content
stringlengths
0
129k
পুলিশের বেঁধে দেওয়া রুট থেকে বেরিয়ে যাওয়া, ট্র্যাক্টর চালিয়ে পুলিশকে ভয় দেখানো, লালকেল্লায় ঢুকে পড়া, সেখানে পতাকা টাঙানোতে বড়ো পুঁজিপতিদের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যমগুলো 'গেল গেল' রব তুলেছে
গত দুমাসে যখন প্রায় দেড়শো কৃষক মারা গেছেন দিল্লির সীমান্ত ঘিরে বসে থেকে, তখন কিন্তু কোনো সংবাদমাধ্যম এসব কথা তোলেনি, বলেনি মোদির কেন্দ্রীয় সরকার বড়ো নির্দয়
ব্যারিকেড গড়ে, মহিলা [...]
আইন প্রত্যাহার ঐতিহাসিক জয়, কিন্তু এতে ভারতীয় কৃষির মূলগত সমস্যার সমাধান হবে না
কৃষি আইন দেড় বছর স্থগিত রাখার কেন্দ্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন কৃষকরা
21, 2021
পিপলস ম্যাগাজিন ডেস্ক: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার সকল নেতৃত্বের পূর্ণাঙ্গ বৈঠকের শেষে কেন্দ্র্রের প্রস্তাব বাতিল করলেন কৃষকরা
বুধবার কৃষি আইন দেড় বছর স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল বিজেপি সরকার
মোর্চা জানিয়েছে, তিনটি কৃষি আইন বাতিল ও ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি নিশ্চয়তার দাবি থেকে তারা সরছেন না
এক বিবৃতিতে তারা আন্দোলনে এখনও অবধি মৃত ১৪৩জন কৃষককে শ্রদ্ধিা জানিয়ে [...]
আইন প্রত্যাহার ঐতিহাসিক জয়, কিন্তু এতে ভারতীয় কৃষির মূলগত সমস্যার সমাধান হবে না
জিও সিম, ফরচুন তেল-চালের প্যাকেট জ্বালিয়ে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দক্ষিণ ২৪ পরগনায়
17, 2021
পিপলস ম্যাগাজিন ডেস্ক: রিলায়েন্সের জিও সিম এবং আদানি কোম্পানির ফরচুন তেল বয়কটের আওয়াজ পঞ্জাব-হরিয়ানার সীমান্ত ছাড়িয়ে এবার পৌছে গেল পশ্চিমবঙ্গেও
রবিবার দক্ষিন ২৪ পরগনার জয়নগর থানা এলাকার কাশিপুরে এক জনসভায় প্রায় ৫০ জন কৃষক ও স্থানীয় মানুষ জিও ফোনের সিম এবং ফরচুন ব্র্যান্ডের তেল, চাল, ব্যসন প্রভৃতির প্যাকেট জ্বালিয়ে দেন
শ্রমিক কৃষক একতা মঞ্চের ডাকা [...]
আইন প্রত্যাহার ঐতিহাসিক জয়, কিন্তু এতে ভারতীয় কৃষির মূলগত সমস্যার সমাধান হবে না
:
পর্দায় নয়, মন্দার যেন অভিনীত হয়েছে বিরাট আকারের এক মঞ্চে!
27, 2021
আজকের বলশেভিক
21, 2021
আইন প্রত্যাহার ঐতিহাসিক জয়, কিন্তু এতে ভারতীয় কৃষির মূলগত সমস্যার সমাধান হবে না
19, 2021
রোমে জি২০ শীর্ষবৈঠক বিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মোদির বিরুদ্ধেও
2, 2021
জনস্বাস্থ্য
ফটো গ্যালারি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মানবাধিকার
শ্রমিক-কর্মচারী
. . , , , .
বাংলা নতুন বছর উদযাপনের প্রতি আমার আগ্রহ অসীম
কেনো এই টান আমি নিজেও জানি না
এমনিতেই আমি পার্টি এ্যনিম্যাল কিন্তু বাংলা নতুন বছর নিয়ে আমার যেটা হয়, সেটা হলো উন্মাদনা
এ উন্মাদনা নিয়ে অনেক মজার এবং বেমজার ঘটনাও ঘটে
একবার ঠিক করলাম রমনা বটমূলে সকাল ছয়টায় বর্ষবরন করতে যাবো
ঘুম থেকে উঠতে যদি না পারি তাই ভাবলাম রাতে ঘুমাবোই না
এমনিতেই পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে মাত্র কদিন আগে এখানে থেকে দেশে গিয়েছি, তাই না বলা গল্পের ঝুড়ি দুই প্রান্তেই অফুরন্ত
আমরা সারারাত ধরে সকালের শাড়ি চুড়ি সাজগোজ ঠিক করলাম, তারপর বসলাম হাতে মেহেদী দিতে
সাথে গান বাজনাতো আছেই
এ সময়টায় ঢাকায় বড্ড ঘন ঘন লোডশেডিং হয়
যত সম্ভব রাত তিনটার দিকে আবার কারেন্ট চলে গেলো
অনেক গরম তাই আমি ভাবলাম ঘরের লাগোয়া বারান্দায় একটু বসি, বাতাস আসবে
আমার ছোট দুবোন চার্জার নিয়ে রান্নাঘরে গেলো চা বানাতে
আমি বারান্দায় বসে আছি, আমাদের রুমটা বাড়ির পেছনের দিকে
আমাদের ঠিক পাশের বাড়ির লোকরা তাদেরও সেই পেছনদিকের ঘরগুলোতে মেস করে ব্যচেলরদের ভাড়া দিয়েছেন
আমি অন্ধকারে দেখতে পাচ্ছি, জোনাকির মতো কিছু ওঠানামা করছে
অন্ধকার চোখে সয়ে গেলে বুঝলাম, সিগ্রেট
কারেন্ট নেই, ভ্যাপসা গরম, ঘুমানোর মতো কোন অবস্থা কারোই নেই
তারা স্যান্ডো গেঞ্জী গায়ে দিয়ে বাইরের খোলা হাওয়ায় ঘুরছেন
আমাকে অন্ধকারে তাদের দেখতে পাওয়ার কোন কারন নেই
যদিও আমি বারান্দার গ্রীলের ফাঁক দিয়ে নীচু হয়ে তাদের দেখতে পাচ্ছি
রাত নিঝুম তাই চারপাশের শব্দ পরিস্কার শোনা যায়
তারা নিজেদের মধ্যে আমাদের নিয়ে আলোচোনা করছেনঃ
প্রথমজনঃ দ্যাশটার কি হইলো? রাইতের বাজে তিনটা মাইয়াগুলা এখনো গান বাজনা করতাছে?
দ্বিতীয়জনঃ অপসংস্কৃতি অপসংস্কৃতি, অশ্লীল
আরেকজনঃ (খুবই অভিজ্ঞতার সুরে) এইজন্যই মুরুব্বীরা আগেরদিনে কইতো বয়সকালে মাইয়াপুলার বিয়া দিতে হয়, বয়সকালে মাইয়াপুলার বিয়া না হইলে, এইগুলার মাতা নষ্ট হইয়া যায়, রাইতে বিরাইতে এইগুলা গান বাজনা করে
অন্যরা সবাই তাদের মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে তার বেদবাক্য সায় দিচ্ছেন
আমি কোন রকমে হাসি চেপে মাথা নীচু করে ঘরে এসে (যাতে তারা আমাকে দেখতে না পায়) আমার ভাই আর স্বামীকে আমাদের বয়সকালে বিয়ে না হওয়ার গপ্পোটা দিলাম
যতোবার নতুন বছর ঘুরে আসে, সবচেয়ে প্রথমে আমার এ নাম না জানা কজন লোকের বেদবাক্যি গুলো মনে পড়ে
তারচেয়ে বড় আইরোনি হলো, সেদিন কি আমরা সূর্যোদয়ের সময়ে বটমূলে পৌঁছতে পেরেছিলাম? না ভাই না
সারারাত গুলতানি করে ভোরের দিকে সবাই এদিক সেদিক কাত
আমাদের কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে আব্বু আমরা কি চলে গেছি না দেখতে এসে আমাদেরকে বেলা আটটায় ঘুম থেকে টেনে তুলেছিল
যাক আবার নতুন বছর আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে
নতুন বছরের শুরু হবে কিছু নতুন চাওয়া পাওয়ার আকাঙ্খা আর বেদনা নিয়ে
সুস্বাগতম হে নতুন তোমায়
://../?=-2
২৯শে চৈত্র ১৪১৬
তানবীরা 15:35 :
, 9 2010
প্রজাপতি মন আমার
মেয়ের স্কুল থেকে নানান ধরনের চিঠিপত্র আসতেই থাকে
সারাদিন অফিস ঠেঙিয়ে বাড়ি ফিরে এই হলো আমার হোমওয়ার্ক
মেয়ের বিভিন্ন বিষয়ের বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা গ্রহন করা
তারা বাইরে খেলতে যাবেন অমুকদিন তাদেরকে যেনো অমুক কাপড় আর তমুক স্যু দিয়ে দেই
অমুক দিন তমুক টীচারের জন্মদিন, টিফিন দিতে হবে না বাসা থেকে, হেনতেন ভেজালের চিঠি আসতেই থাকে
আজকেও মেয়ের স্কুল ব্যাগ খুলে চিঠি পেয়ে বিরস বদনে পড়ছি, হঠাৎ বুকের মাঝে ধাক্কা লাগলো
চিঠিতে লেখা আছে, বসন্ত শুরু হয়েছে তাই চলছে গরমকে বরন করার প্রস্তূতি
বাচ্চাদেরকে "সামার ক্যাম্প" এ নিয়ে যাওয়া হবে
আমার মেয়েকে সাথে দিতে চাই কি না? দিলে কি পুরো সপ্তাহন্তের জন্যই দিতে চাই নাকি একদিন বা দুদিনের জন্য? একদিনের জন্য হলে এতো টাকা, দুদিনের জন্য হলে ততো
ভাবছি মেয়ে আমার শেষ পর্যন্ত এতোটাই বড় হয়ে গেলো যে একা ক্যাম্পে যাবে? এতোদিন শুনেছি এর বাচ্চা যায় তার বাচ্চা যায়, এখন আমার বাচ্চার জন্য চিঠি!!! মেয়ে একবার এক রাতের জন্য পাশের বাড়ি বান্ধবীর কাছে থাকতে গিয়েছিল, সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে মেয়েকে আনতে ছুটেছি
সারাটা সন্ধ্যা আমার অস্থির লেগেছে
নিজেকে কতো ভাবে বুঝাতে হয়েছে
ভেবেছি আমি যখন বিদেশে আমার নিজের সংসার সাজাতে ব্যস্ত ছিলাম আমার মা'ও হয়তো ঠিক এভাবে আমাকে মিস করেছেন, কেঁদেছেন
কিন্তু আমি নিজে কি এতো বড়ো হয়ে গিয়েছি? আমার মেয়ে ক্যাম্পে যাবে? এতো বড় মেয়ের মা কি আমি? আমারতো সারাক্ষন মনে হয়, এইতো সেদিন আমি স্কুলে যেতাম, দুষ্টুমী করতাম! সেদিন মাত্র নয়? কিছু কিছু জিনিসতো এখনো স্পষ্ট মাত্র কিছুদিনের আগের কথা মনে হয়
দু হাজার দুইয়ে রাইফেল স্কোয়ারে এগোরা খুললো সুপার মার্কেট
আমি আর ভাইয়া রোজ যাই দেখতে
তখন ধানমন্ডির আশে পাশে বাস করা সব সেলিব্রেটিরা বান্ডেল ভর্তি টাকা নিয়ে ওখানে বাজার করতে আসেন
আমরা ক্যাশের পাশের খাবারের দোকানে খাই আর কে কখন কতো ঘুষ খেয়ে এসে এখানে বাজার করছে তার কাল্পনিক হিসাব মিলাই
একদিন এগোরাতে ঘুরছি, আমাদের সামনে গায়ক সাদী মোহাম্মদ তার পরিপাটী নিভাজ চুল আর একজন কর্মচারী গোছের কাউকে নিয়ে ঘুরছেন আর বাজার করছেন
তারা সেলিব্রেটি সুতরাং বাজারে যেয়ে নিজের হাতে জিনিস তোলা তাদের সাজে না কাজ়েই সাথে কেউ
একটু পর পরই আমরা সাদী মোহাম্মদের মুখোমুখি হচ্ছি দোকানে, তখন আমরা তার পিছে পিছেই ঘুরতে লাগলাম
নামী দামী লোকদের দেখতেওতো অনেক সুখ
খেয়াল করলাম মাথার চুলগুলো যেনো কেমন একদম নিভাঁজ