content
stringlengths
0
129k
রাস্ট্রভাষা বাংলা নিয়ে তেমন কোন আপত্তি না শুনলেও, রাস্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে ধর্মীয় সংখালঘুতো বটেই সংখাগরিষ্ঠ অনেকেরই যুক্তিসঙ্গত আপত্তি রয়েছে
ধর্মের ব্যাপারটি ভিন্ন; আধুনিক রাস্ট্র পরিচালনায় কোন বিশেষ ধর্মের ভূমিকা থাকলে তা ধর্মীয় সংখালঘুদের অধিকার হরনসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরী করতে পারে
আর তাছাড়া একজন দূর্নীতিবাজ মিলিটারী ডিক্টেটর দেশগঠনের মূল সুরের তোয়াক্কা না করে হটাত করে আমার উপর রাষ্ট্রধর্মের বোঝা চাপিয়ে দিলেই আমি তা মানতে যাব কেন? আমার ধারনা আমি পরিস্কার করতে পেরেছি কেন আমি রাষ্ট্রভাষা বাংলা সমর্থন করলেও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সমর্থন করি না
আমি বলেছি 'ইসলাম-সহ আরো অনেক ধর্মেই মানবতা বিরোধী কথাবার্তা আছে
মুক্তমনার বিভিন্ন পোষ্টেই এর প্রমান পাবেন
' এর জবাবে আপনি বলছেন 'এটাও আপনার জন্য যা সুবিধা সেই অনুযায়ী মত'
কি বলতে চাইছেন ঠিক বুঝতে পারছি না
আমি এখনও আমার মন্তব্যের বিপরীতে কোন প্রমান পাই নি
আপনি পারেননা কিন্তু অনেকেই পারে
না আমি পারিনা, পারতে চাইও না
অঙ্গুলী হেলনে চন্দ্র বিভাজন, যষ্টির সর্পে রুপান্তর, শুক্রানু বিনা ডিম্ব নিষিক্তকরনের মত আজগুবি কাহিনী মনেপ্রানে বিশ্বাস করে একইসাথে কিভাবে যুক্তিনির্ভর মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা যায় তা আমার জানা নেই
আপনার জানা থাকলে বলুন শুধু আমি না অনেকেই উপকৃত হবেন
চীনে মাওয়ের যুগে কিংবা সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ায় স্টালিন এর যুগে নাস্তিকরাও মুক্ত চিন্তা সহ্য করতে পারতোনা
নাস্তিকরা সবাই মুক্তচিন্তার ধারক ও বাহক এ আমি কখন বললাম?
অর্ফিউস নভেম্বর 27, 2012 10:47 পূর্বাহ্ন -
@মনজুর মুরশেদ,
না আমি পারিনা, পারতে চাইও না
অঙ্গুলী হেলনে চন্দ্র বিভাজন, যষ্টির সর্পে রুপান্তর, শুক্রানু বিনা ডিম্ব নিষিক্তকরনের মত আজগুবি কাহিনী মনেপ্রানে বিশ্বাস করে একইসাথে কিভাবে যুক্তিনির্ভর মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা যায় তা আমার জানা নেই
আপনার জানা থাকলে বলুন শুধু আমি না অনেকেই উপকৃত হবেন
সংবাদিকা নভেম্বর 27, 2012 3:05 অপরাহ্ন -
@অর্ফিউস, হলিউড দিয়ে যেমন আমেরিকার সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়না তেমনি কয়েকজনের ব্যাখ্যাকে পাইকারি গ্রহনযোগ্যতা দেওয়াও ঠিক না
আর এটাও আমি খুব ভালো করেই জানি ২০০ বছর আগের সমসাময়িক বিজ্ঞানের অনেক গ্রহণযোগ্য তথ্য পরে বাতিল হয় কিংবা নতুন সংযোজন হয়, ১০০০ বছর অনেক দূরে
তেমনি আগামী ৫০০ বছর পর নতুন কি বাতিল, সংযোজন কিংবা পরিবর্ধন হবে আমরা কেউ জানিনা
সংবাদিকা নভেম্বর 27, 2012 2:56 অপরাহ্ন -
@মনজুর মুরশেদ, ধর্মের ব্যাপারে আপনার সমস্যা এটা আপনার নিজেস্ব ব্যাপার এবং আপনার চিন্তাকে আমি সম্মান করি
নাস্তিকরা সবাই মুক্তচিন্তার ধারক ও বাহক এ আমি কখন বললাম?
আমি বলিনি এটা আপনি বলেছেন
এটা আমি লিখেছি, কারণ, স্বাধীন চিন্তা করতে ধর্ম বিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাস বাধা নয়
এটা যার যার নিজেস্ব ব্যাপার
পৃথিবীতে ধর্ম নিয়ে যেমন রাজনৈতিক ডকট্রিনিজম আছে তেমন নাস্তিকতা নিয়েও আছে
মনজুর মুরশেদ নভেম্বর 28, 2012 4:25 পূর্বাহ্ন -
@সংবাদিকা,
দেখা যাচ্ছে এই আলোচনায় আমরা একমত পারলাম না
হয়তো ভবিষ্যতে অন্য কিছুতে আমরা একমত হব
সংশপ্তক নভেম্বর 28, 2012 5:35 পূর্বাহ্ন -
@সংবাদিকা,
পৃথিবীতে ধর্ম নিয়ে যেমন রাজনৈতিক ডকট্রিনিজম আছে তেমন নাস্তিকতা নিয়েও আছে
ডক্ট্রিন এবং ডগমা - এ দুটোর মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে ? যদি থাকে , কি সেটা ? এ বিষয়ে আপনার নিজস্ব মতামত জানতে চাইছি
কোনটা ডক্ট্রিন এবং কোনটা ডগমা - এটা বোঝার উপায় কি? একটা উদাহরণ দিলে ভাল হয়
সংবাদিকা নভেম্বর 28, 2012 9:23 পূর্বাহ্ন -
ডক্ট্রিন এবং ডগমা - এ দুটোর মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে ? যদি থাকে , কি সেটা ? এ বিষয়ে আপনার নিজস্ব মতামত জানতে চাইছি
কোনটা ডক্ট্রিন এবং কোনটা ডগমা - এটা বোঝার উপায় কি? একটা উদাহরণ দিলে ভাল হয়
যতটুকু জানি এসব শব্দ ক্যাথলিক থিওলজিতে মূলত বেশি ব্যবহৃত হত
এটার সাথে যদি এনালজি করি তাহলে-
->একটি রাষ্ট্রের ভৌগলিক অখন্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার ব্যাপারটি তার জন্য ডগমা
->ভৌগলিক অখন্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে, নিজ নাগরিকের স্বার্থে এবং ইচ্ছায় অপর রাষ্ট্রের সাথে পারস্পরিক সমঝোতায় আন্তর্জাতিক কৌশলগত বন্ধুত্ব স্থাপন কিংবা পরিকল্পিত ভাবে কোন রকম রাজনৈতিক সম্পর্ক না রাখা হল সেই রাষ্ট্রের ডকট্রিন
সমসাময়িককালে, ডগমা শব্দটি মনে হয় প্রোপাগান্ডা কিংবা বুজোয়া শব্দগুলোর মত নেগেটিভ কিংবা সিনিকাল অর্থে ব্যবহৃত হয় যেমন, এখন বাংলায় মাস্তান কিংবা সুশীল শব্দ এভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে
সংশপ্তক নভেম্বর 29, 2012 12:58 পূর্বাহ্ন -
@সংবাদিকা,
যতটুকু জানি এসব শব্দ ক্যাথলিক থিওলজিতে মূলত বেশি ব্যবহৃত হত
সমসাময়িককালে, ডগমা শব্দটি মনে হয় প্রোপাগান্ডা কিংবা বুজোয়া শব্দগুলোর মত নেগেটিভ কিংবা সিনিকাল অর্থে ব্যবহৃত হয় যেমন, এখন বাংলায় মাস্তান কিংবা সুশীল শব্দ এভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে
হুম ! আর কোথাও ব্যবহৃত হয় না ? হয়তো ক্যাথলিকবাদ কিংবা যে কোন থিওলজীর চাইতেও বেশী ! দিন রাত , চব্বিশ ঘন্টা !
মনজুর মুরশেদ নভেম্বর 28, 2012 10:04 পূর্বাহ্ন -
প্রশ্নটা আমাকে করেন নি; তবুও এসম্পর্কে আমার ধারনা তুলে ধরতে চাই
ভুল হলে আপনাদের কাছ থেকে সঠিকটা জেনে নেব
ডক্ট্রিন ও ডগমা ধর্মীয় আলোচনায় বহুল ব্যবহৃত দুটি শব্দ
একটি ধর্মের সার্বিক শিক্ষা কতগুলো ডক্ট্রিনের সমন্বয়ে গঠিত হয়
এই ডক্ট্রিনগুলোর মধ্যে কোনটি যখন কোন প্রমান ছাড়াই বিশ্বাস করা হয় তখন তাকে ডগমা বলে
ধর্মীয় দৃষ্টিতে ডগমা অপরিবর্তনীয় এবং এসম্পর্কে কোন সন্দেহ প্রকাশ করা যাবে না
নীচের আচরনগুলোর সবগুলিই ইসলামের ডক্ট্রিন হতে পারে, তবে ডগমা কেবল এক নম্বরটি (উদাহরনগুলো খুব যুতসই হল না, কিন্তু অন্য কিছু এখন মাথায় আসছে না)
১) আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় বিশ্বাস করা
২) গরীবকে ভালবাসা
৩) অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করা
সুতরাং বলা যায়, সব ডগমাই ডক্ট্রিন বটে, সব ডক্ট্রিন ডগমা নহে
সংক্ষেপে এই হল আমার ডক্ট্রিন আর ডগমার ধারনা
সংশপ্তক নভেম্বর 29, 2012 1:03 পূর্বাহ্ন -
@মনজুর মুরশেদ,
মুগাম্বু খুশ হুয়া ! 'আসল জায়গা' ছেড়ে আপনি ভুল জায়গায় চাকুরী করছেন ! এটা আপনি জানেন ?
নাকি এখনও সময় আছে বদলাবার ? 🙂
মনজুর মুরশেদ নভেম্বর 29, 2012 4:55 পূর্বাহ্ন -
হুমম! বাজারের যা অবস্থা, কিছুই বলা যায় না!! 🙂
মনজুর মুরশেদ নভেম্বর 29, 2012 7:02 পূর্বাহ্ন -
রানা এজেন্সীতে পদ খালি থাকলে খবর দিয়েন 🙂
আকাশ মালিক নভেম্বর 27, 2012 4:29 পূর্বাহ্ন -
@সংবাদিকা,
মানব সমাজ জন্ম থেকে কতগুলো সামাজিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্মায়:
নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য
সামাজিক সংস্কৃতি
রাজনৈতিক জাতীয়তা
মানুষ সামাজিক ভাবে বেঁচে থাকার জন্য আশ্রয় খোঁজে
মানুষের বেঁচে থাকা শুধু খাদ্য অন্বেষণে সীমাবদ্ধ নয়
উপরোক্ত পাঁচটি বৈশিষ্ট্য ত্যাগ করা মানুষের জন্য খুব সহজ নয়
কেননা এর প্রাপ্তি তার বুদ্ধি হবার আগ থেকেই হয়, তার মননে গেঁথে যায়
আল্লাহর দোহাই, আগা মাথা কিছুই বুঝি নাই
বুদ্ধি হবার আগ থেকে মানুষ ধর্ম নিয়া জন্ম নেয় কী ভাবে আমার মাথায় ধরেনা
আমি ভাবছিলাম মানুষ নাস্তিক হয়ে জন্মায়
যাক, নিচের বাক্যটার ব্যাখ্যার জোর দাবী জানালাম-
বেশিরভাগের রাষ্ট্র ধর্মে চুলকানি থাকলেও রাষ্ট্র ভাষা তে নেই
সংবাদিকা নভেম্বর 27, 2012 3:12 অপরাহ্ন -
@আকাশ মালিক, আল্লাহর দোহাই, আগা মাথা কিছুই বুঝি নাই
বুদ্ধি হবার আগ থেকে মানুষ ধর্ম নিয়া জন্ম নেয় কী ভাবে আমার মাথায় ধরেনা
আমি ভাবছিলাম মানুষ নাস্তিক হয়ে জন্মায়
যাক, নিচের বাক্যটার ব্যাখ্যার জোর দাবী জানালাম-
কেউ জন্মগ্রহণ করার পর তাকে তার বাবা-মা - আত্মীসজন এসব বিষয়েই শিক্ষা দেন
তার বেড়ে উঠাই হয় এই পাঁচটি বিষয় সঙ্গে নিয়ে
এখানে আর বিস্তারিত ব্যখা করছিনা, আশা করি আপনি বুঝেছেন
বেশিরভাগের রাষ্ট্র ধর্মে চুলকানি থাকলেও রাষ্ট্র ভাষা তে নেই
মনজুর মুরশেদ এর সাথে কথোপকথনে (শব্দচয়ন করলাম) এ এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাবেন
অর্ফিউস নভেম্বর 27, 2012 10:40 পূর্বাহ্ন -
@সংবাদিকা,