content
stringlengths
0
129k
এতে বটম কোয়ার্কও আছে
হিগস কণা ঠাণ্ডা লেগে আগে নিজে ভারি হল? আর তারপর অন্যদের ভর প্রদান করল, যারাই তার মিথস্ক্রিয়ায় এল?
অনেকটা তাই
তবে ঠাণ্ডা লাগা বলতে আমি যেটা বলেছি সেটা পদার্থবিদেরা বলেন কন্ডেনসেশন
আমরা জানি জলীয় বাষ্প ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে এসে কনন্ডেন্স করে পানিতে পরিণত হয়
আবার পানি বরফ হয় শূন্য ডিগ্রী সেলসিয়াসে
হিগস ফিল্ড কনন্ডেন্স করে নন-জিরো ভ্যালু ধারণ করে মিলিয়ন বিলিয়ন ডিগ্রীতে (১০ ^ ১৫)
কই অভিজিৎদা, আগে তো বরং বললেন, যে হিগস সমুদ্রে ঢুকে অনেক কনা হাতিসম ভর লাভ করে
হিগস সমুদ্রে প্রচন্ড ধাক্কায় কি করে নতুন কনা বেরিয়ে আসতে পারে? ভর বাড়ানোর সাথে এর সম্পর্ক আছে?
দুটো দুই কণা
হিগস ফিল্ড হিগস কণা দিয়ে তৈরি
আমরা হিগস সমুদ্রে ধাক্কা দিয়ে তার থেকে কিছু কণা পর্যবেক্ষণ করার আশা করেছি, এবং সেটা পেয়েছি
কিন্তু হিগস কণার বৈশিষ্ট্য হল সে অন্য কণাকে ভর প্রদান করে
এটা অনেকটা চিন্তা করতে পারেন এভাবে -
সমুদ্রে বারাকুডা মাছেরা যখন সাঁতার কাটে তারা সমুদ্রের পানির সাথে খুব কম মিথস্ক্রিয়ায় জড়ায়, ফলে তারা যখন সাঁতার কাটে তখন বেশি পানি টানি উপচে পরে না
কিন্তু যখন আমার মত কেউ সাঁতার কাটে তখন পানি টানি উপচে সাড়া
বারাকুডা মাছ কে হাল্কা পাতলা ইলেকট্রন কল্পনা করতে পারেন, আর আমাকে আপ কোয়ার্ক
তাহলেই হবে
তারপরেও না বুঝলে এই ভিডিওটা দেখেন-
://../?=17
হিগস একটি বোসন কণা! এর ভর কি সীমিত?
হ্যাঁ, এটা আসলে সবচেয়ে ভারী বোসন কণা
তবে এটার আলাদা বৈশিষ্ট্য হল সে অন্য কণাদের ভর প্রদান করে
অন্য বোসন কণারা সেটা করতে পারে না
এই জায়গায় আইসা মনে হইল আমি সত্যি বিজ্ঞানের ছাত্র না!
আপনি বিজ্ঞান বিষয়ে যথেষ্টই অনুসন্ধিৎসু
সেটা বজায় রাখলেই হবে
রামগড়ুড়ের ছানা জুলাই 9, 2012 10:06 অপরাহ্ন -
এতদিনে হিগস-বোসন নিয়ে পরিপূর্ণ একটা লেখা পেলাম, সবকিছুই উঠে এসেছে এ লেখাটায়,জানতাম যতই ব্যস্ততা থাকুক অভিজিৎদা একটা লেখা দিবেনই,আবারো বোঝা গেলো অভিজিতদাকে অনেকেই কেন এখনকার সেরা বিজ্ঞান লেখকদের তালিকায় রাখেন
আর সবচেয়ে বড় কথা হিগসের চেয়েও প্রাথমিক কিছুর সন্ধান যদি কখনো বিজ্ঞানীরা পান - যেমন স্ট্রিং - তখন তাদের কী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে? 'মাদার অব গড পার্টিকেল? নাকি খোদার বাপ?
কাকতালীয় ব্যাপার,আমার ছোটো বোনের সাথে এই নিয়ে কথা হচ্ছিলো,ও জিজ্ঞেস করলো হিগসের থেকেও মৌলিক কণিকা পাওয়া গেলে নাম কি হবে? আমি বললাম "গডের আব্বা" কণিকা
(ভ্রমণকাহিনীটা মনে হয় আরেকটু সংক্ষিপ্ত করলে ভালো হতো)
জুলাই 16, 2012 9:22 পূর্বাহ্ন -
@রামগড়ুড়ের ছানা, ভর শুধু হিগস কনা তৈরি করেনা এর সাথে আছে আরও তিনটি কনা
যাদের একত্রে বলে গোল্ডস্টোন বোসনস
নিশাত জুলাই 9, 2012 9:01 অপরাহ্ন -
অসাধারন লাগলো দাদা লেখাটা পড়ে... বিশেষ করে কণাদের নিয়ে কানাকানি বেশ সাহায্য করেছে... শুধু একটা জিনিষ... স্পিন এর টা কেমন হবে এটা বুঝতে পারলে পুরটাই বুঝতে পারতাম...
আহমেদ সায়েম জুলাই 9, 2012 8:39 অপরাহ্ন -
@ অভিজিত্‍ রায়
"অবশ্য যারা রাম বললেই রামছাগল বোঝেন তাদের পদবী থেকে রাম শব্দটা কেঁটে ফেলাই বাঞ্ছনীয় ঠিক যেমন বাঞ্ছনীয় গড পাটিকেল থেকে গড শব্দটা ছেঁটে ফেলার
লেখাটা সহজ করে লেখাতে পড়তে ভালো লাগল
আরিফুর রহমান জুলাই 9, 2012 7:15 অপরাহ্ন -
জম্পেশ ভ্রমনকাহিনী দিয়ে শুরু হয়ে বিজ্ঞান প্রবন্ধে রূপান্তর .. অসাধারন লাগলো লেখাটা
সংবাদিকা জুলাই 9, 2012 7:04 অপরাহ্ন -
যদিও কলেজে আমার মেজর ফিজিক্স ছিলনা তবে ফিজিক্সের দুটো কোর্স করতে হয়েছিল
মৌলিক কণার বৈশিষ্ট্য সহজে বোঝার জন্য নিজের সুবিধার্থে একটি টেবিল বানিয়েছিলাম, যদিও একেবারে সরলীকরণ তবে প্রাথমিক ভাবে সাহায্য করতে পারেঃ
[]://6../-955/_6//57/755/.[/]
অভিজিৎ জুলাই 14, 2012 10:38 অপরাহ্ন -
@সংবাদিকা,
মৌলিক কণার বৈশিষ্ট্য সহজে বোঝার জন্য নিজের সুবিধার্থে একটি টেবিল বানিয়েছিলাম,
চার্টটা এখানে দেওয়ায় ভাল লাগলো
পাঠকেরা কণাগুলোর বৈশিষ্ট সম্বন্ধে একটা ভাল ধারণা পেলেন
অনেক ধন্যবাদ আবারো
অদ্ভুত ছেলে অক্টোবর 13, 2012 3:27 পূর্বাহ্ন -
@সংবাদিকা, ফারমিয়ন্স আর বসন্স এর মধ্যে প্যাঁচ লেগে গিয়েছিল
এখন অনেকটাই বোধগম্য হচ্ছে
জুন 23, 2013 1:04 পূর্বাহ্ন -
@সংবাদিকা, -টা দুর্দান্ত হয়েছে
প্রদীপ দেব জুলাই 9, 2012 5:52 অপরাহ্ন -
সুইজারল্যান্ডের প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি ও সার্নের ছবিগুলোর জন্য ধন্যবাদ
আহা! আমাদের দেশের বিজ্ঞানের বইতে যদি এরকম লেখা থাকতো!!
আকাশ মালিক জুলাই 9, 2012 5:44 অপরাহ্ন -
এর উপস্থাপনায় এ সপ্তাহে ডিস্কোভারি চ্যানেলে সায়েন্স উইক নামে সপ্তাহ ব্যাপি একটি প্রোগাম দেখানো হচ্ছে
সারা রাত জেগে বড় স্ক্রিনে এক বন্ধুর বাসায় বসে যে প্রোগ্রামটি দেখে আসলাম, ঘুম থেকে জেগে উঠে সেই প্রোগ্রামটারই লিখিত পান্ডুলিপি যেন মুক্তমনায় পড়লাম
আমার সব চেয়ে পছন্দের একজন উপস্থাপক
তিনি তার প্রোগ্রামে নাই থেকে আছে কী ভাবে হয়, কার্বন যে প্রাণের জন্যে কতো জরুরী আর তা আসলো কোত্থেকে, এ সব সুন্দর সাবলীল সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন
সিরিজের কিছুটা অংশ এখানে আছে-
://../?=_8&=
আঃ হাকিম চাকলাদার জুলাই 9, 2012 4:22 অপরাহ্ন -
আমি পরমানু কনা সম্পর্কে জানতে অত্যন্ত উৎসাহী
অত্যন্ত সুন্দর সাবলীল ভাষায় আপনার এ প্রবন্ধটা সুন্দর ভাবে সে প্রয়োজনটা মিটিয়েছে
তবে আরো কয়েকবার পড়তে হবে
আপনি কী একটু সম্পর্কে কি কিছু লিখবেন? এটা আমার কাছে এখনো একটা রহস্যময় ব্যাপার রয়ে গেছে এজন্য
নিটোল জুলাই 9, 2012 4:17 অপরাহ্ন -
একেই বলে পরিপূর্ণ লেখা
সবদিক স্পর্শ করা হয়েছে
এমনকি লেখক স্বয়ং গিয়ে স্পর্শ করে এসেছেন !! 😛
সবার অনুরোধ রেখে লেখার জন্য ধন্যবাদ
ভবঘুরে জুলাই 9, 2012 3:31 অপরাহ্ন -
সবচেয়ে বড় কথা হিগসের চেয়েও প্রাথমিক কিছুর সন্ধান যদি কখনো বিজ্ঞানীরা পান - যেমন স্ট্রিং - তখন তাদের কী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে? 'মাদার অব গড পার্টিকেল? নাকি খোদার বাপ?
তখন কিছুই হবে না
দুর্জনের ছলের অভাব হয় না
কোরানের আয়াতে ঠিকই বের করে ফেলবে যে সেটাও কোরানে ছিল
যেমন এধরনের একটা আয়াত বার করতে পারে:
জগতের কোন কিছুই আল্লাহর অজ্ঞাত নয়
উক্ত আয়াতকেই তেনা পেচাইয়া বলবে সেই স্ট্রিং তত্ত্বও আল্লাহর জানা
সুতরাং এদের মত ধড়িবাজদের হাত থেকে অত সহজে পার পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না
কাজী রহমান জুলাই 9, 2012 2:47 অপরাহ্ন -
সবচেয়ে বড় কথা হিগসের চেয়েও প্রাথমিক কিছুর সন্ধান যদি কখনো বিজ্ঞানীরা পান - যেমন স্ট্রিং - তখন তাদের কী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে? 'মাদার অব গড পার্টিকেল? নাকি খোদার বাপ?
কূপোকাত :)) সৃষ্টিবাদী মহাজনেরা আপাতত এই কথাতেই কূপোকাত
পড়ে ফেললাম
জিগস পাযলের ব্যাপারটা চমৎকার সাহায্য করেছে জটিল জিনিষ সহজ করে বুঝতে ()
হেলাল জুলাই 9, 2012 2:39 অপরাহ্ন -
এত সহজ করে কঠিন বিষয় সম্ভবত অভিজিতদার দ্বারাই সম্ভব
এমন একটা পরিপূর্ণ লেখা পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম
তবে আমার কাছে হিগ্স কণার চেয়েও বড় বিস্ময়, অভিজিতদা এত পড়াশোনার সময় পায় কিভাবে? :: :: :: :: ::
সোনায়ন চাকমা জুলাই 9, 2012 2:13 অপরাহ্ন -
খুব ভালো লাগলো দাদা
সময়োপযোগী লেখা
মাহমুদ জুলাই 9, 2012 1:56 অপরাহ্ন -