content
stringlengths
0
129k
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন
এজন্য রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমান, আরও বক্তব্য দেন সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিম
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সকলে ৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণের সকল পর্যায় অর্থাৎ ধাপ পরিদর্শন করেন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সাবরিনা নাজ, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা)ও সদস্য(উৎপাদন ও বাজরজাতকরণ) অ:দা: সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষনা) এম.এ মান্নান, রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো: লিয়াকত আলী, রে...
অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন বোর্ডের সচিব মো: জায়েদুল ইসলাম
আপনার খাদ্যাভ্যাসেই চুল হবে সুন্দর লটারি জিতে ভারতের সাংবাদিকদের সংসদে ঢুকতে হচ্ছে টেকনাফে সাড়ে সাত হাজার পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা আটক চাঁদাবাজির শীর্ষে ঢাকা সিটি মুগদা সবুজবাগ মিরপুর মোহাম্মদপুরসহ সবখানে বাড়ি করতে দিতে হয় সরকারি দলকে নগদ টাকা নির্মাণসামগ্রী কিনতে হয় তাদের কাছ থেকেই, নেতাদের অভিযোগ করে লাভ হয় না, ভাগ...
আমাদের ক্রিকেট : রাজনীতি, প্রেম এবং প্রতারণা
ভোরের ধ্বনি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট করা হয়েছে : ০৬-১১-২০২১
জাতি হিসেবে বাঙালি বিভক্ত
নানা জনের নানা মত
দুজন বাঙালি এক হলে ঝগড়া করে
কেউ আওয়ামী লীগ, কেউ বিএনপি
কেউ বলে দেশ ভালো চলছে, কেউ বলে দেশের অবস্থা ভয়াবহ
এ রকম এক বিভক্ত জাতিকে ঐক্যের সুতোয় বাঁধে যে কটি উপলক্ষ তার মধ্যে ক্রিকেট একটি
ক্রিকেট আমাদের সব বিভেদের রেখা উপড়ে ফেলে
গোটা জাতিকে এক আত্মায় পরিণত করে
ক্রিকেট আমাদের হাসায়, কাঁদায়
যে মানুষটির খেলাধুলা নিয়ে তীব্র অনীহা, তিনিও বাংলাদেশের ক্রিকেট হলে উৎসাহী হন
একবারের জন্য হলেও টেলিভিশনে চোখ রাখেন কিংবা বেতারে কান পাতেন
বাংলাদেশ যে ক্রিকেটে এগিয়েছে তার অন্যতম কারণ এ দেশের দর্শক
বাংলাদেশ যখন টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা পেল তখন যেসব কারণ বাংলাদেশের পক্ষে দেখানো হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম হলো দর্শক
দর্শক এবং সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় এ দেশের ক্রিকেট জনপ্রিয় হয়েছে
এ দেশের ক্রিকেট অনেক সাফল্য অর্জন করেছে
বাংলাদেশের জনগণ ক্রিকেটের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হয়েছে
রাস্তায় বেরিয়েছে আনন্দ মিছিল
আবার খারাপ খেললে কেঁদেছে
খেলোয়াড়দের সমালোচনা করেছে
দর্শকদের ভালোবাসাই আমাদের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় শক্তি, সেই ভালোবাসা আমাদের অন্যতম দুর্বলতাও বটে
খেলায় হারজিত থাকবেই
একদিন দল ভালো করবে, আরেকদিন খারাপ করবে
ভালো খেললে যেমন প্রশংসা পাওয়া যায়, তেমন খারাপ খেললে গালিও শুনতে হয়
বাংলাদেশের মতো আবেগপ্রবণ দেশে দুটোর মাত্রাই সীমা অতিক্রম করে
একটি জয় সব সমালোচনা ধুয়ে দেয়
এভাবেই অভ্যস্ত আমরা
কিন্তু এবার টি-২০ বিশ্বকাপ যেন সেই আদলে নয়
এখানে যেন বাংলাদেশের হারগুলো মনে হয়েছে অনাকাক্সিক্ষত
বাংলাদেশ দলকে মনে হয়েছে ছন্নছাড়া, বোর্ডকে মনে হয়েছে দায়িত্বহীন এবং কোচিং স্টাফদের অর্বাচীন লেগেছে
এর আগেও বাংলাদেশ বহুবার হেরেছে
বিশেষ করে টি-২০ ফরম্যাটে বাংলাদেশ কখনই খুব ভালো দল নয়
এর আগে টি-২০ বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র একটি ম্যাচ
কাজেই বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেলবে বলে যারা হাঁকডাক করেছিলেন তারা যে যুক্তিহীন অতিরঞ্জন করেছিলেন সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ফলাফল নিয়ে আমার তেমন কোনো বক্তব্যও নেই
কিন্তু খেলায় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের যে শরীরী ভাষা তা ছিল সম্পূর্ণ অখেলোয়াড়সুলভ
তারা খেলাটা উপভোগ করতে পারেননি
মনে হয়েছে দলে কোনো সমন্বয় নেই
একজন আরেকজনকে চেনেন না
কখনো কখনো মনে হয়েছে খেলা শেষ হলেই যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন
হাসি নেই, উচ্ছ্বাস নেই
এবার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ছেলেরা এবং ক্রিকেট বোর্ডই যেন পরস্পর প্রতিপক্ষ হিসেবে মঞ্চে আবিভর্'ত হয়েছে
প্রথম রাউন্ডের প্রথম খেলায় বাংলাদেশ যখন স্কটল্যান্ডের সঙ্গে হারল তখনই বোর্ড সভাপতি হুঙ্কার দিলেন
ভাবখানা দেখে মনে হলো এবার বাগে পেয়েছি
ক্রিকেটারদের ধুয়ে দিলেন
মনে হলো স্কটল্যান্ডের কাছে হারার জন্যই তিনি অপেক্ষায় ছিলেন
আবার ওমানের সঙ্গে জয়ের পর পাল্টা আক্রমণ করলেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ
একটি জাতীয় দলে এ ধরনের প্রকাশ্য গৃহদাহ নজিরবিহীন
আমাদের দেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে কিছু অযোগ্য, দায়িত্বহীন মানুষ বসে আছেন
শুধু বসে নেই, এরা যেন পাথরের মূর্তি
এদের সরানোর কোনো উপায় নেই
আমৃত্যু এরা একটা পদ আঁকড়ে থাকেন
তেমনি একজন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি
কোন যোগ্যতায় তিনি বছরের পর বছর ক্রিকেট বোর্ড শাসন করছেন সে প্রশ্নের উত্তর আমি অন্তত খুঁজে পাই না
তবে নাজমুল হাসান পাপনের একটা অদ্ভুত গুণ আছে
বাংলাদেশ ভালো খেললে সব সাফল্য তিনি শুষে নেন
ভাবখানা এমন বাংলাদেশ জিতেছে তাঁর জন্যই
এটা হতেই পারে
বিসিবির সভাপতি হিসেবে ক্রিকেটের অভিভাবক তিনি
দল ভালো করলে সাফল্য তো তাঁর পকেটে ঢুকবেই
নাজমুল হাসান সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হন
প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন
ভারিক্কি ভঙ্গিতে চামচাদের স্তুতিতে গদগদ করেন
আবার বাংলাদেশ হেরে গেলে তিনি যেন হাঁস হয়ে যান
ব্যর্থতার এক চিমটি দায় নিতে রাজি নন
তখন তিনি খেলোয়াড়দের ওপর চড়াও হন
মাঝেমধ্যে আমার মনে হয় তিনি যেন পাড়ার 'বড় ভাই'
ক্রিকেটের কিছুই বোঝেন না, কিন্তু মাতব্বরি করেন ষোল আনা
পাড়ার ছেলেরা হারলে বড় ভাই পোলাপানকে রিমান্ডে নেন
খিস্তি করেন
কাউকে কাউকে কান ধরে উঠবোস করান
বেশি খারাপ খেলে যারা তাদের ওপর এক ঘা বসিয়ে দেন
পাপনও তেমনি, বাংলাদেশ হারলেই খেলোয়াড়দের ওপর এমনভাবে চড়াও হন যেন ক্রিকেটাররা অপরাধী, আসামি
পাপনতন্ত্রের মূল কথা হলো 'সাফল্য যা আমার, ব্যর্থতা ক্রিকেটারদের'
তাঁর কোনো জবাবদিহি নেই
তিনি সর্বেসর্বা
আবার আমার মাঝেমধ্যে পাপনকে বোর্ডের সভাপতি নয়, হেড কোচ মনে হয়
কোন খেলোয়াড় খেলবেন না খেলবেন এ সম্পর্কে গণমাধ্যমে অকপটে বলেন
কোন খেলোয়াড় ওপেনিং করবেন, কে বোলিং করবেন এ নিয়ে বিসিবি সভাপতির বক্তব্য প্রায়ই শালীনতার সীমা অতিক্রম করে