content
stringlengths
0
129k
এই সংবাদ গুলো বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করা হয়ে থাকে
সংবাদের শেষে তথ্যসুত্র দেওয়া থাকে
জাতীয় দলের পর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়কত্বও ছাড়ার সিদ্বান্ত নিয়েছেন বিরাট কোহলি
আইপিএলের চলমান চর্তুদশ আসর শেষে ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়ক থেকে সরে যাবেন কোহলি
কাল রাতে ব্যাঙ্গালুরুর পোস্ট করা একটি ভিডিওর মাধ্যমে তিনি নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন
২০১৩ সালে অধিনায়ক হওয়ার পর ব্যাঙ্গালোরের হয়ে একটাও শিরোপা জিততে পারেননি কোহলি
কোহলি বলেন, 'আরসিবি পরিবার, বেঙ্গালুরুর অসাধারণ সমর্থকদের উদ্দেশ্যে আজ আমি একটা ঘোষণা করতে চাই
আজ বিকেলেই পুরো দলের সাথে আমার কথা হয়েছে
আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার আগে আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, এটাই অধিনায়ক হিসেবে আরসিবিতে আমার শেষ মৌসুম
আজ বিকেলেই দল পরিচালনা কমিটির সাথে আমার কথা হয়েছে
বেশ কিছুদিন ধরেই এই সিদ্ধান্তের কথা চিন্তাভাবনা করছিলাম
' কোহলি আরও বলেন, 'কিছুদিন আগেই টি-টোয়েন্টিতে জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ারর কথা ঘোষণা করেছি, যাতে অনেক বছর ধরে আমার উপরে চেপে থাকা দায়িত্বের ভার কিছুটা কমে
যে দায়িত্ব আমার উপরে রয়েছে তা আরও ভাল ভাবে পালন করতে চাই
নিজেকে সতেজ রাখতে, মানসিক ভাবে ঠিক রাখতে এবং ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি
সামনের বছর আরসিবিতে সবকিছুই একটা বদলের মধ্যে দিয়ে যাবে
বড় নিলাম হতে চলেছে
' কোহলি শেষে বলেন, 'আমি ম্যানেজমেন্টকে এটাও জানিয়েছি যে, আরসিবি ছাড়া অন্য কোনও দলে নিজেকে দেখার কথা ভাবতেও পারি না
প্রথম দিন থেকেই সেটা আমার দায়বদ্ধতা
আইপিএলের শেষ পর্যন্ত নিজেকে আরসিবির ক্রিকেটার হিসেবেই দেখতে চাই
৯ বছরের একটা দারুণ যাত্রা শেষ হল
সুখ, দুঃখ দু'টোই দেখতে পেয়েছি সামনে থেকে
আমাকে সমর্থন করার জন্য এবং আমার উপরে আস্থা রাখার জন্য হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে প্রত্যেককে ধন্যবাদ
ভালো আছেন পেলে, চলছে ফিজিওথেরাপি
বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডকে বর্জন করার ঘোষণা দেবে পাকিস্তান?
রাব্বীর গোলে শুভসূচনা করল শেখ রাসেল
বিশ্বকাপে কোন দল খেলবে? ইতালি-পর্তুগাল নাকি কাতার!
চাকরিতে ইস্তফা দিলেন ফিজিও ক্যালেফাতো
:
আসনবিহীন টিকিট বিক্রি বন্ধ, তবু ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী
ফের সড়কে শিক্ষার্থীরা, ধানমন্ডিতে অবরোধ
সবজির দামে স্বস্তি এলেও অস্বস্তি অন্যান্য নিত্যপণ্যে
সিলেটের ছড়াগুলো ময়লা আবর্জনায় ভরপুর
এবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলবে বাংলাদেশের মেয়েরা
চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার দ্রুত বিদেশে যাওয়া দরকার: ফখরুল
সর্বশেষ সংবাদ
আসনবিহীন টিকিট বিক্রি বন্ধ, তবু ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী
ফের সড়কে শিক্ষার্থীরা, ধানমন্ডিতে অবরোধ
সবজির দামে স্বস্তি এলেও অস্বস্তি অন্যান্য নিত্যপণ্যে
গঙ্গাচড়ায় দুই নারীসহ চেয়ারম্যান ৫৬, সংরক্ষিত সদস্য ১৩৪ ও সাধারন সদস্য পদে ৩৯১ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল
সিলেটের ছড়াগুলো ময়লা আবর্জনায় ভরপুর
এগ্রো বেইজ অফিসার্স এসোসিয়েশন সিলেটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত
© . |
: .. , : . . , 1 .. , (3 ), -1203, : : 47115875, 47115879, 47114514, : 880-2-47115865, : : [ ], [ ], , [ ]
অর্থনীতি অ্যান্টার্কটিকার ভূগোল আইন ইতিহাস খাদ্য ও পানীয় গণমাধ্যম গণিত ঘটনাবলী জ্ঞানের শাখা দর্শন ধারণা নীতি নীতিশাস্ত্র প্রকৃতি প্রকৌশল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনোদন বিশ্ব ব্যক্তি ব্যবসা ভূগোল মহাবিশ্ব মহাবিশ্বতত্ত্ব মানববিদ্যা মূল বিষয়ের নিবন্ধসমূহ রাজনীতি শক্তি শিক্ষা শিল্পকলা সংস্কৃতি সত্তা সমাজ সরকার সৃজনশীলতা স্বাস্থ্য
i উসমান ইবনে তালহা
উসমান ইবন তালহা মুহাম্মদ এর একজন বিশিষ্ট সাহবা ছিলেন
জাহিলী যুগ ও ইসলাম পরবর্তী যুগ উভয় সময়েই মক্কার কাবা শরীফের তত্ত্বাবধায়ক ও চাবির রক্ষক ছিলেন উসমান ইবন তালহা ও তার পূর্বপুরুষ ও বংশধর
1. নাম ও বংশ পরিচয়
উসমান ইবন তালহার পিতার নাম তালহা ইবন আবী তালহা এবং মাতার নাম উম্মু সাঈদ সালামা
মক্কার কুরাইশ বংশের বনু আমর শাখার সন্তান
উসমান ইবন তালহার পিতা তালহা ও তার তিন ভাই মুসাফি, কিলাব ও হারেস ও তার পিতা তালহা ইবন আবী তালহা ও চাচা উসমান ইবনে আবী তালহা উহুদ যুদ্ধে মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত হন
তার পিতা আলী এর হাতে নিহত হন
2. ইসলাম গ্রহনের পূর্বে
উসমান ইবন তালহার ইসলাম পূর্ব জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায়না
তবে একটি ঘটনা জানা যায়, হযরত মুসয়াব ইবন উমাইর রা: ইসলাম গ্রহণেপর মক্কার দারুল আরকামে গোপনে নামায আদায় করতেন
একদিন উসমান ইবনে তালহা তা দেখে ফেলেন এবং তার মা ও গোত্রের কানে পৌঁছে দেন
ফলে তারা মুসয়াবকে বন্দী করে তার ওপর নির্যাতন চালায়
হযরত উম্মু সালামা সা: যখন ইসলাম গ্রহণেপর তার কন্যাকে নিয়ে স্বামী আবু সালামারা: এর সাথে মিলিত হওয়ার জন্য একাকী মদীনার পথে রওয়ানা হলে উসমান ইবন তালহা তাকে সাহায্য করেন এবং তাকে মদিনার উপকন্ঠ কুবার বনী আমর ইবন আউফের পল্লীতে পৌছে দেন
ইবন সাদ বর্ণনা করেছেন, কাবার চাবির দায়িত্বে ছিলেন উসমান ইবন তালহা
তিনি প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার কাবার দরজা খুলতেন
একবার রাসূলসা: তাকে ভিন্ন এক দিন দরজা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন
কিন্তু তিনি অত্যন্ত শক্তভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেন
3. ইসলাম গ্রহন
ইসলাম গ্রহণের সময় নিয়ে ইতিহাসবিদগণের মধ্যে মতের ভিন্নতা রয়েছে
একটি বর্ণনামতে, উসমান হুদাইবিয়ার সন্ধির সময় ইসলাম গ্রহণ করেন এবং খালিদ ও আমরের সাথে মদীনায় যান
অন্য বর্ণনায় দেখা যায়, মক্কা বিজয়ের পূর্বে ৮ম হিজরীর সফর মাসে হযরত খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ ও হযরত আমর ইবনুল আস ও উসমান ইবন তালহা এক সাথে মদিনায় গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন
কবি আবদুল্লাহ ইবন যাবয়ারী তাদের স্বাগত জানিয়ে একটি কবিতা রচনা করেছিলেন
4. কাবার চাবির দায়িত্ব
মক্কা বিজয়ের পূর্ব পর্যন্ত কাবার তত্ত্বাবধায়ন ও চাবি রক্ষকের দায়িত্ব ছিলো উসমানের উপর
মক্কা বিজয়ের দিন হযরত রাসুলসা: কাবার অভ্যন্তরে প্রবেশের জন্য তার নিকট চাবি চাইলেন
উসমান বাড়ি গিয়ে তার মায়ের নিকট চাবি চাইলে তার মা চাবি দিতে অস্বীকার করলে উসমান জোর করে চাবি নিয়ে আসেন
রাসূল সা: দরজা খুলে কাবার উসমান ইবন তালহাকে সংগে ভিতরে প্রবেশ করলেন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পূর্বক কাবা শরীফ থেকে বের হয়ে আসলেন এবং কাবা শরীফের চাবির দায়িত্ব চিরদিনের জন্য উসমান ইবন তালহার গোত্রের উপর অর্পণ করলেন
যদিও এই চাবির দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আলী ও আব্বাস ইবন আব্দুল মুত্তালিব চেষ্টা করেছিলেন
রাসূল সা: তার হাতে মতান্তরে উসমান ও তার চাচাতো ভাই শাইবার হাতে চাবিটি দিয়ে বলেছিলেন, "এই তোমার চাবি
এখন থেকে এই চাবি চিরদিনের জন্য তোমাদের হাতে থাকবে
কেউ তোমাদের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সে হবে অত্যাচারী"
সেই থেকে আজও কাবার চাবি দায়িত্ব মক্কার শাইবী গোত্রের উপর
এই শাইবী গোত্র হযরত উসমান ইবন তালহার রা: চাচাতো ভাই শাইবা ইবন উসমান ইবন আবী তালহার বংশধর
মক্কা বিজয়েপর হযরত উসমান ইবন তালহা মদীনায় চলে যান এবং রাসূল মৃত্যু পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন
রাসুলসা: এর ইনতিকালেপর কাবার চাবি রক্ষকের দায়িত্ব পালনের জন্য আবার মক্কায় ফিরে যান এবং
:
: উসমান ইবনে তালহা
আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উবাই
নুয়াইম ইবনে মাসুদ
আওস ইবনে খালিদ ইবনে কুরত
আওস ইবনে মিয়ার
আওস ইবনে সাদ
আওস ইবনে সালাবা
আকরা ইবনে হাবিস
আখনাস ইবনে শুরায়ক
আততাব ইবনে আসিদ
আবান ইবনে সাঈদ ইবনুল আস
আবু আহমদ ইবনে জাহশ
আবু ফুকায়হা
আবু বারযাহ আল আসলামি
আবু হুজায়ফা ইবনুল মুগীরাহ
আবুল আস ইবনে রাবি
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসআদা আল-ফরাজী