content
stringlengths
0
129k
প্রতারক মনিরুল জাল-জালীয়াতির মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে চাকরি প্রার্থীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে থাকতো
নিয়োগপত্রে উল্লেখিত যোগদানের তারিখে সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগদানের নিমিত্তে যাওয়ার পর চাকরি প্রার্থীরা বুঝতে পারতেন যে ওই নিয়োগপত্র ভুয়া
এভাবে প্রতারক মনিরুল ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে
এছাড়াও মনিরুল প্রতারণার কাজে জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজ নাম পরিবর্তন করে চাঁন মন্ডল পরিচয় ধারণ করে
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারক মনিরুল অভিযোগকারী মো. শাহিন আলম (২৭) ও মো. নাসিম (২১) এর কাছে ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদান ও মোটা অংকের অর্থ গ্রহণসহ জাল জালিয়াতির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন চাকরি প্রত্যাশীর কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করে
এই প্রতারণার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বাগাতিপাড়া থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানান এই র‍্যাব কর্মকর্তা
বিষয় : নাটোর প্রতারণা আটক
বাংলাদেশ'র আরো খবর
মন্তব্য করুন
সর্বাধিক পঠিত
সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন
সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী
সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ
প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী
ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭
© 2021 . &
'); // 1 = $(".1").(); // $(". .1").(1); // $(".1").();
করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসায় দুর্নীতি বিষয়ক দুদকের মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছেন
আজ বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন
আদালতে এ বিষয় শুনানি চলছে
দুদকের কোর্ট ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম আত্মসমর্পণের বিষয়টি জানান
এর আগে গত ৫ অক্টোবর আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসেন আজাদ
কিন্তু বিচারক অন্য মামলায় ব্যস্ত ছিলেন
এজন্য তিনি এ মামলায় শুনানি গ্রহণ করতে পারেননি
বিচারক তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে আসার জন্য বলেন
এরপর তার আইনজীবী আত্মসমর্পণের আবেদন তুলে নেন
সম্প্রতি আজাদসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী
চার্জশিটভুক্ত অন্য পাঁচ আসামি হলেন- রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক ডা. মো. শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম
বিষয় : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি
বাংলাদেশ'র আরো খবর
মন্তব্য করুন
সর্বাধিক পঠিত
সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন
সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী
সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ
প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী
ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭
© 2021 . &
'); // 1 = $(".1").(); // $(". .1").(1); // $(".1").();
শতভাগ খাঁটি খাদ্য পণ্যের নিশ্চয়তা নিয়ে কুষ্টিয়া শহরে আপনার পাশে সুখাদ্য ডট কমের অনলাইন সার্ভিস
যারা সময়ের অভাবে ও পরিশ্রম হবে ভেবে নিজে প্রস্তুত করে শতভাগ খাঁটি ও কেমিক্যাল মুক্ত খাদ্য পণ্য প্রস্তুত করতে পারেন না তাদের জন্য আমাদের এই আয়োজন
পুলিশি হামলার প্রেক্ষিতে তাজরীন ও এ ওয়ান বিডি লিঃ এর শ্রমিকদের যৌথ সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সাধারণ সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু, লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এ ওয়ান বিডি... "
ধানমন্ডি সাত নম্বর রোডের মসজিদের পাশের টং দোকানের পাশ দিয়ে যারা হেঁটে, রিকশায় কিংবা গাড়িতে করে যাচ্ছেন তারা কেউই খেয়াল করে না, একজন চুল সাদা বৃদ্ধ মানুষ তারচেয়েও সাদা রঙের শার্ট পরনে, যত্ন করে লাগানো উইগের ছায়ায় স্ট্যাচুর মতো বসে আছেন
এখান থেকে ঠিক পঁচিশ কদম এগিয়ে হাতের বাম পাশে তার বাসা
লোকটির হাতে যে মানসিক চিকিৎসকের ঠিকানা আছে এবং কিছুক্ষণ আগেই তিনি পুলিশি জেরা থেকে ছাড়া পেয়েছেন তাও কোনো পথচারীর কিংবা আমার জানার কথা নয়
তবে গল্পটা যেহেতু আমি বলছি আপনাদের, সুতরাং ধরে নিতে পারেন আমার বলায় কোনো ভুল নেই
যদি এই মুহূর্তে ভালো করে লোকটির দিকে তাকাই দেখতে পাব, তার চোখ বন্ধ
নিঃশ্বাসের গতিও খুব ধীর
দশ বছরের একটি ছেলেকে নিয়ে ফেসবুক লাইভে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন তিনি
সুতরাং, পুলিশ যখন তাকে বলে, আজমত সাহেব আপনি দ্রুত মানসিক রোগের ডাক্তার দেখান, তখন কেউ না জানলেও বুঝে নিতে অসুবিধে হয় না বৃদ্ধ লোকটি যিনি উইগ দিয়ে বয়স ঢাকার চেষ্টা করছেন, তিনি ঠিক বাকি সবার মতো সুস্থ নন
সত্যি সত্যি তিনি মেরে ফেলতেন কিনা তা জানার সুযোগ নেই যেহেতু ব্যাপারটা তিনি শেষ পর্যন্ত ঘটাননি
বরং প্রশ্ন তুলেছেন, এই দূষিত পৃথিবীতে নিষ্পাপ শিশুদের বড় করা নিয়ে
তিনি বলেছিলেন, এই শহরের ইট-পাথরে শৈশব নেই
কৈশোরের দুরন্তপনার মাঠ কোথায়? গাছের ডাল থেকে পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার পুকুর তো কষ্ট কল্পনা
তাহলে কেন, এই দশ বছরের ছেলেটি একজন বিষণ্ন মানুষ হওয়ার জন্য বেড়ে উঠবে পৃথিবীতে?
নিঃসন্দেহে অনেক প্রয়োজনীয় কয়েকটি প্রশ্ন উথাপন করেছিলেন আজমত
লাভের ভেতর লাভ হয়েছিল, ছেলেটির বাবা-মা থানা পুলিশ করেছিল
খুশি হয়েছিলেন তিনি
তারপর সেই আনন্দ বেশিদিন থাকেনি, ফেসবুকে কোনো আলোড়ন তোলেনি দেখে
বরং তাকে মানসিক বিকারগ্রস্ত ভেবে দ্রুতই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল
আজমতের পরিবারের অন্যান্য লোকজন পর্যন্ত এতো বড় একটি ঘটনা নিয়ে মাথা ঘামায়নি
জোহরের আজান দিয়েছে কিছুক্ষণ আগে
মুসল্লিরা একে একে তাকে পার হয়
তিনি চোখ খুলে মাটির দিকে তাকান
দেখতে পান, একটি সিগারেট ঠিক মাঝ বরাবর ছিঁড়ে পায়ের কাছে পড়ে আছে
তামাক আশেপাশে ছড়িয়ে গেছে
খণ্ডিত সিগারেটের সঙ্গে দৃশ্যটি মানানসই
এতো সুচারুভাবে সিগারেটটি টুকরো হলো কী করে?
স্ট্যাচু অবস্থা থেকে সরে এসে মোবাইল বের করেন আজমত
তৎক্ষণাৎ ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেন
ক্যাপশনে লেখেন- আমাদের জীবনটাও কি এমন, দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়ে থাকে কারও অনুগ্রহের অপেক্ষায়?
পাঁচ মিনিট পার হয়, দশ মিনিট পার হয়, অথচ আজমতের পোস্টে একটি লাইকও আসে না
দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে তার
মিয়ম্রাণ নিঃশ্বাস, দীর্ঘশ্বাসে যেনো আরেকটু ক্লান্ত হয়
করণীয় কিছু খুঁজে না পেয়ে তিনি খণ্ডিত সিগারেটটি তুলে নিয়ে, দূরে ছুড়ে মারেন ঝোপ লক্ষ্য করে
সার্টিফিকেটের নাম বদলে ফেলেছেন
পরেছেন নতুন মুখোশ
বহুবার ব্যবহার করা জীর্ণ পোশাকের মতো নামটিও যেনো ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন প্রাগৈতিহাসিক কোনো এক গোপন গহ্বরে
যদিও কপালে পুরোনো নামটি খোদাই করে নিলেও কেউ টের পেত না যে তার নাম আসলেই বদলে গেছে
টের পাবেই বা কীভাবে? সার্টিফিকেট, অফিস, ব্যাংক বাড়ি সব জায়গায় থাকা নিজের নাম মোহাম্মদ আজমল থেকে যে আহমাদ আজমত হাসান হয়েছে তা তো নিজ বাড়ির লোকজনই ঠিকঠাকভাবে খেয়াল করেনি
ফেসবুকেও শুরুতে আসল নামেই ছিলেন
টুকটাক গল্প লেখা দিয়ে শুরু
একে একে সাহিত্য থেকে শুরু করে সমাজের সব পেশার মানুষের ফেসবুক বন্ধু হতে থাকলেন তিনি
দেখতে পেলেন, ক্রমান্বয়ে বন্ধুর সংখ্যা বাড়লেও লাইক-শেয়ারের অবস্থা তথৈবচ
তাই তিনি একদিন আচমকাই নিজের নাম পরিবর্তন করে বসলেন
আহমেদ আজমত হাসান
নামটি বেশ ভারিক্কি
নামের শেষে 'মল' থাকলে কেমন দেখায়, এই ভেবে মলের জায়গায় 'মত' লাগিয়ে নিয়েছেন
এতে করে, বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ফেসবুকে মত কিংবা প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকারও সৃষ্টি হয় ভেবে তিনি, নামটি চূড়ান্ত করে ফেলেন
চাকরি ছাড়ার পর থেকে আজমতের মিশন একটাই
তাকে ফেসবুক সেলিব্রেটি হতে হবে
সুতরাং, এই ধরনের নানাবিধ বাধা এলেও তিনি পিছপা হন না
দুপুরের রোদ মিইয়ে এলে, গাছের ছায়া খানিকটা দীর্ঘ হলে, মসজিদের ভিড় কমে গেলে, দ্বিখণ্ডিত সিগারেটটি ছুঁড়ে মারার পর কিছু সময় পার হলে অবশেষে সদ্য পোস্ট করা ছবিটিতে একজন কমেন্ট করে- ভালো বলেছেন তো
আমার জীবনটাও এমন দ্বিখণ্ডিত
উৎসাহ নিয়ে আজমত আইডিটি খোলেন
তামিল নায়িকার ছবি দেওয়া
নাম দেওয়া, অ্যাঞ্জেল হিমি
মেয়েটির স্ট্যাটাসগুলো দেখতে থাকেন