি টি এতো দামে বিক্রি হয়েছে
মানুষের কত টাকা থাকলে এতো এতো দাম দিয়ে ছবি কিনতে পারে !