content stringlengths 0 129k |
|---|
একজোটে গালাগালি ও মিথ্যা প্রপাগান্ডা শুরু করে দিলেন |
সাবধান থাকেন ভাইজান 😉 , কথায় কথায় |
"মিথ্যা প্রপাগান্ডা" এই কথাটি কিন্তু আমি রাজাকারদের পত্রিকা গুলিতে বেশি দেখি( তারা খালি কয় যে সব কিছু নাকি ইহুদী প্রপাগান্ডা; যেমন আপনি দুনিয়ার সব কিছুর ভিতরে ইসলামিক প্রপাগান্ডা দেখেন) |
আর আপনিও এই শব্দটি বেশি ব্যবহার করেন, আর নিজের মেজাজের উপর নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেন খুব অল্পতেই |
লক্ষণ ভাল না |
সবই কিন্তু প্রতিক্রিয়াশীল , মৌলবাদী মুসলিমের লক্ষণ |
আচ্ছা আপনি নিজেই তো রাজাকার টাইপ কিছু না যাকে বড় ভাইয়েরা প্ল্যান্ট করেছে মুক্তমনার ১২ টা বাজাতে? 😉 |
মনজুর মুরশেদ নভেম্বর 25, 2012 12:08 অপরাহ্ন - |
অন্য কোন ধর্মের লোক গায়ে বোমা বেধে বা গাড়ীতে বোমা ভর্তি করে বর্তমানে আত্মঘাতী হামলা করে না, করে না তারা দল বেধে ধর্মের নামে বিধর্মী মানুষদেরকে খুন |
আবার ভুল তথ্য দিতে শুরু করেছেন |
স্বীকার করছি গায়ে বোমা বেধে বা গাড়ীতে বোমা ভর্তি করে আত্মঘাতী হামলা বর্তমানে মুসলিমরাই করছে |
কিন্তু আপনার উদ্ধৃতির বোল্ড করা অংশটুকু চরম মিথ্যাচার |
বেশীদূর যেতে হবে না, আমাদের পাশের দেশগুলোতেই এসব ঘটনা ঘটছে |
এবার আপনিই বলুন গোয়েবলসীয় কায়দা কে অনুসরণ করেছেন |
আপনি আপনার এজেণ্ডা বাস্তবায়নের সুবিধার্থে কিছু অসত্য কে সত্য বলে প্রচার করবেন অথবা কিছু তথ্য এড়িয়ে যাবেন তা তো হবে না |
অর্ফিউস নভেম্বর 25, 2012 10:59 পূর্বাহ্ন - |
তাঁর উপরের কোট গুলিতে "মুসলমান" বলতে আমার ধারণা তিনি মৌলবাদী মুসলমানই বুঝিয়েছেন |
:: :: আপনারা পারেনও ভাই |
সফিক নভেম্বর 25, 2012 12:37 পূর্বাহ্ন - |
শুনুন বিদ্বেষী যাযাবর সাহেব, ইসলাম-মুসলিম বিদ্বেষী বলতে কি বোঝানো হয় সেটা স্রেফ প্রশ্ন করলেই পারতেন, খামোকা এতো বড়ো প্যাচাল লেখার কষ্ট না করলেও হতো |
ইসলাম-মুসলিম বিদ্বেষী'র সংজ্ঞা হলো, "যে একই দোষে অন্য ধর্ম ও গোষ্ঠীও দুষ্ট, সেই দোষে ইসলাম ও মুসলিমদের সিংগেল আউট করা এবং বলা যে এই দোষটি কেবল ইসলামেই আছে আর কোথাও নেই, এটি হলো ইসলাম বিদ্বেষী'র পরিষ্কার রূপ" |
উদাহরন দিলে বোধহয় ব্যপারটা আপনার কাছে পরিষ্কার হতে পারে |
মুক্তমনায় আমার মন্তব্য শুরুই হয়েছিলো ভবঘুরে সাহেবের একটি পোস্টে, যেখানে এক মোল্লা কতৃক শিশু ধর্ষনের ঘটনা উল্লেখ করে বলেছিলেন যে নিজে দোষ করে সেই দোষ কে শয়তানের প্ররোচনা বলা এটা ইসলামেরই একমাত্র বৈশিষ্ট্য, খ্রীস্টান কিংবা অন্য ধর্মে এটা নেই |
পোস্টের মন্তব্যে আমি এবং আরো কয়েকজন পরিষ্কার ভাবে দেখিয়েছিলাম যে শয়তানের উপর দোষ চাপানো ইসলামের চেয়ে খ্রীষ্টধর্মে আরো শক্তিশালী এবং বহুব্যবহৃত ট্র্যাডিশন |
ভবঘুরে সাহেব বহু ধানাই পানাই করেও একজন প্রকৃত ঘৃনান্ধ মৌলবাদীর মতো নিজের ভুল কখনোই স্বীকার করেননি |
তিনি এপর্যন্ত অনেকবার বিভিন্নভাবে যুক্তি তথ্যে নাজেহাল হয়েছেন কিন্তু কখনো নিজের ভুল স্বীকার করেছেন বলে দেখিনি |
তিনি এবং আরো কেউ কেউ এই জিনিষটি বার বার করেন |
যে দোষ অন্য ধর্ম-গোষ্ঠীর মধ্যে কম বেশী আছে সে দোষকে তারা ইসলাম ও মুসলমানদের একক বৈশিষ্ট্য বলেন বারবার |
আরো একটা সহজতর উদাহরন দিলে হয়তো জিনিশটি আপনার মাথায় ঢুকবে |
ধরুন করিম একটা চিহ্ণিত চোর |
এখন করিমের কথা বলতে গিয়ে আপনি যদি বলেন যে সমাজে করিমই একমাত্র চোর, করিমের মতো আর কেউ নেই (আপনি যখন জানেন যে করিমের মতো আরো অনেক চোর চারিদিকে আছে) তখন বুঝতে হবে করিমের প্রতি আপনার বিজাতীয়-অযৌক্তিক ব্যক্তিগত ঘৃনা আছে |
একটা কমন অজুহাত অনেক ইসলাম বিদ্বেষী বার বার তোলেন যে তবে কি ইসলামের কথা বলতে গেলে সব ধর্মের কথাই বলতে হবে |
না বলতে হবে না |
ইসলামকে নিয়ে যত ইচ্ছা লিখুন ইসলামকে ধুয়ে ফেলুন, অন্য কোনো ধর্মের কথা উল্লেখ করার কোনো দরকার নেই |
কিন্তু লেখাতে যদি ঢাক-ঢোল পিটিয়ে পরিষ্কার মিথ্যাচার করেন যে এই দোষগুলি কেবল ইসলামেই আছে তবে বিদ্বেষীর টাইটেল তো মাথা পেতে নিতে হবে |
সকল ধর্মই সমান খারাপ নয় |
কোনো ধর্ম হিংসায়, ইনটলারেন্সএ অন্য ধর্মের চেয়ে বেশী খারাপ হতেই পারে |
কিন্তু যে বৈশিষ্ট্যগুলি সকল ধর্মে কমবেশী রয়েছে সে কারনে ইসলামকে সিংগেল আউট করে প্রচারনা করলে কথা তো শুনতে হবেই |
শেষবারের মতো আরেকবার উদাহরন দিয়ে কথা শেষ করছি |
কারন আপনাদের মধ্যে যুক্তি ঢোকানো কষ্টকর |
ধরুন আপনি ইসলামে নারীর অবমাননা কিং বা দাসপ্রথা নিয়ে লিখছেন |
সে আপনি লিখতেই পারেন |
শত শত পাতা লিখে ফেলুন ইসলামে কিভাবে অর্ধেক মানবসম্প্রদায়কে হীন করে রাখা হয়েছে, কিংবা দাসপ্রথার মতো অমানবিক রীতিকে রদ করা হয় নি এই সব নিয়ে |
কেউ কিচ্ছুটি বলবে না |
কিন্তু আপনি যদি লেখার মধ্যে সদম্ভে ঘোষনা করেন যে নারীত্বের চরম অপমান কিংবা দাস প্রথাকে উৎসাহিতকরন কেবল ইসলামেরই ট্রেডমার্ক, তবে আপনাকে অনেক কথা শুনতেই হবে |
আর ভবঘুরে সাহেবের প্যাথলজিক্যাল মানসিকতার কথা তাকে ফলো করা কেউ ভালো ভাবেই বুঝবেন |
সুজিত দাশের মতো তারও প্রিয় ফ্যান্টাসি শতকোটি মুসলিমের রক্তবন্যা |
তবে সুজিত দাশ সেটা সরাসরিই বলে ফেলেন |
ভবঘুরে সাহেবের সেটা লুকিয়ে রাখার মতো বাহ্যজ্ঞান আছে |
আদিল মাহমুদ নভেম্বর 25, 2012 11:08 পূর্বাহ্ন - |
কিন্তু লেখাতে যদি ঢাক-ঢোল পিটিয়ে পরিষ্কার মিথ্যাচার করেন যে এই দোষগুলি কেবল ইসলামেই আছে তবে বিদ্বেষীর টাইটেল তো মাথা পেতে নিতে হবে |
- তত্ত্বীয়ভাবে কথাটা ঠিক আছে |
মুশকিল হল যে অনেক সময় কিন্তু দোষগুলি কেবল ইসলামেই নেই, অন্যান্য ধর্মেও আছে আছে জাতীয় ডিসক্লেমার দেওয়া ছাড়া মনে হয় আমরা অনেক বিশ্লেষনই করি যাতে আমাদের সকলকেই এই তত্ত্ব অনুয়ায়ী বিদ্বেষী মনে হতে পারে |
ধরেন, আমি সাম্প্রতিক লেখাতে বেশ কিছু উদাহরন দিয়েছি যাতে নামী দামী আলেমরা কোরান হাদীস ব্যাবহার করে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িকতা শিক্ষা দিচ্ছেন |
আমি কিন্তু এসব একমাত্র ইসলামেই আছে এমন ঘোষনা যদিও দেইনি তেমনি এটাও বলিনি যে অন্য ধর্মগুলিতে এমন কথাবার্তা কমবেশী আছে - এ থেকে কিন্তু কেউ কেউ ইন্টারপ্রেট করতেই পারে যে আমি জেনে শুনে অন্য ধর্মের আবর্জনা চেপে কেবল ইসলামের পেছু লেগেছি (এখানে প্র্যাক্টিকেলি কিন্তু ঘটনা সেটাই হচ্ছে যদিও তার উপযুক্ত কারন আছে) আমাকে কি বিদ্বেষী বলা যেতে পারে? কেউ কৌতূহলী হয়ে অন্য ধর্ম সম্পর্কে কি ভাবি জিজ্ঞাসা করলে এক কথা, কিন্তু জিজ্ঞাসা না করলে আমার কি অবশ্যই দায় থাকবে তেমন কোন ডিসক্লেমার দেওয়ার? |
আরেকটু জটিল উদাহরন দেই |
ধরেন মুরতাদ হত্যার ইসলামী বিধানের আলোচনা লেখা হল |
এমন কোন বিধান কিন্তু কোরানে নেই, আছে হাদীসে; মানে ইসলামের প্রাইম সোর্সে নেই, আছে নেক্সট সোর্সে |
ঐদিকে বাইবেলে সরাসরি আছে |
এখন আমি মুরতাদ হত্যার বিধান সমসাময়িক বিশ্বে আলোচনা করতে গেলে কিন্তু মুসলমান মূলত প্রধান দেশগুলিকেই টার্গেট করতে হবে, মানে ইসলাম ধরেই টান দিতে হবে |
বাইবেলে থাকলেও যেহেতু খৃষ্টান কোন দেশে এমন আইন নেই (আমার জানা মতে) সেহেতু তারা আমার কাছে স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পাবে না |
এখানেও কি ডিসক্লেমারের কোন গুরুত্ব আছে? হাত অতিরিক্ত ধোয়ার খুব দরকার আছে? বাইবেল খৃষ্টানদের প্রাইম সোর্স, হাদীস মুসলমানদের প্রাইম সোর্স নয় |
একইভাবে মুসলমান প্রধান দেশগুলিতে প্রচলিত বাল্যবিবাহ নিয়ে লিখতে গেলেও বলতে হয় |
আমাকে কি অবশ্যই হিন্দু ধর্মের নামে ভারতীয় সমাজে এ চলত সেসবের উদাহরন টানতেই হবে? আমি অন্তত দরকার দেখি না |
আপনি না টানার পয়েন্ট বুঝলেও কিন্তু আমি পার পাব না, ঠিকই প্রথমেই শুনতে হবে কেবল ইসলামের দোষই দেখেন, অন্য ধর্মের দোষ কেন দেখেন না |
যদিও যে কোন ক্ষেত্রেই অন্য ধর্মে এসব ধারনা নেই তা সরাসরি বা ঘুরিয়ে দেওয়াও শুধু বিদ্বেষই নয়, সরাসরি মিথ্যাচার |
তবে জিজ্ঞাসিত না হলে সেটা কারেক্টনেসের স্বার্থে উপযাচক হয়ে দেওয়াটা আমি অন্তত আবশ্যক মনে করি না |
সফিক নভেম্বর 25, 2012 11:48 পূর্বাহ্ন - |
@আদিল মাহমুদ, |
আপনিও আমার মূল পয়েন্ট টা পুরো ধরতে না পারায় কিছুটা হতাশ হলাম |
আমি কিন্তু জোর দিয়ে বলেছি ইসলাম নিয়ে লেখার জন্যে কোনো রকম ডিসক্লেইমার দেয়ার দরকার নেই কারনে ডিসক্লেইমার দিতে দিতে আসল লেখাই হারিয়ে যাবে |
ডিসক্লেইমার না দেয়াতে কেউ যদি মনে করি আপনি ' অন্য ধর্মের আবর্জনা চেপে কেবল ইসলামের পেছু লেগেছি' তবে সেটা তারই ব্যর্থতা |
যেমন কেউ কেউ মনে করেছেন যে মালালা'র ইস্যু নিয়ে লিখতে যেয়ে যদি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে হাইলাইট না করি তবে সে মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের চিয়ারলীডার |
আমার মূল আপত্তি যে আপনি যদি জেনে অথবা না জেনে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেন যে মুরতাদ হত্যা, অতি-সাম্প্রদায়িকতা এই ধরনের অমানবিকতা এই সবই একটি বিশেষ ধর্মের আদি শিক্ষার অংশ, অন্য কোনো ধর্মে এটা নেই, এই ক্ষেত্রে |
কারন এই ধরনের কথার পেছনে আসল বক্তব্যই হলো পৃথিবীতে ধর্মান্ধতা, মৌলবাদ, অমানবিক আইডিওলজী এসব কোনো সমস্যা নেই , কখনো ছিলো না, সমস্যা কেবল ইসলাম |
পৃথিবীর সকল মুসলিম আপন ধর্ম ত্যাগ করে অন্য কোনো ধর্মের সুশীতল আশ্রয় নিলেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে |
অন্য সকল কথার মধ্যে এই কথাটাই কিন্তু এইসব লেখকের মূল কথা, কেবল ইসলামেই এই সমস্যা ছিলো এবং আছে |
একটা পরিষ্কার মিথ্যা কথা বলার সাথে অন্য কিছু গুলিয়ে ফেলা উচিৎ হবে না |
বিদ্বেষীরা পরিষ্কার মিথ্যা বলেন ঠিক ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের মতোই |
আপনার লেখা অনুযায়ী কেউ যদি মনে করে আপনি ইসলাম বিদ্বেষী তবে সেটা তাদের সীমাবদ্ধতা |
সোজা ভাষায় দেখতে হবে আপনি জেনেশুনে বারবার মিথ্যা বলছেন কিনা কিংবা অমানবিকতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন কিনা |
যতদিন এই ধরনের দোষ আপনার লেখায় না থাকবে ততদিন খামোকা ইসলাম বিদ্বেষী'র ট্যাগকে এফেক্টিভ কমপ্লিমেন্ট হিসেবেই বিবেচনা করবেন |
আদিল মাহমুদ নভেম্বর 25, 2012 12:36 অপরাহ্ন - |
আমি মনে হয় ঠিকমত বোঝাতে পারিনি |
প্রথম কথা, কে কিভাবে ইন্টারপ্রেট করে সেটা কিন্তু খুব বড় ব্যাপার |
আমি যে ডিসক্লেমার দেইনি সেটাই কিন্তু অনেকের কাছে বড় প্রমান হবে যে আমি ইসলাম বিদ্বেষী |
দিলেও যে রক্ষা পাওয়া যেত এমনও কিন্তু নয়, তখন সাইজ দেখা হত কোনদিকে কতটা লেখা হয়েছে |
দ্বিতীয় পয়েন্টটা আসলে অনেক জটিল এবং প্র্যাক্টিকেল |
সত্য কথা বলতে গেলে মুসলমানদের ধর্মীয় রীতিনীতি কালচারের অনেক কিছুরই আলোচনায় এটা গুরুত্বপূর্ন |
মুরতাদের ব্যাপার তো আগে বললাম |
পর্দা প্রথা নিয়ে ইসলামী সমাজের বাড়াবাড়ির কথাই ধরেন |
খৃষ্ট ধর্মেও আসলে আমরা জানি এমনই আছে, আগেকার দিনে সেসব অনেক দেশে জোর জবরদস্তি করে পালনও করানো হত |
কথা হল যে বর্তমানে ইসলামী পর্দা প্রথার সমালোচনা করতে গেলে কি আমার পক্ষে দুই পক্ষের প্রতিই সাম্যতা বজায় রাখা সম্ভব? আমাকে কিন্তু বাস্তবতার স্বার্থেই ইসলামের পেছনেই লাগতে হবে বেশী |
খৃষ্টানরা কোন যুগে কি করত তার গুরুত্ব কিন্তু থাকে না |
আমি খোলা মনে অন্য ধর্মের লোকদেরই কৃতিত্ব দেব বেশী, কারন তারা ধর্মের বাজে দিক বর্জন করতে পেরেছে বেশী |
আমার মনে হয় এটা আপনার কথা না হলেও অনেকে কারেক্টনেসের স্বার্থে আজকাল সকলরেই সমান ভাবে সমালোচনা হোক এমন কিছুই আশা করেন |
আপনার পয়েন্ট আগেই বুঝতে পেরেছি |
আর মিথ্যা বলার সাথে কোন আপোষ নেই, সেখানে বিদ্বেষীও বলার দরকার নেই, সোজা মিথ্যুক |
মূল কথা, সব ধর্মই সব দিকে একই মাত্রায় খারাপ এমন হতে পারে না |
এটাও কিন্তু হজম করতে হবে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.