content
stringlengths 0
129k
|
|---|
সম্পাদক : জুয়েল মাজহার
|
ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২১৮১, +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০ ৯৬১ ২১২ ৩১৩১ নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০ ১৭২ ৯০৭ ৬৯৯৬, +৮৮০ ১৭২ ৯০৭ ৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২৩৪৬
|
নিজস্ব প্রতিবেদন : সোশ্যাল মিডিয়ায় মন ছুঁয়ে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ভাইরাল হয়ে থাকে
|
সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে যা মন ছুঁয়েছে নেটিজেনদের
|
এই ভিডিওটি -র অডিশনের ভিডিও
|
১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে মিউজিক রিয়েলিটি শো
|
যেখানে বিচারকের ভূমিকায় রয়েছেন বিশাল দাদলানি, হিমেশ রেশামিয়া আর শঙ্কর মহাদেবন
|
আপাতত এই মিউজিক রিয়েলিটি শোয়ের চলছে অডিশন পর্ব
|
আর সেই অডিশন পর্বেই ফুটে উঠেছে এক মায়ের দুর্দান্ত লড়াইয়ের গল্প
|
অডিশন পর্বে ওই মাকে দেখা যায় তার পাঁচ মাসের শিশু কন্যাকে কোলে নিয়েই অডিশন মঞ্চে হাজির হতে
|
শুধু অডিশন মঞ্চে হাজির হওয়াই নয়, পাশাপাশি কোলের শিশুকন্যাকে কোলে নিয়েই অডিশন দিতে দেখা যায় অর্থাৎ তাকে মঞ্চে গান গাইতে লক্ষ্য করা যায়
|
এমন এই লড়াকু মায়ের নাম হলেন সঞ্জনা ভাট
|
মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাকে গাইতে শোনা যায় 'আও তুমে চান্দ পে লে যায়ে'
|
জানা গিয়েছে, সঞ্জনা ভাট অডিশন দেওয়ার জন্য তার স্বামীর সঙ্গেই অডিশন পর্বে হাজির হয়েছিলেন
|
কিন্তু তার পাঁচ মাসের খুদে শিশুকন্যা মাকে ছেড়ে কিছুক্ষণের জন্য থাকতে চায় নি
|
যে কারণে সঞ্জনাকে অডিশন মঞ্চে হাজির হতে হয় তার ওই শিশুকন্যাকে কোলে নিয়েই
|
অন্যদিকে তার কণ্ঠে এই গান শুনে ভাষা হারান তিন বিচারক
|
বিচারকরা অঞ্জনার গান শুনে এতটাই খুশি হন যে উঠে দাঁড়িয়ে তারা হাততালি দেয় এবং পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য মেডেল জিতে নেন সঞ্জনা
|
লড়াকু এই সঞ্জনাকে বিচারকরা বেশ কিছু প্রশ্ন করেন
|
সেই সকল প্রশ্নের মধ্যে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সঞ্জনা জানান, ছোটবেলাতেই বাবাকে হারানোর পর মা ও মামাদের কাছে মানুষ হয়েছেন তিনি
|
কষ্টের সঙ্গে মানুষ হওয়ার দরুন গান শেখার সুযোগ হয়নি
|
তবে ছোটবেলা থেকেই টিভিতে সারেগামাপা লিটল চ্যাম্পস দেখে এই মঞ্চে একদিন গান গাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন
|
(@)
|
সঞ্জনা আরও জানিয়েছেন, পরে তিনি প্রেম করে বিয়ে করেছেন এবং বিয়ের পর স্বামীর সাহায্য নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেন
|
সঞ্জনার এই গল্প বিচারকদের মন ছুঁয়ে যায়
|
"ত্বরান্বিত করা " . ত্বরান্বিত করা? ত্বরান্বিত করা ? ত্বরান্বিত করা .
|
করিন গ্রিফিথ (বিবাহপূর্ব: গ্রিফিন; ২১ নভেম্বর ১৮৯৪ - ১৩ জুলাই ১৯৭৯) ছিলেন একজন মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, প্রযোজক, লেখিকা ও ব্যবসায়ী
|
'দি অর্কিড লেডি অব দ্য স্ক্রিন' হিসেবে খ্যাত[৩] গ্রিফিথকে নির্বাক চলচ্চিত্র যুগের সবচেয়ে সুন্দরী অভিনেত্রী হিসেবে গণ্য করা হয়
|
সৌন্দর্যের পাশাপাশি গ্রিফিথ ফ্র্যাংক লয়েডে দ্য ডিভাইন লেডি (১৯২৯) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সমাদৃত হন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন
|
টেক্সাসে জন্মগ্রহণকারী গ্রিফিথ দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতা জয়ের পর চলচ্চিত্র কর্মজীবন শুরু করেন
|
১৯১৬ সালে তিনি ভিটাগ্রাফ স্টুডিওজের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন এবং এই স্টুডিওর অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন
|
১৯২০ সালে তিনি ফার্স্ট ন্যাশনাল পিকচার্সের সাথে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন এবং এই স্টুডিওর বড় তারকা হয়ে ওঠেন
|
১৯২০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি চলচ্চিত্রের নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও কাজ শুরু করেন এবং ১৯২৫ সালের ডিক্লাসে ও ক্লাসিফাইড চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন ও দুটি চলচ্চিত্রেই শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন
|
পরিচ্ছেদসমূহ
|
১ প্রারম্ভিক জীবন
|
২ কর্মজীবন
|
২.১ ১৯১৬-১৯২৩: ভিটাগ্রাফের চলচ্চিত্রসমূহ
|
২.২ ১৯২৩-১৯৩২: ফার্স্ট ন্যাশনালের সাথে চুক্তি
|
৪ তথ্যসূত্র
|
৫ বহিঃসংযোগ
|
প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]
|
গ্রিফিথ ১৮৯৪ সালের ২১শে নভেম্বর[ক] টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ওয়াকো শহরে জন্মগ্রহণ করেন
|
[খ] তার জন্মনাম করিন গ্রিফিন
|
তার পিতা জন লুইস "জ্যাক" গ্রিফিন ছিলেন টেক্সাস ও প্যাসিফিক রেলওয়ের রেল কন্ডাকটর,[১২] এবং মাতা আম্বোলিন ঘিও
|
[১৩] গ্রিফিথের মাতামহ আন্তোনিও ঘিও ছিলেন একজন ইতালিয় অভিবাসী, যিনি টেক্সাসের সফল ব্যবসায়ী ছিলেন,[১৪] এবং তিনি টেক্সারকানার তিনবারের নগরপাল ছিলেন
|
[১৫] তার মাতামহী মারিয়া আন্থেসও অভিবাসী ছিলেন, তার পৈতৃক নিবাস ছিল জার্মানির ডার্মস্টাটে
|
[১৬] গ্রিফিথের পিতামাতা ১৮৮৭ সালে বিয়ে করেন
|
তাদের বিবাহ স্থানীয় উচ্চবিত্ত সমাজের বেশ আলোচিত ছিল
|
[১৫] গ্রিফিথের জন্মের সময় তার মায়ের বয়স ছিল ২০-এর কিছু বেশি এবং তার পিতার বয়স ৪০-এর কাছাকাছি
|
কর্মজীবন[সম্পাদনা]
|
১৯১৬-১৯২৩: ভিটাগ্রাফের চলচ্চিত্রসমূহ[সম্পাদনা]
|
গ্রিফিথের চলচ্চিত্রের আগমন নিয়ে মতভেদ রয়েছে
|
[১৮] একটি সূত্রে বলা হয়, তার পিতার মৃত্যুর পর গ্রিফিথ টেক্সাস ত্যাগ করেন এবং তার মাতা ও বোন অগাস্টার সাথে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান
|
[১৯] অপর একটি সূত্র দাবী করে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা মনিকায় একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতা জয়ের পর ভিটাগ্রাফ স্টুডিওজের পরিচালক রলিন এস. স্টারজিওন তাকে অভিনয় পেশা বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন, স্টারজিওন সেই সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন
|
১৯১৬ সালে তিনি ভিটাগ্রাফ স্টুডিওজের সাথে সাপ্তাহিক ১৫ ডলার পারিশ্রমিকের চুক্তি করেন,[১৯] এবং করিন গ্রিফিথ মঞ্চনাম গ্রহণ করেন
|
[২২] তার বড় পর্দায় অভিষেক হয় আর্ল উইলিয়ামসের বিপরীতে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র লা পালোমা দিয়ে
|
এরপর তিনি এই স্টুডিওর প্রধান অভিনেত্রী হয়ে ওঠার পূর্ব পর্যন্ত একাধিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করেন
|
[১৯] ১৯২০ সালের ২২শে এপ্রিল তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ওশানসাইডে ওয়েবস্টার ক্যাম্পবেলের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন
|
১৯২৩-১৯৩২: ফার্স্ট ন্যাশনালের সাথে চুক্তি[সম্পাদনা]
|
সিক্স ডেজ (১৯২৩) চলচ্চিত্রে গ্রিফিথ
|
১৯২৩ সালে ওয়েবস্টারের সাথে গ্রিফিথের বিবাহবিচ্ছেদ ঘট
|
গ্রিফিথ দাবী করেন ওয়েবস্টার মদ্যপ ও গালিগালাজ করতেন
|
[২৪] একই বছর তিনি ভিটাগ্রাফ স্টুডিওর ত্যাগ করেন এবং ফার্স্ট ন্যাশনালের সাথে আরও লাভজনক সাপ্তাহিক $১০,০০০ পারিশ্রমিকের চুক্তি করেন
|
[১৯] সেখানে তিনি অন্যতম জনপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠেন
|
[২৫] এই স্টুডিওর জন্য তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ফ্র্যাংক লয়েডের ব্ল্যাক অক্সেন (১৯২৩)
|
নাট্যধর্মী এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন রহস্যময় অস্ট্রিয় কাউন্টেস চরিত্রে অভিনয় করেন
|
কনওয়ে টিয়ার্ল ও ক্লারা বো'র সাথে অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি ব্যবসাসফল হয়
|
১৯২৮ সালে তিনি ইউনাইটেড আর্টিস্ট্সের দ্য গার্ডেন অব ইডেন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের কাছে প্রশংসিত হলেও বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়
|
[২৭] চলচ্চিত্রটির ব্যর্থতার ফলে হতাশ হয়ে গ্রিফিথ ফার্স্ট ন্যাশনালে ফিরে আসেন এবং ফ্র্যাংক লয়েডের দ্য ডিভাইন লেডি (১৯২৯) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন
|
এটি সঙ্গীত সহযোগে সবাক চলচ্চিত্র হলেও এতে কোন শ্রুতিযোগ্য সংলাপ ছিল না
|
[২৭] গ্রিফিথ এই চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ের জন্য সমাদৃত হন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন
|
টীকা[সম্পাদনা]
|
↑ 24,[৪] [৫] [৬] [৭] 21 . 1896[৪] 1906,[৮] 21, 1894 .[৯] , .. 1900 --- , . . , , . , , "" ().[১০]
|
↑ ' , [৮] . , , .[১১]
|
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
|
↑ হেইল ২০১৯, পৃ. ৭৭
|
↑ স্লাইড ২০১০, পৃ. ১৭০
|
↑ পর্টার ২০০৫, পৃ. ৩০১
|
↑ ক খ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <> ট্যাগ বৈধ নয়; নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
|
↑ স্লাইড ২০১০, পৃ. ১৬৮
|
↑ " "
|
অক্টোবর ১০, ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা
|
↑ উইলসন ২০১৬, পৃ. ৩০০
|
↑ ক খ গুডম্যান জুনিয়র, জর্জ (জুলাই ২২, ১৯৭৯)
|
" , "
|
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
|
মার্চ ১৫, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা
|
↑ , 1940-1997 ( 26, 2014). , 13 1979; , . (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)
|
↑ টেমপ্লেট: (সদস্যতা প্রয়োজনীয়) .
|
↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <> ট্যাগ বৈধ নয়; নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
|
↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <> ট্যাগ বৈধ নয়; নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
|
↑ পাইল্যান্ট ২০১৪, পৃ. ৩১-৩৫
|
↑ পাইল্যান্ট ২০১৪, পৃ. ৬-১৪
|
↑ ক খ "-"
|
ডালাস ডেইলি হেরাল্ড
|
জুলাই ৮, ১৮৮৭
|
পৃষ্ঠা ৪ - নিউজপেপারস.কম-এর মাধ্যমে
|
↑ পাইল্যান্ট ২০১৪, পৃ. ১৩-১৬
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.