content
stringlengths
0
129k
আর প্রত্যেক মুসলিম নারীই আল্লাহর বান্দী
আরবগণ, পার্সিগণ ও উর্দুভাষীগণ হরহামেশা তাদের কথায় যাকে তাকেই বান্দা-বান্দী বলে সম্বোধন করে থাকেন
এটা দ্বারা জেনারেল বা সাধারণ মানুষকেই তারা বোঝায়
মানুষের দাসী অর্থে এর প্রয়োগ খুবই কম
আর এই হাদিসে তো বলাই আছে যে "রাসুল (সা.) এর কাছে একজন বাদী ছিলেন"
অর্থাৎ আল্লাহর বান্দী ছিলেন
"রাসুল (সা.) এর একজন বাদী ছিলেন" কিন্তু বলা নেই!
মারিয়া কিবতিয়া (রা.) রাসুল (সা.)-এর স্ত্রী ছিলেন এ মর্মে অসংখ্য রেফারেন্স রয়েছে
নিম্নে ৫ টি রেফারেন্স পেশ করা হলো :-
ফাতহুল বারী ১/৩৭৮ এ হযরত আনাস বিন মালিক (রা.) বর্ণিত সহিহ হাদিসে মারিয়া কিবতিয়া (রা.)-কে নবিজির স্ত্রীগণের কাতারে রাখা হয়েছে
এতে প্রমাণিত হয় তিনি মুহাম্মাদ (সা.)-এর স্ত্রী ছিলেন
আবূ যার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা অদূর ভবিষ্যতে এমন এক এলাকা জয় করবে, যেখানে ক্বীরাত্ব (এক দীনারের ২০ ভাগের একভাগ স্বর্ণমুদ্রা) উল্লেখ করা হয়
অন্য এক বর্ণনায় আছে, তোমরা অচিরে মিসর জয় করবে এবং এটা এমন ভূখণ্ড যেখানে ক্বীরাত্ব (শব্দ) সচরাচর বলা হয়
(সেখানে ঐ মুদ্রা প্রচলিত
) তোমরা তার অধিবাসীদের সাথে ভাল ব্যবহার করো
কেননা, তাদের প্রতি (আমাদের) দায়িত্ব (অধিকার ও মর্যাদা) এবং আত্মীয়তা রয়েছে
অন্য এক বর্ণনায় আছে, সুতরাং যখন তোমরা তা জয় করবে, তখন তার অধিবাসীর প্রতি সদ্ব্যবহার করো
কেননা, তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব,অধিকার ও মর্যাদা এবং আত্মীয়তা রয়েছে
'' অথবা বললেন, ''দায়িত্ব, অধিকার ও মর্যাদা এবং বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে
● এই হাদিসের শেষের অংশ পড়ে দেখুন
রাসুল (সা.) বলেছেন, মিশরের লোকজনের সাথে তাঁর আত্মীয়তা, দায়িত্ব ও বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে
উল্লেখ্য যে, মারিয়া কিবতিয়া (রা.) বাদে রাসুল (সা.)-এর অন্য কোনো সহধর্মিণীই মিশরের অধিবাসী ছিলেন না
তাই এখানে স্পষ্টতই মারিয়া কিবতিয়া (রা.)-এর সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ও তার সূত্র ধরে মিশরের লোকজনের সাথে আত্মীয়তাকে বোঝানো হয়েছে
রাসুল (সা.) এর বিশিষ্ট ওহী লেখক সাহাবি ও মুসলিম জাহানের খলিফা হযরত আমীরে মুয়াবিয়া(রা) তাঁর খেলাফতকালে মিশরের অধিবাসীদের জিজিয়া কর মাফ করে দেন মিশর রাসুল (সা.)-এর শশুড়বাড়ি হওয়ার কারণে
'আমর ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর সময় কোনো দিনার, দিরহাম, দাস-দাসী রেখে যাননি
কেবলমাত্র একটি সাদা খচ্চর যার উপর তিনি আরোহণ করতেন এবং তাঁর যুদ্ধাস্ত্র আর একখন্ড যমীন যা মুসাফিরদের জন্য দান করে গেছেন
● রাসুল (সা.) তার সাহাবিদের সহায়তায় আজাদ করার উদ্দেশ্যে কাফেরদের থেকে অসংখ্য দাসদাসী ক্রয় করেছেন
এছাড়া মিশরের খ্রিস্টান রাজা মুকাউকিস রাসুল (সা.)-কে দুজন দাসী উপহার দিয়েছিলেন যারা পরস্পর বোন ছিলো
তারা উভয়ই রাসুল (সা.)-এর নিকট পৌঁছানোর আগে পথেই জনৈক সাহাবির দাওয়াতে ইসলাম গ্রহণ করেন
ইসলামে দুই বোনকে একত্রে বিবাহ হারাম (কুরআন ৪:২৩)
তাই রাসুল (সা.) শুধু মারিয়া কিবতিয়া (রা.) কে নিজের জন্য রেখে তার বোন শিরীন (রা)-কে হাসান বিন সাবিত (রা.) নামক সাহাবির সাথে বিয়ে দেন
রাসুল (সা.) তাঁর মৃত্যুর সময় কোনো দাসদাসী রেখে যাননি
অর্থাৎ সবাইকে আজাদ করে গিয়েছিলেন
আর মারিয়া কিবতিয়া (রা.) রাসুলের মৃত্যুর পরও ৫ বছর পর্যন্ত জীবিত ছিলেন
তার মানে রাসুল (সা.) মারিয়া কিবতিয়া (রা.)-কে আগেই আজাদ করে বিবাহ করেছিলেন
আর এটাই ছিলো তাঁর মোহরানা
অতএব, মারিয়া কিবতিয়া (রা.) রাসুল (সা.)-এর বিবাহিত স্ত্রী ছিলেন
বি:দ্র: কিছু হাদিস ও ইতিহাসগ্রন্থে উল্লেখ আছে যে মারিয়া কিবতিয়া (রা.) রাসুল (সা.)-এর সন্তান ইব্রাহিম (রা.)-কে জন্ম দেয়ার পর আজাদ হয়েছিলেন
কিন্তু সেই সবগুলো বর্ণনাই জঈফ, তার শক্ত প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে
মারিয়া কিবতিয়া (রা) তাঁর একজন খোজা সেবক (অন্ডকোষ কর্তিত ব্যাক্তি) ব্যাতীত সবার থেকে পরিপূর্ণ পর্দা করতেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর খলিফা উমর (রা.) স্বয়ং তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান
তাঁকে নবিজির অন্যান্য স্ত্রীদের সাথে একই গোরস্থানে (জান্নাতুল বাকীতে) দাফন করা হয়
এটিও মারিয়া কিবতিয়া (রা.) এর নবিজির স্ত্রী হওয়ার একটি প্রমাণ
আব্দুল্লাহ আল জুহাইরিয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,রাসুলুল্লাহ (সা.) শামউন এর কন্যা মারিয়াকে বিয়ে করেন
এই হলো সেই মারিয়া যাকে আলেকজান্দ্রিয়ার রাজা মুকাওকিস রাসুল (সা.)-এর নিকট উপহার হিসেবে পাঠিয়েছিলেন
● নাস্তিকরা আরেকজন নারীকে মুহাম্মাদ (সা.)-এর দাসী অপবাদ দিয়ে থাকে
তিনি হলেন সমস্ত মুসলিমের মাতা হযরত রায়হানা (রা.)
তিনি বনু মুস্তালিক যুদ্ধে বন্দী হয়ে আসেন
রাসুল (সা.) তাঁকে বিবাহ করেন এবং ৫০০ দিরহাম মোহরানা প্রদান করেন
নাস্তিকদের অপব্যাখার খন্ডন করা হলো এবং ইসলামে যে দাসপ্রথা নেই, তা প্রমাণিত হলো
আল্লাহ সবাইকে হেদায়াত করুন
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে সেনাপ্রাধান আরও বলেন, 'সেনাবাহিনীকে গর্বের জায়গায় দেখতে চান তিনি' (ভিডিও)
সিলেট সেনানিবাসে 'মুজিব চত্বরে'র উদ্বোধন করে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ নিজেকে গর্বিত মনে করেন বিস্তারিত ভিডিওতে
সাম্প্রদায়িকতার বিষদাঁত ভেঙে দাও
প্রকাশিত: ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০২১
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং আবহমান বাংলার অন্যতম সার্বজনীন সামাজিক উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় সারাদেশে এবার নতুন মাত্রার তাণ্ডব ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস সংঘটিত হয়েছে
গত ১৩ অক্টোবর মহাঅষ্টমীর দিনে সকালবেলায় কুমিল্লার একটি মণ্ডপে হনুমান ঠাকুরের পায়ের ওপর থেকে পবিত্র কোরআন শরীফ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে
অনেকটা সময় পার করে দিয়ে পুলিশ জনসমক্ষে যে তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করেছে তাতে স্পষ্টই প্রতীয়মান হয় যে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে, পরিকল্পিতভাবে রাতের আঁধারে, মণ্ডপে সবার অগোচরে কোরআন শরীফ রেখে আসা হয়েছে
আর সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই সকালে হইচই সৃষ্টি করে মণ্ডপে হামলা করা হয়েছে এবং সেই সহিংসতা সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে
কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে সেদিনই চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে যে হামলা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তাতে পুলিশ গুলি চালালে পাঁচজন নিহত হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে গণমাধ্যম
এই ঘটনার পরম্পরায় সারাদেশে অন্তত সাতজন নিহত হওয়ার সংবাদ গণমাধ্যমে এসেছে
সারাদেশে বিদ্যুৎবেগে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসে নোয়াখালী, চাঁদপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, ফেনী, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, বান্দরবান, কক্সবাজার, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জে শতাধিক মন্দির ও মণ্ডপ এবং প্রায় দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের বসতবাড়ি, দোকানঘর, প্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে
কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর হলো এসব ঘটনার মধ্যদিয়ে গোটা দেশকে চরম ভীতি, আতঙ্ক, নিরাপত্তাহীনতা ও বিষাদে ঢেকে দেয়া হয়েছে
উৎসব রূপান্তরিত হয়েছে বিস্ময় বিমূঢ় আতঙ্কে
গত এক সপ্তাহে দেশব্যাপী সংগঠিত এসব সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস ও সহিংসতার ঘটনায় সরকারের চরম ব্যর্থতা স্পষ্ট
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাৎক্ষণিক কর্তব্য পালনে প্রশাসনের অবহেলার অভিযোগ উঠেছে
হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারাসহ ওয়াকিবহাল মহল ও বিশিষ্টজনেরা এসব হামলায় স্থানীয় সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন শুরু থেকেই
দুর্গাপূজা শেষ হলেও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস থামেনি
গত ১৭ অক্টোবর রংপুরের পীরগঞ্জে এক তরুণ ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার পোস্ট দিয়েছে এমন প্রচার সৃষ্টি করে জেলেপল্লিতে অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে
গরিব মানুষের সহায়-সম্বল লুট হয়েছে, ভস্মীভূত হয়েছে আশ্রয় ও সঞ্চয়
উন্মাদনার আগুনে জীবন্ত দগ্ধ হয়েছে অবলা প্রাণী
এসব ক্ষয়ক্ষতির অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ হয়তো সম্ভব, কিন্তু দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং ধর্ম ও বিশ্বাস নির্বিশেষে সংবেদনশীল সব মানুষের যে অপূরণীয় মানসিক ট্রমা হয়েছে, তার প্রতিকার হবে কী দিয়ে?
আমরা সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছিলাম
এ দেশের মানুষের সেই সংগ্রামের চেতনাকে ভাষায় প্রকাশ করতে গিয়ে ১৯৭১ সালে গোবিন্দ হালদারের লেখা 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি/ মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি' গানটি আমরা যুদ্ধের ময়দানে প্রাণ উজাড় করে গাইতাম
স্বাধীন বাংলাদেশ ৫০ বছর অতিক্রম করেছে
মুক্তিযুদ্ধের এতগুলো বছর পর আজ আমাদের স্বপ্নে লালিত সেই ফুলের বাগান আগুনে পুড়ে অঙ্গার, লুটতরাজে তছনছ হওয়া ধ্বংসস্তুপ
একটি মুখের হাসির জন্য আমরা যে অস্ত্র ধারণ করেছিলাম, তার বদলে নিপীড়িতের আর্তনাদ আর বিষাদমাখা মুখে চোখের জলই আজ আমাদেরকে দেখতে হচ্ছে
সাম্প্রদায়িকতার এই উত্থান দেশের জন্য কেবল বেদনা ও গ্লানির বিষয়ই শুধু নয়, তা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-ধারার অবমাননাই কেবল নয়-তা দেশের অস্তিত্বের জন্যও মহাবিপদ বটে
কেন বর্তমান সময়ে এসে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন আমরা হচ্ছি! একাত্তরের পরাজিত এবং পরে পুনর্বাসিত পাকিস্তানি ভাবধারার অনুচর সাম্প্রদায়িক শক্তিকে আমরা '৭১-এ পরাভূত করতে সক্ষম হয়ে থাকলেও এই অশুভ শক্তিকে তখন আমরা পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন করতে পারিনি
জামায়াত-শিবিরসহ এই প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী এখন আবার ফণা তুলেছে
আমাদের দেশের শাসকগোষ্ঠীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদেই আজকের এমন বিপজ্জনক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে
আমরা বার বার দাবি করেছি-স্বাধীনতাবিরোধী এই কুচক্রীদের কমান্ড সেন্টার, যোগাযোগের নেটওয়ার্ক এবং অর্থের উৎস ইত্যাদি সমূলে ধ্বংস করতে হবে
কিন্তু ক্ষমতাসীনরা আমাদের কথা শুনেনি
বিএনপি রাজনৈতিকভাবে এই শক্তিকে পুনর্বাসিত করেছে
আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতার লোভে বিএনপির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এসব অপশক্তিকে তার পক্ষে রাখার চেষ্টা করেছে, মদদ যুগিয়েছে
এখনো এই দুই দল একই নীতি অনুসরণ করছে
সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, শাসকদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও লালন-পালনের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিপদ কেবল ধর্মান্ধ প্রতিক্রিয়াশীল ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী ক্যাডারবাহিনী রূপেই বিরাজ করছে না
সাম্প্রদায়িকতা দিন দিন দেশের 'সামাজিক মনস্তত্ত্বে' আসন গেড়ে বসছে
এর দায়-দায়িত্ব শাসকদেরই নিতে হবে
বর্তমান সরকার হেফাজতকে খুশি করতে গিয়ে পাঠ্যপুস্তক ও সিলেবাসকে সাম্প্রদায়িক ধারায় পরিবর্তন করেছে
প্রগতিশীল বিভিন্ন লেখক, এমনকি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ দেয়াসহ পাঠ্যপুস্তকের বিভিন্ন ছবি, শব্দ পরিবর্তনের জন্য হেফাজতের দেয়া প্রেসক্রিপশন অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও সিলেবাস নতুন করে মুদ্রিত হয়েছে
'কওমি জননী' উপাধি পাওয়ার মূল্য হিসেবে আমাদের অনেক মূল্যবান অর্জনের অনেক কিছুই বিসর্জন দিতে হয়েছে
শাসকদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, মানুষের মনস্তত্ত্বে সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে পড়েছে
রাষ্ট্রযন্ত্র ও প্রশাসনের লোকেরাও এ থেকে মুক্ত নয়
ফলে সাম্প্রদায়িক হামলা ও সহিংসতা মোকাবিলার কাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন যথার্থভাবে ভূমিকা রাখতে পারছে না
'সর্ষের মধ্যেই ভূত' থাকলে ভূত তাড়াবে কে?
সাম্প্রদায়িকতার উত্থানের পেছনের আরও একটি কারণ হলো, জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনে যেনতেন উপায়ে বিজয়ী হওয়ার উদ্দেশ্যে শক্তির সমীকরণ সপক্ষে রাখার উদ্দেশ্যে লুটেরা বুর্জোয়া শ্রেণির দলগুলো সাম্প্রদায়িকতার কার্ড নির্বিচারে খেলে চলেছে
রাজনৈতিক স্বার্থে সাম্প্রদায়িকতার ব্যবহারে কেউ কারো চেয়ে পিছিয়ে নেই
পাশাপাশি উপমহাদেশের অন্যান্য দেশেও সাম্প্রদায়িকতা বড় সমস্যা হিসেবে বিরাজ করছে