content
stringlengths
0
129k
অভিজিৎ|2016-12-2721:41:33+06:00জুলাই 9, 2012|: জ্যোতির্বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, বিজ্ঞান|: অভিজিৎ বিজ্ঞান, ঈশ্বর কণা, গড পার্টিকেল, সত্যেন বোস, সার্ন, হিগস, হিগস বোসন|86
সুইজারল্যান্ডে কয়েকদিন
সারা বছর কাম কাজের ভিড়ে ঘোরাঘুরির যে খুব একটা সময় পাই তা নয়
তারপরেও চেষ্টা করি বছরে দুই একবার যাবতীয় কাজ কর্ম সব শিকোয় তুলে সপ্তাহ-খানেকের জন্য লাপাত্তা হয়ে যাওয়ার
লাপাত্তা মানে কেবল বাড়ি কিংবা শহর থেকে হাওয়া নয়, একেবারে বারাক রাজার দেশ থেকেই সপরিবারে পলায়ন
এতে করে দুটা উপকার
একঘেয়ে কাম কাজের আবর্জনা থেকে অন্ততঃ সপ্তাহ-খানেকের জন্য হলেও রেহাই পাওয়া যায়, এতে দেহ মনে কেমন একটা ফুর্তি ফুর্তি ভাব আসে, মন প্রাণ চাঙ্গা হয়; আর এর পাশাপাশি নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ, নতুন কৃষ্টির সাথে একটা পরিচয় ঘটার সুযোগ হয়ে যায় (নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ, নতুন কৃষ্টি! কী বড় বড় কথা !হু! আ...
কৃষ্টি হোক আর ধান্ধা হোক, সুইজারল্যান্ড দেশটা নেহাত মন্দ না
ছবির মতন দেশ
একবার গেলে আর ফিরতে মন চাইবে না
আমারো কি ছাই চাইছিলো? এ বছরের (২০১২) মার্চ মাসের শেষ থেকে এপ্রিলের পুরো প্রথম সপ্তাহটা কাটিয়ে এলাম সুইজারল্যান্ডে
কেমন যেন ঘোরলাগা পরিবেশ
সবুজ প্রান্তর ঘেঁষে উঁচু পাহাড়, সুনীল আকাশ আর বহমান নদীর তীর ঘেঁষা শহর
আমরা ছোটবেলায় ছবি আঁকার খাতায় যে অবারিত সবুজের যে ছবি আঁকতাম, পুরো সুইজারল্যান্ডই যেন সেরকম সবুজ প্রান্তরের এক ছিমছাম ক্যানভাস
এই যে এই ছবিটার কথাই ধরুন -
এরকম কত ছবিই তো আমরা ছেলেবেলায় এঁকেছি, তাই না! বয়ে চলা নদী, দু-পাশে বিস্তীর্ণ মাঠ আর মাঝে সাঝে ছোট ছোট কুঁড়ে ঘর; দূরে ঝাউ-বন আর উপরে নীল আকাশের ফালি
খুব চেনা নয় কি ছবিটা? আমারো খুব চেনা চেনা লাগে দেখলেই, মনে পড়ে যায় ছোটবেলাকার ছবি আঁকার খাতাটার কথা
এ ছবিটা দেখলে কে বলবে এটা আমাদের পুরনো ভাঙ্গাচোরা ক্যামেরায় তোলা, জুরিখ লেকে নৌ-ভ্রমণের সময়?
তবে সুইজারল্যান্ডে কেবল নদী আর সবুজ মাঠই নেই, উপরি পাওনা হিসেবে আছে শ্বেত শুভ্র বরফাচ্ছাদিত পাহাড়
ভাবছেন কয় ছিলিমের গাঁজা খেয়ে লিখতে বসেছি! মার্চ মাসের গরমে আর বরফ কোথায়
এই বার বুঝি রাম ধরা! তবে কানে কানে বলে রাখি সুইজারল্যান্ডের কোন কোন জায়গায় সারা বছরই তুষারাচ্ছন্ন থাকে
তবে সে সমস্ত জায়গায় আপনি হেঁটে বা বাসে করে যেতে পারবেন না
আপনাকে চাপতে হবে এক বিশেষ ধরণের বাহনে
নাম তার গ্লেসিয়ার এক্সপ্রেস
সুইসরা আদর করে বলে - 'স্লোয়েস্ট ফাস্ট ট্রেন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড'
আট ঘণ্টা ধরে আপনি ট্রেনে চেপে গজকচ্ছপ গতিতে চলতে চলতে সুইজারল্যান্ডের এ মাথা থেকে ও-মাথা পর্যন্ত মোহনীয় সব দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন, আর মাঝে মধ্যেই পেয়ে যাবেন পরম আরাধ্য তুষারাচ্ছাদিত হিমশৈলের দেখা
গ্লেসিয়ার এক্সপ্রেসে চরবেন, কিন্তু গ্লেসিয়ার দেখবেন না তা হয় নাকি!
তো আমরাও দেখলাম
জুরিখের অদূরে নামে একটা জায়গা আছে, ভুলেও এটাকে 'চার' উচ্চারণ করবেন না
সটান তাইলে শচীন তেণ্ডুলেকরের পিটা খেয়ে বাউন্ডারির বাইরে চলে যেতে হবে
ওখানকার লোকে ওটাকে 'ক্ষুর' বলে
যস্মিন দেশে যদাচার
ক্ষুরই সই
সেই ঘোড়ার ক্ষুর থেকে গজেন্দ্র গমনে গ্লেসিয়ার এক্সপ্রেস করে নানা চড়াই উৎরাই পার করে অবশেষে জার্মেট নামে একটা জায়গায় পৌঁছলাম
এর মধ্যে সমভূমি, মালভূমি, মরুভূমি, পর্বতভূমি, পাথুরে ভূমি হিমশৈলভূমি সহ সব ধরণের ভূমিরাজি তো বটেই এমনকি ট্রেনের জানালা দিয়ে এ ধরণের কিছু ছোটখাটো প্রস্রবণও দেখা হল
এমনি একটি ক্ষুদে প্রস্রবণের ছবি দিলাম (ট্রেনের জানালার পুরু কাঁচ ভেদ করে তোলা ছবি বলে খানিকটা ঝাপসা লাগলেও, এর বন্য সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে খুব একটা কষ্ট হবার কথা নয়) -
এভাবে সব কিছু পার টার করে জার্মেট এসে থামলেন গ্লেসিয়ার এক্সপ্রেস ইতি কুঞ্জরঃ
জার্মেট জায়গাটা গ্লেসিয়ার এক্সপ্রেসের একেবারে শেষ স্টেশন
সেখানে নেমে ম্যাটারহর্ন দেখা হল
ও ভাল কথা - ম্যাটারহর্ন হচ্ছে একটা সুইস-ইতালি সীমান্তের একটা পর্বতশৃঙ্গের নাম
ইতালিয়ান নাম মন্টে কার্ভিনো
আর ফ্রেঞ্চ নাম মন্ট কার্ভিন
তবে ইতালি, ফ্রান্স জার্মনরা যে নামেই ডাকুক না কেন উচ্চতায় সাড়ে চোদ্দ হাজার ফুটকেও ছাড়িয়ে যাওয়া পাহাড়টা পৃথিবীতে সুইস বা সুইজারল্যান্ডের ছাপ্পা মারা পর্বতশৃঙ্গ হিসেবেই বেশি বিখ্যাত; এমনকি এটা অনেকের কাছেই এখন সুইস-আল্পস পর্বতমালার প্রতীক
ভারতে কাঞ্চন জঙ্ঘা দেখতে যেমন লোকে ভিড় করে, ঠিক তেমনি বহু লোক জার্মেট স্টেশনে নেমেও উদাস নয়নে ম্যাটারহর্নের দিকে তাকিয়ে থাকে
তখন সূর্য ডুবে প্রায় সন্ধ্যা
আমরাও তাকালাম
পুব আকাশের পর্বত শৃঙ্গটা দেখতে অনেকটা এরকমের লাগলো -
ভাবছেন এ আর এমন কী! সামান্য পাহাড় বই তো কিছু নয়
কিন্তু ম্যাটারহর্নের আসল মজাটা সন্ধ্যে বেলায় নয়
সকাল বেলায় সূর্যোদয়ের সময়
প্রভাত-বেলার ম্যাটারহর্নের ছবি একেবারেই আলাদা, সূর্যের প্রথম কিরণ আকাশের ফালি ভেদ করে পর্বতশৃঙ্গে পড়ছে আর ধীরে ধীরে গোটা পাহাড়টা যেন লজ্জায় রক্তিম হয়ে উঠছে, পুরো দৃশ্যটা আমাদের পরিচিত কাঞ্চনজঙ্ঘাকে মনে করিয়ে দেয় অনেকটা এরকমভাবে -
তবে একটা সত্য কথা চুপি চুপি বলে রাখি, প্রত্যুষ-বেলায় ম্যাটারহর্নের লজ্জায় আরক্তিম মুখ দেখার সৌভাগ্য আমাদের হয়নি
ম্যাটারহর্নের প্রথম ছবিটা (মানে সন্ধ্যে বেলার ছবিটা) আমার ক্যামেরায় তোলা হলেও দ্বিতীয়টা নয়, ওটা ইন্টারনেট থেকে মেরে দেওয়া (উৎস এখানে)
এমন নয় যে ম্যাটার্হনে সূর্যোদয় দেখায় আমাদের কোন আগ্রহের কমতি ছিল, কিন্তু তার চেয়েও বড় একটা কৌতূহল আমাদের সে সময় আচ্ছন্ন করে রেখেছিল সে সময়
কৌতূহলের মাত্রা এতোই বেশি ছিলো যে জার্মেটে ম্যাটারহর্নের লজ্জাবিধুর নববধুকে এক ঝলক দর্শন করেই বিদায় দিয়ে উঠে পড়তে হয়েছিল লোকাল ট্রেনে
কারণ যেতে হবে জেনেভা
আমাদের পরম আকাঙ্ক্ষিত সার্ন তো ওখানেই!
জেনেভা যখন পৌঁছুলাম তখন গভীর রাত্তির
প্রায় মধ্যরাত
এই সময় তো আর সার্নে যাওয়া যায় না
তাই কৌতূহলের ঝাঁপি বন্ধই রাখতে হল সকাল না হওয়া পর্যন্ত
অবশেষে সার্ন
সার্নে যাওয়া কেন? কারণ ওটাই এই মুহূর্তে বিজ্ঞানের 'গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ'! জীবন জগতের তাবৎ বড় বড় প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজছেন ঝানু-মাথা বিজ্ঞানীরা ওখানে বসে
এই যে সব পাগলাটে প্রশ্নগুলো - মহাবিশ্বটা কীভাবে তৈরি হল, এটা তৈরি হয়েছেই বা কী দিয়ে, এর পেছনে কোন্‌ কোন্‌ প্রাকৃতিক বলগুলো কাজ করছে, মহাবিশ্ব যে প্রাকৃতিক নিয়মগুলো মেনে চলে তার উৎসই বা কোথায়, আমরাই বা এলাম কোথা থেকে, আমাদের গন্তব্যই বা কোথায়... সবই এখানকার বিজ্ঞানীদের গবেষণার অন্তর্ভুক্ত
আমার কথা যদি আপনার বিশ্বাস না হয় তবে আপনাকে সার্নের ভ্রমণার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ভবনটা ঘুরতে হবে
ভবনটা দেখে আহামরি কিছু মনে হবে না
ওটার ঠিক উল্টোদিকে গ্যালিলিও গ্যালিলি স্কয়ার আছে, সেটাই হয়তো আপনার নজর কাড়বে সবার আগে
সেখানে ঢুকলে প্রথমেই মুখোমুখি হবেন জগতের অন্তিম সব প্রশ্নগুলোর যা আপনাকে আচ্ছন্ন করেছে জীবনের কোন না কোন সময় -
তবে সার্নের মূল আকর্ষণ অবশ্যই দার্শনিক কচকচানি প্রতিষ্ঠা নয়, বরং সমগ্র পৃথিবী-বাসীর যাবতীয় আকর্ষণ শ্যেন চক্ষুর নীচে আছে পৃথিবীর বৃহত্তম কণা ত্বরক হিসেবে স্বীকৃত সেই লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার, যাকে সংক্ষেপে আমরা বলি
সে এক বিশাল যন্ত্রদানব
আমাদের কোন ধারনাতেও আসবেনা কতটা বিশাল
জেনেভার সীমান্তে জুরা পাহাড় বলে একটা জায়গা আছে, সেখানে নানা কায়দা কসরত করে মাটির পঞ্চাশ থেকে একশ পঞ্চাশ মিটার (মানে প্রায় ১৬৫ ফুট থেকে পাঁচশ ফুট) নীচে ২৭ কিলোমিটার (মানে প্রায় সাড়ে সতের মাইল) পরিধির ধাতব এক টিউব বসানো হয়েছে
নীচে একটা ছবি দিলাম ব্যাপারটা বোঝাতে
আর পাশাপাশি লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের পাশে আমার পোস মারা একটা ছবি না দিলে কি হয়?
হেঃ হেঃ লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের পাশে আমার ছবি দেখে যারা বিস্মিত হচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলি, নাহ ওটা আসল কোলাইডার নয়, দর্শনার্থীদের জন্য রাখা একটা মডেল-মাত্র
বলা বাহুল্য, এই লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার ব্যাটা শুধু সুইজারল্যান্ডেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, সুইজারল্যান্ডের লেক জেনেভার নীচ দিয়ে চলে গেছে একেবারে ফ্রান্স অব্দি
এখন কথা হচ্ছে এত কষ্ট করে এই টিউব বসানোর প্রয়োজন পড়লো কেন? টিউব বললাম বটে কিন্তু টিউবের মধ্যে রয়েছে নানা ধরণের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি, যেগুলো একচুল এদিক ওদিক হলে যন্ত্রটা আর কাজ করবে না
আর তার উপরে রয়েছে আবার চার জায়গায় চার ধরণের বিশাল পার্টিকেল ডিটেক্টর বা কণা সনাক্তকারক
এলিস (), আটলাস (), সিএমএস () এবং এলএইচসিবি ()
তা এই প্যাচাইন্না টিউবের যত ক্যারিশমাই থাকুক না কেন, মনে রাখতে হবে - এই হতছারা টিউবটাই যত নষ্টের গোঁড়া, যাবতীয় কুকর্ম আর কৃষ্ণলীলার আঁধার
ঐ যে আমরা জানি প্রায় ১৩.৭ বিলয়ন বছর আগে এক বিশাল বিস্ফোরণ হয়েছিলো আর তার ফলশ্রুতিতে তৈরি হয়েছিলো এই মহাবিশ্ব, সেটার পুরোপুরি না হলেও এক ধরণের কৃত্রিম দশা তৈরি করতে পারবেন বিজ্ঞানীরা এই ধাতব টিউবের মধ্যে
আমরা তো জানি এ মহাবিশ্বের কিভাবে শুরু হয়েছে তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের নানা তত্ত্ব ছিল, এখনো আছে
আর ধার্মিক-বাবাদের 'কুন ফায়া কুন" কিংবা 'ছয় দিনে বিশ্বসৃষ্টি অরে সপ্তম দিনে সাবাত' গ্রহণের নানা গল্পকথার কথা নাহয় বাদই দিলাম
তবে এর মধ্যে সবচেয়ে স্বীকৃত তত্ত্ব বলে বিজ্ঞানীরা যেটা গ্রহণ করে নিয়েছেন সেটা হচ্ছে মহাবিস্ফোরণের প্রমিত বা স্ট্যান্ডার্ড মডেল
তবে প্রমিত মডেলের সবকিছুই যে পরীক্ষালব্ধ-ভাবে প্রমাণিত তা নয়
কিছু কিছু জায়গায় ফাঁক ফোঁকর আছে
কিন্তু ফাঁক ফোকর থাকলেও সে ফাঁকে কি ছাতা মাথা বসবে তা ভালই বুঝতে পারেন বিজ্ঞানীরা
আপনারা যারা নিয়ে ছোটবেলায় খেলা করেছেন তারা জানেন ব্যাপারটা
বিভিন্ন টুকরা জোড়া দিতে দিতে আপনি যখন ক্রমশ বুঝতে পারেন আপনার সামনে একটা পরিচিত ছবি ক্রমশ ফুটে উঠতে শুরু করেছে, তখন দু একটা টুকরা বাকি থাকলেও আপনার বুঝতে সমস্যা হয় না, যে পুরো ছবিটা আসলে দেখতে কেমন হবে, তাই না? সার্নের বিজ্ঞানীরাও মনে করেন নানা ধরনের কণার ধুমধাড়াক্কা সংঘর্ষ (এই সংঘর্ষ যেমনি হতে পারে প্রোটন- প্রোটনে...
ঠিক এমনি একটা জিগস পাজেলের টুকরো খুঁজে পেয়ে ঠিকমতো জোড়া দিতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা, যেটা নিয়ে সারা মিডিয়া এখন তোলপাড়
হ্যাঁ এই সেই হিগ্‌স বোসন কণার সন্ধান লাভ
সেই ষাটের দশক থেকে প্রমিত মডেলের একটা জোরালো অনুমিতি ছিল যে আমাদের এই চিরচেনা মহাবিশ্ব হিগ্‌স কণাদের সমন্বয়ে গঠিত হিগ্‌স ক্ষেত্রের ( ) এক অথৈ সমুদ্রে ভাসছে
এই অথৈ সমুদ্রে চলতে গিয়েই নাকি উপপারমানবিক বস্তু কণারা সব ভর অর্জন করে
যদি হিগ্‌স ক্ষেত্র বলে কিছু না থাকতো, তাহলে কোন বস্তুকণারই ভর বলে কিছু থাকতো না, তা সে রোগা পটকা ইলেকট্রনই হোক, আর হোৎকামুখো হিপোপটেমাস মানে টপ কোয়ার্কই হোক
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, কেবলমাত্র হিগ্‌স ফিল্ড বলে কিছু একটা আছে বলেই এই সব কণারা ভর অর্জন করতে পারছে, যা আবার ফলশ্রুতিতে তৈরি করতে পারছে আমাদের গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ সহ সবকিছুই
চিন্তা করে দেখুন, আমরা ফোটনের মত ভরহীন কণার কথা জানি যারা ছোটে আলোর বেগে
আলোর বেগে ছুটতে পারে কারণ এরা ইলেকট্রন কিংবা কোয়ার্কের মত হিগ্‌স ফিল্ডের সাথে কোন ধরনের মিথস্ক্রিয়ায় জড়ায় না
হিগ্‌স ক্ষেত্রের সাথে মিথস্ক্রিয়ায় না জড়ানোর কারণে তারা থেকে যায় ভর হীন
আর আগেই বলেছি - ভর টরের ঝামেলা নেই বলেই তারা ওমনি বেগে হু হু করে ছুটতে পারে
কিন্তু ওভাবে ছুটলে কি হবে, তারা জোট বাঁধতে পারে না কারো সাথেই