content
stringlengths
0
129k
অন্যদিকে এটিএমের ভেতরে বিশেষ একটি মেশিন বসিয়ে কার্ডের সব তথ্য সংগ্রহ করে আলাদা কার্ড বানিয়ে এবং ক্যামেরার মাধ্যমে নেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ওঠানো হয় টাকা
সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহমুদুল ইসলাম তালুকদার গণমাধ্যমকে বলেন, এটিএম বুথের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে 'ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ' কার্ড
এই কার্ড খুব সহজেই ক্লোন করা যায়
অনেক সময় এটিএমে কার্ড ঢুকানোর জায়গাতেই বিশেষ ডিভাইস বসায় হ্যাকাররা
ফলে ঢুকানোর সময় কার্ডটি স্কিমিং হয়ে ঢোকে
আর গোপন ক্যামেরা দিয়ে গ্রাহকের টাইপ করা 'পিন কোড' নিয়ে নেয় তারা
এক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে চিপ ও পিনযুক্ত কার্ড নিরাপদ
এটা 'এনক্রিপ্টেড' থাকে
ফলে ক্লোন করা যায় না
তিনি বলেন, যেসব অভিযোগ আসছে, সেগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি
সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে
তথ্যপ্রযুক্তি
মন্তব্য করুন
'); // // (!='') $().('
'); // // }); = .; $('._ ').((){ $().('',':100%;'); }); });
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
কোনো সন্দেহ নেই বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সব থেকে বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা
বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী অক্টোবরের ১০ বা ১৭ তারিখে
সে হিসেবে এখনো হাতে আছে মাস দুয়েক সময়
মনে রাখবে, এই সময়টা কিন্তু অত্যন্ত স্বল্প
তাই যতটা সম্ভব সেই সময়কে তোমাদের সর্বোচ্চ কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে
২০১৪ সালের অর্থাৎ গতবারের বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা হবে মোট ৬০০ নম্বরের
মোট ৬০টি লিখিত প্রশ্ন থাকবে, যেখানে প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ করে
এই ৬০টি লিখিত প্রশ্নের মধ্যে ২০টি করে প্রশ্ন থাকবে গণিত, পদার্থ ও রসায়ন থেকে
পদার্থবিজ্ঞান: পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বলব, বইয়ের প্রতিটি তত্ত্ব ও সূত্রের প্রমাণ মনোযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করা উচিত
বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধানের ক্ষেত্রে আমি দেখেছি, পদার্থবিজ্ঞানে প্রায়ই এমন কিছু সমস্যা দিতে দেখা যায়, যেখানে কিনা একই সঙ্গে দু-তিনটি সূত্র প্রয়োগ করে নতুন একটি সূত্রের মাধ্যমে অঙ্ক করতে হয়
তাই এ ক্ষেত্রে আমি বিশেষভাবে বলব, সূত্র একবারে মুখস্থ না করে প্রতিটি সূত্রের স্টেপ বাই স্টেপ বোঝার চেষ্টা করো
এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে সমস্যার সমাধান করে যাও
তবে খুব কঠিন সমাধানগুলো নিয়ে বসে না থেকে বইতে যে সমস্যাগুলো আছে, আগে সেগুলোই নিয়মিত চর্চা করো
আর যখনই যে সমস্যার সমাধান করবে, কনসেপ্ট পরিষ্কার রেখে সমাধান করবে
যে বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত তা হলো: ভেক্টর, দ্বিমাত্রিক গতি, মহাকর্ষ, শব্দের বেগ, পৃষ্ঠটান, তুল্য রোধ (বিশেষত শর্ট সার্কিটসহ সমস্যা), তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া, আলোর প্রতিসরণ ও প্রিজম
গণিত: আমার মতে ভর্তি পরীক্ষায় এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ
বিগত বছরগুলোর প্রশ্ন সমাধানের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, এই বিভাগেই সব থেকে বৈচিত্র্যময় এবং অপ্রত্যাশিত প্রশ্ন বেশি আসে
তাই এ ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বেশ বেশি চর্চা করা উচিত
আমার মতে, গণিতে অবশ্যই একটু বেশি সময় দেবে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে নিচেরগুলো ভালো করে চর্চা করলে তা কাজে দেবে
•, , , বিন্যাস-সমাবেশ, জটিল সংখ্যার আর্গুমেন্ট, স্থিতিবিদ্যা (বিশেষত লামির উপপাদ্য ও বল ত্রিভুজ-সম্পর্কিত সমস্যা)
রসায়ন: অস্বীকার করব না, কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো বুঝতে যাওয়ার থেকে মুখস্থ করা লাগে, তবে তা হতে হবে নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে
তাহলে দেখবে জটিল বিষয়গুলোও আয়ত্তে চলে আসবে
প্রতিটি বিক্রিয়ার মেকানিজম ভালো করে বুঝে পড়ার চেষ্টা করবে এবং আলাদা খাতায় গুছিয়ে লিখে রাখা ভালো
আর জৈব রসায়নকে একটু বেশি গুরুত্ব দিয়ো
গুরুত্বপূর্ণ যে টপিকগুলো চর্চা করবে, তা হলো: হাইড্রোকার্বন, অ্যালকোহল, জারণ বিজারণ, অম্ল ক্ষারক সাম্যাবস্থা
সাধারণ কিছু টিপস: বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর প্রশ্নের নিচেই করতে হয় এবং তার জন্য খুব সীমিত জায়গা বরাদ্দ থাকে
ফলে প্রশ্নের উত্তর যথাসম্ভব সংক্ষেপে করাই শ্রেয় এবং ভাষার বাহুল্য প্রয়োগ একেবারেই করা উচিত নয়
শুরু থেকেই তিনটি বিষয়ের জন্য আলাদা খাতা নিয়ে নাও
প্র্যাকটিস খাতা
ব্যতিক্রমী অঙ্কগুলো আলাদা করে তুলে রেখে বারবার চর্চা করো
প্রতিটি চ্যাপ্টার শেষে প্রশ্নব্যাংক সমাধান করে ফেলবে
মূল বইকে প্রাধান্য দিয়ে আগে শেষ করো
তারপর সহায়ক বই হিসেবে অন্যান্য বইগুলো দেখতে পারো
যে অঙ্কই করো না কেন, সব খাতায় লিখে বারবার প্র্যাকটিস করো
যেকোনো এক লেখকের বই সম্পূর্ণ শেষ করে তারপর ভিন্ন লেখকের বইয়ের অপরিচিত অঙ্কগুলো করা ভালো হবে
আরেকটা জরুরি কথা, বুয়েটের জন্য প্রস্তুতি অন্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতিতেও কাজে লাগে
তোমাদের জন্য শুভকামনা
অনিক সরকার: ২০১৪ সালের বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী
শেয়ারবিজনেস24.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি
কৃষকের ধানের মণ কেজিতে ৪৩ , ব্যবসায়ীর সাড়ে ৪০ কেজিতে বরিশাল শায়েস্তাবাদ চুড়ামন কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকেনা ডাক্তার থাকেনা থোলা! দেখার কেউ নেই (পর্ব-১) ছাতা ধরে রাখলেন তরুণী রিকশাচালকের মাথায় হিজলার মেঘনায় ভাঙ্গন শুরু-ঝুকিতে পাঁচটি স্কুল-হুমকির মুখে উপজেলা প্রশাসনিক ভবণ সরকারের পূরণ হতে পারে মন্ত্রিসভার 'শূন্যস্থান' শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৭ তম জন্মবার্ষীকিতে জীবন কর্মে পথচলা তথ্য হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ - পর্ব ০২ আই ডি এল সি ফাইন্যাস সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আদায়ের করে কিস্তি ,মাঠ কর্মীদের দেখে ব্যবসায়ীরা পালায়! (২য় পর্ব) বরিশালের হিজলার মানচিত্রে শকুনের থাবা॥একক আসন মেহেন্দিগঞ্জ !(১ম পর্ব)
-
মানুষের জীবনের প্রতিটি ধাপই সমান সুন্দর
আপডেট: জুলাই ৩১, ২০১৯
মানুষের জীবনের প্রতিটি ধাপই সমান সুন্দর
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সংগঠক
সমালোচক এবং সাহিত্য-সম্পাদক হিসেবেও তিনি অবদান রেখেছিলেন
সম্পাদনা করেছেন কণ্ঠস্বর নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য পত্রিকা
একজন সফল সংগঠক হিসেবে তার জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, যা চল্লিশ বছর ধরে বাংলাদেশে 'আলোকিত মানুষ' তৈরির কাজে অবদান রাখছে
২০০৪ সালে তিনি রোমেন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন
বাংলাদেশে অ-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০০৫ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে
প্রবন্ধে অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন
তাকে 'মানুষ গড়ার কারিগর' বলে অভিহিত করা হয়
৭০-এর দশকে তিনি টিভি উপস্থাপক হিসেবে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন
১৯৩৯ সালে ২৫ জুলাই জন্ম নেয়া এই গুণী মানুষটি এ বছর ৮০ বছরে পদার্পণ করছে
জন্মদিন উপলক্ষে তার জীবন এবং সাহিত্য নিয়ে কথা হয় হাসান সাইদুলের সঙ্গে
সেই কথোপকথনের অংশবিশেষ পত্রস্থ হল
বি.স. কেমন আছেন, আপনার শরীরের কী অবস্থা এখন?
এখন বয়স বাড়ছে
নিজের মতো করে ভালো থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি
আর শরীরের অবস্থা খুব ভালো বলা যাবে না
চারপাশে ডেঙ্গুজ্বরের প্রকোপ
জন্মদিন এলে আপনার কেমন লাগে?
জন্মদিন মানেই তো আমার জীবন থেকে একটি বছর গেল
শিশুদের জন্য জন্মদিন খুবই আনন্দের ব্যাপার
তার একটা দিন বাড়ল
কিন্তু প্রবীণের জন্য একটা দিন কমল
কারণ সে এগিয়ে যাচ্ছে মৃত্যুর দিকে
এখন একটি দিন চলে যাওয়া মানেই আমি প্রতিদিন মৃত্যুর দিকে যাচ্ছি
মৃত্যু সম্পর্কে আপনার ভাবনা কী?
মৃত্যু তো অনিবার্য
এটা শুধু মানুষের বেলায় নয়
যত প্রাণী আছে সব কিছুর বেলাতেই এটা অনিবার্য
এ পৃথিবী এবং সব গ্রহ নক্ষত্রেরও ধ্বংস অনিবার্য
আমিও মৃত্যুর বাইরে নই
এ নিয়ে আমি চিন্তিতও নই
আমি মনে করি মৃত্যু একটি কাক্সিক্ষত জিনিস এবং আনন্দের জিনিস
কারণ মৃত্যু তো শুধু আমার হচ্ছে না, সবারই হচ্ছে
তাই বলতে পারি, সবার যা হবে আমারও তাই হবে
জন্মদিন এলে কোন বিষয়গুলো বেশি মনে পড়ে?
জন্মদিন নিয়ে আমার আলাদা করে কিছু মনে পড়ার বিষয় নেই