content
stringlengths
0
129k
বর্তমান বিশ্বে ইসলাম যখন সুনির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে সমালোচনার কলমে আসে তখন অন্য ধর্মগুলির সমালোচনা অনেকটা অনাবশ্যকই লাগে কারন সেসব ধর্মের বিষদাঁত অনেকটাই ভোতা
এ ধরনের তত্ত্বে ভিত্তিতে কথাও অনেকের কাছে ব্যাশিং হতে পারে
ভবঘুরে ইসলাম নিয়ে আতংকে ভোগেন উনি নিজেই একাধিকবার স্বীকার করেছেন, গোপন করেননি
তার কিছু কথাবার্তা (অপরে ফরিদ ভাই এর কোট করা) যথেষ্ট বিরক্তিকর, জাতি বিদ্বেষী সুরও বোঝা যায়
সেটা ওনার আতংকে ভোগার সাথে সামঞ্জস্যপূর্নই মনে হয়
এক ধরনের আতংকে অবশ্য আমিও ভুগি, যদিও মাত্রা মনে হয় অতটা নয়
উনি কিন্তু নাস্তিক এমন দাবী মনে হয় কখনো করেননি, উনি কোন ধর্মের এমন কথা আমি সরাসরি না শুনলেও দুয়েক যায়গায় উনি আস্তিক হিসেবেই নিজেকে দাবী করেছেন অতীতে
তবে তাকে অন্য কাউকে আমি কোন বিশেষ ধর্মের প্রচারনা চালাতে এখনো দেখিনি
আমি অবশ্য মাঝখানে অনেকদিন অনিয়মিত ছিলাম
সংশপ্তক নভেম্বর 25, 2012 9:40 অপরাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ,
ধর্মের সমালোচনা করার বেশ কয়েকটি মডেল আছে
প্রথমটি যুক্তি ও বিজ্ঞান নির্ভর যেটার চর্চা প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্স প্রমূখেরা করে থাকেন
২য় টি সংস্কারবাদী মডেল যেখানে ধর্মের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে যুগোপযোগী করার আহ্বান জানানো হয় যা আপনার মত অনেকে করছেন
৩য় মডেলটি হচ্ছে জেনেফোবিক ও পেশাদারী যেখানে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিয়ে ধর্মের সমালোচনার নাম করে জীবিকা নির্বাহ করা হয় , উদাহরণ হিসেবে হিরসি আলী , আলি সিনা প্রমুখদের নাম উল্লেখ করা যায়
এদের অনেকেই এসব করতে গিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন এবং স্বভাবতই আইনগত সমস্যায় পড়ে শেষ পর্যন্ত 'শক্তিশালী লবী' ব্যবহার করে আইনগত সমস্যা থেকে বেড়িয়ে এসেছেন
মুক্তমনার নীতিমালা বলছে যে, এখানে যুক্তি এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনাকে উৎসাহিত করা হয়
খেয়াল করলে দেখবেন যে, কয়েক পাতা ডকিন্সের অনুবাদ পড়ে অনেক পাতি নাস্তিক ডকিন্স ডকিন্স বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন কিন্তু সেই প্রফেসর ডকিন্সও ওরকম সস্তা বিদ্বেষী ভাষায় ধর্মের সমালোচনা করেন না
বর্তমান বিশ্বে নাস্তিকতার পতাকাবাহী হিসেবে যাকে প্রথম কাতারে ধরা হয় , সেই ডকিন্সকে তো কেউ হুমকি ধামকি দেয় না ! অথচ প্রফেসর ডকিন্সের জুতা যেখানে যাবে , আলি সিনা কিংবা হিরসি আলির মত বিদ্বেষ ব্যবসায়ীদের মাথা সেখানে যাবে না
সম্মান নিজ গুনে অর্জন করতে হয় , জোর করে আদায় সম্ভব নয় এবং সেটা প্রকৃত জ্ঞানীদের প্রাপ্য
আদিল মাহমুদ নভেম্বর 26, 2012 12:40 পূর্বাহ্ন -
ভাল বলেছেন, ধর্ম সমালোচনা বা ব্যাশিং আসলে নানান ক্যাটাগরিতে আছে
এটা বোঝা দরকার আছে
এ ধরনেরই কথা আমি বলতে যাচ্ছিলাম
নবী রসূল তত্ত্বে বিশ্বাসী না হলে ধর্ম সমালোচনার জন্য ডকিন্স ডকিন্স ডাক পাড়ার কোন দরকার দেখি না
তাহলে আর ধর্মওয়ালাদের সাথে তফাত থাকে কই? তাদের মত যদি কথায় কথায় আলেম স্কলারের পেছনে দৌড়াতে হয় তাহলে আর যুক্তিবাদ থাকে না
ডকিন্স ইসলামের রুট লেভেলে সমালোচনা করেন বলেও আমি শুনিনি
যাইই বলেন, ডকিন্স সাহেবের বিজ্ঞান ব্যাবহার করে নাস্তিকতার প্রচার একটু আপত্তিজনকই ঠেকে
ধর্ম বিরোধী বলেন ভাল কথা, নাস্তিকতা প্রচারের দরকার খুব আছে কি? তাহলে আর বিজ্ঞান ব্যাবহার করে ধর্মের প্রচারনারই বা আপত্তি করি কেন? বিজ্ঞান ব্যাবহার করে ধর্মের নানান অসার দিক অবশ্যই কাউন্টার করা যেতে পারে, তবে নাস্তিকতা প্রচার মনে হয় একটু বেশীই হয়ে যায়
আর তৃতীয় দলের বিদ্বেষীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার দরকার আছে
এদের নিয়েও মুক্তমনায় লেখালেখি দরকার
আলী সীনা, হিসরিদের নাম শুনেছি, বিস্তারিত জানি না
এদের ফোকাস করা হলে অন্যান্য বিদ্বেষীরাও সতর্ক হবে
আল্লাচালাইনা নভেম্বর 25, 2012 12:25 পূর্বাহ্ন -
ইসলাম ইসলাম
পায়ে ফেলে পিষলাম
এইটা কি সহী ইসলাম ব্যাশিং হইছে? ইসলাম ব্যাশার ব্যাশারদের ফিডব্যাকের অপেক্ষায় রইলাম
তবে কাব্যের রচনাশৈলীর জের ধরে কিন্তু ব্যাশ করা যাবে না, তাহলে আমিও কিন্তু কাব্যিক জেরই টেনে আনবো- আফটারঅল ইসলাম ব্যাশার ব্যাশারদেরও রয়েছে এইরকম গরুবান্ধা কাব্য রচনার ট্রাকরেকর্ড, কেয়ারফুল 😀 😀 😀
জোকস এসাইড
মাঝেমধ্যে ঝগড়াঝাটি লাগাটাকে আমি খারাপ কিছু মনে করি না, বরং ফোরামের স্ব্যাস্থের জন্য ভালোই মনে করি
সবাই নির্জীব হয়ে সুখে স্বাচ্ছন্দে বসবাস করা শুরু করলে সমস্যা হচ্ছে ব্লগের পাতা সরে না, কিছুদিন আগে এইরকম হয়েছিলো, টানা প্রায় পনেরদিন মুক্তমনায় একই লেখা শিরোনামে দেখেছি
তবে পরিমিতিবোধ বলাই বাহুল্য কাম্য সর্বদাই
যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে পরিমিতিবোধ প্রিচ করার জন্য খুব একটা এপ্রোপ্রিয়েট পার্সন নই, তথাপিও বলছি আরকি - কেননা আমি হই আর যেই-ই হোই না কেনো, কোথায় থামতে হবে সেইটা যদি আমরা না জানি তাহলে একটি ওপেন ফোরামে আমরা নিজেরাই পিচ্ছিল করছি নিজেদের পাছা
অনাগত ভবিষ্যতে, কোন না কোন এক মহতী ক্ষণে এই পিচ্ছিলকার্যের যথার্থ ইউটিলাইজেশন পুর্বক আমাদেরকে অন্তর্গ্রহন করতে হবে কোন না কোন একটি প্রজেক্টাইল
সেই মুহুর্তটি কি আমরা পছন্দ করতে যাচ্ছি? উত্তর অবশ্যই না
আবার, জনমানসে বিরক্তির উতপাদন করলে সেই মহুর্তটির মধ্য দিয়ে যেতেও আমাদেরকে হবে ঠিকই যদি কিনা এটি হয়ে থাকে একটি ওপেন ফোরাম
তাহলে? এই মহাপ্রপঞ্চের মুখোমুখী হয়ে কি হতে যাচ্ছে আমাদের রেসোলিউশন? ওয়েল, আমি মনে করি রেসলিউশন হওয়া উচিত যে- আমরা এক পোস্টের ঝগড়াঝাটি আরেক পোস্টে বয়ে নিয়ে যাবো না, এক পোস্টের ঝগড়াঝাটি সেই পোস্টেই কবর দিয়ে ফেলবো এবং সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণভাবে গ্যাং আপ করবো না
গ্যাং আপ করে দুষ্কৃতিকারীরা, যেটা কিনা পরিষ্কারভাবেই আমরা নই
যার যার ঝগড়া তাকে তাকে করতে দিয়ে বাদবাকীদের অন্যদিকে মন দেওয়াটাই উচিত
কেননা কানের তলায় বন চটকানা খাওয়ার মতো কাজ করে কেউ একবার দুইবার হয়তো পার পেতে যাচ্ছে, তবে চার পাঁচবার হয়ে গেলে মুক্তমনার সম্মিলিত জনমতই তার প্রাপ্য বন চটকানা তাকে পরিশোধের ব্যাবস্থা নিবে, এইটুকু আস্থা মুক্তমনার উপর রয়েছে
ফলশ্রুতিতে আবারও এসে ঠেকছি আমরা সেই পরিমিতিবোধের প্রশ্নেই
ওম শান্তি, হযরং বরলং গচ্ছামি, আম্মা বা'দ-আব্বা থাক 🙂 জগতের সকল জীব সুখী হোক
আকাশ মালিক নভেম্বর 25, 2012 1:54 পূর্বাহ্ন -
@আল্লাচালাইনা,
জোকস এসাইড
মাঝেমধ্যে ঝগড়াঝাটি লাগাটাকে আমি খারাপ কিছু মনে করি না, বরং ফোরামের স্ব্যাস্থের জন্য ভালোই মনে করি
সবাই নির্জীব হয়ে সুখে স্বাচ্ছন্দে বসবাস করা শুরু করলে সমস্যা হচ্ছে ব্লগের পাতা সরে না, কিছুদিন আগে এইরকম হয়েছিলো, টানা প্রায় পনেরদিন মুক্তমনায় একই লেখা শিরোনামে দেখেছি
তবে পরিমিতিবোধ বলাই বাহুল্য কাম্য সর্বদাই
যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে পরিমিতিবোধ প্রিচ করার জন্য খুব একটা এপ্রোপ্রিয়েট পার্সন নই, তথাপিও বলছি আরকি - কেননা আমি হই আর যেই-ই হোই না কেনো, কোথায় থামতে হবে সেইটা যদি আমরা না জানি তাহলে একটি ওপেন ফোরামে আমরা নিজেরাই পিচ্ছিল করছি নিজেদের পাছা
আপনি মন্তব্য যখন করেন তখন এতো সুন্দর সহজ সরল ভাষা ব্যবহার করেন যে, আমার মতো কলুর বলদও সবটুকু (প্রায়) বুঝতে পারি
কিন্তু প্রবন্ধ যখন লিখেন এমন সাবজেক্ট চয়েস আর ভাষা ব্যবহার করেন যে আমার জন্যে সামনে দুইখানা ডিকশনারী নিয়ে বসতে হয়
মাঝে মাঝে কোথায় যে অদৃশ্য হোন একদম লাপাত্তা
নাকি আল্লাহতায়ালার নেমন্তন্নে মেরাজে চলে যান?
নাইস মন্তব্য () আশা করি সকল হ্যাপি হয়ে পেছন ভুলে সামনের দিকে ফরয়ার্ড হবে
একটু বাংলিশ হওয়ার চেষ্টা করলাম
অগ্নি নভেম্বর 25, 2012 12:09 পূর্বাহ্ন -
খুবই সময় উপযোগী লিখা
আজকাল অনেকেই """আর কতো ইসলামী লেবু কপচানো" বলে ব্যাপারটা থিতিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন
ইসলামের কড়া সমালোচনা করা মানেই মুসলীমদের নির্বিচারে ঘৃণা করা সেটা কখনই আবশ্যিক হতে পারে না
বা ইসলামকে ধর্মকে হেয় করায় মুসলীমদের হেয় করা হয় সেটা ভাবাও ঠিক না
কারণ একজন মানুষের চরিত্র ধর্মের দ্বারা সৃষ্ট হয় না
মানুষ মাত্রই ভাল মন্দ উভয়েরই প্রবণতা নিয়ে জন্মায়
কোন কোন ধর্মের খারাপ দিক তাদের প্রচ্ছন্ন মন্দ প্রবৃত্তিকে উস্কিয়ে দেয়, কোনটা দেয় না বা কম দেয়
কোন ধর্মের সমালোচনা করা হয় সেই ধর্মের খারাপ প্রবৃত্তিকে উস্কিয়ে দেয়ার ক্ষমতার জন্যই, ধর্মের অনুসারীদের হেয় করার জন্য নয়
ইসলামের অনেক কিছুই এই মন্দ প্রবৃত্তিকে উস্কিয়ে দেয়, যেমন অন্য ধর্মের/ অবিশ্বাসীদের প্রতি সহিংসতা/অসহনশীলতা, নারীদের প্রতি অসহনশীলতা বা বৈষম্য ইত্যাদি
ইসলামের কড়া সমালোচককে মুসলীম বিদ্বেষী বলাটা একটা গুরুতর অভিযোগ
উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া কাউকে অমুখ বিদ্বেষী তমুখ বিদ্বেষী বলাটা আইনের চোখে চরিত্রহনন হিসেবে মানহানী মামলার যোগ্য
অর্ফিউস নভেম্বর 25, 2012 3:33 পূর্বাহ্ন -
খুবই সময় উপযোগী লিখা
আজকাল অনেকেই """আর কতো ইসলামী লেবু কপচানো" বলে ব্যাপারটা থিতিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন
মোটেই সময়োপযোগী লেখা নয়
অবশ্য হ্যাঁ আপনাদের কাছে সেটাই
ইসলামী লেবু কপচানো, শুধুই দুনিয়াতে ইসলামি ক্রিমিনাল, আর সব কিছু দুধে ধোয়া তুলসি পাতা( এমনকি রেপিস্ট রাও; অবশ্য রেপও তো মানুষ কোরান পড়েই শিখেছে কি বলেন?) ,এটা বিরতিহীন ভাবে নানা কৌশলে প্রমানের চেষ্টা করলে এবং পাশাপাশি অমানবিক মন্তব্য শুরু করলে যেটা সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে তে রুপ নিলে,
সেটা যে শুধু বিরক্তিই জাগায় তা না,সাথে বিতৃষ্ণারও জন্ম দেয়
কারণ ব্যপারটা তখন আর নির্দোষ ভাবে ইসলামী লেবুটিকে কচলানোর মানে সীমা বদ্ধ থাকে না, বরং মানবতার বিরুদ্ধে একধরনের বিরতিহীন আক্রোশের রুপ নেয়
তখন মানবতা বাদীদের মুখটা বন্ধ রাখা মুশকিল হয়ে যায়
আর কিছু বলব না
বাকিটা আপনি বুঝে নিন
অর্ফিউস নভেম্বর 24, 2012 11:22 অপরাহ্ন -
বোকাচোদা, পা চাটা দালাল
হম এগুলো ভাল ভাষা না
চেলা ইত্যাদি
উপরের ২টা, আর এটার মান মনে হয় এক না তাই না?একটু বেশি রকম ফারাক আছে
কি বলন আপনি?
মনজুর মুরশেদ নভেম্বর 24, 2012 10:36 অপরাহ্ন -
আমি সাইফুল ইসলামের একটি পোষ্টে 'চেলা' শব্দটি ব্যবহার করেছি
'চেলা' শব্দের ইংরেজী '' যার অন্যান্য বাংলা হতে পারে শিষ্য, ভক্ত, অনুশিষ্য, ইত্যাদি
আমি ঠিক সেই অর্থেই 'চেলা' শব্দটি ব্যবহার করেছি, কোন ব্যক্তি আক্রমনের উদ্দেশ্যে নয়
জবাব বাতিল
অনুসন্ধান করুন