content
stringlengths
0
129k
@ অর্ফিউস,
আপনার জন্য "মোহাম্মদ ও ইসলাম পর্ব ২০" এ একটি মন্তব্য রেখেছি
ওখানে আসুন আপনার সংগে ধর্ম সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু আলোচনা করা যেতে পারে
কারণ এই ছাইটটা ধর্মীয় আলোচনার ছাইটতো নয়
পুরানো প্যাচাল আর নতুন করে শুরু না করাই ভাল
তবে আপনার অবগতির জন্য একটি কথা জানিয়ে রাখি, আর তা হল,আপনার এই মন্তব্য আমার আজকের আগে চোখে পড়েনি
কাজেই আজকেই উত্তর দিচ্ছি; যদিও উত্তর দেয়াটা খুব জরুরী মনে করছি না
হ্যাঁ আপনার মন্তব্য পড়েছি আমি
কিন্তু সবিনয়ে বলতে চাই যে, মুক্ত মনায় তিন জন মানুষের সাথে আমি ধর্ম নিয়ে কথাবার্তার আগ্রহ পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছি, আর তাদের ভিতর একজন হচ্ছেন আপনি
বাকি দুজন কে, আশা করি আপনার আর বুঝতে বাকি নেই
ধন্যবাদ ভাল থাকুন আপনিও
সফিক নভেম্বর 25, 2012 1:14 অপরাহ্ন -
এই মাত্র ইন্টারনেটে দেখলাম ঢাকার আশুলিয়া গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীতে আগুনে দেড়শ থেকে দুশো গার্মেন্ট কর্মী পুড়ে অংগার হয়েছে
যেসব সহজ সরল মানুষগুলির অক্লান্ত শ্রমে এই অরাজক দেশটা এখনো টিকে থাকতে পারছে তাদের আসলেই আমরা অর্থনীতির চুল্লীতে জ্বালানীর মতো পোড়াচ্ছি
এই রকম সংবাদের পর ধর্মকর্ম নিয়ে চিল্লাচিল্লী আপাতত ভাল্লাগছে না
আশাকরি মুক্তমনা এডমিন ব্যানারে পরিবর্তন আনবেন আর কেউ একজন একটা শোকবই পোস্ট দেবেন
মনজুর মুরশেদ নভেম্বর 25, 2012 8:53 অপরাহ্ন -
ধর্মকর্ম নিয়ে চিল্লাচিল্লী আপাতত ভাল্লাগছে না
মর্মান্তিক! কিছুদিন পরপরই সীমাহীন লোভের বলি হয় খেটে খাওয়া এই মানুষগুলো
নড়বড়ে বিল্ডিং, দমবন্ধ করা পরিবেশ, অপ্রতুল অগ্নিনির্বাপনের ব্যবস্থা সব মেনে নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করেন তারা, আনেন মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অথচ সরকার নির্ধারিত ন্যুনতম মজুরী দিতে কত টালবাহানা মালিকপক্ষের!
আদিল মাহমুদ নভেম্বর 25, 2012 9:26 অপরাহ্ন -
আসলেই তাই, সকালে দেখেছিলাম ৯ জন নিহত
খুবই অন্যায় হলেও অস্বীকার করছি না যে খবরটা মনে তেমন রেখাপাত করেনি, আমাদের দেশে ৯ জনের মৃত্যু তেমন কোন ব্যাপার নয় বলেই
রাতে এক বন্ধু যখন খবর দিল ১১৩ জন তখন নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি
এও সম্ভব? বার বার কেন এমন হয়? কাউকে না কাউকে তো দায় নিতে হবে? আজ পর্যন্ত দায়ী কয়জনের কি পরিমান শাস্তি হয়েছে?
মনজুর মুরশেদ নভেম্বর 25, 2012 8:39 পূর্বাহ্ন -
আমার মতে সমস্যা তখনই হয় যখন একপেশে ধর্ম ব্যাশিং করতে করতে আলোচনাকারী স্বাভাবিক যুক্তি আর মানবতাবোধটুকুও বিসর্জন দিয়ে বসেন
উপরে ফরিদ আহমেদের পাঠানো কোটেশনগুলো তারই প্রমান
যাযাবর নভেম্বর 25, 2012 8:15 পূর্বাহ্ন -
ইসলাম এবং মহম্মদের ভালদিকগুলি আলোচনা না করে শুধু খারাপ দিক গুলি নিয়ে লিখতে থাকলে তা ব্যাশিং ই হবে
রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ, শ্রীরামকৃষ্ণ, গান্ধী প্রমুখের সমালোচনাপূর্ণ লেখায় ভাল দিক কি লেখা হয়? ভাল দিক তো বহুল প্রচারিত, সবারই জানা, তা নিয়ে প্রচুর লেখা হয়, পাঠ্য বইতেও
সেটা তো কমন উইজডমের মধ্যে পড়ে
পাঠ্য বইতে যা আছে সেটা রিপিট করা কি ক্রিটিক্যাল থিংকিংএর কাজ?
খারাপ দিকটাই বরং অনেকে জানে না, তাই ক্রিটিক্যাল থিংকিং এর জন্যই খারাপ দিকটা তুলে ধরা দরকার
কাউকে আদর্শ মানব/ মহা মানব বলে দাবী করলে ক্রিটিক্যাল থিংকিং এর কাজ হবে এই দাবীর যথার্থতা প্রমাণ করা
উপরোক্ত মহামানবের বেলায় যেমন, মুহম্মদের বেলায় ও সেই একই কথা প্রযোজ্য
বিপ্লব পাল নভেম্বর 25, 2012 7:32 পূর্বাহ্ন -
ধর্ম ব্যাশিং বিজ্ঞান মনস্ক চিন্তার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ
অজ্ঞ মননশীলতার পরিচয় মাত্র
ধর্ম সমাজ বিবর্তনের সন্তান
কোন কিছুই এই সামাজিক বিবর্তনের বাইরে নয়
হজরত মহম্মদের আয়েশাকে বিয়ে করার জন্যে তাকে পিডোফিলিক ইত্যাদি বলে গালাগাল দিলে বিশ্বের কি উদ্ধার হয় আমি জানি না
বরং হজরত মহম্মদ রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের সাথে সাথে সমসাময়িক রাষ্ট্রনেতাদের মতন বেশী সংখ্যায় স্ত্রঈ নিতে থাকেন
যা হুনরাজ থেকে রাবনরাজ সবাই করতেন সেকালে
সুতরাং হজরত মহম্মদের জীবনে একজন সুদক্ষ রাষ্ট্রনেতার ছাপ পাওয়া যায় যা গৌতম বুদ্ধ বা কনফুসিয়াসের মতন আধ্যাত্মিক দার্শনিকদের জীবনের সাথে বেমানান যারা ত্যাগ এবং জ্ঞানের মাধ্যমে ইতিহাসে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন
ক্রিটিক্যাল থিংকিং খুব গুরুত্বপূর্ন
ইসলাম এবং মহম্মদের ভালদিকগুলি আলোচনা না করে শুধু খারাপ দিক গুলি নিয়ে লিখতে থাকলে তা ব্যাশিং ই হবে
সেটা মোটেও উন্নত চিন্তার উদাহরণ না
তা সদালাপের অন্য পিঠ হবে
প্রতিটা জিনিসেরই ভাল খারাপ আছে এবং তার একটা বাস্তব ও যুক্তিবাদি আলোচনা হওয়া দরকার
আদিল মাহমুদ নভেম্বর 25, 2012 9:34 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং এবং ব্যাশিং এর উদাহরন মনে হয় এই আয়েশা এপিসোড থেকে দেওয়া যায়
ব্যাশিং - নবী মোহাম্মদ ইতিহাসের সর্বনিকৃষ্ট শিশু নির্যাতনকারী
তাকে যারা নবী মানে তাদের আচরনই তেমনই হবে......
ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং - শেষ নবী যার জীবন বিধান আমাদের পাথেয় এমন একজন নবী বলতে যে ইমেজ আমাদের দেওয়া হয় এই ঘটনা আমাদের নবী মোহাম্মদ সম্পর্কে তেমন ধারনা দেয় না, তিনি কিছু দিকে সেকালের অন্যান্য লোকের মতই কালের কাছে সীমাবদ্ধ ছিলেন এমন ধারনাই দেয়
কাজি মামুন নভেম্বর 28, 2012 11:52 অপরাহ্ন -
@বিপ্লবদা,
প্রতিটা জিনিসেরই ভাল খারাপ আছে এবং তার একটা বাস্তব ও যুক্তিবাদি আলোচনা হওয়া দরকার
ফরিদ আহমেদ নভেম্বর 25, 2012 7:06 পূর্বাহ্ন -
সফিক সাহেবের মন্তব্যটা যদি বুঝে উঠতে পারেন, তবে আশা করছি যে, আপনি এত বিশাল লেখায় যা বলতে চেয়েছেন তার উত্তর পেয়ে গিয়েছেন
অবশ্য আমার সন্দেহ আছে যে, আপনি আসলে এই উত্তরকে মেনে বা মনে নেবেন কিনা
আমি এখানে সামান্য কয়েকটা মন্তব্য কোট করবো
আশা করবো যে, এগুলো পড়ে আপনি আমাকে সততার সাথে বলবেন, এগুলো ইসলাম ব্যাশিং না মুসলমান ব্যাশিং?
তবে তার আগে আরো সততার সাথে একটা প্রশ্নের উত্তর আশা করবো (উত্তর না দিলেও ক্ষতি নেই, আপনি বাধ্য নন এর উত্তর দিতে
তবে দিলে সত্যিটা দিয়েন)
আপনি কী একজন নাস্তিক নাকি হিন্দু ধর্মালম্বী? আপনাকে আর ভবঘুরেকে অনেক সময় হিন্দু ধর্মকে ডিফেন্ড করতে দেখেছি
শুধুমাত্র সে কারণেই এই জিজ্ঞাস্য
আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি যে, এক ধর্মের বিশ্বাসের বীজ বুকে লালন করে অন্য ধর্মকে সমালোচনা করার অধিকার কারো নেই
মুক্তমনাতেতো আরো নেই
বিরাট ভণ্ডামি এটা
এবার আসুন দেখা যাক মুক্তমনায় প্রকাশিত অল্পবিস্তর কিছু নমুনা
আপনি যেহেতু মুক্তমনায় ইসলাম ব্যশিং, মুসলিম ব্যাশিং এর নিষ্পত্তি চেয়েছেন, এগুলো সম্পর্কে আপনার মতামত আশা করবোই আমি
এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ
এখন যেহেতু উক্ত ১১২ জন মানুষ যারা লঞ্চ ডুবি হওয়াতে পানিতে ডুবে মারা গেছে তাদের জন্য শোক প্রকাশ না করে বরং উল্লাস প্রকাশ করা উচিত কারন তারা এতক্ষনে বেহেস্তে গিয়ে হুরদের সাথে ফুর্তিতে ব্যস্ত
দু:খ প্রকাশ করা উচিত বরং একারনে যে আমরাও কেন ঠিক ওভাবে পানিতে ডুবে মৃত্যু বরন করতে পারলাম না ও শহিদ হয়ে বেহেস্তে যেতে পারলাম না
অনেকে বলতে পারে , কিছু মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়ে আমি মস্করা করছি
কিন্তু সত্যি সত্যি আমি ধর্মীয় দৃষ্টি কোন থেকে কোনই মস্করা করছি না
বরং আমি ঈর্ষা করছি ঐ ১১২ জনকে যারা অত সহজে বেহেস্তে চলে গেল
মোহাম্মদ যে কোন নবী ছিল না , ছিল একটা আস্ত ভন্ড ও মানসিক রোগী তা প্রমান করতে কোরান হাদিস থেকে শত শত উদাহরন টেনে বের করার দরকার নেই
শুধুমাত্র শিশু আয়শাকে বিয়ে করার ঘটনার মাধ্যমেই তা প্রমান করার জন্য যথেষ্ট
একটু চিন্তা করে দেখুন, একটা লোক যার বয়েস ৫১ সে এক ৬ বছর বয়স্কা কন্যা সন্তানের পিতার কাছে যেয়ে বলছে- আল্লাহ তাকে বলেছে তার সেই শিশু কন্যাকে বিয়ে করতে
এটা কি কোন সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষ বলতে পারে ? একমাত্র উন্মাদ ও মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষই এ কাজ করতে পারে
ঠিক একারনেই অধিকাংশ মুসলমানই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন আর যে কারনে তারা তাদের ধর্ম নিয়ে নিরপেক্ষ আলোচনাকে সব সময়ই এড়িয়ে যায়
অবশ্য যদি পরিবেশ অনুকুল থাকে তাহলে কিন্তু বীর দর্পে আলোচনা চালিয়ে যাবে আর আপনাকে যুক্তিহীনভাবে তুলো ধুনো করে ছাড়ার তালে থাকবে
মুসলমানরা কোন যুক্তি বোঝে না, তর্ক বোঝে না, তারা সুস্থ আলোচনা করতে পারে না
তাদের একটাই পরিচয় তারা মুসলমান ও বলাবাহুল্য চোখ কান থাকতেও অন্ধ ও বধির এক জাতীয় প্রানী
এমন ধরনের একটা যৌন বিকৃত, অপ্রকৃতিস্ত, বিকৃতমনা, অস্বাভাবিক চরিত্রের মানুষ মোহাম্মদ ছিলেন বলেই তার অনুসারীরাও ঠিক তার মত- বিকৃত মস্তিষ্ক, অস্বাভাবিক, অসুস্থ ও উন্মাদ
এখন সময় এসেছে- হয় তাদেরকে সুস্থ হতে হবে , নইলে এ দুনিয়া থেকে তাদেরকে সবংশে চলে যেতে হবে
মাঝা মাঝি কোন পথ তাদের জন্য খোলা নেই
এ বিষয়টা যত তাড়াতাড়ি মোহাম্মদের অনুসারীরা বুঝতে পারবে ততই মঙ্গল্
নইলে পৃথিবী সত্যিকার অর্থে একটা ভয়াবহ ও বিশাল ধ্বংস যজ্ঞ প্রত্যক্ষ করবে অদুর ভবিষ্যতে
তবে আমার বুঝে আসেনা যদি ঈহুদীরা শত শত ,হাজার হাজার মুসলমানদের এই যুদ্ধে মেরে ফেলে তাহলে এত দুখের কি আছে? মুসলমানেরা তো কিছুই হারাইলনা
বরং এই শত্রুরাই আরো এই পৃথিবী হতে আরো অনেক বেশী উন্নত এবং চিরস্থায়ী সুখের বাসস্থান বেহেশতের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে
মুসলমান দের প্রতি এই অবদানের জন্য বরং ঈহুদীদের আরো বেশী ধন্যবাদ দেওয়ার দরকার
আর তা ছাড়াও তাদের কে এই পৃথিবী হতে চিরতরে নিশচিহ্ন করার জন্য তো আমরা ১৪০০ বছর আগে, আমাদের জন্ম লগ্ন থেকেই যুদ্ধ ঘোষনা করে দিয়েছি এবং তা সঠিক ভাবে চালিয়ে ও যাচ্ছি
এর জন্য তো আমরা নিজেরাই বেহেশত পাওয়ার জন্য প্রতিদিন আমাদের সম্ভাবনাময়ী তরুনদের বুকে বোম্ব বেধে দিয়ে তাদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য পাঠিয়ে দিচ্ছি
যেটা পাওয়ার জন্য আমরা নিজেরাই অতিশয় উদগ্রীব সেটা যদি এই ঈহুদীরা নিজ থেকে যেঁচে এসে দিয়ে যায়, তাতে অসুবিধাটা কোথায়?
তারা তো আমাদের আকাংখিত বস্তুটাই দিচ্ছে
তাতে আবার অসুবিধা কি করে হতে পারে?