content stringlengths 0 129k |
|---|
তাই মনে হলো বিরতি নিই' |
-: 'প্রিয়মণির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক মুস্তাফার', দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য |
নিজের একটা সংস্থা আছে অরিত্রর |
যেখানে নানা ধরনের কাজ করেন তিনি |
ইচ্ছে রয়েছে সেই সংস্থা থেকেই একটা মিডিয়া জার্নাল প্রকাশ করবেন |
'আমাদের এখানে মিডিয়া জার্নাল নেই |
যেখানে মিডিয়া সায়েন্স নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় |
তাই এ রকম একটা জার্নাল বের করবো তাড়াতাড়ি |
আমাদের সংস্থা থেকে আমরা একটু অন্য ধরনের কাজ করি |
এখনও মেনস্ট্রিম হলিউড ছবির কাজ করিনি |
তবে মিউজিক ভিডিয়ো থেকে ইনডিপেনডেন্ট ফিল্ম-এ রকম অনেক বিদেশী কাজ করেছি |
কিছুদিন আগে সিরিয়ার যুদ্ধ নিয়ে তৈরি একটা ছবির কালারের কাজ করলাম |
যেখানে কালারের গুরুত্ব খুব বেশি |
এ ছাড়া টাটা, ডাবর, আইটিসি, সহ নামী ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের কাজই আমরা করি', বলছেন অরিত্র |
একটা সময়ে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির বাণিজ্যিক ছবি করেছেন অনেক |
তা হলে পোস্ট প্রোডাকশনের জন্য বাংলা বাণিজ্যিক ছবিকে বেছে নিচ্ছেন না কেন? 'আমাদের সেই পরিকাঠামো নেই |
অনেক সময় ফ্রিলান্সার হিসেবে কাজ করি |
কিন্তু পুরো ছবির কাজ আমাদের সংস্থা থেকে করা এখনই সম্ভব নয় |
তবে কোনও পরিচালক বললে, তখন করে দিই |
কিছুদিন আগে বাংলার এক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মের রহস্য-রোমাঞ্চ সিরিজের পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ করলাম', বলছেন অভিনেতা |
তা হলে কি আর বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে না অরিত্রকে? 'কিছুদিন আগেই একটা শর্ট ফিল্মে অভিনয় করলাম |
বরুণ চন্দর সঙ্গে |
আরও কয়েকটা কাজ করছি |
হিন্দি সিরিজের পাশাপাশি বাংলাতেও কাজ করবো |
কিন্তু টাইপকাস্ট হতে চাই না', বক্তব্য তাঁর |
: অন্তঃসত্ত্বা সোনম কাপুর! অসহ্য যন্ত্রণার কথা জানালেন নায়িকা |
যাঁরা বলেন ছোট থেকে অভিনয় করলে বা অতিরিক্ত এক্সপোজার পেলে পড়াশোনা হয় না তাঁদের কিছু বলতে চান? অরিত্র হেসে বললেন, 'এটা অনেকের ধারণা ছিল |
তবে এখন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে |
অনেকেই পড়াশোনা করেন না |
তাঁরা কি সবাই অভিনয় করেন? যাঁর পড়াশোনা হওয়ার, হবে |
যাঁর না হওয়ার, হবে না |
আমি চেয়েছি পড়াশোনা করতে, তাই করেছি |
টেকনোলজি আমাকে আকর্ষণ করে |
তাই প্রথাগত শিক্ষার বাইরে আমি নিজে নিজেই পড়াশোনা করি বিষয়গুলো নিয়ে', বলছেন অরিত্র |
: আশপাশের তাজা ও গুরুত্বপূর্ণ খবর বাংলায় পড়তে ডাউনলোড করুন এই সময় অ্যাপ |
টাটকা খবরের আপডেট পেতে ফেসবুকপেজ লাইক করুন |
মন্তব্য করুন |
পরের খবর : রাজ কুন্দ্রা কাণ্ডে মুখ খুললেন শার্লিন চোপড়া, এক্সক্লুসিভ ভিডিয়ো |
এই বিষয়ে আরও পড়ুন |
বাংলা সিনেমা অরিত্র দত্ত বণিক |
প্রথমেই বলে নিই, নাস্তিক্যধর্মাবলম্বীরা কথায় কথায় "যৌনদাসী" শব্দটা ব্যবহার করে থাকে যা কুরআন হাদিসের কোথাও নেই |
কোনোকিছু ইসলামে না থাকলেও তা ইসলামের উপর চাপানো কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? আসুন, জেনে নিই কে ছিলেন এই মারিয়া কিবতিয়া (রা.)? |
মহানবী (সা.)-এর চিঠি |
"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম |
আল্লাহ্র বান্দা এবং রাসূল মুহাম্মদ এর পক্ষ থেকে কিব্ত প্রধান মুকাওকিসের প্রতি- |
সালাম তার উপর যে হিদায়াতের অনুসরণ করবে |
অতঃপর আমি আপনাকে ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছি |
ইসলাম গ্রহণ করুন, শান্তিতে থাকবেন |
ইসলাম গ্রহণ করুন, আল্লাহ্ আপনাকে দ্বিগুণ সওয়াব দান করবেন |
কিন্তু যদি মুখ ফিরিয়ে নেন তাহলে কিবতীগণের পাপ আপনার উপরেই বর্তাবে |
হে কিবতীগণ! একটি বিষয়ের দিকে আসো -যা আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সমান |
তা এই যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করব না, তাঁর সাথে কোন শরীক সাব্যস্ত করব না এবং একমাত্র আল্লাহকে ছাড়া কাউকে পালনকর্তা বানাব না |
তারপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে বলে দাও যে, 'সাক্ষী থাক আমরা তো মুসলিম |
" হুদাইবিয়া সন্ধির পর রাসূল (সা.) বিভিন্ন অঞ্চলের সম্রাট ও গভর্নরদের চিঠি পাঠানো শুরু করেন |
তারই অংশ হিসেবে তিনি এই পত্রটি পাঠান মিশরের বায়জেন্টাইন গর্ভনর জুরাইজ বিন মাত্তার নিকট |
তার পদবী ছিল 'মুকাওকিস' |
জুরাইজ চিঠিটি খুব সম্মানের সাথে গ্রহণ করেন |
তিনি তা হাতির দাঁতের তৈরি একটি বাক্সে রাখলেন এবং তাতে সীলমোহর লাগিয়ে তা যত্ন সহকারে রাখতে একজন দাসীকে নির্দেশ দিলেন |
তারপর রাসূল (সা.) এর পত্রের জবাবে লিখলেন- |
"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম |
মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ্র প্রতি কিব্ত প্রধান মুকাওকিসের পক্ষ থেকে- |
আপনি আমার সালাম গ্রহণ করুন |
অতঃপর আপনার পত্র আমার হাতে এসেছে |
পত্রে উল্লেখিত কথাবার্তা ও দাওয়াত আমি উপলব্ধি করেছি |
এখন যে একজন নবীর আবির্ভাব ঘটবে সে বিষয়ে আমার ধারণা রয়েছে |
আমার ধারণা ছিল যে, শাম রাজ্য থেকে উনি আবির্ভূত হবেন |
আমি আপনার প্রেরিত লোকের যথাযোগ্য সম্মান ও ইজ্জত করলাম |
আপনার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ দুটি দাসী প্রেরণ করলাম |
কিবতীদের মধ্যে যারা বড় মর্যাদার অধিকারিণী |
অধিকিন্তু, আপনার পরিধানের জন্য কিছু পরিচ্ছদ এবং বাহন হিসেবে একটি খচ্চর পাঠালাম উপহার হিসেবে |
আপনার খিদমতে পুনরায় সালাম পেশ করলাম |
আজকের লেখা মুকাওকিসের পত্রের "আমার গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ দুটি দাসী প্রেরণ করলাম" এই অংশ থেকে শুরু |
উল্লেখিত দাসী দুইজনের নাম হচ্ছে মারিয়া এবং শিরীন |
রাসূল (সা.) নিজের জন্য মারিয়া (রা.)-কে রাখেন এবং শিরীনকে হাস্সান বিন সাবিত (রা.) এর কাছে দিয়ে দেন |
দুইজনই সম্ভ্রান্ত বংশের নারী ছিলেন |
সমালোচকরা প্রশ্ন করতে পারেন যে, সম্ভ্রান্ত হলে তারা আবার দাসী কী করে হয়? বনী ইসরাইলে নিজ সন্তানকে প্রার্থনালয়ে সেবার জন্য উৎসর্গ করে দেয়ার প্রথা ছিল |
কুর'আনে এর উল্লেখও রয়েছে |
মরিয়াম (আ.) এর মা হিন্না বিনতে ফাকুয আল্লাহ্র নিকট দুয়া করেছিলেন: |
"হে আমার পালনকর্তা! আমার গর্ভে যা রয়েছে আমি তাকে তোমার নামে উৎসর্গ করলাম সবার কাছ থেকে মুক্ত রেখে |
আমার পক্ষ থেকে তুমি তাকে কবুল করে নাও |
নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞাত |
" [2] খ্রিষ্টানদের কাজই ছিল ইহুদীদের প্রথাগুলোকে বিকৃত করা |
ইহুদীরা শুধু উপাসনালয়ের জন্য উৎসর্গ করলেও খৃষ্টানরা নিজ সন্তানদের দাসী হিসেবে ধর্ম-যাজকদের উপহার দিত |
যাতে করে তারা দাসী হিসেবে সেবা করতে পারে |
যাজকরা চাইলে তাদের ভিন্ন কাজেও ব্যবহার করতে পারতেন |
সম্ভবত মারিয়া এবং শিরীন উচ্চ বংশের হয়েও এ কারণেই পিতামাতা কর্তৃক দাসী হিসেবে প্রেরিত হয়েছিলেন |
নাস্তিকদের অপব্যাখার খন্ডন:- |
নাস্তিকরা নিম্নোক্ত হাদিস দেখিয়ে প্রমাণ করতে চায় যে মারিয়া কিবতিয়া (রা.) নবিজির দাসী ছিলেন! চলুন দেখে নিই সেই হাদিসটি |
ইবরাহীম ইবন ইউনুস ইবন মুহাম্মাদ হারামী (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত |
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে একজন বাদি ছিল যার সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহবাস করতেন |
এতে আয়েশা (রাঃ) এবং হাফসা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে লেগে থাকলেন |
পরিশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই বাদিটিকে নিজের জন্য হারাম করে নিলেন |
[3] এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তাআলা নাযিল করেন: |
(يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ) "হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন তা আপনি নিজের জন্য কেন হারাম করে নিয়েছেন |
● পাঠকগণ, উক্ত হাদিসের ব্যাখা নাস্তিকরা খুব সূক্ষ্ম জালিয়াতি করে প্রচার করে যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব হয়ে উঠে না |
তাই তারা নাস্তিকদের প্রতারণার শিকার হয় |
খেয়াল করে দেখুন, এই হাদিসে কিন্তু বলা নেই যে "রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর একজন বাদি ছিলো" |
বরং বলা আছে " রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে একজন বাদি ছিলো" |
মূল টেক্সট আরবিরও সঠিক বঙ্গানুবাদ এটাই |
এই হাদিসে আরবিতে "أَمَةٌ (আমাত)" শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে যেটা দ্বারা সবার আগে আল্লাহর বান্দী বা দাসীকে বোঝায় |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.