content
stringlengths
0
129k
বিজ্ঞান যারা জানেন তাদের এগিয়ে আসা উচিত
বিজ্ঞানি উচিত বুকাইলিবাদীদের জবাব দেওয়া
অভিজিৎ জুলাই 10, 2012 7:18 পূর্বাহ্ন -
@সঞ্চয় রহমান,
কষ্ট লাগে যখন দেখি বুয়েটের বড় একটি দল মোল্লা
এই কষ্টটা আমারো ছিলো
আমি নিজেই বুয়েটে পড়েছি
কিন্তু বুয়েটে তবলীগের টুপির প্রাচুর্য দেখে ছাত্রাবস্থায় আমি নিজেও অবাক হয়েছি
হওয়ার কথা ছিল উল্টোটা
এর উত্তর পেয়েছি পরে, মূলত দেশের বাইরে আসার পরে
আসলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যেভাবে বিজ্ঞান পড়ানো হয়, তাতে ছাত্ররা বিজ্ঞানের পেছনের দর্শনটুকু শিখে না, শিখে কেবল কীভাবে ডিফারেন্সিয়াল ইকুয়েশন সমাধান করতে হয়, কিংবা শিখে থার্মোডাইনামিক্সে এন্ট্রপির ডেরিভেশন
তারা মালেক স্যারের ক্লাসে বসে বসে ল্যাগ্রাঞ্জের থিওরি মুখস্থ করে, ঐ সংক্রান্ত অংকের চোথা তৈরি করে, তারপর পরীক্ষায় উগ্রে দেয়
নিজেদের আলোকিত করা মানে যে কেবল অংক মুখস্থ করা নয়, তা এরা বোঝে না
বিরাট একটা জগত থাকে তাদের কাছে অনাবিষ্কৃত
এরা গড়ে উঠে নৃতত্ত্ব, সমাজতত্ত্ব, বিবর্তন জীববিজ্ঞান, নন্দনতত্ত্ব, সাহিত্য সংস্কৃতির জ্ঞানবিহীন অসম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে
মনের জানালা থাকে তাদের বদ্ধই, যদিও নিজেদের জাহির করে সবচেয়ে চৌকস হিসেবে
এটা শুধু বুয়েট বলে নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগেও নাকি মোল্লার ছড়াছড়ি
শুনেছি একাত্তরে বড় বড় রাজাকারেরা এই সব বিভাগ থেকেই বেরিয়েছিলো
এখনো এই ডিপার্টমেন্টের ছাত্ররা কেবল বসে বসে কোরানের মধ্যে বিগ ব্যাং খোঁজে
অথচ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা কিংবা কলা বিভাগ থেকে আমরা পেয়েছি আহমদ শরীফ, কবীর চৌধুরী, হুমায়ুন আজাদ, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর মত মুক্তমনা মানুষদের
কারণ মনের জানালা খুলতে হলে সমাজ তত্ত্ব, নৃতত্ত্ব, সাহিত্য সংস্কৃতির জ্ঞান খুবই প্রয়োজন, যেগুলো বাংলাদেশে বুয়েটের কিংবা গণিত বা ফিজিক্স বিভাগের ছাত্ররা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়
সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত বড়জোর একজন শমশের আলী বেরোয়, আহমদ শরীফ বা হুমায়ুন আজাদ নয়
এ আমাদের দেশের বিজ্ঞান শিক্ষার দীনতাই স্পষ্ট করে তোলে
বাইরের বিজ্ঞানীদের মধ্যে কিন্তু বেশিরভাগই ধর্মের সংস্পর্শ বর্জিত (দেখুন এখানে)
স্টিফেন হকিং, স্টিফেন ওয়েইনবার্গ, পিটার হিগস, রিচার্ড ডকিন্সদের মত বড় বড় বিজ্ঞানীরা ধর্মমুক্ত, এবং সেটা প্রকাশে তারা কার্পণ্যও করেন না
এ থেকেই তাদের শিক্ষাব্যবস্থার সাথে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার পার্থক্য পাওয়া যায়
ইললু ঝিললু জুলাই 10, 2012 8:52 অপরাহ্ন -
@অভিজিৎ, সত্যি ই বলেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষার অবস্থা হয়ত খুব ই খারাপ
আমি এস.এস.সি তে সায়েন্সের ছাত্র ছিলাম
কিন্তু পরে সায়েন্স ছেড়ে আর্টসে আসার পর কেন যেন মনে হয়েছে আমি মুক্ত হয়েছি
আমার সায়েন্স ভাল লাগে নি
অবশ্য দোষটা আমার ই হয়ত বেশী
তবে আপনি যে বললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব রাজাকার এই সব ডিপার্টমেন্টের তা আমি সত্যি ই জানতাম না
যা হোক আশা করি এই অবস্থার উন্নতি হবে
সঞ্চয় রহমান জুলাই 23, 2012 1:10 পূর্বাহ্ন -
একমত! মুখস্থ বিদ্যা আর সঠিক উপলব্ধি সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার
এরা সবাই নিজেকে চায়ের কাপে আটকে রেখেছেন
এজন্যই বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত লোকগুলোর (বুয়েটের অনেক প্রকৌশলীই কুরআনের অনুবাদ, হাদিসের ব্যাখ্যা করেছেন) প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়ায় - কী করে (গোঁজামিল) বিজ্ঞানের একটি আবিষ্কারকে কুরআনের আলোকে ব্যাখ্যা করা যায় বা বলা যায় যে এটা আগে কুরআনে বলা ছিল
অথচ পদার্থবিদ্যার প্রাথমিক বিষয়গুলোও যেমন দ্রুতি, ত্বরণ ইত্যাদি তারা বের করতে পারেনি
আজকে যে এই কম্পিউটারটিতে লিখছি, এটার জন্য আমাদের অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে
কোন ধর্মগ্রন্থ বিশেষ করে কুরআন (কুরআন বিশেষ করে বললাম এইজন্য যে, মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ধরণের প্রবণতা বেশী দেখা যায়) থেকে সেটা আসেনি
মুনির হাসানের একটি লেখা পড়ে ভয়ংকর একটি অবস্থা টের পেলাম - বাংলাদেশে নাকি গত এক দশক ধরে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানে পড়ার আগ্রহ ৩৩ শতাংশ কমে গিয়েছে
বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার পরও যখন অবস্থা খুব একটি সুবিধার ছিল না , সেক্ষেত্রে বিজ্ঞানে নিয়ে না পড়লে তো আরো ভয়াবহ ! অবশ্য এটাও ঠিক যে, বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার পর আবার উল্টোদিকে চলাটা দ্বিগুণ ভয়াবহ
তবে ভাবছি, আমাদের দেশে আহমদ শরিফ-হুমায়ুন আজাদ-সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী-কবীর চৌধুরীর মত মানুষ কি আরো তৈরি হবে নাকি অভিজিৎ রায় পর্যন্ত গিয়ে সেটা আটকে যাবে ?
পারভেজ জুলাই 24, 2012 2:56 অপরাহ্ন -
@সঞ্চয় রহমান,
"মুনির হাসানের একটি লেখা পড়ে ভয়ংকর একটি অবস্থা টের পেলাম - বাংলাদেশে নাকি গত এক দশক ধরে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানে পড়ার আগ্রহ ৩৩ শতাংশ কমে গিয়েছে
চিন্তার কিছু নেই
এরা কেউ মাদ্রাসাতে যাচ্ছে না
এরা আর্টস আর কমার্স পড়ছে
মইনুল মোহাম্মদ জুলাই 10, 2012 10:51 অপরাহ্ন -
@সঞ্চয় রহমান,
তা ঠিক বুয়েট এর বড় একটি অংশ মোল্লা
তারপরেও বলা যায় বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে বুয়েট এই সবচেয়ে বেশি নাস্তিক আছে
শনিবারের চিঠি জুলাই 9, 2012 8:49 পূর্বাহ্ন -
লেখাটা ভালো লেগেছে অভিজিৎ দা
বিশেষ করে সত্যেন বসু স্যারের অঙশটুকু
অভিজিৎ জুলাই 9, 2012 9:27 পূর্বাহ্ন -
@শনিবারের চিঠি,
লেখাটি পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ
ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম
জবাব বাতিল
অনুসন্ধান করুন
:
নতুন ব্লগ লিখুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
নিউটনীয় মহাবিশ্ব ও জড়তার উৎস প্রকাশনায়
মাটি- মহাকাশের সঙ্গে জীবনের যোগ খুজতে প্রকাশনায়
শ্রীমদভগবাদগীতা, ভগবানের মুখনিঃসৃত বর্ণবৈষম্যের বিষবাষ্প প্রকাশনায় রতন কুমার শীল
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় মাহাথির আহমেদ তুষার
নারীই বন্ধ প্রকাশনায়
বিষয় অনুযায়ী লেখা
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খে...
টানা অবরোধ-হরতালের কারণে সিনেমা ব্যবসায় ধস নেমেছে
বছর জুড়ে চলচ্চিত্র ব্যবসা নিয়ে ইতিবাচক কথা কেউ কেউ বললেও- বছর শেষে তা ম্লান হয়ে গছে
দেশজুড়ে চলছে জ্বালাও পোড়াও ও গাড়ি ভাঙচুর এসব কারণে মানুষ আতঙ্কে আছে
আর এক্ষেত্রে অন্য সব ব্যবসার সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চলচ্চিত্র ব্যবসাও
বিপাকে আছেন সিনেমা হল মালিকরাও
প্রতিদিন বেশ লোকশান গুনতে হচ্ছে তাদের
হল মালিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেশ কিছু সিনেমাহল খোলা রেখেছেন
কিন্তু সেখানে দর্শক নেই বললেই চলে
তারমধ্যে নতুন ছবি মুক্তি দেয়াটাও এখন ঝুঁকি মনে করছেন নিজ নিজ ছবির প্রযোজকরা
এরমধ্যে নতুন কোনো ছবি মুক্তি পাইনি
নতুন কয়েকটি ছবি মু্ক্তির ঘোষণা এলেও শেষ মুহুর্তে পিছিয়ে গেছে
হলে হল মালিক ও প্রযোজকরা হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত
সনি সিনেমাহল মালিক-প্রযোজক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, একটি ছবি আটকে থাকা মানে ছবির ব্যয় ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়া
আর আটকে না রেখে এমন অস্থির পরিস্থিতিতে রিলিজ করা মানে ছবিটিকে গলা টিপে হত্যা করা
এ অবস্থায় আমরা কি করতে পারি আমি জানি না
দর্শক দেশের এ রকম পরিস্থিতিতে সিনেমা হলে আসবেন না- এটাই স্বাভাবিক
সব মিলিয়ে সিনেমার লোকেরা আমরা এখন পুরোটাই অন্ধকারে আছি
এ অন্ধকার থেকে কিভাবে বের হবো জানি না
আমাদের আলোর পথ দেখান প্লিজ
সাধারণ সময়ে আমাদের যে কালেকশন হতো তা এখন ৫ ভাগে নেমে এসেছে
এ অবস্থা চলতে থাকলে আমাদের পথে বসতে হবে
হল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিয়া আলাউদ্দিন বলেন, আমি যতটুকু জানি অধিকাংশ হলই এখন বন্ধ থাকে
আর যারা খোলা রাখেন তারাও ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারছেন না
প্রতি শো-তে মাত্র ১০-১৫ জন দর্শক হয়
কিন্তু এই অতি সামান্য পরিমাণ দর্শক দিয়ে তো আর সিনেমা হল চলতে বা শো চলতে পারে না
বরং এক্ষেত্রে ক্ষতিই বেশি হয়
আমরা এই অবস্থার অবসান চাই