content
stringlengths
0
129k
দেশের সব রেল লাইনকে ব্রডগেজ ও ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হবে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন
তিনি বলেন, 'সারাদেশে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে
বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ময়মনসিংহের গফরগাঁও রেল স্টেশনে যাত্রী সুবিধা বাড়াতে প্লাটফর্ম উঁচুকরণ, স্টেশন ভবন সংস্কার, এক্সেস কন্ট্রোল ও প্ল্যাটফর্ম শেড নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন
রেলমন্ত্রী বলেছেন, '১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর রেলকে ধ্বংস করা হয়েছিল
ধ্বংসপ্রাপ্ত রেলকে পুনরায় গতি ফিরিয়ে আনেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী ২০১১ সালে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করেন
বর্তমানে রেলওয়েতে অনেক প্রকল্প চলমান আছে
দেশের যেসব এলাকায় রেল সংযোগ নেই, সেখানে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে
যে দেশ যত উন্নত, সে দেশের রেল যোগাযোগ তত উন্নত বলে মন্তব্য করে রেলমন্ত্রী বলেন, 'একটা ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী রেল খাতকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন
' তিনি বলেন, 'গফরগাঁও রেল স্টেশনের বিদ্যমান রেল লাইনের পাশেই ব্রডগেজ লাইন স্থাপন হবে
এই ব্রডগেজ লাইন হবে জয়দেবপুর থেকে জামালপুর পর্যন্ত
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, রেলওয়ের মহাপরিচালক ডিএন মজুমদার, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা প্রমুখ
কাইমেরিজম কি? আপনি যখন বৈধ্য পিতার অবৈধ্য সন্তান এক বুড়ি জুয়ারির মজার ঘটনা হিউম্যান সাইকোলজিঃ জানার আছে অনেক কিছু মেয়েদের যে সমস্ত লোকদেরকে এড়িয়ে চলা উচিৎ আদম ধর্মঃ বাংলাদেশের এক শয়তান উপাসক পরিবারের করুন কাহিনী তথ্য গুলো জেনে রাখুন
যা আপনার ভবিষ্যতে কাজে দেবে গরমে মানুষ কেন স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না? গরমে মানুষের শরীর বৃত্তীয় ও সাইকোলজি ক্যাল প্রভাব ওয়ান সাইড লাভ কি? এটা কি ভাবে বুঝবো? তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের ভবিষ্যৎ কি? ফেমিনিন সাইকোলজি
জাতী সত্বা
ডিরেক্ট্ররস কর্ণার
লাইফ স্টাইল
অনুপ্রেরণা
লাইফ স্টাইল
ওয়ান সাইড লাভ কি? এটা কি ভাবে বুঝবো?
: শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
ওয়ান সাইড লাভ এর ভিতর যে ভালবাসা বিদ্যমান তা অন্য কোন ভালবাসায় পাওয়া যায় না
কারন এই খানে না আছে দেনা পাওনার হিসাব না আছে অন্য কিছু- যাস্ট ভালবাসি তা ভালবেসে যাই
এর মতন হয়
আজ আমরা এই ওয়ান সাইড ভালবাসা নিয়ে একটু ত্যানা প্যাচাবো
মানে এর কিছু বৈশিষ্ট তুলে ধরবো
যা পড়ে আপনি বুঝতে পারবেন
আপনার মনে কারো জন্য ওয়ান সাইড লাভ কাজ করে কি না?
আপনার ভালোবাসার মানুষটি যখন তার কোনো ছবি সোস্যাল মিডিয়াতে আপলোড দিচ্ছে, তখন আপনি সেখানে গিয়ে সবগুলো আইডিকে গোয়েন্দাগিরি করছেন
কিন্তু আপনি জানেন এর কোন মানে নেই
যা করছেন তা শুধু শুধুই করছেন! তবুও আপনার অনিচ্ছা সত্ত্বেও এগুলো করবেন "
যখন সে কাউকে উদ্দেশ্য করে কোনো স্ট্যাটাস কিংবা চেক ইন দিচ্ছে, তখন আপনার খুব হিংসা হচ্ছে
কিন্তু আপনি তাকে কিছুই বলতে পারছেন না " !
তার আপলোড করা সব ছবি দেখে মনে মনে হাজার বার প্রশংসা করবেন, কিন্তু তা সে জানতেও পারবেনা "
সারা দিনে সে সবার সাথে কথা বললেও, আপনাকে ফোন দেওয়ার প্রয়োজন মনে করবে না "
সে কী করছে", এটা আপনি তাকে হয়ত হাজার বার জিজ্ঞেস করতে পারেন
কিন্তু আপনি কী করছেন, তা সে আপনাকে ভুলেও কখনো জিজ্ঞেস করবে না!
সে আপনার এসএমএস এর উত্তর দিক বা না দিক, তাকে করা লাস্ট এসএমএস সে সিন করল কি না, এটা জানতে তার ইনবক্স বারবার চেক করবেন "
আপনি তাকে নিয়ে মাঝে মাঝে কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যাবেন
কিন্তু সে তার কোনো খোঁজই রাখবে না " !
আপনি তাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে হয়ত, রাত পার করে দেবেন
কিন্তু সে তখন দিব্যি ঘুমোবে "
আপনি তার জন্য অযথা কষ্ট পাবেন
দিন শেষে হিসাব করেও বের করতে পারবেন না যে, ওই কষ্টটা ঠিক আপনি কী জন্য পাচ্ছেন "
এত কিছুর পর সবশেষে কি হবে জানেন? সে আপনার কাছে আজীবন অধরাই থেকে যাবে
কিন্তু এই ভালবাসাই প্রকৃত ভালোবাসা
এই ভালোবাসাই দিনশেষে জয় নিয়ে ঘরে ফেরে
কারন, ওয়ান সাইড লাভের অভিযোগের কিছু থাকেনা
থাকেনা, হাজার অভিমানে জমে থাকা কথাগুলো বলার মানুষটি
থাকে শুধু মাঝে মাঝে আছড়ে পড়া কিছু দীর্ঘনিঃশ্বাস, আর জমে থাকে, না-বলা কতই না অব্যক্ত কথা!
মূলত কথাসাহিত্যিক
পাশাপাশি তিনি কথাসাহিত্য-বিষয়ক প্রবন্ধ লেখেন
সেই সঙ্গে অনুবাদ করেন
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা চার
প্রথম গল্পগ্রন্থ 'দ্বিধা' প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশনী
দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ 'আদিম বুদবুদ অথবা কাঁচামাটির বিগ্রহ' প্রকাশ করেছে রাত্রি প্রকাশনী
এই বইয়ের জন্যে তিনি অরণি ছোটগল্প পুরস্কার-১৩ পান
এবং একটি গল্পের জন্য পান বৈশাখি তোমার গল্পে সবার ঈদ-১৩ পুরস্কার
গল্পটি পরে নাটক আকারে নির্মিত হয়
এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার দুটি বই
প্রবন্ধের বই 'আলোচনা-সমালোচনা, প্রসঙ্গ কথাসাহিত্য' ও গল্প ও গল্পবিষয়ক বই 'বিশ্বগল্পের বহুমাত্রিক পাঠ'
বইদুটি প্রকাশ করেছে অনু্প্রাণন প্রকাশনী
'বিশ্বগল্পের বহুমাত্রিক পাঠ' বইটির কথা আলাদা করে বলতে হয়
বইটি ইতোমধ্যে বেশ আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়েছে
বিশ্বসাহিত্যের বেশ কটি উল্লেখযোগ্য গল্প এখানে ধরে ধরে আলোচনা করা হয়েছে
এ ধরনের বই বাংলাদেশে এর আগে কেউ করেনি
গল্পকার মোজাফফর হোসেনকে আমরা এই বইতে একজন অনুবাদক, একজন বিশ্লেষক ও একজন সম্পাদক হিসেবে পাই
গর্ভাবস্থার ২৫ তম সপ্তাহে গর্ভের ভ্রূণের দ্রুত বিকাশ ঘটতে থাকে
তার মস্তিষ্ক, ফুসফুস এবং পরিপাকতন্ত্রসহ অন্যান্য অঙ্গগুলো শরীরের নিজ নিজ স্থানে গঠিত হয়ে যায়, যদিও এগুলোর পরিপূর্ণ বিকাশ হতে আরও বেশ কিছু সময় প্রয়োজন
বেশিরভাগ মায়েরা হয়তো আরও কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই গর্ভের শিশুর নড়াচড়া বুঝতে শুরু করেন
তবে প্রথমবার মা হতে যাওয়া অনেক নারীই হয়তো এই সময়ে এসে ভ্রূণের নড়াচড়া প্রথমবারের অনুভব করা শুরু করতে পারেন
...
২৫ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা
গর্ভাবস্থার ২৫ তম সপ্তাহকে প্রেগন্যান্সির দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারের ১২তম সপ্তাহ হিসেবে ধরা হয়
এ সপ্তাহের অবস্থান গর্ভাবস্থার ষষ্ঠ মাসে
গর্ভধারণের ২৫ তম সপ্তাহে গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি
নবজাতক শিশুর আশেপাশে কোন উচ্চ শব্দ অথবা দ্রুত নড়াচড়া হলে শিশুকে আঁতকে উঠতে দেখা যায়
উচ্চ কোন শব্দ হলে শিশু সাধারণত তার মাথা পিছনের দিকে হেলিয়ে দেয় এবং হাত পা ছুঁড়ে কাঁদতে শুরু করে, আবার হাত এবং পা শরীরের দিকে ভাঁজ করে কুঁকড়ে যায়
শিশুর এই প্রতিক্রিয়াকে মোরো বা স্টার্টল রিফ্লেক্স ( ) বলা হয়
গর্ভাবস্থার ২৫তম সপ্তাহ থেকেই ভ্রূণের এই রিফ্লেক্সের বিকাশ হতে শুরু করে
এর মানে হলো, কোনো উচ্চ শব্দে বা মায়ের হঠাৎ নড়াচড়ায় ভ্রূণটি চমকে উঠে হাত পা ছুঁড়তে শুরু করতে পারে, এমনকি তার হেঁচকি তোলাও শুরু হয়ে যেতে পারে
ভ্রূণের এই নড়াচড়াগুলো মা খুব সহজেই অনুভব করতে পারবেন
গর্ভের শিশুটি এসময় শরীর বাঁকিয়ে তার পা স্পর্শ করতে ও ধরে রাখতে, এবং হাত মুষ্টি করতে পারবে
তার শ্রবণশক্তির মাধ্যমে সে পরিচিত কণ্ঠস্বর চিনতে এবং সবার মাঝ থেকে মায়ের গলার স্বর আলাদা করে বুঝতে শুরু করতে পারে
ভ্রূণের আকার ২৫ তম সপ্তাহে একটি বাঁধাকপির সাথে তুলনা করা যায়
এসময় ভ্রূণের উচ্চতা থাকে প্রায় ১৩.৬২ ইঞ্চি বা ৩৪.৬ সেমি এবং এর ওজন হয় আনুমানিক ১.৪৬ পাউন্ড বা ৬৬০ গ্রামের মত
২৫ তম সপ্তাহের দিকে এসে ভ্রূণের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক বিকাশের মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে
সেগুলো নিম্নরূপঃ
ভ্রূণের ত্বক এসপ্তাহে এসে আরও বেশি লালচে বা গোলাপি বর্ণ ধারণ করতে থাকে কারণ তার ত্বকের নিচে ক্যাপিলারিস () নামের ক্ষুদ্র রক্তবাহী নালী গঠিত হয় এবং নালীগুলো রক্ত পরিবহন করতে শুরু করে
এছাড়াও ভ্রূণের শরীরে চর্বির স্তর জমতে থাকার কারণে তার ত্বকের ভাঁজগুলো ধীরে ধীরে মিলিয়ে যেতে শুরু করে
২৭ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর...
২৬ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর...
গর্ভধারণের পঞ্চম সপ্তাহ : ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর...
গর্ভের শিশুর হার্ট রেট দেখে কি সন্তান ছেলে না মেয়ে...
অনেক ভ্রূণের এসময় মাথায় চুল গজিয়ে যায় এবং এসময়ে এসে চুলগুলো রং ধারণ করতে শুরু করে
তবে চুলের এই রং তার জন্মের পর পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে
ভ্রুনাবস্থার এই চুলগুলো বেশিরভাগ সময় জন্মের পর ঝরে যায় এবং নতুন চুল গজায়
২৫ তম সপ্তাহে ভ্রূণের ফুসফুসে রক্তনালী গঠিত হতে শুরু করে যাতে ফুসফুস আরও বিকশিত হয়ে ওঠে
ইতিমধ্যেই ভ্রূণটি 'সারফেক্ট্যান্ট' নামের একধরনের তরল উৎপন্ন করতে শুরু করেছে যেগুলো ফুসফুসের বায়ুথলীগুলোকে প্রসারিত হতে সাহায্য করে যাতে মানবশরীর শ্বাস গ্রহণ করতে পারে