content stringlengths 0 129k |
|---|
যদি ব্যথা পান তাহলে বুঝতে হবে আপনার হজমে গন্ডগোল আছে |
এরপর আপনি বাঁ হাতের স্টমাক পয়েন্টে (প্রথম ছবিতে দেওয়া পয়েন্ট) চাপ দিন; এখানেও ১০০ বার করে চাপ দিন, এখানে চাপ শেষ হলেই কবজির নিচে পয়েন্ট দুই হাতেই একশবার করে করে চাপ দিন |
পেটের সমস্যা থাকলে এখানে চাপ দিলে পেটের সমস্যা কমবে |
মনে রাখতে হবে সব কটি পয়েন্টেই ১০০ করে চাপ দিতে হবে |
সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেই আকুপ্রেশার করা উত্তম |
তারপর রাতে শোয়ার আগে রাতের খাবারের অন্তত এক ঘণ্টা পর আকুপ্রেশার করা উত্তম |
সপ্তাহে ছয় দিন নিয়মিত আকুপ্রেশার করবেন, সপ্তাহে এক দিন বিরতি দেবেন |
এভাবে এক মাস আকুপ্রেশার করেই দেখুন, এতে আপনি কী কী উপকার পান |
নিয়মিত ও সঠিক উপায়ে আকুপ্রেশার করা গেলে আপনি এই ফ্যাটি লিভারসংক্রান্ত সমস্যায় উপকার পাবেন |
লিম্ফ গ্রন্থি আমাদের শরীরে জমে থাকা বর্জ্য বের করতে সাহায্য করে, এটাই লিম্ফ পয়েন্ট |
ফ্যাটি লিভারে কী খাবেন, কী খাবেন না |
ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসার প্রধান দিকটাই হচ্ছে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনা |
নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম করা এবং পাশাপাশি খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া |
শুধু যে রেড মিট যেমন খাসি বা গরুর মাংস, ডিমের কুসুম, চিংড়ি মাছ, পনির, মাখন, বিরিয়ানি ইত্যাদি হাই-ফ্যাট খাবার পরিহার করতে হবে তা-ই নয়, পাশাপাশি অতিরিক্ত শর্করা যেমন ভাতের ব্যাপারেও খুব সাবধান থাকতে হবে |
কারণ, অতিরিক্ত শর্করাযুক্ত খাবার খেলে তা লিভারে গিয়ে চর্বি হিসেবেই জমা হতে থাকে |
একইভাবে সাবধান থাকতে হবে বাইরের খাবার, প্যাকেট খাবার, ফাস্ট ফুড এবং জাঙ্ক ফুডের ব্যাপারেও |
পাশ্চাত্যের মতো ফাস্ট ফুড কালচারের ব্যাপক প্রসারের ফলে এ দেশেও এখন বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের প্রাদুর্ভাব খুব বেশি, শিশুদের অবিসিটি বেড়ে গেছে |
লেখক: খাদ্য, পথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ |
প্রথম আলোয় প্রকাশিত: আকুপ্রেসার করে লিভারকে ভালো রাখুন |
প্রতিদিন যতটুকু লবণ গ্রহণ করা উচিত |
| 27, 2021 | , জীবনযাপন, প্রথম আলোয় প্রকাশিত |
লবণ আমাদের খাদ্যতালিকায় অপরিহার্য একটি উপাদান |
প্রতিদিন কতটুকু লবণ আমাদের স্বাস্থ্যের ভারসাম্য বজায় রাখে, কতটুকু খেলে শরীরে নানা সমস্যা তৈরি করে - এই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গাইডলাইন আছে |
মানুষ যেন সেই গাইডলাইন মেনে চলতে পারে |
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করে, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের কারণে মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে |
সঠিক পরিমাপে লবণ গ্রহণ করলে প্রতিবছর ২৫ লাখ মানুষ মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে বেঁচে যাবে বলে তারা আশা করে |
এ জন্য এই সংস্থার দেওয়া গাইডলাইন মেনে চলতে তারা পরামর্শ দিয়ে থাকে |
রান্নায় লবণ কম হলে যেমন খাওয়া যায় না, তেমনই লবণ বেশি হলেও মুখে তোলা দায় |
কম বা বেশি লবণ খাবারের স্বাদ একেবারেই নষ্ট করে দেয়, আবার পরিমাণমতো লবণ সেই খাবারকেই সুস্বাদু করে তোলে |
লবণের মূল উপাদান সোডিয়াম ক্লোরাইড, আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, আমাদের শরীরে ঠিক কতটা লবণের প্রয়োজন, আমরা আমাদের খাদ্যাভ্যাসের দরুন না বুঝেই দৈনিক প্রয়োজনের চেয়ে বেশি লবণ গ্রহণ করে ফেলি |
অত্যধিক লবণ শরীরে বিভিন্ন প্রকার সমস্যা তৈরি করে |
তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দৈনিক মাত্র পাঁচ গ্রাম লবণ গ্রহণ করার কথা বলছে |
পাঁচ গ্রাম আসলে চা-চামচের সমান পরিমাণ |
লবণ নিয়ে আমাদের কেউ প্রশ্ন করলেই আমরা সাফ বলে দিই আমি লবণ খাই না! কিন্তু আমাদের খাদ্যাভ্যাসই হচ্ছে লবণনির্ভর |
ভাত, তরকারি, ডাল, শাক, মাছ, মাংস, ভর্তা সবকিছুতেই লবণ আধিক্য |
এমনকি আমরা সালাদ, কাঁচা ফল লবণ দিয়ে খাই |
সকালে নাশতা, বিকেলের নাশতা রুটি, পুরি, সমুচা, শিঙাড়া, বড়া, নুডলস সুপ সবই লবণে তৈরি |
সব মিলিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন থেকে দুই থেকে তিন গুণ খেয়ে থাকি |
একটি পরিবারের চারজনের মাসে ১ কেজির বেশি লবণ লাগে অর্থাৎ প্রতিজন ২৫০-৩০০ গ্রাম, দৈনিক হিসাবে ৯-১০ গ্রাম লবণ গ্রহণ করি, যা গাইডলাইন থেকে দ্বিগুণ |
আর যদি সপ্তাহান্তে পোলাও, বিরিয়ানি, হালিম, নুডলস খেয়ে থাকি, তাহলে লবণ গ্রহণের পরিমাণ আরও বেড়ে যায় |
এটা অতি সাধারণ চিত্র আমাদের সব পরিবারে |
আর ফাস্ট ফুডে লবণের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে |
লবণের ভালো-মন্দ, লবণের গুণাগুণ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আমরা সবাই কি জানি? লবণ আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যের একটি অপরিহার্য অংশ |
লবণ ছাড়া প্রায় প্রতিটি খাবারই অসম্পূর্ণ, লবণ যে শরীরকে শুধু হাইড্রেটেড রাখে তা নয়, থাইরয়েড গ্রন্থি যাতে সঠিকভাবে কাজ করে, তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, শুধু তা-ই নয়. ব্লাডপ্রেশার কম থাকলে বা শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে লবণ বিশেষভাবে সাহায্য করে |
এমনকি লবণের মাধ্যমেই শরীরে আয়োডিনের চাহিদা পূরণ হয়, দেহের মোট তরলের পরিমাণ, অ্যাসিড ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য এবং সাধারণ কোষের কার্যকারিতা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান |
লবণ খাবার নয়! এর রন্ধন সম্পর্কিত ব্যবহারের আর কোনো ন্যায়সঙ্গতা নেই |
পটাশিয়াম ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, বেরিয়াম ক্লোরাইডের চেয়ে বেশি বা ড্রাগজিস্টের অন্য কোনো রাসায়নিক |
শরীরের দ্বারা লবণ হজম করা যায় না, লবণের নেই পুষ্টির মূল্য! লবণের কোনো ভিটামিন নেই, জৈব খনিজ নেই! পরিবর্তে, এটি ক্ষতিকারক এবং এতে সমস্যা সৃষ্টি করে কিডনি, মূত্রাশয়, হার্ট, ধমনি, শিরা ও রক্তনালিগুলো |
লবণে জলাবদ্ধ হয়ে টিস্যুগুলোর ফোলা ভাব এবং এডিমা সৃষ্টি করে |
লবণ গুরুতর চিকিৎসা সমস্যা সৃষ্টি করে এবং হার্টের বিষ হিসেবে কাজ করতে পারে |
এটা স্নায়ুতন্ত্রকেও জ্বালাতন করে |
লবণ শরীর, হাড় ইত্যাদি থেকে ক্যালসিয়াম ছিনিয়ে নেওয়ার কাজ করে এবং শ্লেষ্মা আক্রমণ করে শরীরজুড়ে আস্তরণ তৈরি করে |
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ক্ষতিকর |
গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করলে নানা ধরনের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে |
যেমন: হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড, স্নায়ুর সমস্যা, কিডনি সমস্যা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় |
মানুষ বুঝে ওঠার আগেই অনেক ক্ষতি হয়ে যায়, ইদানীং লক্ষ করবেন যে আমাদের আশপাশে আত্মীয়স্বজনের মধ্যে কিডনি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর উচ্চ রক্তচাপজনিত রোগী তো ঘরে ঘরে, যার ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়ে |
দৈনিক লবণ গ্রহণের পরিমাণ কমানো উচিত কেন? অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ, মূলত লবণের মাধ্যমে এবং অপর্যাপ্ত পটাশিয়াম গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী |
গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দৈনিক পাঁচ গ্রামের কম লবণ গ্রহণ কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা, হার্ট অ্যাটাক প্রভৃতির ঝুঁকি কমায় |
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বেশির ভাগ মানুষই প্রতিদিন গড়ে ৯-১২ গ্রাম লবণ গ্রহণ করে, যদি বিশ্বব্যাপী লবণ গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়, তাহলে বছরে আনুমানিক ২৫ লাখ মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হতে পারে |
নতুন গাইডলাইন কেন? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী লবণ গ্রহণের পরিমাণ ৩০ শতাংশ হ্রাস করার জন্য বলা হচ্ছে |
বিশ্বজুড়ে প্রক্রিয়াজাত খাবারের ব্যবহার প্রতিদিনের সোডিয়াম গ্রহণের পরিমাণ দ্রুত বাড়াচ্ছে |
এই নতুন গাইডলাইন, সব দেশের বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলোতে সোডিয়াম হ্রাস করার জন্য নির্দেশিকা দেবে |
প্রক্রিয়াজাত খাবারের ক্রমবর্ধমান উৎপাদন, দ্রুত নগরায়ণ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনগুলো খাদ্যতালিকা রূপান্তরে সহায়তা করছে |
বিশ্বজুড়ে মানুষ বেশি পরিমাণে শক্তি-ঘন খাবার গ্রহণ করে, যা স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ট্রান্স ফ্যাট, চিনি ও লবণের পরিমাণ বেশি |
লবণ সোডিয়ামের প্রাথমিক উৎস এবং সোডিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে যুক্ত এবং কিডনি, হৃদ্রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত |
খাদ্যতালিকায় লবণ বেশি আছে এমন প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ না করার জন্য বলা হয়েছে |
কারণ, সেগুলোতে বিশেষত লবণ বেশি থাকে (যেমন প্রস্তুত খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন বেকন, হ্যাম ও সালামি, পনির, নোনতা খাবার এবং ইনস্ট্রান নুডলস, বড় পরিমাণে প্রায়ই খাওয়া হয়, রুটি ও প্রক্রিয়াজাত সিরিয়াল পণ্য |
রান্নার সময় টেবিলে সয়া সস, ফিশ সস ও টেবিল লবণ |
কৌশল করে লবণ গ্রহণের মাত্রা কমানো যেতে পারে, বিশেষ করে সকালে নাশতা যদি ফল দিয়ে করা যায়, সে ক্ষেত্রে কমে গেল, দ্বিতীয়ত, দুপুরে ও রাতে যদি খাওয়ার সঙ্গে অর্ধেক সালাদ খাওয়ার অভ্যাস করা যায়, তাহলে লবণ কমে যাবে |
তাতে শরীর ভালো থাকবে এবং লবণের দ্বারা যে ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তা-ও কমে আসবে |
লেখক: খাদ্য পথ্য ও আকুপ্রেসার বিশেষজ্ঞ |
প্রথম আলো লিংক: প্রতিদিন যতটুকু লবণ গ্রহণ করা উচিত |
হার্ট ভালো রাখতে আকুপ্রেশার |
| 26, 2021 | , , প্রথম আলোয় প্রকাশিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য |
বিবিএসের জরিপ, করোনার চেয়ে ৩৬ গুণ বেশি মৃত্যু হয় হৃদ্রোগে |
আমাদের সবার মধ্যে একটা উপলব্ধি কাজ করে এমন যে করোনায় অনেক বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে |
কিন্তু পারসেপশন সব সময় সঠিক হয় না |
করোনার চেয়েও বেশি মানুষ মারা গেছে হৃদ্রোগে |
আপনি কতটুকু সচেতন, আপনি কি হৃদ্রোগের ঝুঁকিতে আছেন? যদি ঝুঁকিতে আছেন বলে মনে হয়, তাহলে কী করবেন? সাধারণ হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন |
হৃদ্রোগে বিকল্প চিকিৎসা আকুপ্রেশার এখন বেশ সাড়া ফেলেছে |
আপনি আপনার হাত চেপে জেনে নিতে পারবেন, আপনি হৃদ্রোগের কতটুকু ঝুঁকিতে আছেন, বিশেষ করে যদি কোনো উপসর্গ না-ও থাকে |
করোনারি হৃদ্রোগ কী |
করোনারি হৃদ্রোগ (সিএইচডি) করোনারি ধমনির মধ্যে বাধা সৃষ্টি করে বা পাতলা হয়ে যায়, সাধারণত যা অ্যাথেরোসক্লেরোসিসের দ্বারা সৃষ্ট |
ধমনির অভ্যন্তরীণ দেয়ালে কোলেস্টেরল ও চর্বি জমে যায়, তাকে অ্যাথেরোসক্লেরোসিস (ধমনির 'শক্ত হয়ে যাওয়া' বা 'ক্লগিং' নামেও পরিচিত) বলা হয়ে থাকে |
এই চর্বি ধমনিতে রক্ত চলাচলের গতি কমিয়ে দিয়ে হৃৎপিণ্ডে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে |
এ কারণে হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ কমে যায় |
হৃৎপিণ্ডকে স্বাভাবিক রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে অক্সিজেন এবং বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস হৃৎপিণ্ডে পৌঁছাতে পারে না |
এ কারণে বুকে ব্যথা হতে পারে |
যদি হৃৎপিণ্ডের একটি পেশিতে রক্তপ্রবাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়, অথবা শরীর থেকে যে পরিমাণ শক্তি হৃৎপিণ্ডে যাওয়ার কথা, সেগুলো না গেলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে |
সাধারণভাবে হার্ট-সংক্রান্ত যেকোনো অসুখকেই হৃদ্রোগ বলা হয়ে থাকে |
যেটাকে এখন বর্তমান সভ্যতার রোগ বলা হয় |
এ রোগের কয়েকটি ধাপ আছে, তেমনি আলাদা নামও রয়েছে, যেমন করোনারি হৃদ্রোগ, কার্ডিও মায়োপ্যাথি, উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদ্রোগ, হার্ট ফেইলিউর, হৃৎপিণ্ডের ডান পাশ অচল হয়ে যাওয়া, শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যাহত হওয়া, ভালভুলার ডিজিজ ইত্যাদি হার্টের অসুখের মধ্যে পড়ে |
মানুষের হৃৎপিণ্ডের মধ্যে করোনারি আর্টারি নামে দুটি ছোট ধমনি থাকে |
এই ধমনিই হৃৎপিণ্ডকে সচল রাখতে সাহায্য করে বা হৃৎপিণ্ডকে পুষ্টির জোগান দেয় |
কোনো কারণে এই করোনারি আর্টারি যদি ব্লক হয়ে যায়, তাহলে যে এলাকায় ওই আর্টারি বা ধমনি রক্তের পুষ্টি পৌঁছে দিতে পারে না, সেই জায়গার হৃদ্পেশি কাজ করে না |
তখনই হার্ট অ্যাটাক হয় |
এ সমস্যা যেকোনো সময় যে কারও হতে পারে |
কাজ করতে করতে, ঘুমের ঘোরে সকাল-রাতে যেকোনো সময় হতে পারে |
হঠাৎ ভারী কোনো কাজ করলে, বাইরে ঠান্ডা আবহাওয়ায় থাকলেও এ রোগ হতে পারে |
অনেক সময় এই সমস্যাগুলো নিঃশব্দে দানা বাঁধে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.