content
stringlengths
0
129k
প্রায় পাঁচ বছর আগে বে টার্মিনাল নির্মাণের কারিগরি, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়
বে-টার্মিনালে প্রথম পর্যায়ে তিনটি টার্মিনাল নির্মাণ হবে
এর মধ্যে একটি টার্মিনাল বন্দরের অর্থায়নে হবে
বাকি দুটি টার্মিনাল হবে পিপিপি মডেল বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে
এই তিনটি টার্মিনাল ২০২৪ সালের মধ্যে চালু করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে
বহুল প্রত্যাশার বে টার্মিনালে অর্থায়ন করবে বিশ্ব ব্যাংক (এডিবি)
সাগরে ব্রেক ওয়াটার নির্মাণ এবং চ্যানেল তৈরির প্রয়োজনীয় যাবতীয় ব্যয়ের যোগান দেবে সংস্থাটি
সিঙ্গাপুরের আদলে সাগর ভরাট করে উদ্ধার করে আনা ভূমিতেই নির্মিত হবে বে টার্মিনালের অবকাঠামো
এটিই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রিক্লেইমের ঘটনা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন
ব্যক্তি মালিকানাধীন, খাস জায়গা এবং সাগর ভরাট করে তুলে আনা ভূমি মিলে সর্বমোট আড়াই হাজার একর ভূমিতে বিস্তৃত হবে বে টার্মিনালের কার্যক্রম
বিদ্যমান চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম চলে সাড়ে চারশ' একর ভূমিতে
চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ে পাঁচ গুনেরও বেশি বিস্তৃত এলাকায় হবে বে টার্মিনালের কার্যক্রম
শুধু ভূমি রিক্লেইমই নয়, এই টার্মিনালে একটি চ্যানেল তৈরি করতে হবে
বিদ্যমান চরকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া খালের মতো একটি অংশকে ড্রেজিং করে চ্যানেল তৈরি করা হবে
এটিই বে টার্মিনালের মূল চ্যানেল
এই চ্যানেলেই ১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভেড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চট্টগ্রাম বন্দর
বে-টার্মিনালের চ্যানেলটিকে ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করার জন্য বঙ্গোপসাগরে বাঁধ দিয়ে নির্মাণ করতে হবে ব্রেক ওয়াটার
ব্রেক ওয়াটার এবং চ্যানেল তৈরির কাজটি খুবই ব্যয়বহুল
বিশ্বব্যাংক এই দুইটি কাজের জন্য অর্থায়ন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে
ব্রেক ওয়াটার এবং চ্যানেল তৈরির জন্য যত টাকারই প্রয়োজন হোক না কেন তার পুরোটাই বিশ্বব্যাংক যোগান দেবে
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে সক্ষমতার প্রায় পুরোটাই ব্যবহৃত হচ্ছে
এই অবস্থায় দেশের আগামী দিনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য পরিচালনা করতে হালিশহর সমুদ্র উপকূলে বে টার্মিনাল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়
উপকুলীয় ৯৩৯ একর ভূমিসহ সাগর ভরাট করে প্রায় আড়াই হাজার একর জমিতে বে টার্মিনাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও প্রাথমিকভাবে ব্যক্তি মালিকানাধীন ৬৮ একর জায়গা হুকুমদখল করা হয়েছে
এই জায়গাটিতে সীমানা দেয়াল নির্মাণসহ ভরাট করার কার্যক্রম চলছে
ব্যক্তি মালিকানাধীন ৬৮ একর জায়গার বাইরে সাগর ভরাট করে আরো অন্তত ৫শ' একর ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব হবে
সরকারি খাস জায়গার পাশাপাশি আরো প্রায় ১১শ' একর ভূমি সাগর ভরাট করে পাওয়া যাবে
প্রকল্পটিতে মোট ১৬শ' একর ভূমি সাগর ভরাটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে
বে-টার্মিনালে মোট তিনটি টার্মিনাল থাকবে
প্রতিটি টার্মিনালে ৩০০ মিটার লম্বা ছয়টি জেটি থাকবে
অর্থাৎ একটি টার্মিনালে ১৮শ' মিটার লম্বা জেটি এবং পশ্চাদসুবিধা গড়ে তোলা হবে
প্রতিটি টার্মিনালে একই সাথে ছয়টি জাহাজ বার্থিং দেয়া যাবে
তিনটি টার্মিনালের প্রথমটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজেরা বাস্তবায়ন করবে
বাকি দুইটি টার্মিনাল আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) ভিত্তিতে নির্মাণ করা হবে
এই দুইটি টার্মিনাল নির্মাণে বিওটি (বিল্ড অপারেট এন্ড ট্রান্সফার) পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে
অর্থাৎ বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে টার্মিনাল নির্মাণের দায়িত্ব দেয়া হবে
তারা টার্মিনালটি নির্মাণ করে ইকুইপমেন্ট স্থাপনসহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত নিজেরাই টার্মিনালটি পরিচালনা করবে
এরপর বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট সবকিছুসহ হস্তান্তর করে নিজেরা চলে যাবে
২০২৪ সালের মধ্যে বে টার্মিনালের দক্ষিণ প্রান্তের প্রথম টার্মিনালে জাহাজ ভিড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মোহাম্মাদ ওমর ফারুক বলেন, '২০২৪ সালের মধ্যে এই বে-টার্মিনাল অপারেশনে যেতে পারবে বলে আশা করছি
এটি হবে একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক বন্দর
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর থেকে এই বে-টার্মিনালের দূরত্ব খুব বেশি না
তাই খুব সহজেই ওই সব অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে পোর্টে মালামাল আনা-নেয়া সম্ভব হবে
তিনি বলেন, 'চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমরা বর্তমানে বছরে ৩০ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করি
বে-টার্মিনাল তৈরি হয়ে গেলে সেখানেই আমরা ৪৫ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করতে পারব
পরে সেটা আরও বাড়বে
এখান আমরা প্রতিবছর কার্গো এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিং করে সরকারকে ৪০০ কোটি টাকা দিয়ে থাকি
বে-টার্মিনাল হলে আমরা আরও কয়েক গুণ বেশি রেভিনিউ দিতে পারব
গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখেছেন বলেই বে টার্মিনাল বাস্তবায়িত হচ্ছে
রিং রোড বাস্তবায়নসহ বেশ কিছু উন্নয়নের ফলে পুরো এলাকার চিত্র পাল্টে গেছে
ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, বে-টার্মিনাল চালু হলে দেশের অর্থনীতি আরো গতিশীল হবে
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সাথে বাড়বে কর্মসংস্থান
দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে বে-টার্মিনাল দৃশ্যমান হয় সরকার সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে
এ সময় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, বে টার্মিনাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প
এটি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমরা পেয়েছি
এখন দ্রুততম সময়ে কনসালট্যান্ট নিয়োগ করে আমরা প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাব
বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ হলেও উপকূলীয় এলাকার বে টার্মিনালের প্রকল্প এলাকায় এ ধরনের ঝুঁকি নেই
যা ফিজিবিলিটি স্টাডিতে উঠে এসেছে
বন্দরের বর্তমান জেটিতে জাহাজ ভিড়ানো জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করলেও বে টার্মিনালে ২৪ ঘণ্টা এবং চ্যানেলে এক সঙ্গে চারটি জাহাজ পাশাপাশি চলাচল করতে পারবে
তিনটি টার্মিনালের মধ্যে মাল্টিপারপাস টার্মিনালের বিনিয়োগ সাড়ে আট বছরে এবং কন্টেনার টার্মিনালের বিনিয়োগ সাড়ে ১১ বছরে উঠে আসবে
এ ছাড়া ভবিষ্যৎ চাহিদাকে মাথায় রেখে অন্যান্য সব সুবিধা ছাড়াও ট্রাক টার্মিনাল ও আলাদা ডেলিভারি ইয়ার্ড নির্মাণ পরিকল্পনায় রয়েছে
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে উৎপাদন শুরুর অপেক্ষা
দ্রুত সময়ের মধ্যে চট্টগ্রামের মিরসরাই, সীতাকুণ্ড ও ফেনীর সমুদ্র ঘেঁষা পিছিয়ে পড়া চরাঞ্চলে গড়ে উঠছে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'
৩৩ হাজার একরের এই অর্থনৈতিক অঞ্চল ১৫ লক্ষের অধিক মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সেখানে থাকছে পর্যটন, আবাসনসহ শিল্পের প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা
এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে দ্রুত অবকাঠামো উন্নয়ন শেষ করা হচ্ছে
ইতিমধ্যে শিল্পনগরের বেজা প্রশাসনিক ভবনের অদূরে ১০ একর জায়গায় ২৮ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে দেড় বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হয় চীনের জুজু জিনইয়ান কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানার
এই কারখানার অদূরে ইস্পাত পাত প্রক্রিয়াকরণের 'নিপ্পন অ্যান্ড ম্যাকডোনাল্ড স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড' কারখানার কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ছয় মাস আগে
জাপানের নিপ্পন স্টিল ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কারখানা গড়ে তুলেছে বাংলাদেশের ম্যাকডোনাল্ড স্টিল বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ
যৌথ উদ্যোগ ছাড়াও ম্যাকডোনাল্ড স্টিল বিল্ডিং প্রোডাক্টস লিমিটেডের আরেকটি কারখানার কাজ শেষ পর্যায়ে
প্রায় ১০০ একর জমিতে ছয় কোটি ডলার ব্যয়ে এখানে এই দুটি কারখানা স্থাপন করা হয়েছে
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোনের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন গণমাধ্যমকে বলেন, এ বছর অন্তত চার-পাঁচটি শিল্পকারখানা উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল
কিন্তু করোনা উদ্যোক্তাদের কাজের গতি কমিয়ে দিয়েছে
এরপরও এই শিল্পনগরে ১৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কারখানা নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে
বেজার মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা ঘিরে এই শিল্পনগরের আয়তন হবে ৩৩ হাজার ৮০৫ একর
এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে থাকবে শুধু শিল্পকারখানা
বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র থাকবে
সংশ্লিষ্টরা জানান, কয়েকটি শিল্প-প্রতিষ্ঠান এ বছরেই উৎপাদনে যাবে
শুধু তাই নয়, এই শিল্পনগরী বদলে দেবে পুরনো শিল্প-কারখানার গতানুগতিক বৈশিষ্ট্য
দেশের অন্য অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে বিনিয়োগ আসছে বেশি
এ শিল্পনগরে এরই মধ্যে দেশী-বিদেশী প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব পেয়েছে বেজা
সরাসরি শতভাগ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), বেসরকারি উদ্যোগ এবং যৌথ বিনিয়োগ প্রস্তাব আসছে অব্যাহতভাবে
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর অন্যতম
এটি নির্মিত হচ্ছে সাগরপাড়ে ইছাখালী, চরশরৎ, চর মোশাররফ ও সাধুর চর এলাকায়
দেশে ১০০টি ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার যে উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে, তার মধ্যে অগ্রাধিকার হিসেবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর
প্রাথমিকভাবে পাঁচ লাখ কর্মসংস্থানের টার্গেট থাকলেও অর্থনৈতিক অঞ্চল ৩০ হাজার একরে সম্প্রসারিত হলে সেখানে কমপক্ষে ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব
ফলে দেশের অন্যান্য জেলার মানুষও এ জোনে কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ পাবে
অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ জানায়, বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে এ পর্যন্ত ১২২টি প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ হাজার একরের জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে
অপেক্ষায় আছে ৩১টি প্রতিষ্ঠান
সব মিলিয়ে প্রায় ছয় হাজার একর জমিতে বিনিয়োগ আসছে
মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ৩৪ হাজার একর জমির মধ্যে ইতিমধ্যে বেজার হাতে ২১ হাজার একর জমি রয়েছে
মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ হবে বলে বেজা জানিয়েছে
বিনিয়োগ এলেও উদ্যোক্তারা এখন লজিস্টিকস সুবিধার অপেক্ষায় আছেন
শিল্পকারখানার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজন গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও যোগাযোগব্যবস্থা
বেজা গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা করছে
নির্মাণাধীন শিল্পকারখানার আশপাশে রাস্তাঘাট নির্মাণ হয়েছে
তবে পানির সংস্থান এখনো হয়নি
এদিকে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহী করতে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের রাস্তাঘাটসহ সব অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা
চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, 'বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে
কিন্তু এটির উন্নয়নকাজের গতি আরও বাড়াতে হবে
বর্তমানে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও বন্দর সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে
এসব সুবিধা পুরোপুরি না থাকলে কারখানা চালু রাখা যাবে না